পিএমইন্ডিয়া
ভুটান সরকারের কৃষি ও অরণ্য মন্ত্রী তথা বিশ্ব বাঘ ফোরামের চেয়ারম্যান,
বাঘ সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীগণ,
কেন্দ্রীয় পরিবেশ, অরণ্য ও জলবায়ু সম্পর্কিত মন্ত্রী শ্রী প্রকাশ জাভড়েকর,
মঞ্চে উপবিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বাঘ সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত দেশগুলি থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ,
আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। বাঘ – এই প্রাণীটি আমাদের সকলকে আজ এখানে সমবেত করেছে। আজকের এই সমাবেশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, বিশ্বের বিপন্ন অস্তিত্বের এক বন্যপ্রাণী সম্পর্কে আলাপ-আলোচনা ও মতবিনিময়ের মঞ্চ আজকের এই সম্মেলন। বন্যপ্রাণী রক্ষায় আপনারা কতটা উদ্যোগী ও সচেতন তা আজ প্রমাণিত হয়েছে আপনাদের এখানে উপস্থিতির মাধ্যমে।
আমরা সকলেই জানি যে পরিবেশগত এক পিরামিড ও খাদ্যশৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত বাঘ নামের এই প্রাণীটি। বেঁচে থাকার জন্য বাঘের প্রয়োজন হয় প্রাণী শিকারের। এই কাজে তার সহায়ক হয় গভীর অরণ্য। তাই, বাঘ সংরক্ষণের মধ্য দিয়ে সমগ্র পরিবেশকেই আমরা রক্ষা করি। কারণ পরিবেশ স্বাভাবিক ও অক্ষুণ্ণ রাখা মানবকল্যাণের স্বার্থে একান্তভাবে জরুরি।
প্রকৃতপক্ষে বাঘ সংরক্ষণের সুফল কিন্তু প্রচুর। শুধুমাত্র অর্থনৈতিক দিক থেকে তা পরিমাপ করা সম্ভব নয়। কারণ প্রকৃতিকে দান বা মূল্যের নিক্তিতে বিচার করা যায় না। মা বসুন্ধরা তাঁর নিজের অস্তিত্ব রক্ষায় আমাদের দান করেছেন প্রকৃতিকে। তাই আমাদের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য হল তা রক্ষা করা। ভারতে বাঘ শুধু একটি বন্যপ্রাণীমাত্র নয়, তার থেকেও অনেক অনেক বেশি কিছু। পুরাণ অনুযায়ী, দেবী মূর্তি আরোহন করেন ব্যাঘ্রপৃষ্ঠে। তিনি প্রকৃতি মাতারই আর এক রূপ। আমাদের সবক’টি দেব-দেবীই কোন না কোন প্রাণী, বৃক্ষ বা নদীর সঙ্গে যুক্ত। কখনও কখনও এই সমস্ত প্রাণীকে দেব বা দেবী জ্ঞানে পূজাও করা হয়। তাই, বাঘ যে আমাদের জাতীয় প্রাণী এতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। বাঘের অভয়ারণ্য রয়েছে এ ধরনের দেশগুলিতেও বাঘের সঙ্গে কোন না কোন সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের যোগসূত্র রয়েছে বলেই আমার বিশ্বাস।
বন্ধুগণ! প্রাণী রাজ্যে যারা বিচরণ করে সাধারণভাবে তারা কারোর কোনরকম ক্ষতি করে না। ব্যতিক্রম শুধু মানুষই। আমাদের দাবি ও চাহিদা পূরণের বাধ্যবাধকতা এবং লোভের শিকার হয়ে অরণ্য ক্রমশ সংকীর্ণ হয়ে আসছে। ফলে, বিনষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য। এই প্রসঙ্গে আমি স্মরণ করি গৌতম বুদ্ধের সেই বিখ্যাত বাণী, “অরণ্য হল অসীম দয়ার এক বিচিত্র নিদর্শন। সকল প্রাণীকেই তা রক্ষা করে। এমনকি যে কাঠুরিয়া অরণ্য ধ্বংস করতে উদ্যত তাকেও সে তার নিজের ছায়ায় আশ্রয় দান করে।”
বাঘ সংরক্ষণের কাজে যে সমস্ত দেশ যুক্ত রয়েছে, তাদের এই বিশেষ কাজের আমি প্রশংসা করি। ‘বাঘ সংরক্ষণের কাজে বিশ্ব উদ্যোগ’ এবং এ সম্পর্কিত পরিষদের প্রচেষ্টাকেও আমি সাধুবাদ জানাই।
২০১০ সালে বাঘ সংরক্ষণ সম্পর্কে এক শীর্ষ বৈঠক আহ্বান করেছিলেন মিঃ ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর এই প্রচেষ্টার কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই সমস্ত উদ্যোগের সম্মিলিত ফল রূপে আমরা পেয়েছি ‘বিশ্ব বাঘ পুনরুদ্ধার কর্মসূচি’।
বিশ্ব বাঘ ফোরামের চেয়ারম্যান মিঃ দোরজির প্রচেষ্টাও বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।
