Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ‘পরিবেশ ও জলবায়ু গতিপ্রকৃতির ভবিষ্যৎ’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী ‘পরিবেশ ও জলবায়ু গতিপ্রকৃতির ভবিষ্যৎ’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন


নতুন দিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে “পরিবেশ ও জলবায়ু গতিবিদ্যার ভবিষ্যৎ” বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রকৃতির সঙ্গে দেশের গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন এবং কীভাবে প্রাচীন সাংস্কৃতিক প্রজ্ঞা আধুনিক জলবায়ু-সংক্রান্ত সমাধানের পথ প্রশস্ত করছে ও বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে সে বিষয়ে জোর দেন। তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনে অবিচল ভূমিকার জন্য ‘ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল’-এর প্রশংসা করেন এবং আয়োজকদের অভিনন্দন জানান। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “ভারত এখন আধুনিক জলবায়ু-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান প্রদান করছে।”

 

কার্বন ফুটপ্রিন্ট বা কার্বন নিঃসরণ সংক্রান্ত বিশ্বব্যাপী প্রচলিত ত্রুটিপূর্ণ ধারণার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অন্যায়ভাবে দায়ী করা হয় অথচ উন্নত দেশগুলো ভারতের তুলনায় মাথাপিছু ছয় গুণ পর্যন্ত বেশি কার্বন নিঃসরণ করে থাকে। কীভাবে ভারত আন্তর্জাতিক মঞ্চগুলোকে ব্যবহার করে এই ঐতিহাসিক সত্য তুলে ধরছে এবং পরিবেশ রক্ষায় নিজেদের ঐতিহ্যগত সক্ষমতা প্রদর্শন করছে তিনি তা ব্যাখ্যা করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি কপ-২১-এ “কনভেনিয়েন্ট অ্যাকশন-কন্টিনিউটি ফর চেঞ্জ” বইটির প্রকাশ এবং ‘ওয়ান সান, ওয়ান ওয়ার্ল্ড, ওয়ান গ্রিড’, ‘ আন্তর্জাতিক সৌর জোট’, ‘সিডিআরআই’, ‘ আন্তর্জাতিক জৈব জ্বালানী জোট’ ও ‘আন্তর্জাতিক বিগ ক্যাট জোট’-এর মতো উদ্যোগ ও মঞ্চ গঠনের কথা উল্লেখ করেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “বিশ্বকে সঙ্গে নিয়ে আমরা পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে নতুন নতুন মানদণ্ড স্থাপন করছি।”

 

প্রাচীন দর্শন ও আধুনিক বাস্তবায়নের মধ্যে সেতুবন্ধন ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী গত এক দশকেরও বেশি সময়ে পরিবেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্জিত অসাধারণ অগ্রগতির কথা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। নবীকরণযোগ্য শক্তির দিকে ব্যাপক কৌশলগত পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি গর্বের সঙ্গে জানান, কপ-২১-এ করা প্রতিশ্রুতিগুলো নির্ধারিত সময়ের আগেই পূরণ করে এবং জীবাশ্ম-বহির্ভূত জ্বালানি ও সৌরশক্তি সক্ষমতার ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী মানদণ্ড স্থাপন করে ভারত জি-২০ গোষ্ঠীর মধ্যে এক অনন্য অবস্থান অর্জন করেছে। শ্রী মোদী বলেন, “বর্তমানে প্রতিটি মাপকাঠিতে ভারতের কাজের ফলাফল বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।”

 

দেশের সৌর-বিপ্লবের জোরালো প্রমাণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাত্র ১২ বছর আগে যেখানে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ছিল মাত্র ২ গিগাওয়াট, তা বর্তমানে ১৬০ গিগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে। এই অগ্রগতির পেছনে রয়েছে ‘পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা’। এর আওতায় প্রতিটি পরিবারকে ৮০,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দিয়ে ৫০ লক্ষেরও বেশি বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ‘কুসুম যোজনা’- আওতায় ৩০ লক্ষ কৃষক সৌরচালিত পাম্প পেয়েছেন এবং ‘ওয়ান নেশন-ওয়ান গ্রিড’ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে ২০ কোটি (২০০ মিলিয়ন) টন কার্বন নিঃসরণ রোধ করা সম্ভব হয়েছে। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “আমরা বাড়িগুলিকেই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্রে পরিণত করার একটি মিশন শুরু করেছি।”

 

