Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

‘প্রগতি’র মঞ্চেসাক্ষরতা, স্কুলশিক্ষা এবং আধার-অন্তর্ভুক্তি সহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

‘প্রগতি’র মঞ্চেসাক্ষরতা, স্কুলশিক্ষা এবং আধার-অন্তর্ভুক্তি সহ বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী


সাক্ষরতাও স্কুলশিক্ষা, সুগম্য ভারত অভিযান, আধারের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্পগুলির অগ্রগতি বুধবার ‘প্রগতি’র মাধ্যমে খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ।

সাক্ষরতাও স্কুলশিক্ষার ক্ষেত্রে ক্ষোভ ও অভিযোগের নিরসনে গৃহীত ব্যবস্থাদির পর্যালোচনাপ্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে দেশের জনসাধারণের মধ্যে এখন এই মর্মে আশা ওপ্রত্যাশার সঞ্চার হয়েছে যে এই ধরনের সমস্ত ক্ষোভ ও অভিযোগের নিরসনেব্যবস্থাগ্রহণের মতো দক্ষতা রয়েছে বর্তমান সরকারের । শিক্ষাক্ষেত্রেছাত্রদের ক্ষোভ ও অভিযোগ দূর করতে বিভিন্ন ব্যবস্থাকে পদ্ধতিগত করে তুলতে তিনিনির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কর্মী ও আধিকারিকদের। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা যাতে কোনরকমঅসুবিধার সম্মুখীন না হয় সেজন্য সম্ভাব্য সকল রকম প্রযুক্তিগত সহায়তা গ্রহণের কথাওবলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁর পূর্বেরনির্দেশটির কথা স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর সাহায্যে একদিকেযেমন পরীক্ষা কেন্দ্রের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব, অন্যদিকে তেমনই এ ব্যাপারেছাত্রছাত্রীদের অন্যান্য অসুবিধাও অনেকটা দূর করা যায়।

সুগম্যভারত অভিযানের অগ্রগতির বিষয়টিও ‘প্রগতি’র মঞ্চে পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।এই প্রসঙ্গে তাঁকে অবহিত করা হয় যে বিভিন্ন বিদ্যালয়, সরকারি ভবন এবং রেল স্টেশনেএখন যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্নদপ্তরের এই উদ্যোগের বিশেষ প্রশংসা করেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী।

আধার-অন্তর্ভুক্তিপ্রসঙ্গে পর্যালচনাকালে প্রকাশ পায় যে দেশে আধারের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তির কাজ এখন সংখ্যারদিক থেকে ১০৫ কোটিতে গিয়ে পৌঁছেছে। তবে, এক্ষেত্রে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিপিছিয়ে পড়ায় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে। বৃত্তি সহ শিক্ষাক্ষেত্রের অন্যান্যসুযোগ-সুবিধা ছাত্রছাত্রীদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশু ওকিশোরদের অন্তর্ভুক্তির কাজে গতি সঞ্চারের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিকে আহ্বানজানান প্রধানমন্ত্রী।

পাঞ্জাব,হিমাচল প্রদেশ, কর্ণাটক, পশ্চিমবঙ্গ, জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ,সিকিম ও মহারাষ্ট্র সহ কয়েকটি রাজ্যের রেল, সড়ক ও বিদ্যুৎ পরিকাঠামো ক্ষেত্রেরঅগ্রগতির বিষয়টিও ছিল প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনাসূচির অন্তর্ভুক্ত।নাঙ্গালবাঁধ-তালওয়াড়া রেললাইন প্রকল্পটিও খতিয়ে দেখেন তিনি। এই প্রকল্প রূপায়ণের কাজেপ্রথম অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৮১-৮২ সালে। কিন্তু তখন থেকেই সেটি মূলতুবি অবস্থায়রয়েছে। হিমাচল প্রদেশ ও পাঞ্জাবের মুখ্য সচিবদের প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন, এইপ্রকল্পটির সূচনা পর্যায়ের কাজ অবিলম্বে শুরু করে দেওয়ার জন্য। এই বিষয়টি যাতে আরকোনভাবে বিলম্বিত না হয়, সেদিকেও বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

PG/SKD/DM/