Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রধান প্রধান বন্দর সন্নিহিত জল ওস্থলভূমি বন্দর নির্ভর শিল্প সংস্থাগুলির অনুকূলে বন্টনের নীতি অনুমোদিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে


বন্দর নির্ভর শিল্প সংস্থাগুলি কেজলাভূমি এবং সন্নিহিত জমি দেওয়ার একটি প্রস্তাব বুধবার অনুমোদিত হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের প্রধান প্রধান বন্দর এলাকায় অবস্থিত শিল্প সংস্থাগুলির অনুকূলে এই মর্মেএকটি নীতি রূপায়ণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সরকারি এই নীতি গ্রহণের ফলে বন্দর সন্নিহিত জল ও স্থল এলাকাকে উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট স্বচ্ছতাবজায় থাকবে। শুধু তাই নয়, প্রধান প্রধান বন্দরগুলির কাজ ও উৎপাদন ক্ষমতারও সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব করে তোলার পাশাপাশি বন্দর কর্তৃপক্ষগুলির রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও বিশেষভাবে বৃদ্ধি পাবে। দেশের সবকটি বড় বড় বন্দরের ক্ষেত্রেই এই নীতি কার্যকর হবে।

এই নীতিটির আওতায় বড় বড় বন্দরগুলিতে পণ্যের আমদানি-রপ্তানি ও মজুতের জন্য সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের কাজে উদ্যোগ গ্রহণকরবে বন্দর নির্ভর শিল্প সংস্থাগুলি। এর ফলে, লাভবান হবে দেশের বড় বড় বন্দরগুলি। এই সুবিধা চালু থাকবে আগামী ৩০ বছরের জন্য। নির্দিষ্ট সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পরে সময়সীমা বৃদ্ধির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বন্দর নির্ভর শিল্প সংস্থাগুলির কয়েকটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বন্দর উন্নয়নের বিষয়টিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘সাগরমালা’ কর্মসূচির আওতায়। মূলত, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রসারই এই কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এইকর্মসূচি রূপায়ণে দেশের বড় বড় বন্দরগুলির জল ও স্থলভূমির সর্বোচ্চ মাত্রায় ব্যবহার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের সামাজিক তথা ব্যবহারিক পরিকাঠামোর মান আরও উন্নত করে তুলতে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে দৃষ্টি রেখে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভূমিকাকে আরও সফল ও কার্যকর করে তুলতেও বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকার, যাতে সরকারি কাজ ও পরিষেবার ক্ষেত্রে দক্ষতা সুনিশ্চিত করার কাজে বেসরকারি বিনিয়োগকেও ব্যবহারকরা যায়। এই লক্ষ্য পূরণেই বন্দর নির্ভর শিল্পগুলির অনুকূলে বন্দর এলাকার স্থল ও জলাভূমি বন্টনের নীতি গ্রহণ করা হল মন্ত্রিসভার গতকালের বৈঠকে।

PG/SKD/SB