পিএমইন্ডিয়া
নয়াদিল্লি, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, পররাষ্ট্র বিষয়ক এবং বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে সফ্ট পাওয়ারের সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার সময় উপস্থিত হয়েছে। গতকাল এখানে ফিকি অডিটোরিয়ামে প্রথম আন্তর্জাতিক রামায়ণ মেলার উদ্বোধন করে তিনি ভাষণ দিচ্ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্ব জুড়ে বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সফ্ট পাওয়ার অর্থাৎ, সফ্টওয়্যার সামর্থের বিষয়টি ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার সময় ভারত’কে তার মহান পরম্পরা ও সংস্কৃতির প্রতি আরও অধিক ব্যক্তিগত ও সুদৃঢ়ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সকল দেশের সংস্কৃতিতে গৌতমবুদ্ধ, রাম ও রামায়ণ আছেন, তাদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রয়েছে এবং এঁদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক বেড়ে চলেছে। তিনি বলেন, সফ্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের কাছে এমন অনেক কিছু রয়েছে যা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যাতে পারে। ভারতীয় টেলিভিশনে যখন ‘রামায়ণ’ ধারাবাহিক দেখানো হত, সেই দিনগুলির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কাহিনী সব বয়োসীমার ও সব জায়গার মানুষকে এক জায়গায় নিয়ে এসেছিল। নির্ভিকতার সঙ্গে মহিলাদের সম্মান রক্ষাকারী রামায়ণের জটায়ু চরিত্রের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, রামায়ণের গল্প মহিলাদের প্রতি সম্মান দেখানোর বার্তা দেয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাম রাজ্যের’ ধারণা ছিল এক দূরদর্শিতা, যা আজও সমান প্রাসঙ্গিক। এখনকার স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের প্রতিও রামায়ণের গল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা রয়েছে এবং এটি হল “সময়ের আগে কারও মৃত্যু হয় না, শারীরিকভাবে থেকে সকলেই সুস্থ ও বলিষ্ঠ’। এতে সামাজিক সম্প্রীতিরও বার্তা রয়েছে। “সকলের মধ্যেই সামাজিক সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক আস্থা ও ভালোবাসার মনন রয়েছে। সকলেই তাদের ধর্ম ও তাদের কর্তব্য পালন করছে”। নাগরিকদের আচার-আচরণ প্রসঙ্গে এতে বলা হয়েছে, “সকলেই উদার ও পরোপকারী। সকল নারী ও পুরুষ অন্যান্যদের সেবার জন্য”। সামাজিক আচরণের বিষয়ে বলা হয়েছে যে, “রামের প্রভাবে সবরকম বৈষম্য ও মতভেদ দূর হয়েছে এবং আর কেউ অন্যকে ঘৃণা করে না”। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রামায়ণ এক আদর্শ সমাজের প্রতিটি বিষয়ের ওপর সুবিচার প্রদান করেছে। তিনি বলেন, দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপিত হলে সারা ভারতের সঙ্গেই যোগাযোগ গড়ে ওঠে, এই ধারণা ত্যাগ করা প্রয়োজন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক রামায়ণ মেলা ভারতের ছোট নগর ও শহরগুলির সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলার এক ইতিবাচক সূচনা এবং এভাবেই প্রকৃত ভারতের সঙ্গে যথাযথ সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব। পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী সুষমা স্বরাজ এই মেলার গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা করেন।
I congratulate the External Affairs Ministry for this programme: PM @narendramodi begins his speech https://t.co/gPFKpo1F4n
— PMO India (@PMOIndia) February 23, 2015
Foreign relations are no longer one track.Soft power is becoming very important, soft power gives energy & strength to foreign relations: PM
— PMO India (@PMOIndia) February 23, 2015
This programme is going to several cities and this is a good beginning. World must know our various parts, traditions: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 23, 2015
Highlighted the vitality of soft power in foreign relations at the inauguration of International Ramayana Mela. http://t.co/Ih6gEZB5DP — Narendra Modi (@narendramodi) February 23, 2015