পিএমইন্ডিয়া
এখানে উপস্থিত সমস্ত ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ,
উত্তরপ্রদেশের পূর্বাঞ্চলের মহান শিল্পী-ভাইদের প্রণাম। দেশ ও বিশ্বে নিজের হস্তকলার দক্ষতায় সুনাম অর্জনকারী বন্ধু ও বোনেদের অনেক অভিনন্দন। প্রাচীনকাল থেকেই কাশী নগরী বিশ্ব বাজারে একটি প্রতিষ্ঠিত নাম। রেশমের শাড়ি হোক কিংবা খেলনা, আমার কাশী সবার থেকে এগিয়ে।
পচৌরিজি তাঁর ভাষণে বলছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রীজি স্বয়ং এখানে অতিথিরূপে এসেছেন। না মশাই, আমি অতিথি নই। আপনারা আমাকে অনেক আগেই ভালোবাসা দিয়ে আপন করে নিয়েছেন। আমাকে বলা হয়েছে যে সিল্ক, ফেব্রিক, সুতো কাপড় এবং কার্পেট শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ১১টি জেলার শিল্পোদ্যোগীরা এখানে এসেছেন। একটু আগেই আমি এখানে একটি স্টলে একটি অদ্ভুত হস্তশিল্প দেখেছি। আপনাদের মধ্যে অনেকে ঋণের সুবিধা পেয়েছেন, অনেক হস্তশিল্পী ভাই ও বোনেদের ‘টুল কিট’ও দেওয়া হয়েছে। আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
বন্ধুগণ, কিছুক্ষণ আগে এখানে কয়েক হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে বেশ কিছু প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করা হয়েছে। এর মধ্যে বারাণসীর পরিকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পগুলির পাশাপাশি টেলিকম বিভাগের পেনশনভোগীদের সুবিধা প্রদানকারী প্রকল্পও রয়েছে। এই সকল প্রকল্পের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই।
ভাই ও বোনেরা, এখানে যতগুলি প্রকল্পের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করা হয়েছে, সবক’টার মূলে একটি প্রধান লক্ষ্য রয়েছে সেটি হল – আপনাদের জীবনকে সহজ করা, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হোক, ‘ইজ অফ লিভিং’ এবং ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’। এই দুটির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। তেমনই উন্নয়নের সঙ্গে জীবন সহজ হওয়া এবং সহজে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারার সম্পর্ক রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এবং উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ অভিযানকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে দায়বদ্ধ।
উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারের এই ‘এক জেলা, এক পণ্য’ প্রয়াসটি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ অভিযানেরই মজবুত বিস্তার। এই প্রকল্প উত্তরপ্রদেশকে বিশ্বের শিল্প মানচিত্রে স্থাপন করতে সক্ষম। সেজন্য আমি যোগীজি এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন টিমকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই। উত্তরপ্রদেশ তো ক্ষুদ্র ও অতিক্ষুদ্র শিল্পের হাব। কৃষির পর সবচাইতে বেশি কর্মসংস্থান এই ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পক্ষেত্রেই হয়। এখানে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প ঐতিহ্যের অংশ।
মুরাদাবাদের পিতল শিল্প, ভদোইয়ের কার্পেট, বারাণসীর রেশম পণ্য, এখানকার শাড়ি, আগ্রার পেঠা, মেরঠের ক্রীড়া সরঞ্জাম, লক্ষ্ণৌয়ের চিকনের কাজ, গোরক্ষপুরের টেরাকোটা শিল্প, প্রতাপগড়ের আমলকি থেকে আচার ও মোরব্বা শিল্প, শ্রাবস্তীর খোদাই শিল্প – প্রত্যেক জেলারই কিছু না কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই অভিনবত্ব স্থানীয় মানুষের এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করে। এই শিল্পগুলির আরও সম্প্রসারণে রাজ্য সরকারের ‘এক জেলা, এক উৎপাদন’ প্রয়োগ লাভজনক হয়ে উঠবে।