পরিচ্ছন্ন শক্তির ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতির কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা তিনগুণ বৃদ্ধি, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর নতুন করে জোর দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। এখানে এখন বেসরকারি ক্ষেত্রের অংশগ্রহণকেও স্বাগত জানানো হচ্ছে। তিনি বলেন যে, এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে দেশের জীবাশ্ম-বহির্ভূত জ্বালানি সক্ষমতা প্রায় চারগুণ বেড়েছে এবং একই সঙ্গে ‘কোল গ্যাসিফিকেশন’-এর মতো পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “পরিচ্ছন্ন শক্তির অন্যান্য ক্ষেত্রেও ভারত বড় ধরনের মাইলফলক অর্জন করেছে।”

 

পরিচ্ছন্ন পরিবহন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে আধুনিক যুগের সূচনা উদযাপন করে প্রধানমন্ত্রী গর্বের সঙ্গে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেন চালুর কথা ঘোষণা করেন। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম হাইড্রোজেন ট্রেন হিসেবেও রেকর্ড গড়েছে। তিনি প্রযুক্তিগত এই অগ্রগতিকে পরিবেশবান্ধব বা ‘সবুজ’ পরিবহন ব্যবস্থার ভবিষ্যতের জন্য একটি ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে অভিহিত করেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এটি পরিচ্ছন্ন পরিবহন ব্যবস্থার এক নতুন যুগের সূচনা।”

 

পরিবেশবান্ধব বা ‘সবুজ’ যানবাহনের ব্যাপক ব্যবহারের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈদ্যুতিক যানবাহনের (ইভি) সংখ্যায় অভাবনীয় ৯৫০ গুণ বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। এক্ষেত্রে ২০১৪ সালের আগে বিক্রি ছিল তিন হাজারের কম, আর গত বছর তা বেড়ে প্রায় ২৫ লক্ষে পৌঁছেছে। তিনি আরও বলেন, মহাসড়ক ও এক্সপ্রেসওয়েতে আধুনিক ‘ফাস্ট্যাগ’ ব্যবস্থা চালুর ফলে টোল প্লাজায় অপেক্ষার সময় কমেছে এবং এর ফলে জ্বালানির অপচয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “ভারত পূর্ণ উদ্যমে বৈদ্যুতিক যানবাহন বা ইভি বিপ্লবের এই সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে।”

 

গণপরিবহন পরিকাঠামোর ব্যাপক আধুনিকীকরণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ সালের মাত্র পাঁচটি শহরে বিস্তৃত ২৫০ কিলোমিটারের মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে বর্তমানের ২০টিরও বেশি শহরে চালু থাকা বিশাল ব্যবস্থার তুলনা করেন। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, ” বিশ্বের যেসব দেশের মেট্রো নেটওয়ার্ক এক হাজার কিলোমিটারেরও বেশি ভারত তাদের তালিকায় যুক্ত হয়েছে।

 

ভারী পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থার পরিবেশ-বান্ধব রূপান্তরের ওপর আলোকপাত করে প্রধানমন্ত্রী, রেলওয়ের প্রায় সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিকীকরণের ফলে কীভাবে কোটি কোটি লিটার ডিজেল পোড়ানো থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে তা ব্যাখ্যা করেন। তিনি সদ্য-উদ্বোধন হওয়া ৩,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর’ বা পণ্য পরিবহণ করিডোরের বিশাল পরিবেশগত সুফলের কথা তুলে ধরেন। এখানে ঐতিহাসিক ‘ডাবল-স্ট্যাক’ কন্টেইনার ট্রেনগুলি প্রতিটি যাত্রায় শত শত দূষণকারী ট্রাকের জায়গা নিচ্ছে। শ্রী মোদী বলেন, “আপনারা কল্পনা করতে পারেন যে এটি পরিবেশ রক্ষায় কতটা বড় ভূমিকা পালন করছে।”

 

বিকল্প পরিবেশ-বান্ধব পরিবহণ ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সারা দেশে প্রায় ৫,০০০ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ জলপথ চালু হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই পথগুলিতে চলাচলকারী একটি সাধারণ অভ্যন্তরীণ জলযান ডজন ডজন ট্রাকের সমান মালপত্র বহন করতে পারে। শ্রী মোদী বলেন, “এটিও পরিবেশ সংরক্ষণে দারুণ সহায়তা করছে।”

 

পরিবহণ ব্যবস্থার এই সামগ্রিক উন্নয়নের প্রভাবের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, সমগ্র গতিশীলতা বা পরিবহণ ক্ষেত্রে এই ব্যাপক পরিবর্তন দেশের সুষম উন্নয়নের ধারার এক অনস্বীকার্য প্রমাণ। তিনি বলেন, দ্রুত অগ্রগতি পরিবেশ সংরক্ষণের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ। শ্রী মোদী দৃঢ়ভাবে বলেন, “আমাদের উন্নয়ন যেমন দ্রুত, তেমনই তা টেকসই।”

