পিএমইন্ডিয়া
আপনারা আমাকে আশীর্বাদ দিতে দেশের সবচেয়ে বড় পঞ্চায়েতে পাঠিয়েছেন। আপনারা আমাকে এত ভালোবাসা দিয়েছেন, এই ভালোবাসাই আমার সকল কর্মের প্রেরণা ও ইন্ধন। সেজন্য আমি এই পবিত্র মাটির কাছে কৃতজ্ঞ। এখানকার লক্ষ লক্ষ ভাই ও বোনেদের কাছে কৃতজ্ঞ। ভোলেবাবা এবং মা গঙ্গার কাছে কৃতজ্ঞ।
আজ সকালে আমি বালিয়ায় ছিলাম। আর তারপর কাশী’তে বেশ কিছু অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে এখন আপনাদের কাছে এসেছি। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে রাজনীতি এমনভাবে পরিচালিত হয়ে এসেছে, যেখানে শুধু সেই পরিকল্পনাগুলি গ্রহণ করা হয়েছে যা ভোট ব্যাঙ্ক’কে মজবুত করবে। দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের উন্নয়ন, গরিব মানুষের জীবনের মান, গ্রাম, পাড়া ও শহরের বস্তিবাসীদের জীবনের মানোন্নয়নের কথা ভেবে গ্রহণ করা হয়নি। নিষাদ ভাইদের ভোট প্রয়োজন হলে ডিজেলের দাম এক টাকা প্রতি লিটারে কমিয়ে দাও, তা হলেই নিষাদ ভাইরা খুশি হয়ে ভোট দিয়ে দেবেন। কেউ সমস্যার শিকড়ে যায়নি, শিকড় থেকে সমাধানের চেষ্টা করেনি। শুধু নির্বাচনের কথা ভেবে এরকম পরিকল্পনা কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধান এনে দেয় না। সেজন্য আমরা যে পরিকল্পনাই গ্রহণ করেছি, তা দরিদ্র মানুষ যাতে নিজেরাই দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাঁদের সমস্যা সমাধান করতে পারেন, একথা ভেবে করেছি। তাঁদের সামর্থ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চলেছি।
যেমন – প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রায় ৭০ বছর হতে চলেছে কিন্তু দেশের ৪০ শতাংশ মানুষের এতদিন ব্যাঙ্কের দরজায় পা রাখার সৌভাগ্য হয়নি। আমরা আন্দোলন গড়ে তুললাম, যাতে দেশের প্রত্যেক গরিব মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকে। তাঁদের এই অধিকার প্রতিষ্ঠার খাতিরে, তাঁদেরকে সুদখোর মহাজনদের হাত থেকে রক্ষা করার কথা ভেবে আমরা এই আন্দোলন গড়ে তুলেছি। আমার আবেদনে সাড়া দিয়ে দেশের প্রায় ২১ কোটিরও বেশি নাগরিক এই প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনার অন্তর্গত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় বলা হয়েছিল কোনও টাকা লাগবে না। ব্যাঙ্কগুলি স্টেশনারি চার্জ বাবদ ১০ টাকা করে নিতে চেয়েছিল। আমি বললাম, না, ব্যাঙ্ক গরিবের জন্য আর অ্যাকাউন্ট খুলতে কোনও টাকা নেওয়া চলবে না।
আমাদের এই জিরো ব্যালেন্সে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার আবেদনে সাড়া দিয়ে দেশের গরিব মানুষ প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, তাঁদের পকেট খালি হলেও মন গরিব নয়। আজ আমি বুক ফুলিয়ে বলতে পারি, ঐ ২১ কোটিরও বেশি দরিদ্র মানুষ জন ধন যোজনায় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার মাধ্যমে দেশের রাজকোষে ৩৫ হাজার কোটিরও বেশি টাকা জমা করেছে।