বন্ধুগণ, বারাণসী ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের দশটি পণ্যে ‘জিআই ট্যাগ’ বা ‘জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন’ আন্তর্জাতিক শংসাপত্র পেয়েছে।
এখানে প্রায় ৬০ হাজার হস্ততাঁত এবং ৭০ হাজার পাওয়ারলুমের সাহায্যে দেড় লক্ষ তাঁতি এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করছে। ‘এক জেলা, এক পণ্য’ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার একটি লাভজনক ব্যবসায় রূপান্তরিত করার কাজ করছে।
শিল্পোদ্যোগীদের, হস্তশিল্পীদের, শিল্পীদের যাতে অর্থ সঙ্কট না হয়, তাঁরা যাতে ভালো মেশিন, ভালো উপকরণ পান, যথাযথ প্রশিক্ষণ হয়, তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক বাজারিকরণ, সঠিক মূল্য পাওয়ার জন্য এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
এই শিল্পকর্মের ঐতিহ্য যাতে নবীন প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চারিত করা যায়, তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যথাসম্ভব প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি নিজেও দেশের ১০০টি জেলায় নিয়মিত তদারকি করছি যেগুলি আমাদের ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ঐতিহ্য রয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, এই সম্মেলনে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হবে। আর ২ হাজার কোটি টাকা যখন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের হাতে যাবে আর্থিক উন্নয়ন নিজে থেকেই কতটা গতি পাবে! এই সকল শিল্পোদ্যোগীরা ছাড়াও অনেক ব্যাঙ্কের পদস্থ কর্তারা এখানে উপস্থিত আছেন। গোটা প্রক্রিয়ার সব কিছু এই সম্মেলন স্থলেই সম্পূর্ণ হচ্ছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, যে লক্ষ্য নিয়ে এই দীনদয়াল হস্তকলা সঙ্কুল নির্মাণ করা হয়েছে, সেই স্বপ্ন আজ আমাদের চোখের সামনে ভালোভাবে মূর্ত হয়ে উঠেছে। আপনাদের সকলের জন্য এটি ব্যবসা-বাণিজ্য আর পারস্পরিক বার্তালাপের মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠবে – এই ভাবনা থেকেই এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
বন্ধুগণ, এক জনপদ এক পণ্য প্রকল্পের উদ্দেশ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে বিক্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ সমাধানের আয়োজন করা। আমি আপনাদের এখানে বারাণসীর তাঁতশিল্পী এবং শিল্পীদের উদাহরণ দেব।
সরকার দ্বারা তাঁদের সহজ শর্তে ব্যাঙ্ক ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাঁচামালের জন্য সাহায্য করা হচ্ছে। পরিচয় – এই পরিচয়ের জন্য বুননশিল্পীদের পরিচয়পত্র দেওয়ার মাধ্যমে মাঝখান থেকে দালালদের হটানোর কাজে অনেক সুবিধা হয়েছে। জানি, এই ব্যাপারটি অনেকের ভালো লাগবে না। কিন্তু
যার যতই কষ্ট হোক না কেন, দেশকে দালালদের হাত থেকে বাঁচাতে হবে।