 

জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব গণ-অংশগ্রহণের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী ‘ক্যাচ দ্য রেইন’ অভিযানের আওতায় ৭০,০০০-এরও বেশি ‘অমৃত সরোবর’ এবং ১.৫ কোটি বৃষ্টির জল সংগ্রহের কাঠামো নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কৃষি সিঁচাই যোজনা’ এবং ‘পার ড্রপ, মোর ক্রপ’ (প্রতি ফোঁটায় অধিক ফসল)-এর আওতায় আধুনিক সেচ পদ্ধতি ২ কোটিরও বেশি কৃষকের জন্য সক্রিয়ভাবে জল সাশ্রয় করছে। শ্রী মোদী বলেন, “ভারতে জল সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব কাজ হচ্ছে।”

 

মিলেট বা মোটা দানা শস্যকে বিশ্বব্যাপী পুনরুজ্জীবনের অগ্রদূত হিসেবে ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কীভাবে কম জল-নির্ভর ‘শ্রী অন্ন’-এর চাষাবাদকে উৎসাহিত করার ফলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং রপ্তানি ১.৫ লক্ষ টনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে এটি অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি ও জল সংরক্ষণেও ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, এই নিরলস জাতীয় প্রচেষ্টাই ২০২৩ সালকে ‘আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ’ হিসেবে বিশ্বব্যাপী উদযাপনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “এই মডেলের কারণেই আজ বিশ্ব আমাদের সঙ্গে শামিল হচ্ছে।”

 

পরিবেশ-বান্ধব কৃষির বিশাল ব্যাপ্তির ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘জাতীয় প্রাকৃতিক কৃষি মিশন’-এর আওতায় ১২.৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে ২৪,০০০ প্রাকৃতিক কৃষি ক্লাস্টার গড়ে তোলার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি জলবায়ু-সহনশীল ৩,০০০ ফসলের জাত উদ্ভাবন এবং পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে কৃষি-বনজ ব্যবস্থার কৌশলগত প্রসারের বিষয়গুলোও তুলে ধরেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “কৃষি-বনজ ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে আমরা কার্বন নিঃসরণের মাত্রাও কমিয়ে আনছি।”

 

দেশের পরিবেশগত প্রচেষ্টার সামগ্রিক দিকটি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ১২ বছরে অত্যন্ত ঘন বনভূমির পরিমাণ ২২ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি ‘এক পেড় মা কে নাম’ (মায়ের নামে একটি গাছ) অভিযানের প্রশংসা করেন। এটি নাগরিকদের দেশজুড়ে ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে কোটি কোটি গাছ লাগাতে অনুপ্রাণিত করছে।

 

প্লাস্টিক দূষণের মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক’ বা একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ওপর জাতীয় নিষেধাজ্ঞার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি, তিনি প্রতিদিনের হাজার হাজার টন বর্জ্য হ্রাস, পুনঃব্যবহার ও পুনর্ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে একটি ‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা বৃত্তাকার অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি গ্রামীণ জৈব বর্জ্যকে ‘ওয়েলথ ফ্রম ওয়েস্ট’ বা ‘বর্জ্য থেকে সম্পদ’ মডেলের মাধ্যমে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তরের ক্ষেত্রে ‘গোবর্ধন যোজনা’-কে একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন। শ্রী মোদী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো বর্জ্যকে সমস্যা হিসেবে না দেখে তাকে সম্পদে রূপান্তর করা।”

 

দেশের পরিবেশগত সাফল্যের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জোরালো পরিসংখ্যান কেবল অভ্যন্তরীণ অগ্রগতিরই প্রতিফলন নয়। তিনি দেশের উন্নয়ন সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্তকে সমগ্র মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষা ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে এক বিশাল ও প্রত্যক্ষ অবদান হিসেবে অভিহিত করেন। শ্রী মোদী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “এগুলো মানবতার ভবিষ্যতের প্রতি ভারতের অবদানেরও পরিসংখ্যান।”

 

প্রধানমন্ত্রী পৃথিবী এবং এর বাসিন্দাদের মধ্যে সেই গভীর সম্পর্কের ওপর জোর দেন, যা এই ধরনের দায়িত্বশীল পদক্ষেপগুলোকে অনুপ্রাণিত করে। এই সম্মেলনের আলোচনা থেকে উদ্ভাবনী সমাধান বেরিয়ে আসবে বলে আশা ব্যক্ত করে তিনি তাঁর ভাষণ শেষ করেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে শুভেচ্ছা জানান। শ্রী মোদী জোর দিয়ে বলেন, “ভারতও একটি দায়িত্বশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।”

 

 

 

SC/PM/AS