Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর ব্যাঙ্ককে “সাওয়াসদী পি এম মোদী” অনুষ্ঠানে ভাষণ


ধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ থাইল্যাণ্ডের ব্যাঙ্ককে “সাওয়াসদী পি এম মোদী” অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন। থাইল্যান্ডের সব জায়গা থেকে হাজার হাজার ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

ভারত-থাইল্যান্ডের ঐতিহাসিক সম্পর্ক

থাইল্যান্ডে বসবাসরত ভারতীয়দের মধ্যে বৈচিত্রের প্রতিফলন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় স্বাগত জানান। তিনি বলেন, ভারত-আসিয়ান সম্মেলনে অংশগ্রহণ করার উদ্দেশ্যে তাঁর এটি প্রথম সরকারিভাবে থাইল্যান্ড সফর। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে ভারতীয় উপকূলবর্তী রাজ্যগুলির হাজার হাজার বছরের বাণিজ্যিক সম্পর্কের মধ্য দিয়ে ভারত ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। দুটি দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও জীবনশৈলীর মধ্যে মিল থাকায় এই সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরো নিবিড় হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি যে সব দেশে সফর করেন, সেই সব দেশের ভারতীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করেন। এই সমস্ত মানুষজন ভারতীয় সংস্কৃতি ও রীতিনীতির দূত বলে তিনি মনে করেন।

‘তিরুক্কুরালের’ থাই অনুবাদ এবং গুরু নানকদেবের ৫৫০তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে স্মারক মুদ্রার প্রকাশ

প্রধানমন্ত্রী তামিল মহাকাব্য ‘তিরুক্কুরাল’-এর থাই অনুবাদটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন। যে কোন মানুষের জীবনে এই বইটি পথ দেখাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি গুরু নানকদেবের ৫৫০ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে একটি স্মারক মুদ্রাও প্রকাশ করেন। শ্রী মোদী বলেন, গুরু নানক দেবের শিক্ষা সমগ্র মানবজাতির কাছে ঐতিহ্যস্বরূপ। আগামী ৯ নভেম্বর কর্তারপুর করিডরের মাধ্যমে কর্তারপুরসাহিবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ গড়ে উঠবে। এই উপলক্ষ্যে তিনি সকলকে সেখানে গিয়ে ঘুরে আসতে বলেন।

পর্যটনের প্রসার এবং অ্যক্ট ইস্ট নীতির প্রতি দায়বদ্ধতা

বুদ্ধ সার্কিটের বিকাশের মাধ্যমে পর্যটন ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সেই বিষয়েও জানান। তিনি বলেন, ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিক এবং স্বাস্থ্য পর্যটনের প্রসারে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। পর্যটনের প্রসারের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা হচ্ছে। ভারত গত চার বছরে আন্তর্জাতিক পর্যটন সূচকে ১৮ ধাপ এগিয়ে এসেছে।

ভারতের “অ্যাক্ট ইস্ট নীতির” পরিকল্পনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, থাইল্যান্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই অঞ্চলকে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তুলতে সক্রিয় উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত-মায়ান্মার-থাইল্যান্ড ত্রিস্তরীয় মহাসড়কের মাধ্যমে এই দেশগুলির মধ্যে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ গড়ে উঠবে। যার ফলে সমগ্র অঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

জনগণের কল্যাণে সরকার দায়বদ্ধ

গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের দায়বদ্ধতার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী ২০১৯-এর ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের উল্লেখ বলেন। এই নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের জন্য আরো বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে তাঁর সরকার ফিরে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী ৩৭০ ধারা বাতিল সহ সাম্প্রতিককালে তাঁর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত এবং সাফল্যের কথাও বলেন। বিগত তিন বছরে আট কোটি বাড়িতে রান্নার গ্যাসের সংযোগ পৌছে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সুবিধেভোগীদের সংখ্যা পুরো থাইল্যান্ডের জনসংখ্যার থেকে বেশি হয়েছে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প সূচনা করা হয়েছে ৫০ কোটির বেশি ভারতীয়কে স্বাস্থ্য পরিষেবার আওতায় নিয়ে আসার জন্য। তিনি এ-ও জানান, ২০২২ সালের মধ্যে সকলের জন্য পানীয় জল এবং আবাসনের ব্যবস্থা করতে তাঁর সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

SSS/CB/