তাছাড়া, এখানে বেনারসেই নয়টি কমন ফেসিলিটি সেন্টার-কমন সার্ভিস সেন্টার (সাধারণ সুবিধাকেন্দ্র-সাধারণ পরিষেবাকেন্দ্র) তৈরি করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে বুননশিল্পীদের বাজারিকরণের ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। তাছাড়া ভদোই, মির্জাপুর, মেঘা কার্পেট ক্লাস্টারেও বুননশিল্পীদের আধুনিক তাঁতযন্ত্র প্রদান করা হয়েছে।
বুননশিল্পীদের পাশাপাশি মাটির কাজের সঙ্গে যুক্ত হস্তশিল্পীদেরও আধুনিক ‘চাক’ দেওয়া হয়েছে, নতুন নতুন সুবিধাসম্পন্ন মেশিন দেওয়া হয়েছে। একটু আগেই আমাদের এক হস্তশিল্পী বলছিলেন, তিনি একটি আধুনিক চাক একটি ছোট টেবিলের ওপর নিয়ে বসে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাটির বাসন বানাচ্ছিলেন। তিনি মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা ঋণ পেয়েছেন। প্রথমে ধীরে ধীরে তাঁর পৈতৃক ব্যবসা বন্ধ হতে যাচ্ছিল, কিন্তু এখন অনেক পরিবার আবার এই পেশায় ফিরে আসছেন। দেখুন, কিভাবে পরিবর্তন আসে! আর আমি তাঁর চেহারায় দ্যুতি দেখতে পাচ্ছিলাম। আর যখনই কোনও সুবিধাভোগীর চেহারায় আমি দ্যুতি দেখি – হাসি দেখি, তখন আমার চেহারাও দ্যুতিময় হয়ে ওঠে। এই সব প্রচেষ্টার মাঝে আজ যে স্থানে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হচ্ছে, সেই বহুমূল্য উপহারের সার্থকতা তো আমরা সবাই লাগাতার দেখছি।
বন্ধুগণ, সাধারণ থেকে সাধারণতম পরিবারের যুবকযুবতীর কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করতে আমরা নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। কিছুক্ষণ আগে এখানে কিছু সুবিধাভোগীকে সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যাঁরা এলপিজি গ্যাস পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত হতে চান। সরকার তাঁদের ট্রাক কিনতে সাহায্য করছে, আর তেল কোম্পানিগুলি তাঁদের পরিষেবা নিচ্ছে।
ভাই ও বোনেরা, সাধারণ মানুষের জীবন যখন সরল এবং সুগম হয়, তখন ব্যবসা-বাণিজ্যও নিজে থেকেই সহজ হয়ে পড়ে। পরিকাঠামো ভালো থাকলে আর সরকারি প্রক্রিয়া ব্যক্তির জীবনে জটিলতা সৃষ্টি না করলে, মানুষের ব্যবসা ও জীবন সরল হয়। আমরা তেমন আবহ সৃষ্টির সঙ্কল্প নিয়েই বিগত সাড়ে চার বছর ধরে কাজ করে চলেছি।
আমি মনোজ সিন্হাজি এবং তাঁর বিভাগকে শুভেচ্ছা জানাই। তিনি টেলিকম বিভাগের সরকারি প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি বড় বাধাকে আজ দূর করেছেন।
জীবনভর দেশকে সেবা করার পর পেনশনভোগীদের যে সরকারি অফিসে অফিসে চক্কর লাগাতে হত, সেই প্রক্রিয়াকে সহজ করার প্রচেষ্টায় ‘সম্পন্ন’ বা ‘সিস্টেম ফর অথরিটি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অফ পেনশন’ যোজনার আজ শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
বন্ধুগণ, এখন পেনশন মঞ্জুর করা থেকে শুরু করে পেনশন প্রদান প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ কাজ সংশ্লিষ্ট বিভাগই করবে। ফলে, প্রতি বছর সরকারের কয়েক কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। পেনশনভোগীদের অনেক সুবিধা হবে। এর ফলে, যথাসময়ে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার পেনশন বিতরণ সম্ভব হবে। যে কোনও রাজ্যে নিজের বাড়িতে বসে থেকেই পেনশনভোগীরা নিজের পেনশন মোবাইল ফোনে ট্র্যাক করতে পারবেন। আগে, ভিন্ন ভিন্ন এজেন্সি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকার ফলে যে সব সমস্যার সম্মুখীন হতে হত, সেগুলি এখন বহুলাংশে হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। কারোর কোন অভিযোগ থাকলে তার সমাধানও দ্রুত করা সম্ভব হবে। এর ফলে, দেশের ডাকবিভাগের লক্ষ লক্ষ প্রাক্তন কর্মীও লাভবান হবেন।
