পিএমইন্ডিয়া
বিশাল সংখ্যায় আগত ভাই ও বোনেরা,
এখানে যে কর্মসূচি শুরু হয়েছে, এই কর্মসূচি শুধু কিছু দরিদ্র পরিবারের জীবন বদলে দেবে তা নয়। এই কর্মসূচি একটি শুভ সূত্রপাত, যা কাশীর ভাগ্য বদলে দেবে। এখানকার দরিদ্র মানুষের জীবনে আমরা যদি সামান্য প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে পারি, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী তাদের জীবনে প্রযুক্তির অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তি আগে যত পরিশ্রম করে রোজগার করতেন, তার থেকে সামান্য কম পরিশ্রম করে যদি তার থেকে বেশি রোজগার করতে পারেন, আজ এখানে ব্যাঙ্কের সহায়তায়, আমেরিকান ফাউন্ডেশনের সহযোগে তেমনি কিছু সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারত সরকার এ ধরণের কর্মসূচিকে প্রাধান্য দেয় যাতে গরিবরা নিজেরাই আত্মনির্ভর হওয়ার প্রচেষ্টাকে অগ্রাধিকার দেয়।
বিগত প্রায় চল্লিশ-পঞ্চাশ বছর ধরে আমরা ‘গরিবি হটাও’ – আহ্বান শুনছি। আমাদের দেশে যে কোনও নির্বাচনের আগেও দরিদ্রকল্যাণের ভাষণ আকছার শোনা যায়। রাজনীতিবিদরা বাস্তবে যা-ই করুন না কেন সকাল-সন্ধ্যা গরিবদের মালা জপার রীতি রয়েছে। এই পরম্পরা থেকে একটু বেরিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা কি প্রত্যক্ষরূপে গরিব মানুষদের সঙ্গে নিয়ে তাদের দারিদ্র্য দূরীকরণের অভিযান চালাতে পারি না ? এখন পর্যন্ত যত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে সেগুলি দরিদ্র জনসাধারণের জীবনে যতটা পরিবর্তন আনার কথা ছিল ততটা আনতে পারেনি। আমি কোনও সরকারকে দোষ দিতে চাই না, কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলকে দায়ী করতে চাই না, কিন্তু দরিদ্রকল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে নতুনভাবে কাজ করতে চাই। কী করলে যে গরিব মানুষটি সত্যি সত্যি পরিশ্রম করতে চান তাকে দারিদ্র্য থেকে যুক্তি দেওয়া যাবে ! দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তিও চান না যে তাঁর সন্তান-সন্ততিরা তারই মতো অভাবের জীবন কাটাক। প্রত্যেক বাবা-মা সন্তানদের এমন জীবন দিতে চান যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে পারে, নিজের জীবনকে গৌরবময় করে তুলতে পারে। তাঁরা কেমন করে তাঁদের এই স্বপ্নকে সাকার করবেন ! যিনি আজ মজদুরী করে দিনে ১০০ টাকা রোজগার করেন তাকে যদি এমন কোনও বৃত্তিমূলক শিক্ষা দেওয়া যায় যাতে দৈনিক ২৫০-৩০০ টাকা রোজগার করতে শুরু করেন তাহলে তিনি সেই কাজে নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে আরও উন্নতি করতে পারবেন। সেজন্যই ভারত সরকার দক্ষতা উন্নয়ন কিংবা কর্মকুশলতা বৃদ্ধির বড় অভিযান শুরু করেছে। যে গরিব ঘরের সন্তানটি স্কুলের চৌকাঠ পেরিয়েছে কিংবা পঞ্চম, সপ্তম, দশম, কিংবা দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ে কাজের ধান্দায় আর পড়াশোনা করতে পারেনি তাকে কোনও বিশেষ কাজে পারদর্শী করে তুলতে সাহায্য করলে যে তার রোজগার বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে বলীয়ান করে তোলে, দেশের আর্থিক গতিবিধি বাড়ে। সেজন্যই আমরা এই ছোট ছোট জিনিসগুলি কিভাবে গড়ে তোলা যায় সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
আমি এই শহরের ই-রিক্সাচালক ভাইদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছি, কী করবেন, চালাতে পারবেন তো ? তারা বলেন, সাহেব আগের থেকে এখন আমাদের প্রত্যয়ের মাত্রা বেড়েছে।
আমি জিজ্ঞাসা করি, কেন ?