এ পর্যন্ত আমি যা শুনে এসেছি তা থেকে জানা যায় যে বাঘের অস্তিত্ব রয়েছে এমন দেশগুলিতে এই প্রাণীটির থাকার জায়গা ভীষণভাবে সঙ্কুচিত হয়ে এসেছে। এই বৃহৎ প্রাণীটির বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাচারের প্রবণতার ফলে পরিস্থিতি আরও ভয়ানক হয়ে উঠেছে। ভারতেও চোরাগোপ্তাভাবে বাঘ শিকার পরিবেশগত ভারসাম্যকে নষ্ট করে তুলেছে।
তবে, ভারতের ক্ষেত্রে একটি আশার কথা হল এই যে এখানে অধিকাংশ মানুষই প্রাণী, গাছপালা, অরণ্য, নদ-নদী এবং প্রকৃতির অন্যান্য রূপ ও বৈশিষ্ট্যগুলিকেও শ্রদ্ধা ও সম্মান করে। পূজিত হয় চন্দ্র ও সূর্যও। বসুন্ধরাকে আমরা মাতৃজ্ঞানে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাই। আমাদের শাস্ত্র ও পুঁথিপত্রে সমগ্র প্রকৃতি তথা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে এক ও অভিন্ন বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’ এবং ‘লোকঃ সমস্তাঃ সুখিনো ভবন্তু’– এই হল আমাদের জীবন দর্শন।সকলের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা জানাই আমরা। পরিবেশ রক্ষার কাজেও আমরা ব্রতী।‘ওঁ দয়োঃ শান্তি, রংতরিক্ষ শান্তি, পৃথিবী শান্তি, রাপঃ শান্তি, রোষধয়ঃ শান্তি, বনস্পতেয়ঃ শান্তি’।
বন্ধুগণ! অরণ্য ও বন্যপ্রাণীপরস্পরের সঙ্গে সম্পৃক্ত, একে অপরের থেকে অবিচ্ছেদ্য। একে অপরের পরিপূরক। একের ধ্বংসের অর্থই অন্যের বিনাশ। জলবায়ু পরিবর্তনের তা একটি হেতু বা কারণ হয়ে দাঁড়ায় যা আমাদের নানাভাবে ক্ষতিসাধন করে চলে। এই পরিস্থিতির শিকার এখন সারা পৃথিবীর মানুষই। অরণ্যে বাঘের প্রজননের পক্ষে তা ভীষণভাবে ক্ষতিকর। সুতরাং, বাঘ সংরক্ষণের মধ্য দিয়ে আমরা শুধু আমাদের নিজেদের অস্তিত্বকেই টিকিয়ে রাখতে পারব না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তার সুফল ভোগ করবে।
বাঘ সংরক্ষণের কাজে ভারতের দীর্ঘদিনের এক সফল নজির রয়েছে। ১৯৭৩ সালে আমরা শুরু করি ‘ব্যাঘ্র প্রকল্পে’র কাজ। সূচনায় বাঘের অভয়ারণ্যের সংখ্যা ছিল মাত্র ন’টি। এই সংখ্যা এখন গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯-এ। বাঘ সংরক্ষণ এখন ভারত সরকার ও রাজ্যগুলির এক সম্মিলিত দায়িত্ব। এই লক্ষ্যে রাজ্য সরকারগুলির ভূমিকা ও প্রচেষ্টারও বিশেষ প্রশংসা করি আমি। কিন্তু জনসাধারণের সক্রিয় সমর্থন ছাড়া সরকারের এই প্রচেষ্টা কখনই সফল হতে পারে না। তাই, ব্যাঘ্র প্রকল্পের সাফল্যের মূলে রয়েছে আমাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার যা আমাদের শিক্ষা দেয় সহমর্মিতা ও সহাবস্থানের নীতি। এই সমবেত প্রচেষ্টার ফলে দেশে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৩০ শতাংশের মতো। ২০১০-এ দেশে বাঘের সংখ্যা ছিল ১,৭০৬। ২০১৪ সালে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ২,২২৬-এ।
আমাদের জাতীয় বাঘ সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আধুনিক প্রযুক্তিকে আরও বেশি করে ব্যবহার করা হচ্ছে বাঘ শিকারের ঘটনা রোধে। যে সমস্ত অভয়ারণ্য স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে অবস্থিত, সেখানে ইনফ্রারেড এবং থার্মাল ক্যামেরার সাহায্যে নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে ২৪ ঘন্টাই। বেশ কিছু নিয়মনীতি গড়ে তোলা হয়েছে পাহারা ও নজরদারি রক্ষার কাজে। বাঘের বসবাসযোগ্য অরণ্য এলাকায় নজরদারির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে রেডিও টেলিমেট্রি পদ্ধতি। বাঘ সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই সমস্ত কাজে এ বছর অর্থ বরাদ্দের পরিমাণও আমরা দ্বিগুণ করে তুলেছি। এই প্রাণীটির সংরক্ষণে সংস্থানের পরিমাণ ১৮৫ কোটি টাকা থেকে আমরা উন্নীত করেছি ৩৮০ কোটি টাকায়।