এমনিতে বারাণসী ও উত্তরপ্রদেশের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্বিগুণ শুভেচ্ছা জানাতে হয়, কারণ কন্ট্রোল কমিউনিকেশন অ্যাকাউন্ট বা সিসিএ-র শাখা অফিস বারাণসীতে খোলা হয়েছে। এখন আপনাদের পেনশন সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা করতে এবং অন্য অভিযোগের সমাধান করতে বারবার লক্ষ্ণৌ যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।
বন্ধুগণ, পেনশনভোগীদের জন্য যে প্রকল্প আজ উদ্বোধন হল, এটি সরকারের জনগণকেন্দ্রিক দৃষ্টিকোণ, ন্যূনতম সরকার, অধিকতম প্রশাসন-এর মূল ভিত্তি। অর্থাৎ, সরকারি প্রক্রিয়া কিভাবে সরল হবে, সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে হবে, সরকার লাগাতার সেই প্রচেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে।
এটি ডিজিটাল ইন্ডিয়ার মাধ্যমে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জীবন সহজ করার প্রচেষ্টার অংশ। আজ জন্ম প্রমাণপত্র থেকে শুরু করে জীবন প্রমাণপত্র পর্যন্ত, সরকারের কয়েক হাজার পরিষেবা দ্রুতগতিতে বিস্তারিত হচ্ছে।
কর্মচারী ভবিষ্যনিধি প্রকল্পের অনলাইন ‘ট্রান্সফার’ এবং ‘উইথড্র’ করার সুবিধা আগেই চালু করা হয়েছে। এখন পেনশন ব্যবস্থাও সরল করা হচ্ছে।
এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিব্যাঙ্গদের, বৃদ্ধদের ডিজিটাল জীবন প্রমানপত্র জারি করার কাজ চলছে। জীবন প্রমানপত্র যোজনার মাধ্যমে প্রায় আড়াই কোটি পেনশনভোগীরা উপকৃত হয়েছেন।
ভাই ও বোনেরা, সরকার ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া শুরু করেছে। ডাকহরকরারাই আপনাদের বাড়িতে ব্যাঙ্ক পরিষেবা পৌঁছে দিচ্ছেন। এই ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সরকার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে এবং কাজ এগিয়ে চলেছে।
ইতিমধ্যেই দেশের প্রায় ২৫ হাজার ডাকঘরে এই পরিষেবা চালু হয়েছে। অন্যগুলিতেও দ্রুত ব্যাঙ্কিং পরিষেবা চালু করা হবে।
বন্ধুগণ, ব্যাঙ্কিং থেকে শুরু করে জমি সংক্রান্ত তথ্যাদি, নিজেদের ফসল ও উৎপন্ন পণ্য অনলাইনে বিক্রি করা পর্যন্ত অনেক পরিষেবা আজ অনলাইনে হয়েছে। সারা দেশে চালু হওয়া তিন লক্ষেরও বেশি কমন সার্ভিস সেন্টারের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আজ গ্রামগুলিতেও এসব পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এই নেটওয়ার্ক বিগত সাড়ে চার বছরে গড়ে তোলা হয়েছে।
আপনারাও হয়তো খবরের কাগজে পড়েছেন যে বিগত দু’-আড়াই বছরে ভারতে ইন্টারনেট যোগাযোগ ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ দেশে ৫০ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট কানেকশন সক্রিয় রয়েছে। শহরগুলির পাশাপাশি গ্রামগুলিতেও এই ইন্টারনেটের পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার পঞ্চায়েত ইতিমধ্যেই ব্রডব্যান্ডের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক প্রায় ২৯ হাজার গ্রাম হল উত্তরপ্রদেশের।
আগামীদিনে যখন দেশের কোণায় কোণায় দ্রুত ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে যাবে, তখন ডিজিটাল ইন্ডিয়া নতুন ভারতকে নতুন শক্তি, নতুন পরিচয় প্রদান করবে।
