পিএমইন্ডিয়া
নতুন দিল্লী, ৬ জুলাই,২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি আজ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এক সমাবেশে ভাষণ দেন। পূর্বনির্ধারিত সফরসূচির কারণে তিনি অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারার কথা উল্লেখ করে, এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে ভৌগোলিক দূরত্ব দূর করতে ডিজিটাল সংযোগের অসাধারণ শক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। শ্রী মোদি বলেন, “প্রযুক্তির সহায়তায় আমি এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে আপনাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি।”
এই দিনটির সমগ্র দেশ, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের জন্য গভীর ঐতিহাসিক তাৎপর্যের কথা উল্লেখ করে তিনি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কৃতী সন্তানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে এমন এক নিবেদিতপ্রাণ দেশপ্রেমিক হিসেবে তুলে ধরেন, যিনি সমগ্র জীবন জাতির অখণ্ডতা রক্ষায় উৎসর্গ করেছিলেন। শ্রী মোদি বলেন, “আজ দেশ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে এমন এক দূরদর্শী ব্যক্তিত্বকে, যিনি ভারতের অখণ্ডতার প্রতি সম্পূর্ণভাবে নিবেদিত ছিলেন।”
পূজনীয় এই মহান নেতার চিরন্তন উত্তরাধিকারের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েক দশক আগে যে মৌলিক চিন্তার বীজ রোপিত হয়েছিল, আজ তা সমাজ ও রাজনীতির পরিসরে সুস্পষ্টভাবে বিকশিত হচ্ছে। তিনি বলেন, আদর্শের এই সুদৃঢ় ভিত্তিই আধুনিক ভারতের অগ্রযাত্রার দিশা নির্ধারণে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছে। শ্রী মোদী বলেন, “আজ আমরা সেই চিন্তার বীজেরই প্রশংসা করছি, যা আধুনিক ভারতকে দিশা দেখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।”
বৃহৎ জাতীয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখন সুদৃঢ় বৌদ্ধিক শক্তি, স্বচ্ছ উদ্দেশ্য এবং অবিচল নিষ্ঠা একসূত্রে গাঁথা হয়, তখনই এক শক্তিশালী সমন্বয়ের সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, এই মহান দূরদর্শী নেতার জীবনই এই সূত্রের সর্বোত্তম প্রতিফলন এবং বাস্তব উদাহরণ। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “যখন এই সমস্ত অংশগুলি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন সংকল্পের পূর্ণতা নিশ্চিত হয়।”
১২৫তম জন্মবার্ষিকীর এই ঐতিহাসিক উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ভাষণের মধ্যেই বিরতি নিয়ে এই মহান দেশপ্রেমিকের অনন্য অবদান, ত্যাগ এবং অমর উত্তরাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। শ্রী মোদী বলেন, “এই পবিত্র উপলক্ষে আমি ড. মুখার্জীকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম এবং তাঁর প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করছি।”
বর্তমান সরকারের ‘নেশন ফার্স্ট’ অঙ্গীকারের সঙ্গে জাতীয় মহাপুরুষদের যথাযোগ্য সম্মান প্রদানের বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই বছরব্যাপী জাতীয় উদ্যাপন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত বছর জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই উদ্যাপন কেবল একটি স্মারক অনুষ্ঠান নয়, বরং তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা ও দর্শনকে অনুসরণ এবং জাতীয় জীবনে তার প্রাসঙ্গিকতাকে আরও সুদৃঢ় করার একটি ধারাবাহিক জাতীয় প্রয়াস। শ্রী মোদী বলেন, “যখন ‘নেশন ফার্স্ট’-এর সংকল্পে পরিচালিত একটি সরকার থাকে, তখন জাতীয় মহাপুরুষরাও তাঁদের প্রাপ্য সম্মান লাভ করেন।”
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে নবগঠিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই জাতীয় উদ্যাপনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তিনি সম্প্রতি আয়োজিত পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদ্যাপনের বিশেষ প্রশংসা করে বলেন, এটি রাজ্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের প্রতি এক মর্যাদাপূর্ণ শ্রদ্ধার্ঘ্য। শ্রী মোদী বলেন, “আজকের এই অনুষ্ঠানও আমাদের নিজস্ব ঐতিহ্যের প্রতি সেই এক শ্রদ্ধাবোধেরই বহিঃপ্রকাশ।”