তারা বলেন, আমাদের দক্ষতা উন্নয়ন হয়েছে; স্কিল ডেভেলপমেন্ট। তারা এখন ‘স্কিল’ শব্দটির মানে জানেন। বলেন যে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্কিল ডেভেলপমেন্ট হওয়ায় আত্মপ্রত্যয় বেড়েছে। আগে তো প্যাডেল রিক্সা চালাতাম।
আমি জিজ্ঞাসা করি, কত স্পিডে চালাবেন ?
তারা বলেন, সাহেব, আইন মেনে চলবো, এমন কিছু করবো না যাতে নিজেদের পরিবার সঙ্কটগ্রস্থ হয় আর যাত্রীদের পরিবারও সঙ্কটে পড়ে, কাশীর গলিগুলি এমনিতেই সরু, আমাদের সামলে চালাতে হবে !
আমি ভাবি, তাদের ভালোই প্রশিক্ষণ হয়েছে ! কাশীতে গোটা বিশ্ব থেকে পর্যটক আসেন। এই কাশীর পর্যটন ব্যবস্থা কেমন হওয়া উচিত ? কাশী কেমন ? এখানকার মানুষজন কেমন ? একজন পর্যটক এই পরিচয় প্রথম কাদের কাছ থেকে পান ? কাদের সঙ্গে তাদের প্রথম আলাপ হয় ? – একজন রিক্সাওয়ালার সঙ্গে। সেই রিক্সাওয়ালা তাঁর সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেন, তাকে কতটা সমাদরে শহরের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিয়ে যান তা দিয়ে তার মনে একটা ছবি তৈরি হয়। সেজন্যেই এখানে এই বিশেষ রিক্সাগুলির প্রচলন করা হলো, একটা ব্যবস্থা উন্নয়ন করা হলো। আমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করছিলাম, আপনারা কী একজন গাইডের মতো আমাকে সকল দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে বলতে পারবেন ? তাঁরা বলেন, পারবো ! রিক্সা চালাতে চালাতে সবকিছু সম্পর্কে বলতে পারবো, আমার রিক্সায় যারা বসবেন, তারা কাশী দর্শন করে সন্তুষ্ট হবেন !
তাদের মুখে এরকম জবাব শুনে বুঝলাম, ভালই প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এরকম ছোট ছোট বিষয় অনেক বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
প্যাডেল রিক্সার আধুনিকীকরণ কিভাবে সম্ভব ? প্যাডেল রিক্সা থেকে এই ই-রিক্সায় রূপান্তর কিভাবে হবে ? যাত্রীদের সুবিধাকে কিভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া যায় ? পরিবর্তিত সময়ের উপযোগী পরিবেশ-বান্ধব প্রযুক্তিকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় ? এসব কিছুর সঙ্গে পরিবারের চাহিদা পূরণকেও কিভাবে যুক্ত করা যায়। এখানে যাদেরকে নির্বাচিত করা হয়েছে তাদের কারোরই নিজস্ব রিক্সা ছিলা না। তারা প্রত্যেকেই ভাড়ায় রিক্সা চালাতেন। প্রতিদিন মালিককে ৫০-৬০ টাকা ভাড়া দিতে হত। সামান্য যা বাঁচতো, তাই দিয়ে খাবার কিনে বাড়ি ফিরতে হত। একটা ডবল রোটি কিনে নিয়ে যেতেন, তাই দিয়ে গোটা পরিবারের রাতের খাবার। সেই গরিব রিক্সাচালকরা আজ চড়া সুদে ঋণ নিয়ে সংসার চালানো থেকে মুক্তি পেলেন। এখন খুবই কম হারে ব্যাঙ্কে সুদ জমা করতে হবে, আর দু’বছরের মধ্যেই তাঁরা এই রিক্সাগুলির মালিক হয়ে যাবেন। তাঁরা জানেন, এভাবে তাদের অনেক সাশ্রয় হবে। সেই টাকা পরিবারের কাজে লাগবে, দু’বছর পরই তাঁরা আর গরিব থাকবেন না। তাদের অবস্থা পরিবর্তন হবে, তাঁরা এগিয়ে যাবেন।
আমি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেছি, ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করবেন না ? তাঁরা বলেন, সাহেব, এতদিন ভেবে কুলকিনারা পেতাম না কতটা পড়াতে পারবো, কোথা থেকে টাকা পাবো, কিন্তু এখন আপনারা যে ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ছেলেমেয়েদের অবশ্যই পড়াবো !