বন্ধুগণ, ডিজিটাল ইন্ডিয়া অভিযানের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য নানা পরিষেবা বৃদ্ধির পাশাপাশি দুর্নীতি কম করা এবং সরকারি লেনদেনকে স্বচ্ছ করে তোলা হয়েছে। আগে সরকারি বিভাগের কেনাকাটা নিয়ে কিভাবে সন্দেহ ও অভিযোগ আসতো? এখন কেন্দ্রীয় সরকার তার বিভাগগুলিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার জন্য গভর্নমেন্ট ই-মার্কেট প্লেস বা জিইএম নামক একটি নতুন স্বচ্ছ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। আমি চাই যে আপনারা সবাই এই ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করে এর দ্বারা উপকৃত হন। উত্তরপ্রদেশের ছোট ছোট ব্যবসায়ীরাও এতে অংশ নিয়ে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কাছে বিক্রি করে উপকৃত হতে পারেন। ইতিমধ্যেই অনেক মহিলা পরিচালিত ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পোদ্যোগ এর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। সম্প্রতি ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগের জন্য যে ১২টি দীপাবলী উপহার ঘোষণা করা হয়েছিল, তার মধ্যে জিইএম-এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বড় কোম্পানিগুলির কাছে যাতে সরবরাহকারী ছোট কোম্পানিগুলির বিল আটকে না থাকে, ক্যাশ ফ্লো যাতে অব্যাহত থাকে তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় সরকার সমস্ত কোম্পানিকে জিইএম-এর সঙ্গে যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করেছে।
শুধু তাই নয়, ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ঋণ পেতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তা সুনিশ্চিত করতে ডিজিটাল পরিষেবার শক্তির মাধ্যমেই অনলাইনে ঋণ মঞ্জুর করা হচ্ছে। আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো ইতিমধ্যেই এর দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। এখন অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে মাত্র ৫৯ মিনিটের মধ্যেই ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ মঞ্জুর করা হচ্ছে।
বন্ধুগণ, আমাদের সরকার দেশে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে দায়বদ্ধ। যারা জিএসটি নথিভুক্ত তাঁদের আর ব্যাঙ্ক ঋণের জন্য দৌড়ঝাপ করতে হবে না। ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলির জিএসটিআর রিটার্নের হিসেবনিকেশ অনলাইনে দেখে নিজেরাই ঋণ প্রদানের জন্য যোগাযোগ করবে।
এই সমস্ত প্রচেষ্টা দেশে ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’ সুনিশ্চিত করছে। ফলে, ব্যবসা ও বাণিজ্য সরল হয়েছে, যুবসম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বন্ধুগণ, কাশী এবং পূর্ব উত্তরপ্রদেশ সহ সম্পূর্ণ পূর্ব ভারতে আধুনিক পরিষেবা এবং শিল্পের জন্য উন্নত পরিবেশ গড়ার কাজ চলছে ব্যাপক স্তরে। প্রধানমন্ত্রী উর্জা গঙ্গা যোজনার মাধ্যমে গ্যাস পাইপলাইন বিছানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে বাড়ির রান্নাঘর থেকে শুরু করে সার কারখানাগুলি পর্যন্ত গ্যাসের যোগান সহজ হয়েছে। বারাণসীতে কয়েক হাজার বাড়ি ইতিমধ্যেই পাইপলাইনের মাধ্যমে সুলভে রান্নার গ্যাস পাচ্ছেন। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ : জগদীশপুর থেকে হলদিয়া পর্যন্ত প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে পাইপলাইন বিছানো হচ্ছে। এর প্রথম পর্যায়ের কাজ দ্রুত সম্পূর্ণ হতে চলেছে। তারপর বাড়িতে বাড়িতে নির্মল ও সুলভ গ্যাস পাওয়া যাবে। সিএনজি-র মাধ্যমে গাড়ি চললে প্রদূষণ কম হবে আর শিল্পসমূহের বিস্তারের ফলে যুবসম্প্রদায়ের কর্মসংস্থান হবে।
