Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

‘প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’র সুফলভোগীদের সঙ্গে আলাপচারিতা শ্রী নরেন্দ্র মোদীর

‘প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’র সুফলভোগীদের সঙ্গে আলাপচারিতা শ্রী নরেন্দ্র মোদীর

‘প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’র সুফলভোগীদের সঙ্গে আলাপচারিতা শ্রী নরেন্দ্র মোদীর

‘প্রধানমন্ত্রীমুদ্রা যোজনা’র সুফলভোগীদের সঙ্গে আলাপচারিতা শ্রী নরেন্দ্র মোদীর


আজতাঁর বাসভবনে ‘প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা’র ১০০ জনেরও বেশি সুফল গ্রহীতার সঙ্গেএক আলাপচারিতায় মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। ‘মুদ্রা’ ঋণ সহায়তারসাহায্যে কিভাবে তাঁদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, তা এদিন সুফল গ্রহীতারা ব্যাখ্যাকরেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

ঝাড়খণ্ডেরবোকারো থেকে আগত এক সুফলভোগী শ্রীমতী কিরণ কুমারী জানান, ২ লক্ষ টাকার ঋণ সহায়তাগ্রহণ করে তিনি খেলনা এবং উপহার সামগ্রীর একটি দোকান চালু করেন। এর আগে তিনি এবংতাঁর স্বামী বাচ্চাদের খেলনা ফেরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু ‘মুদ্রা’ ঋণেরসাহায্যে তিনি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী হয়ে উঠতে পেরেছেন।

শ্রীমতীমুনিরাবানু সাব্বির হোসেন মালেক নামে সুরাটের এক সুফলভোগী প্রধানমন্ত্রীকে জানানযে ১ লক্ষ ৭৭ হাজার টাকার ‘মুদ্রা’ ঋণ গ্রহণ করে তিনি কিভাবে হালকা মোটরগাড়ি চালানোরপ্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে একটি অটো রিক্সা চালিয়ে মাসে ২৫ হাজারটাকার মতো বর্তমানে উপার্জন করছেন।

কেরলেরকান্নুরের অধিবাসী শ্রী সিজেশ পি বিদেশে কাজ করেছেন আট বছরের মতো। দেশে ফিরে তিনিএকটি মেডিকেল ইউনিটের সেল্‌স ম্যানেজারের কাজ গ্রহণ করেন। কিন্তু পরে ৮ লক্ষ ৫৫হাজার টাকার ‘মুদ্রা’ ঋণের সাহায্যে ভেষজ দাঁতের মাজন তৈরির লক্ষ্যে একটি কারখানাস্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি তাঁর উৎপাদনের কিছু নমুনাও উপহার দেন।

৯লক্ষ ১০ হাজার টাকার ‘মুদ্রা’ ঋণ সহায়তা পেয়েছিলেন তেলেঙ্গানার শ্রী সালেহুদামগিরিধর রাও। তা দিয়ে ডাইকাস্টিং ও মোল্ডিং-এর একটি কারখানা স্থাপন করেছেন তিনি।

জম্মুও কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার শ্রীমতী বীনা দেবী একজন তাঁত শিল্পী। মাত্র ১ লক্ষ টাকারঋণ সহায়তার সুযোগ গ্রহণ করে তিনি এখন তাঁর এলাকায় পশমিনা শাল তৈরি করছেন। প্রধানমন্ত্রীরসঙ্গে আলাপচারিতাকালে তাঁকে নিজের তৈরি একটি শালও তিনি উপহার দেন।

প্রাক্তনসমরকর্মী শ্রী রাজেন্দ্র সিং এসেছিলেন দেরাদুন থেকে। ঘর পরিষ্কার করার সাজসরঞ্জামউৎপাদন করে তিনি কিভাবে একজন সফল শিল্পোদ্যোগী হয়ে উঠতে পেরেছেন, তার কাহিনী তিনিবিবৃত করেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। ৫ লক্ষ টাকার ‘মুদ্রা’ ঋণের সাহায্যে তিনি তাঁরব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু শুধুমাত্র ব্যবসা শুরু করাই নয়, আরও বেশ কিছু লোকেরকর্মসংস্থানের সুযোগও তিনি সৃষ্টি করেছেন তাঁর এই উদ্যোগের মাধ্যমে।

১০লক্ষ টাকার ঋণ সহায়তার সাহায্যে চেন্নাই-এর শ্রী টি আর সঞ্জীবন বিভিন্ন ফাউন্ডারিতেজব ওয়ার্ক করে থাকেন।

শ্রীসতীশ কুমার এসেছিলেন জম্মু থেকে। তিনি একসময় বেকার ছিলেন। কিন্তু ৫ লক্ষ টাকার ‘মুদ্রা’ঋণের সাহায্যে তিনি ইস্পাতের জিনিসপত্র তৈরির ব্যবসা শুরু করেন। তাঁর এই উত্তরণেরকাহিনী তিনি আজ বিবৃত করেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

উত্তরাখণ্ডেরউধমসিং নগরের শ্রী বিপুল সিং একটি ওষুধ তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। কিন্তু তাঁরবাসনা ছিল নিজের একটি ব্যবসা শুরু করার। তাই, ৫ লক্ষ টাকার ‘মুদ্রা’ ঋণের সাহায্যগ্রহণ করে তিনি কীটনাশক ও সার বিপণনের একটি ব্যবসা শুরু করেন। তাঁর এই প্রচেষ্টায়কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।

এঁদেরমতোই অন্যান্য সুফলভোগীরাও ‘মুদ্রা’ ঋণের সাহায্যে তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তনের কাহিনীতুলে ধরেন শ্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে।

প্রধানমন্ত্রীতাঁদের এই শিল্পোদ্যোগ প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মুদ্রাযোজনা’র আওতায় এ পর্যন্ত উপকৃত হয়েছেন দেশের ১১ কোটি মানুষ। এই কর্মসূচির অন্যতমলক্ষ্য হল সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠা। এতদিন পর্যন্ত মানুষের ধারণাছিল যে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাওয়া সম্ভব শুধুমাত্র সরকারি এবং বেসরকারিক্ষেত্রগুলিতে। কিন্তু এর বাইরেও শুধুমাত্র ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় যে আয় ও উপার্জনবৃদ্ধি এবং স্বনির্ভরতার সুযোগ লাভ সম্ভব, ‘মুদ্রা’ ঋণ কর্মসূচি তা প্রমাণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রীরসঙ্গে সুফলভোগীদের ১ ঘন্টারও বেশি আলাপচারিতাকালে দুই কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রীশ্রী পি রাধাকৃষ্ণন এবং শ্রী শিবপ্রতাপ শুক্লাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

PG/SKD/DM/