মাত্র পাঁচ-ছয়জনের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ আমি পেয়েছি, কিন্তু আজ যারা রিক্সা পাচ্ছেন তাদের সবাইকে বলি, যত কষ্টই হোক, আমার ওপর রাগ হলে আমাকে বকবেন, সেই অধিকার আপনাদের আছে। কিন্তু ছেলেমেয়েদের পড়ানো থামাবেন না, তাদের শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেবেন। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সবচাইতে সস্তা ও বড় অস্ত্র হলো সন্তানদের শিক্ষিত করা। আমরা যদি ছেলেমেয়েকে উপযুক্ত শিক্ষা দিই, তাহলে বিশ্বের কোনও শক্তি আমাদের গরিব করে রাখতে পারবে না। দেখতে দেখতে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করবে। আর সেজন্যই আমার পরামর্শ যারা এই সুবিধা পাচ্ছেন তারা নিজেদের ছেলেমেয়েদের পড়ানোর ক্ষেত্রে কোনও সমঝোতা করবেন না, তাদেরকে অবশ্যই শিক্ষিত করে তুলুন।
আজ আমার সঙ্গে এই শহরের এক সব্জি বিক্রেতা বোনের কথা হয়েছে। তিনি এতদিন চৌমাথায় সৎরঞ্জি বিছিয়ে সব্জি বিক্রি করতেন। আজ তিনি একটা ঠেলা পেয়েছেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করছিলাম এতে তার কী লাভ হবে ? তিনি বলেন, এতদিন আমি যেখানে বসতাম সেখান দিয়ে কেউ গেলে আমার সব্জি কিনতেন। এখন আমি নির্ঘন্ট বানিয়ে নেব, কোনও এলাকায় সকাল ৯টায়, কোনও এলাকায় ১০টায়, কোনও এলাকায় ১১টায় আবার কোনও এলাকায় ১২টা থেকে ঠেলা নিয়ে দাঁড়াবো। তার মানে তিনি ব্যবসার যথার্থ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানেন। ঠেলা চালাতে চালাতেও নিজের জীবনে পরিবর্তন আনা যাবে সেই বিশ্বাস তার মনে জন্ম নিয়েছে। এরকম ছোট ছোট জিনিস বদলে আমরা অনেক বড় পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি।
এই তো কয়েক মাস আগেই আমরা প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার অভিযান চালিয়েছি। আমাদের দেশে ৪০-৫০ বছর আগেই গরিব মানুষদের স্বার্থে ব্যাঙ্ক রাষ্ট্রায়ত্তকরণ করা হয়েছিল। কিন্তু এই চার-পাঁচ দশকে অতি দরিদ্র কোনও মানুষকে ব্যাঙ্কের দরজায় দেখা যায়নি। এসব নিয়ে কোনও সমালোচনাও হয়নি। কোনও বুদ্ধিমান ব্যক্তি কোনও রাজনৈতিক নেতা কিংবা সরকারকে প্রশ্ন করেনি। গত ৫০ বছরে কেউ জিজ্ঞাসা করেননি। সবাই মেনে নিয়েছিলেন। আমরা এসে উদ্যোগ নিয়েছি যাতে ব্যাঙ্কের দরজায় গরিব মানুষের পা পড়ে, ব্যাঙ্কের ভেতর দরিদ্ররা পৌঁছতে পারেন। আমরা অভিযান শুরু করি। গত বছর, ১৫ আগস্টে লালকেল্লার প্রাকার থেকে ঘোষণায় এ বছর ২৬ জানুয়ারির মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করার সঙ্কল্প নিয়েছিলাম। দেশের সবক’টি ব্যাঙ্ক আমার পাশে দাঁড়ায়, উঠে পড়ে কাজ শুরু করে। আজ পর্যন্ত দেশের ১৮ কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে।
দেশের প্রায় সমস্ত দরিদ্র পরিবারই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। আমি বলেছিলাম, এই অ্যাকাউন্ট খুলতে কোনও টাকা জমা দিতে হবে না। ফর্ম ইত্যাদির খরচ ব্যাঙ্কের, বিনে পয়সায় গরিবদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হবে। কিন্তু গরিবদের মন কত বড় দেখুন, অ্যাকাউন্ট খুলতে কোনও টাকা লাগবে না এই সরকারি ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি অর্থ নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন। তার মানে গরিব মানুষরাও এখন পয়সা বাঁচাতে চান। এই ইচ্ছা তাদের আর্থিক জীবনে স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তন আনতে