বন্ধুগণ, এখানে আসার আগে আমি ‘আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্র‘ সফরে গিয়েছিলাম। এই কেন্দ্র আমাদের বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষিকে লাভজনক করার নীতিরই পরিণাম। এটি দেশের জন্য ধানের উন্নত প্রজাতি, বীজ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণার পাশাপাশি এশিয়া এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের উপযোগী সমাধান খুঁজবে।
বন্ধুগণ, এখন কাশীতে পরিবর্তন টের পাওয়া যাচ্ছে। দিব্য কাশীর স্বরূপ এখন আরও সুরম্য হয়ে উঠছে। আজও বারাণসীর উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত অনেক প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশ প্রকল্প সড়ক প্রশস্তিকরণ এবং এখানকার ঐতিহাসিক আস্থার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলির সৌন্দর্যায়নের সঙ্গে যুক্ত। কাশীর সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি এগুলি কাশীতে যাতায়াত করা মানুষের জীবনও সহজ করবে। এমন অনেক কাজ করা হয়েছে যে সব ক্ষেত্রে স্বাধীনতার পর আর কোনও কাজ হয়নি।
ভাই ও বোনেরা, সরকারের চেষ্টায় কাশীর আত্মাকে বিব্রত না করে চিরপুরাতন শহর বিশ্বের সামনে নতুন চেহারা নিয়ে উঠে আসছে। এসব কিছুই বাবা বিশ্বনাথের কৃপায় সম্ভব হচ্ছে। আমাদের কর্তব্য হল, যে কাজ প্রায় দু’শ বছর আগে মাতা অহল্যাবাঈ হোলকর করেছিলেন, তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। অনেক দশকের উদাসীনতার পর বারাণসীর ঘাট, এখানকার মন্দিরগুলির সংরক্ষণ এবং সৌন্দর্যায়নের কাজকে আপনারা যেভাবে সমর্থন করেছেন, সেজন্য আমি আপনাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
এখানকার সাংসদ হিসেবে আমি কাশীবাসীর এই সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ। দেশ তথা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত প্রত্যেক ভক্ত যাতে কোনরকম সমস্যা ছাড়াই বা বিশ্বনাথের দরবারে কপাল ঠেকাতে পারেন, সেটা সুনিশ্চিত করাও আমার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।সেজন্য কাশীবাসীর সহযোগিতায় আমরা এমন অনেক পরিষেবা দ্রুত গড়ে তুলতে পারছি।
বন্ধুগণ, একইভাবে গঙ্গা মায়ের পবিত্রতা ও নিরন্তর প্রবাহকে সচল রাখার ক্ষেত্রেও আমরা দায়বদ্ধ। আমি আনন্দিত যে আমাদের নানা প্রচেষ্টার পরিণাম এখন ধীরে ধীরে পরিলক্ষিত হচ্ছে। আপনারা হয়তো সংবাদমাধ্যমে পড়েছেন যে ইতিমধ্যেই অনেক মাছ ও কুমীর সহ অনেক জীবজন্তু আবার জীবনদায়িনী মা গঙ্গায় ফিরে এসেছে। সম্প্রতি দেশের অনেক বৈজ্ঞানিকের দল গঙ্গাজল পরীক্ষা করে যে রিপোর্ট দিয়েছেন তাতে জানা গেছে যে গঙ্গায় দূষণের মাত্রা কমছে। ‘নমামি গঙ্গে’ অভিযান যত এগোচ্ছে, কাশীবাসী এবং গঙ্গা তটবর্তী অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের সহযোগিতায় গঙ্গা ততই নির্মলতর এবং অবিরাম স্রোতস্বিনী হয়ে উটছে।
বন্ধুগণ, যখন স্বচ্ছতা ও গণ-অংশীদারিত্বের জোরে সরকার কাজ করে, তখন সার্থক পরিণাম অবশ্যই পাওয়া যায়। না হলে, আপনারা সাক্ষী আছেন যে কখনও ‘গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান’ থেকে শুরু করে ‘গঙ্গা বেসিন অথরিটি’ পর্যন্ত না জানি কত প্রকল্প চালু হয়েছিল। মা গঙ্গাকে নির্মল করার নামে হাজার হাজার কোটি টাকা গঙ্গার জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মা গঙ্গার নির্মলতার জন্য ধনশক্তিই যথেষ্ট নয়, ইতিবাচক ইচ্ছাশক্তিও চাই। সদিচ্ছা থাকলে গঙ্গা পরিচ্ছন্ন হবেই। আমরা সম্পূর্ণ সততা ও সদিচ্ছা নিয়ে গঙ্গা পরিচ্ছন্ন করার অভিযানে লেগে পড়েছি।
