Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রকৃত গ্রাহক ও গ্রহীতাদের কাছে ভর্তুকি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজে অর্জিত সাফল্য ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকৃত গ্রাহক ও গ্রহীতাদের কাছে ভর্তুকি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজে অর্জিত সাফল্য ও অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী


বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচির আওতায় ভর্তুকি সহায়তা সরাসরি গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ার ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য ও অগ্রগতির বিষয়টি সোমবার এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।

বৈঠকে দু’ঘন্টার পর্যালোচনাকালে আধার সংখ্যাটিকে সঙশ্লিষ্ট গ্রাহককে চিহ্নিত করার কাজে যুক্ত করার ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত যা অগ্রগতি হয়েছে, সে সম্পর্কে বিশদভাবে অবহিত করা হয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদীকে। গ্রাহক ও গ্রহীতাদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে এবং বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি সহায়তা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এই কর্মসূচির কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থায় ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৩০ কোটি গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৬১ হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছে। এর মধ্যে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ কর্মসূচিতে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং রান্নার গ্যাসে ভর্তুকিদান সম্পর্কিত ‘পহল’ কর্মসূচির আওতায় ২১ হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছে।

ভর্তুকি সহায়তা সরাসরি গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করে দেওয়ায় বিভিন্ন কল্যাণমূলক সরকারি কর্মসূচিতে ব্যয় সাশ্রয়ও সম্ভব হয়েছে। ভুয়ো গ্রাহকদের চিহ্নিত করে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। যেমন – ১ কোটি ৬০ লক্ষ ভুয়ো ও জাল রেশন কার্ড বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে, সরকারের ব্যয় সাশ্রয় ঘটেছে ১০ হাজার কোটি টাকার মতো। একইভাবে, ‘পহল’ কর্মসূচির আওতায় ৩ কোটি ৫০ লক্ষ ভুয়ো এল পি জি গ্রাহকের নাম পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে। এরফলে, শুধুমাত্র ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে সরকারি ব্যয় সাশ্রয় ঘটেছে ১৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অন্যদিকে, মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের আওতায় ব্যয় সাশ্রয় ঘটেছে শুধুমাত্র ২০১৫-১৬ অর্থ বছরেই ৩ হাজার কোটি টাকার মতো। চিহ্নিত ও প্রকৃত গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিভিন্ন কর্মসূচির সুফল পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন।

প্রকৃত গ্রাহকদের কাছে যাতে সঠিক সময়ে ভর্তুকি সহায়তার অর্থ পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিশ্চিত করতে ত্রুটিমুক্ত একটি বিশেষ মঞ্চ প্রস্তুত করার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে, তিনি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছেন যে, নতুন ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে প্রকৃত গ্রাহকরা যাতে কোনওভাবেই হয়রানি বা অসুবিধার শিকার না হয়ে পড়েন, তা নিশ্চিত করতে হবে। নতুন ব্যবস্থা পুরোপুরিভাবে চালু করার আগে তা ঠিক মতো কাজ করছে কি না তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের।

বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করার কাজে যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে সে সম্পর্কেও এদিনের বৈঠকে অবহিত করা হয় শ্রী মোদীকে। নীতি আয়োগের ব্যবস্থাপনায় ‘এন জি ও দর্পণ’ নামে যে পোর্টালটি খোলা হয়েছে, তাতে বর্তমানে ৭১ হাজার বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম নথিভুক্ত রয়েছে বলে অবহিত করা হয় প্রধানমন্ত্রীকে।

PG/SKD/SB/S