সংসদের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন ১৯৪৭ সালের গভীর সংকটের কথা, যখন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চলছিল। তিনি বলেন, সেই কঠিন সময়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী তাঁর শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং জনমত গঠনে অসাধারণ দক্ষতার মাধ্যমে স্থায়ীভাবে ভারতের সঙ্গে বাংলার সংযুক্তি নিশ্চিত করতে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন। শ্রী মোদী স্মরণ করিয়ে দেন, “ড. মুখার্জী বলেছিলেন, জাতীয় ঐক্যের ভিত্তির উপরেই সোনালি ভবিষ্যতের ভিত নির্মাণ করা সম্ভব।”
এই ঐতিহাসিক দৃঢ়তার সঙ্গে বর্তমান ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের যোগসূত্র স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই অসাধারণ রাজনৈতিক অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতিধ্বনি আজও সমানভাবে অনুভূত হয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, অতীতের সেই পরিস্থিতির দিকে ফিরে তাকানো বর্তমান সময়ের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি জোগায়। শ্রী মোদীর ভাষায়, “আজকের পরিস্থিতির দিকে তাকালেও আমরা সেই রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তির বজ্রগর্জনকে অনুভব করি।”
দেশের পূর্ণাঙ্গ জাতীয় সংহতির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরে পৃথক প্রশাসনিক ও প্রতীকী ব্যবস্থার ধারণার বিরুদ্ধে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এক দেশে দুটি সংবিধান, দুই প্রধানমন্ত্রী এবং দুটি পতাকার ধারণার বিরুদ্ধে ড. মুখার্জী তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। শ্রী মোদী বলেন, “তিনি দেশে দুটি সংবিধান, দুই প্রধানমন্ত্রী এবং দুটি পতাকার ধারণার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন।”
এই সংগ্রামকে তিনি কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে নয়, বরং সমঅধিকারের এক গভীর আহ্বান হিসেবে তুলে ধরেন। এই ঐক্যবদ্ধ ভারতের আদর্শ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাশ্মীরে যে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করা হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তার স্বীকৃতি দেন। তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন, বর্তমান সরকার স্থায়ীভাবে অনুচ্ছেদ ৩৭০-এর প্রাচীর ভেঙে সেই ঐতিহ্যের মর্যাদা রক্ষা করেছে। শ্রী মোদি বলেন, “আজ আমাদের সরকার গর্বিত যে, সেই প্রাচীর ভেঙে আমরা ড. মুখার্জীর স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি।”
একতাবদ্ধ ভারতের স্বপ্নের প্রসঙ্গ আরও বিস্তৃত করে প্রধানমন্ত্রী এমন এক সমাজের কথা তুলে ধরেন, যেখানে আঞ্চলিক বিভাজনের কোনো স্থান নেই এবং যেখানে সমান সুযোগ-সুবিধা সবার জন্য নিশ্চিত। তিনি এমন এক শক্তিশালী রাষ্ট্রকাঠামোর কথা বলেন, যেখানে প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব পরিচয় সম্মিলিতভাবে জাতির সামগ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করে এবং সবাই একটি অভিন্ন জাতীয় লক্ষ্যে এগিয়ে চলে। শ্রী মোদি বলেন, “এটি সেই একই জাতীয় দর্শনেরই সম্প্রসারণ, যার সংজ্ঞা তিনি নিজের জীবন দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।”
দেশজুড়ে সমান আইনি কাঠামোর বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, একীভূত শাসনব্যবস্থা আজ সর্বত্র অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে। দেশের সংবিধান আজ কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই সর্বত্র সমানভাবে কার্যকর হওয়ায় জাতি গর্ব অনুভব করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। শ্রী মোদি বলেন, “আজ সমগ্র দেশে পূর্ণ গৌরব ও মর্যাদার সঙ্গে ভারতের সংবিধান কার্যকর রয়েছে।”
এরপর শিক্ষাক্ষেত্রের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন, কীভাবে অল্প বয়সেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ উপাচার্য হিসেবে সেই দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব অসামান্য প্রশাসনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো হিসেবে নয়, বরং জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাণের সক্রিয় কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দিয়েছিলেন এবং সম্পুর্ণভাবে ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে মুক্ত একটি শিক্ষাব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিলেন। শ্রী মোদি বলেন, “তিনি খুব ভালোভাবেই বুঝতেন যে, জাতি গঠনের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা।”