কাশীর ভাই ও বোনেরা, প্রবাসী ভারতীয় দিবসের জন্য এখন মাত্র দু’-তিন সপ্তাহ বাকি রয়েছে। আমি সারা পৃথিবীর প্রবাসী ভারতীয়দের সেদিন কাশীতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছি। তাঁরা এখানে এলে তাঁদের সামনে পুরাতন কাশীর আধুনিক স্বরূপ তুলে ধরার দায়িত্ব কাশীবাসীর। তাদেরকে প্রভাবিত করা, প্রেরণা যোগানোর এই সুযোগ কাশীবাসী যেন হাতছাড়া না করেন।
আমরা নিশ্চিতভাবেই একটি সফল আয়োজন করব, আমি আপনাদের নির্বাচিত সাংসদ হিসেবে বিশ্বের নানা স্থান থেকে আসা এই প্রবাসী ভারতীয়দের ফুলের পাপড়ি বিছিয়ে এমনভাবে স্বাগত জানাবো যে, তাঁরা যেন ফিরে গিয়ে কাশীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকেন।
অবশেষে আমি আরেকবার এখানে উপস্থিত হস্তশিল্পী বন্ধুদের, সমস্ত সুবিধাভোগীদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আর দু’দিন পরই ২০১৮ বিদায় নেবে, ২০১৯ দরজায় কড়া নাড়ছে। আমি আপনাদের সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানাই। কাশী এবং উত্তরপ্রদেশের সকল আপনজনদের আমার পক্ষ থেকে মঙ্গলকামনা জানাই। বাবা বিশ্বনাথের আশীর্বাদে আমরা সবাই দেশের নব-নির্মাণের জন্য, নিজেদের কাশী তথা উত্তরপ্রদেশের নব-নির্মাণের জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করে চলেছি। কেউ যেন এই পরিশ্রমে কখনও খামতি না দেখান, এই কামনা রেখে আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ করছি।
আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
হর হর মহাদেব।
ধন্যবাদ!
CG/SB/DM/
It is a matter of pride for Kashi that this great city is now home to the International Rice Research Institute South Asia Regional Centre. This Centre harnesses the power of technology and innovation for the benefit of our farmers.
— Narendra Modi (@narendramodi) December 29, 2018
Glimpses from the inauguration today. pic.twitter.com/7sSZTLrfSH
हर ज़िले में कुछ अलग है, जिसने यहां लोगों को रोज़गार से जोड़ा है।
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
इसको विस्तार देने के लिए एक जनपद, एक उत्पाद लाभकारी सिद्ध होने वाली है।
पूर्वांचल तो हस्तशिल्प का हब है।
कलाकारी चाहे कपड़े और कालीन में हो या फिर मिट्टी या धातू के बर्तनों में, कण-कण में कला बसी हुई है: PM
आज जन्म प्रमाण पत्र से लेकर जीवन प्रमाण पत्र तक सरकार की सैकड़ों सेवाओं का बड़ी तेज़ गति से विस्तार हो रहा है।
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
पेंशन जैसी व्यवस्थाओं को भी आसान किया जा रहा है।
घर पर जाकर ही दिव्यांगों, वृद्ध जनों को डिजिटल जीवन प्रमाण पत्र जारी करने का काम चल रहा है: PM
आपने अखबारों में पढ़ा होगा कि देश में 50 करोड़ से अधिक इंटरनेट कनेक्शन काम कर रहे हैं,
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
शहरों में तो ये बढ़ोतरी हुई ही है, गांवों में भी तेज़ी से इंटरनेट का दायरा बढ़ा है,
डिजिटल इंडिया से सुविधा तो बढ़ ही रही है, साथ ही ये भ्रष्टाचार को कम करने पारदर्शिता का साधन बन रहा है: PM