বাঘ সংরক্ষণ তথা প্রকৃতি সংরক্ষণ যে কোনভাবেই উন্নয়নকে ব্যাহত করে না, সে সম্পর্কে আমি দৃঢ় বিশ্বাসী। দুটি কাজই একে অপরের সম্পূরক। আমাদের যা করা প্রয়োজন তা হল যে সমস্ত এলাকা বা অঞ্চলে বাঘ সংরক্ষণই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য নয়, সেই সমস্ত অঞ্চলের জন্য আমাদের প্রকৌশলগত ব্যবস্থাকেঢেলে সাজানো। এটি নিঃসন্দেহে একটি কঠিন কাজ, কিন্তু তা করা সম্ভব। বাঘ ও বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য আমাদের উদ্যোগকে বিভিন্ন পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে আমাদের দক্ষতা তথা পারদর্শিতার বিষয়টি। এই উদ্যোগ আমাদের অবশ্যম্ভাবীরূপে ‘স্মার্ট সবুজ পরিকাঠামো’ গড়ে তোলার পক্ষে সহায়ক হয়ে উঠবে। আমাদের এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত করা প্রয়োজন বাণিজ্যিক গোষ্ঠীগুলিকেও। বাঘ সংরক্ষণ প্রচেষ্টার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্পোরেট ক্ষেত্রগুলির সামাজিক দায়বদ্ধতা তথা দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে এই কাজ আমরা সম্ভব করে তুলতে পারি। ভারতে বাঘ সংরক্ষণ পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে এই লক্ষ্যে উপনীত হওয়া সম্ভব।
বাঘ সংরক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে যে সমস্ত অঞ্চলে সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশকে ‘প্রকৃতির রাজধানী’ বলেই বিবেচনা করা উচিত। কয়েকটি বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্রের অর্থনৈতিক মূল্যায়নের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে আমাদের বেশ কয়েকটি সংস্থা। তাদের সমীক্ষায় প্রকাশ, বাঘ সংরক্ষণ ছাড়াও এই অভয়ারণ্যগুলির মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক তথা সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক সুফল লাভও সম্ভব। আর এ সমস্ত কিছুকেই আমরা মনে করি পরিবেশগত পরিষেবা। তাই, বাঘ ও প্রকৃতি সংরক্ষণের কাজকে আমরা উন্নয়নের পরিপন্থী বলে মনে করি না, বরং উন্নয়ন সম্ভব করে তোলার একটি উপায় বা মাধ্যম বলেই মনে করি। বিকাশ ও প্রগতির অর্থনৈতিক পরিসংখ্যানের সঙ্গে পরিবেশগত ভারসাম্যের বিষয়টি যুক্ত করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে মূল সাফল্য।
বন্ধুগণ! বাঘ তথা প্রকৃতি সংরক্ষণের কাজে শিল্প সংস্থাগুলিকে যুক্ত করার কাজে আমরা সাফল্য অর্জন করব বলেই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখাই ‘প্রকৃতির রাজধানী’র মূল লক্ষ্য। এই বিষয়টিকে মূলধনী বিনিয়োগের মতোই সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। কারণ, আমাদের অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশগত পরিষেবার এক বৃহত্তর অর্থনীতি।
পৃথিবীর৭০ শতাংশ বাঘেরইবাসভূমি হল ভারত। বাঘ সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে সাহায্য ও সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ ও চিনের সঙ্গে এ ব্যাপারে রয়েছে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা। বাঘ সংরক্ষণের কাজে আমরা পরস্পরের সঙ্গে আমাদের প্রচেষ্টা ও উদ্যোগকে যুক্ত করতে পারব।
অন্যান্য আরও কয়েকটি দেশের মতোই ভারতও বিশ্ব বাঘ ফোরামের এক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। এর সদর দপ্তর রয়েছে নয়াদিল্লিতে। এটিই হল এই ধরনের একমাত্র আন্তঃসরকারি পর্যায়ের একটি সংগঠন। বিশ্ব বাঘ উদ্যোগ পরিষদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করে চলেছে এই সংস্থাটি। তাই এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে আমাদের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আপনাদের। ভারতের বন্যপ্রাণী সম্পর্কিত সংস্থাগুলির সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির কাজে সাহায্য ও সমর্থন প্রসারের জন্যও আমরা বিশেষভাবে আনন্দিত।