ভাষাগত গৌরবের প্রসঙ্গ তুলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদানের উদ্যোগ ছিল আঞ্চলিক আত্মমর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক প্রচেষ্টা। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, প্রকৃত জাতীয় আত্মবিশ্বাস তখনই গড়ে ওঠে, যখন শিক্ষা দেশের নিজস্ব চেতনা ও মাতৃভাষার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত থাকে। শ্রী মোদি বলেন, “তাঁর বিশ্বাস ছিল, ভারতকে যদি আত্মবিশ্বাসী জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তবে শিক্ষাকে অবশ্যই ভারতের আত্মা ও ভারতীয় ভাষার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।”
ঐতিহাসিক শিক্ষাদর্শনকে বর্তমান নীতির সঙ্গে যুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতিতে স্থানীয় ভাষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বহুদিনের একটি জাতীয় আকাঙ্ক্ষা বাস্তবে রূপ পেয়েছে। শ্রী মোদি বলেন, “স্থানীয় ভাষা সম্পর্কে ড. মুখার্জি যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমাদের সরকার তা বাস্তবায়িত করেছে।”
স্বাধীন ভারতের প্রথম শিল্পমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরে তিনি চিত্তরঞ্জন লোকোমোটিভ ওয়ার্কস, সিন্দ্রি সার কারখানা, দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানগুলি কয়েক দশক ধরে দেশের রেল, কৃষি, বিদ্যুৎ ও আর্থিক ক্ষেত্রের শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। শ্রী মোদি বলেন, “তিনি এমন সব জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যা পরবর্তী বহু দশক ধরে ভারতের অর্থনৈতিক শক্তির মূল শক্তি হয়ে উঠেছিল।”
এই বৃহৎ পরিকাঠামোগত ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলিকে কখনও শুধুমাত্র কারখানা বা ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়নি। বরং তাঁর দৃষ্টিতে গবেষণাগার ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান ছিল জাতি গঠনের পবিত্র সাধনাকেন্দ্র।
উন্নয়নের এই সর্বাঙ্গীণ আদর্শের বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি এমন এক ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যা প্রতিভার বিকাশ ঘটাবে, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করবে এবং পূর্ণ অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতার ভিত্তি সুদৃঢ় করবে। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সক্ষম ও শক্তিশালী উত্তরাধিকার গড়ে তোলার এই চেতনাই আজও জাতীয় অগ্রগতির আধুনিক ভাবনাকে পরিচালিত করছে। শ্রী মোদী বলেন, “এই চেতনাই আজ ‘বিকশিত ভারত’-এর প্রেরণা।”
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে এক শক্তিশালী আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের অনুরোধ করেন, ঐক্যবদ্ধ ভারতের জন্য অতীতের সংগ্রামকে আজকের দিনে জাতীয় উৎকর্ষ অর্জনের এক নতুন অভিযানে রূপান্তরিত করতে। তিনি যুবসমাজকে সম্মিলিতভাবে পূর্ণ আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার মহান দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়ার আহ্বান জানান। শ্রী মোদী বলেন, “আমাদের সকলকে একসঙ্গে ‘বিকশিত ভারত’-এর সংকল্প পূরণ করতে হবে।”
শেষে তিনি ইতিহাস থেকে প্রাপ্ত এক গভীর শিক্ষার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, যে কোনও কাজ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সম্পূর্ণ করার অঙ্গীকার নিয়ে করা উচিত। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের শেষে তিনি সকল অংশগ্রহণকারীর ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। শ্রী মোদী বলেন, “যে কাজই শুরু করো, তা পূর্ণ গুরুত্বের সঙ্গে করো এবং কখনও অসমাপ্ত রেখো না।”
SC/
On the 125th Jayanti of Dr. Syama Prasad Mookerjee, we pay homage to a great son of India whose unwavering commitment to national unity continues to inspire generations. https://t.co/ORn3zk75Pg
— Narendra Modi (@narendramodi) July 6, 2026