पूर्वी भारत में आधुनिक सुविधाएं के लिए बेहतर माहौल बनाने का काम चल रहा है
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
प्रधानमंत्री ऊर्जा गंगा योजना के तहत गैस पाइपलाइन बिछाई जा रही है
इससे घरों की रसोई से लेकर खाद कारखानों तक के लिए गैस मिलनी शुरु हो चुकी है। वाराणसी में रसोई गैस की योजना से हज़ारों घर जुड़ चुके हैं: PM
काशी में परिवर्तन अब दिखने लगा है, दिव्य काशी का स्वरूप अब और भव्य होता जा रहा है।
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
आज भी बनारस के विकास से जुड़ी अनेक परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण किया गया है।
ये सारे कार्य काशी की सुंदरता को और निखारने वाले हैं: PM
गंगा की पवित्रता और अविरलता के प्रति हमारी प्रतिबद्धता है।
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
मुझे खुशी है कि हमारे प्रयासों के परिणाम भी दिखने लगे हैं।
आप सभी ने मीडिया में आई उन रिपोर्टों को देखा होगा कि कैसे मछलियां, मगरमच्छ समेत अनेक जीव-जंतु जीवनदायनी मां गंगा में फिर से लौटने लगे हैं: PM
हाल में देश के अनेक वैज्ञानिकों की टीम ने गंगाजल के परीक्षण के बाद एक रिपोर्ट भी दी है। इस रिपोर्ट के मुताबिक मां गंगा में प्रदूषण के स्तर में कमी आई है।
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
नमामि गंगे का अभियान जैसे-जैसे आगे बढ़ रहा है, वैसे-वैसे निर्मल और अविरल गंगा का लक्ष्य नज़दीक दिख रहा है: PM
जब पूरी पारदर्शिता के साथ, प्रमाणिकता के साथ, जनभागीदारी से सरकार काम करती है, तब सार्थक परिणाम मिलते हैं।
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
वरना आप तो साक्षी रहे हैं कि कभी गंगा एक्शन प्लान से लेकर गंगा बेसिन अथॉरिटी तक ना जाने कैसी-कैसी योजनाएं बनाई गईं।
मां गंगा के नाम पर हज़ारों करोड़ रुपए बहा दिए गए: PM
मां गंगा की निर्मलता के लिए धन की शक्ति ही काफी नहीं है, साफ नीयत भी चाहिए।
— PMO India (@PMOIndia) December 29, 2018
हम पूरी ईमानदारी के साथ, साफ नीयत के साथ गंगा जी को स्वच्छ करने के अभियान में जुटे हुए हैं: PM
काशी में होना ही अपने आप में विशेष अनुभूति देता है। यहां के लोगों से मिले प्यार से मैं अभिभूत हूं।
— Narendra Modi (@narendramodi) December 29, 2018
यहां विकास के कई कार्यों का लोकार्पण किया, जो काशी के लोगों के जीवन को और आसान बनाएगा। pic.twitter.com/ZzEpGT1gRG
‘One District, One Product’ is a commendable initiative of the Uttar Pradesh Government, which will safeguard the well-being of all those associated with MSMEs, especially weaving and handicrafts. pic.twitter.com/16mXZx2pkO
— Narendra Modi (@narendramodi) December 29, 2018
Our Digital India initiative has brought convenience in the lives of crores of Indians and has also helped eliminate corruption. pic.twitter.com/uzKY0ydzkC
— Narendra Modi (@narendramodi) December 29, 2018
बाबा विश्वनाथ की असीम कृपा हम सभी पर रही है।
— Narendra Modi (@narendramodi) December 29, 2018
हमारा प्रयास है कि काशी की आत्मा से छेड़छाड़ किए बिना, हमारा ये चिर-पुरातन शहर नई काया के साथ दुनिया के सामने आए। pic.twitter.com/Tl0ftiV8Np