শুরু করবে। এখন ধীরে ধীরে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার অভ্যাসও তৈরি হচ্ছে। আমি অবাক যারা এত বছর ধরে গরিব মানুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার চেষ্টা করেননি, তাঁরা আজ আমার কাছে হিসেব চাইছেন, অ্যাকাউন্ট তো খোলা হয়েছে, কিন্তু ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে না। যারা অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যাপারে কোনও উৎসাহ দেখাননি, এখন সেই অ্যাকাউন্টগুলি ব্যবহৃত হচ্ছে কি হচ্ছে না তা নিয়ে তাদের চিন্তা হচ্ছে। ভাল হতো, আপনারা যদি এই কাজ ৪০-৫০ বছর আগে করতেন তাহলে ব্যবহার সম্পর্কিত প্রশ্ন আমাকে করতে হতো না, দেশের সকল দরিদ্র মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতো। কিন্তু আপনারা যে কাজ ৫০ বছর ধরে করেননি তা আমি ৫০ মাসে পুরো করে ছাড়বো, একথাই বলতে এসেছি।
দরিদ্র মানুষের কল্যাণ কেমন করে হবে ! এখন কাশীতে রক্ষাবন্ধনকে সুরক্ষাবন্ধন (রাখী উৎসবকে নিরাপত্তা বন্ধন) উৎসবে পরিণত করার অভিযান চালানো হয়েছিল আমি বিশেষ করে কাশীর মা-বোনেদের সর্বসমক্ষে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি, এই রাখী উৎসবে আমি বেনারস থেকে এত রাখী পেয়েছি, মা-বোনেদের এত আর্শীবাদ পেয়েছি, আমি মাথা নত করে সেই মা-বোনেদের প্রণাম জানাই। আপনারা আমার প্রতি যে ভালবাসা ব্যক্ত করেছেন, আমার নিরাপত্তার কথা ভেবেছেন, সেজন্য আপনাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এই কর্মসূচিতে যারা আমার সঙ্গে রয়েছেন, সহযোগী হয়ে এই কাজগুলিকে একটি দৃষ্টান্তস্বরূপ বাস্তবায়িত করেছেন তাদেরকেও অন্তর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। এখন আপনারা দেখবেন ধীরে ধীরে কাশীতে একটি নতুন গতি, নতুন উৎসাহ সঞ্চার হবে, এই উৎসাহ এবং গতি শহরটির একটি নতুন পরিচয় গড়ে তুলবে। সাধারণ মানুষের জীবনে সুখ-সুবিধার নানা মাত্রা যুক্ত হবে।
এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হওয়ায় আজ যে বন্ধুরা লাভবান হলেন, তাদেরকেও আমার শুভেচ্ছা জানাই। আশা করি কাশীর উন্নয়নে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম মানুষের শক্তি কাজে লাগবে। সেই লক্ষ্যে সকল প্রচেষ্টায় সাফল্য আসুক, ভোলানাথ আমাদের এই আর্শীবাদ দিন, এই আশা নিয়েই আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
PG/SB/DM.…
How to make the poor of India self-reliant, that must be our focus: PM @narendramodi speaks in Varanasi https://t.co/IEmqVENCQP
— PMO India (@PMOIndia) September 18, 2015
Our efforts to remove poverty over the years have not yielded the results we desired. The speed (of removing poverty) needs to improve: PM
— PMO India (@PMOIndia) September 18, 2015
Every person wants his or her child to lead a life better than what they led. Every person wants his or her child lead a life of dignity: PM
— PMO India (@PMOIndia) September 18, 2015
I urge all of you (in this gathering), whatever circumstances are, ensure that your children receive education: PM https://t.co/IEmqVENCQP
— PMO India (@PMOIndia) September 18, 2015
Education is the best (and even the least expensive) way to fight poverty: PM @narendramodi https://t.co/IEmqVENCQP
— PMO India (@PMOIndia) September 18, 2015