পিএমইন্ডিয়া
জামায়িত উলামা-ই-হিন্দ-এর২৫ জন মুসলিম নেতা আজ সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে।
প্রতিনিধিদলকেস্বাগত জানিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শ্রী অজিত দোভাল বলেন, সমগ্র বিশ্ব আজতাকিয়ে রয়েছে ভারতের দিকে। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সমাজের সকলেরই দায়িত্ব হল জাতিকেআরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
প্রতিনিধিদলেরনেতারা এই প্রসঙ্গে সহমত পোষণ করেন শ্রী দোভালের সঙ্গে। তাঁরা বলেন,প্রধানমন্ত্রীর ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’ – এই আহ্বানের প্রতি সাড়া দিয়ে সকলেরলক্ষ্য হওয়া উচিৎ দেশের অগ্রগতি।
প্রধানমন্ত্রীরচিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গির বিশেষ প্রশংসা করে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা এই মর্মে আশাব্যক্ত করেন যে দেশবাসীর কাছ থেকে যে আস্থা ও ভরসা লাভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তাদেশের সমাজের সর্বস্তরের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। তাঁরা জানান যে নতুন ভারতগঠনের কাজে সমান অংশীদার হতে আগ্রহী মুসলিম সম্প্রদায়ও।
সন্ত্রাসবাদকেদেশের একটি প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে তার মোকাবিলায় মিলিত সঙ্কল্প ওঅঙ্গীকারের আশা করেন প্রতিনিধিদলের নেতারা। তাঁরা বলেন, দেশের কল্যাণ ও নিরাপত্তারসঙ্গে যাতে কোন পরিস্থিতিতেই কেউ আপোস করতে না পারে তা নিশ্চিত করার দায়িত্বমুসলিম সম্প্রদায়েরও। ভারতের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র যাতে সফল হতে না পারে মুসলিমদেরতাও অবশ্যই দেখা উচিৎ।
কাশ্মীরউপত্যকার পরিস্থিতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁরা বলেন যে এই সমস্যার সমাধানসম্ভব শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপে।
তিন তালাকবিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানেরও বিশেষ প্রশংসা করেন মুসলিম নেতৃবৃন্দ।
নগদহীনলেনদেন, স্টার্ট আপ এবং সাম্প্রতিককালে নিতি আয়োগ আয়োজিত ‘একাথন’ সফল করে তুলতেমুসলিম সম্প্রদায় পরিচালিত সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানগুলিও এগিয়ে এসেছে বলে তাঁরা উল্লেখকরেন।
সংখ্যালঘুদেরকল্যাণে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন মুসলিমনেতৃবৃন্দ ।
প্রতিনিধিদলকেআন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ঐক্য ওসম্প্রীতিই হল গণতন্ত্রের বৃহত্তম শক্তি। তিনি বলেন, নাগরিকদের মধ্যে ভেদাভেদ বাবৈষম্য করার কোন অধিকার দেশের সরকারেরও নেই। বৈচিত্র্য ও বিভিন্নতার মধ্যেও ঐক্যইযে ভারতের মূল বৈশিষ্ট্য, একথারও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতেরনতুন প্রজন্মকে কোনভাবেই ক্রমবর্ধমান বিশ্ব সন্ত্রাসের শিকার হতে দেওয়া চলবে না।
তিন তালাকপ্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে যাতে কোনরকম রাজনীতি না হয় তানিশ্চিত করার দায়িত্ব মুসলিম সম্প্রদায়েরই। এ প্রসঙ্গে প্রয়োজনীয় সংস্কারপ্রচেষ্টার জন্য তাঁদের এগিয়ে আসার আর্জি জানান তিনি।
মুসলিমপ্রতিনিধিদলে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন জামায়িত উলামা-ই-হিন্দ-এর প্রেসিডেন্টমৌলানা সৈয়দ মহম্মদ উসমান মনসুরপুরী, জামায়িত উলামা-ই-হিন্দ-এর সাধারণ সচিব মৌলানামাহমুদ এ মাদানি, আনজুমার-ই-ইসলামের প্রেসিডেন্ট ডঃ জাহির আই কাজি, অধ্যাপকআখতারুল ওয়াসি এবং মৌলানা বদরুদ্দিন আজমল।
PG/SKD/DM/ ..
Had fruitful discussions on a wide range of subjects with leaders of the Jamiat Ulama-i-Hind. https://t.co/oB4QZpTMgx
— Narendra Modi (@narendramodi) May 9, 2017