বিপন্ন অস্তিত্বের জীবজন্তুকে নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে যে সমস্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, বাঘ সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত দেশগুলি তাতেও সমর্থন ও সহযোগিতা জানাতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই প্রসঙ্গে আমি আপনাদের আরেকটি সুসংবাদ দিতে চাই। দক্ষিণ এশীয় বন্যপ্রাণী এনফোর্সমেন্ট নেটওয়ার্কের নিয়মনীতি আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসরণ করতে চলেছি।
পরিশেষে আমি একথাই বলতে চাই যে বাঘ সংরক্ষণের বিষয়টি কোন ঐচ্ছিক বা বিকল্প বিষয় নয়। এটি আমাদের অবশ্য কর্তব্য। বন্যপ্রাণীদের ওপর যে কোন ধরনের অত্যাচার ও অপরাধ রোধে আঞ্চলিক সহযোগিতা একান্তভাবে জরুরি। তাই আসুন, এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বাঘ এবং তার বিচরণভূমি রক্ষার কাজে আমরা সঙ্কল্পবদ্ধ হই। এই লক্ষ্যে বাঘ সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য দেশগুলির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে ভারত অঙ্গীকারবদ্ধ।
এখানে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমি আপনাদের সাধুবাদ জানাই। এই সম্মেলনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য আমি কামনা করি।
ধন্যবাদ।
PG/SKD/DM/S
The tiger has brought all of us together here: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3vQmx
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
By protecting the tiger, we protect entire ecosystem & ecological services, which are equally crucial for the well-being of human beings: PM
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
Benefits from tiger conservation are enormous but intangible. We cannot quantify this in economic terms: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
I must mention the great effort made by Mr. Vladmir Putin in convening the tiger summit in 2010: PM @narendramodi @KremlinRussia_E
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
In India, the majority of the population respects trees, animals, forests, rivers and other elements of nature like the sun and the moon: PM
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
We consider the earth as our mother: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3vQmx
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
Forests are inseparable from wild animals. Both are mutually complementary. Destruction of one leads to destruction of the other: PM
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
India has a long standing and successful track record of protecting its tigers: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
Tiger conservation is a collective responsibility of Government of India & States. I also compliment State governments for their efforts: PM
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
I believe tiger conservation or conservation of nature is not a drag on development. Both can happen in mutually complementary manner: PM
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016
As a country having more than 70% of global tiger population India is committed to complement initiatives of other Tiger Range Countries: PM
— PMO India (@PMOIndia) April 12, 2016