Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিষ্ঠা দিবসের রৌপ্য জয়ন্তীতে ভাষন দিয়েছেন


প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিষ্ঠা দিবসের রৌপ্য জয়ন্তীতে ভাষন দেন।

তিনি বলেন, বিগত আড়াই দশক ধরে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, এনএইচআরসি দেশে বঞ্চিত ও নিপীড়িত মানুষের মুখে ভাষা দিয়ে জাতি গঠনের কাজে অবদান রেখে চলেছে। তিনি বলেন, আমাদের সংস্কৃতিতে মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন বিচারবিভাগ, এক সক্রিয় গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজ এবং এনএইচআরসি-র মত সংগঠনগুলি মানবাধিকার রক্ষার কাজ করে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়টিকে শুধুমাত্র এক শ্লোগান হিসাবে ধরলে চলবে না, এটিকে আমাদের জাতীয় জীবনের অঙ্গ হিসাবে মনে করতে হবে। গত চার বছরে দেশের দরিদ্র মানুষের জীবনের মানোন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের অনেক কাজ হয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে মানুষ হিসাবে বেঁচে থাকার জন্য ন্যূনতম চাহিদাগুলি যাতে সব ভারতীয়ের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, এরই প্রেক্ষিতে তিনি ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’, ‘সুগম্য ভারত অভিযান’, ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’, ‘উজ্জ্বলা যোজনা’ এবং ‘সৌভাগ্য যোজনা’র কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মানুষের ন্যূনতম চাহিদা মেটানোর লক্ষ্য অর্জনের কাজ চালানো হচ্ছে। এইসব কর্মসূচি রূপায়ণের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষের জীবনে রূপান্তর আনা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, সারা দেশে ৯ কোটিরও বেশি শৌচালয় নির্মাণের মধ্য দিয়ে কোটি কোটি মানুষের জন্য পরিচ্ছন্নতা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত করা গেছে। তিনি সম্প্রতি চালু হওয়া স্বাস্হ্য বিমা উদ্যোগ- আয়ুষ্মান ভারতের অধীনে, প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার কথাও উল্লেখ করেন। কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক গৃহীত আর্থিক অর্ন্তভূক্তি উদ্যোগের কথাও তিনি বলেন। শ্রী মোদী বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখার জন্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে, মুসলিম মহিলাদের তিন তালাকের মতো কু-প্রথার হাত থেকে সুরক্ষা দেওয়া।

প্রধানমন্ত্রী সবার নাগালের মধ্যে সুবিচারের ব্যবস্হা, যেমন- ই-আদালত এবং জাতীয় বিচারবিভাগীয় তথ্য গ্রীডকে শক্তিশালী করার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি আধারকে একটি প্রযুক্তিভিত্তিক ক্ষমতায়ণের উদ্যোগ বলে বর্ণানা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ‘জন ভাগিদারী’র ফলেই এইসব উদ্যোগ সফল হয়েছে। মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতার পাশাপাশি নাগরিকদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য বিষয়েও সচেতন হওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাঁরা তাঁদের দায়িত্বের কথা বোঝেন, তাঁদের অন্যের অধিকারকে শ্রদ্ধা করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুষম উন্নয়ন লক্ষ্যগুলি অর্জনের ক্ষেত্রেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

CG/PB/NS/