Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধী বিল, ২০১৮-এর অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভায়


 

বিলেরঅধীনে ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি মূল্যের অপরাধের ক্ষেত্রে ফেরারি অর্থনৈতিকঅপরাধীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে     

  

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা অর্থমন্ত্রকের প্রস্তাবিত ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধী বিল, ২০১৮-কেসংসদে পেশ করার জন্য অনুমোদন দিল| এই বিলের মাধ্যমে ভারতীয় আদালতের আওতার বাইরে চলেগিয়ে ভারতীয় আইনি প্রক্রিয়া থেকে রক্ষা পেয়ে যাওয়া অর্থনৈতিক অপরাধীদের প্রতিরোধকরার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়তা হবে|  

যেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের অপরাধের পরিমাণ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি, সেগুলো এই আইনের আওতায় আসবে|   

প্রভাব:   

এই বিলের ফলে ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধীদের আইনের অধীনে নিয়ে আসার মাধ্যমেআইনের শাসন পুনর্স্থাপনের সম্ভাবনা| কেননা এর ফলে তাদেরকে ভারতে ফিরে আসার জন্যবাধ্য করা যাবে| তাছাড়া এর ফলে ব্যাংকগুলোও ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধীদের কাছ থেকেবেশি মাত্রায় টাকা ফেরত নিতে পারবে, যা থেকে ব্যাংক বা এই ধরনের প্রতিষ্ঠানেরআর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে|  

এটা আশা করা হচ্ছে যে, এর মাধ্যমে একটি বিশেষ মঞ্চ গঠন করে অর্থনৈতিকঅপরাধীদের ভারত অথবা বিদেশে থাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ফেরারিদের ভারতে ফিরিয়েআনায় বাধ্য করা সম্ভব হবে এবং সংলিষ্ট আদালতে তাদের অপরাধের জন্য উপস্থাপিত করাযাবে|  

বিলের প্রধান বিষয়:  

১) বিশেষ আদালত যাতে কোনো ব্যক্তিকে ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধী হিসেবে ঘোষণাদিতে পারে, তার ব্যবস্থা হবে;  

২) ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে;  

৩) ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধী হিসেবে অভিযুক্তকে বিশেষ আদালত বিজ্ঞপ্তি জারিকরতে পারবে;  

৪) এ ধরনের অপরাধীদের দেশে বা বিদেশে থাকা বেনামি সম্পত্তি সহ অন্যান্যধরনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবে|   

৫) ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধীদের সামাজিক দাবি থেকে বঞ্চিত করা যাবে|  

৬) আইনের অধীনে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির ব্যবস্থাপনা করার জন্য একজনপরিচালক নিযুক্ত করা হবে|  

প্রক্রিয়ার সময় যদি কোনো ক্ষেত্রে ঘোষণার আগে ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধীভারতে ফিরে আসে এবং সুনির্দিষ্ট আদালতে হাজির হয়, তাহলে এই প্রস্তাবিত আইনেরঅধীনের প্রক্রিয়া বর্তমান আইনের নির্দেশে বাতিল হবে| অভিযুক্ত ব্যক্তিকেসাংবিধানিক সুরক্ষা প্রদান করা হবে| এক্ষেত্রে কৌঁসুলির মাধ্যমে শুনানির সুযোগ,উত্তর দেওয়ার জন্য সময়, তাকে সমন পাঠানো ইত্যাদির সুযোগ দেওয়া হবে|  

কৌশল ও লক্ষ্য রূপায়ণ:  

এই বিলটির মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধী হিসেবে ঘোষণাদেওয়ার জন্য আদালতের সামনে বিধান নিয়ে আসবে (প্রিভেনশন অফ মানি-লন্ডারিং অ্যাক্ট২০০২-এর অধীনের ‘বিশেষ আদালত’)| ফেরারি অর্থনৈতিক অপরাধী হচ্ছে এমন এক ব্যক্তি যারবিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে এবং যে দেশ ছেড়ে চলে গিয়ে এখন আর আইনেরমুখোমুখি হওয়ার জন্য দেশে ফিরে আসতে চাইছে না| তবে আদালতের ওপর এর বোঝা কমানোরজন্য ১০০ কোটি টাকার বেশির ক্ষেত্রই এই বিলের আওতায় আসবে|  

আর্থিক অপরাধের এমন অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যেখানে ভারতীয় আইনের আওতা থেকেপালিয়ে যাওয়ার জন্য, অপরাধের মামলাকে দীর্ঘদিন টেনে নিয়ে যাওয়ার জন্য অপরাধী দেশেরবাইরে পালিয়ে গেছে| যার ফলে এইসব মামলার তদন্ত থমকে যায়| আদালতের মূল্যবান সময়নষ্ট হয়| আইনের শাসনের অবমূল্যায়ন হয়| এইসব সমস্যার মোকাবিলার জন্য এক্ষেত্রেবর্তমানের আইন যথেষ্ট নয়| এ ধরনের কাজকর্ম প্রতিরোধ করার জন্য প্রভাবপূর্ণ,শক্তিশালী ও সাংবিধানিক বিধির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে|  

A.D.