Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মরণে প্রধানমন্ত্রী

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মরণে প্রধানমন্ত্রী

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মরণে প্রধানমন্ত্রী

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মরণে প্রধানমন্ত্রী


প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর স্মরণে একটি প্রার্থনা সভায় তাঁর প্রতিশ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। ঐ স্মরণ সভায় তিনি বলেন, জীবন আমাদের হাতে না থাকলেও আমরা কিন্তু আমাদের জীবন কিরকম হবে তা অনুধাবন করতে পারি। প্রধানমন্ত্রীর অভিমত, অটলজী তাঁর জীবন দিয়ে দেখিয়ে গিয়েছেন জীবন কিরকম হওয়া উচিৎ এবং জীবনের লক্ষ্য কি হওয়া উচিৎ। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য প্রত্যেকটি মূহুর্ত অতিবাহিত করেছিলেন অটলজী। যৌবন থেকে যতদিন তাঁর দেহে সামর্থ্য ছিল, ততদিনই তিনি দেশের জন্য বেঁচেছিলেন। শ্রী মোদী আরও বলেন, দেশবাসীর জন্যই অটলজী বেঁচেছিলেন। বেঁচেছিলেন তাঁর নীতিবোধের সমর্থনে এবং সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণ করার জন্য।

 

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন বাজপেয়ীজী এমন একটা সময় তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছিলেন যখন কার্যত প্রবল রাজনৈতিক ভাবাদর্শের কোনও বিকল্প ছিল না। তিনি আরও বলেন, একাকীকত্বর মুখেও তিনি তাঁর আদর্শে ছিলেন স্থিতধী। তিনি বহু দিন বিরোধী দলের নেতা হিসাবেও ছিলেন। তবুও তাঁর আদর্শ কেউ ছুঁতে পারিননি। শ্রী মোদীর অভিমত, বাজপেয়ীজী সংসদীয় রীতিকে সম্মান করতেন এবং যখন তিনি সুযোগ পেলেন তখন তিনি তাঁর দর্শন রূপায়ণ করেন মানুষের হিতার্থে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক মুহূর্তেই তাঁর মধ্যে অটলত্ব অনুধাবন করা যেত। ১৯৯৮ সালের ১১ মে অটলজী বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে পারমাণবিক পরীক্ষা করালেন। অটলজী এই সফল পরীক্ষণের কৃতিত্ব দিলেন দেশের বৈজ্ঞানিকদের। এর প্রেক্ষিতে বিশ্ব জুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া হলেও অটলজী কোনও রকম চাপের মুখে নতি স্বীকার করেননি, বরং বিশ্বকে দেখিয়েছেন ভারত ‘অটল’

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজপেয়ীজীর নেতৃত্বে কোনও তিক্ততা ছাড়াই তিনটি নতুন রাজ্যের সূচনা হয়। কি করে সবাইকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় শরিক করা যায় বাজপেয়ীজী তা দেখিয়েছিলেন বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

শ্রী মোদী সেই ঘটনাটির কথাও স্মরণ করেন, যখন কেন্দ্রে সরকার গঠনের ১৩ দিনের মাথায় সমর্থনের অভাবে ভেঙে যায়। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, অটলজী তখনও আশা ছাড়েননি, বরং মানুষের সেবায় নিজেকে সমর্পণ করেছিলেন। জোট রাজনীতি যখন এল তখন অটলজী পথ দেখিয়েছিলেন।

 

শ্রী মোদী বলেন, কাশ্মীর প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাপী ব্যাখ্যার পরিবর্তন ঘটিয়েছিলেন অটলজী। অটলজী সন্ত্রাসবাদ বিষয়টিকে জোরালো ভাষায় তুলে ধরেছিলেন এবং বিষয়টিকে রাজনৈতিক ভাবনাচিন্তার কেন্দ্রস্থলে এনে দিয়েছিলেন।

 

পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রীর অভিমত, অটলজী অনুপ্রেরণার উৎস হিসাবে সকলের হৃদয়ে বিরাজ করছেন। প্রায় এক দশকের বেশি তিনি রাজনীতির বাইরে ছিলেন তবুও তাঁর মৃত্যুতে এতটাই আবেগ প্রত্যক্ষ করা গিয়েছে এটি তাঁর মহত্বকেই তুলে ধরে। তিনি এ প্রসঙ্গে ভারতীয় কুস্তিগীর বজরং পুনিয়ার ভুয়সী প্রশংসা করে বলেন, অটলজীর সঙ্গে সাক্ষাৎ না হওয়া সত্ত্বেও এশিয়ান গেম্‌স-এ প্রাপ্ত সোনার পদকটি শ্রী পুনিয়া অটলজীকে উৎসর্গ করেছেন।

 

 

CG/SSS/SB