পিএমইন্ডিয়া

এ যাবৎ কালের মধ্যে সর্ববৃহৎ ‘সামাজিক অধিকারিতা শিবিরে’ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে এক বিতরণ শিবির থেকে দিব্যাঙ্গজন ও প্রবীণ নাগরিকদের সহায়ক সরঞ্জাম বন্টন করেন।
রাষ্ট্রীয় বয়োশ্রী যোজনা (আরভিওয়াই) এবং ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের সহায়ক সাজসরঞ্জাম সাহায্য দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মসূচির আওতায় প্রবীণ নাগরিকদের সহায়তার লক্ষ্যে আজ এই বিতরন শিবিরের আয়োজন করা হয়।
এই উপলক্ষে এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রবীণরা সহ সমাজের সকলকে সমানাধিকার প্রদান সরকারের কর্তব্য।
তিনি বলেন, সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস- এই মন্ত্র অনুসরণ করে সরকার সমাজের প্রত্যেকের কল্যাণ ও উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে চলেছে। প্রবীণ নাগরিক, দিব্যাঙ্গজন, আদিবাসী বা প্রান্তিক মানুষ সহ ১৩০ কোটি ভারতীয়র সকলেরই স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা তাঁর সরকারের প্রাথমিক অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র।
এই বিতরণ শিবিরের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেককে উন্নত জীবন-যাপনের সুযোগ প্রদান করাই আজকের শিবির আয়োজনের লক্ষ্য। বিগত সরকারগুলির আমলে কদাচিৎ এ ধরনের শিবির আয়োজন করা হত। বিগত পাঁচ বছরে তাঁর সরকার দেশের বিভিন্ন অংশে প্রায় ৯ হাজার এ ধরনের শিবির আয়োজন করেছে বলেও তিনি জানান।
এক পরিসংখ্যান দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর সরকার বিগত পাঁচ বছরে ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের কল্যাণে ৯ হাজার কোটি টাকার সাহায্য ও সহায়ক সরঞ্জাম বন্টন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এক নতুন ভারত গঠনে দিব্যাঙ্গজন সহ সকলের সমান অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যে সরকার ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের শিল্প, পরিষেবা, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎসাহিত করে আসছে।
তাঁর সরকার প্রথমবার ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষায় আইন কার্যকর করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আইনের মাধ্যমে ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের শ্রেণী বিভাজন ঘটিয়ে ৭ থেকে ১২ করা হয়েছে। এছাড়া, দিব্যাঙ্গজনদের জন্য উচ্চশিক্ষায় সংরক্ষণ ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত ৫ বছরে দেশে বহু ভবন, ৭০০টির বেশি রেল স্টেশন ও বিমানবন্দরকে ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। এখনও যেসমস্ত ভবন বা স্টেশন, বিমানবন্দরে এই কাজ হয়নি সেখানে সুগম্য ভারত অভিযানের আওতায় পুরোদমে কাজ চলছে।
প্রয়াগরাজে আয়োজিত এই বিতরণ শিবির সুফলভোগীদের সংখ্যা, বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামের সংখ্যা এবং মূল্য প্রভৃতির দিক থেকে সর্ববৃহৎ।
এই শিবিরে ২৬ হাজারের বেশি সুফলভোগীকে ৫৬ হাজারের বেশি সহায়ক সরঞ্জাম বিতরণের লক্ষ্য রয়েছে। এই সরঞ্জামের মূল্য ১৯ কোটি টাকার বেশি। শিবির আয়োজনের উদ্দেশ্য হল, ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তি ও প্রবীণ নাগরিকদের দৈনিক জীবনযাপনের মানোন্নয়ন ও আর্থসামাজিক দিক থেকে সক্ষম করে তোলা।
CG/BD/NS
बीते चार-पाँच वर्षों में देश की सैकड़ों इमारतें, 700 से ज्यादा रेलवे स्टेशन, एयरपोर्ट, दिव्यांगजनों के लिए सुगम्य बनाई जा चुकी हैं। जो बची हुई हैं, उन्हें भी सुगम्य भारत अभियान से जोड़ा जा रहा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 29, 2020
उच्च शिक्षा संस्थानों में दाखिले के लिए भी उनका आऱक्षण 3 प्रतिशत से बढ़ाकर 5 प्रतिशत कर दिया गया है।
— PMO India (@PMOIndia) February 29, 2020
अपने दिव्यांग साथियों का कौशल विकास भी हमारी प्राथमिकता रही है: PM @narendramodi
पिछली सरकार के पाँच साल में जहां दिव्यांगजनों को 380 करोड़ रुपए से भी कम के उपकरण बांटे गए, वहीं हमारी सरकार ने 900 करोड़ रुपए से ज्यादा के उपकरण बांटे हैं। यानि करीब-करीब ढाई गुना: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 29, 2020
हमारे यहां कहा जाता है- स्वस्ति: प्रजाभ्यः परिपालयंतां. न्यायेन मार्गेण महीं महीशाः!
— PMO India (@PMOIndia) February 29, 2020
यानि सरकार का ये दायित्व है कि हर व्यक्ति का भला हो, हर व्यक्ति को न्याय मिले।
यही सोच तो सबका साथ, सबका विकास, सबका विश्वास के मंत्र का भी आधार है: PM @narendramodi