যে দেশের গরিব মানুষের মন এত বড়, সেদেশের গরিবদের স্বার্থে জীবন উৎসর্গ করতে আনন্দ হয়। এই আনন্দই আমার জীবনে সকল সন্তোষের উৎস। দিন-রাত ছুটে বেড়ানোর প্রেরণা। আপনারা জন ধন যোজনায় যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলেছেন, সেগুলিকে অচল থাকতে দেবেন না। পাঁচ টাকা হলেও নিয়মিত লেনদেন করুন। ব্যাঙ্কের কর্মচারীদের পরিশ্রমের কথা ভাববেন না, তাঁরা এতে কিছু মনে করবেন না। আপনারা লেনদেনের অভ্যাস তৈরি করুন। নিদেনপক্ষে মাসে একবার হলেও ব্যাঙ্কে যান। আপনারা আমাকে নির্বাচিত করে লোকসভায় পাঠিয়েছনে বলেই আমি দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পেরেছি। সেজন্য আমি চাই, আমার সরকারের গ্রহণ করা সকল প্রকল্পের দ্বারা বারানসীর সাধারণ মানুষ উপকৃত হোক।
আমরা প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা চালু করেছি। আমাদের দেশের গরিব মানুষের বেশি চাহিদা নেই। ৫ হাজার, ১০ হাজার, ৫০ হাজার খুব বেশি হলে ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা ঋণ পেলে আমাদের ধোপা, নাপিত, মন্দিরের সামনে প্রসাদ বিক্রেতা, ফুল বিক্রেতা, দশকর্মার দোকানী, গোয়ালা, চা-বিস্কুট-পকোরাওয়ালারা তাঁদের ব্যবসা বৃদ্ধি করতে পারেন। কিন্তু তাঁদের জন্য ব্যাঙ্ক ঋণের কোনও ব্যবস্থা ছিল না। তাঁরা সকলেই সুদখোর মহাজনদের খপ্পরে পরতেন। প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার মাধ্যমে আমরা কোনও রকম গ্যারান্টি ছাড়াই এই ছোট ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করেছি। আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, প্রায় ৩ কোটি ৩০ লক্ষেরও বেশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইতিমধ্যেই ১ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি ঋণ পেয়েছেন। তাঁরা এই ঋণের টাকা দিয়ে ব্যবসা বৃদ্ধি করতে পেরেছেন। প্রত্যেকেই এক-দু’জন মানুষের কর্মসংস্থানও করতে পেরেছেন। দেশের মোট আয়ের ৬০ শতাংশের বেশি যোগান দেন এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাই। দলিত, তপশিলি জাতি, তপশিলি উপজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষ, এঁদের মধ্যে ২২ শতাংশ মহিলারা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পেয়েছেন। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি যে, এঁরা প্রায় প্রত্যেকেই ব্যাঙ্কে নিয়মিত কিস্তিতে ঋণ শোধ করছেন। এই মানুষদের এতকাল কোনও ব্যাঙ্ক বিশ্বাস করে ঋণ দেয়নি, তা হলে দেশের উন্নয়ন কি করে হবে?
আজ আমি বালিয়ায় হতদরিদ্র মানুষদের হাতে রান্নার গ্যাস তুলে দেওয়ার প্রকল্প উদ্বোধন করেছি। মাত্র কয়েক বছর আগেই প্রত্যেক সাংসদ ২৫টি করে রান্নার গ্যাসের কুপন পেতেন। অনেকে ছেলেমেয়ের বিয়ে বা অন্যান্য কারণে তাঁদের কাছে দিনের পর দিন হত্যে দিয়ে তারপর গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ পেতেন। আমরা ক্ষমতায় এসে সিদ্ধান্ত নিই যে, তিন বছরের মধ্যে দেশে ৫ কোটি দরিদ্র পরিবারকে রান্নার গ্যাস সংযোগ দেব।
ভাই ও বোনেরা, আমরা এই কাজকে এত অগ্রাধিকার দিয়েছি কারণ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন যে, কাঠের উনুনে রান্না করলে একদিনে মা, বোন এবং পরিবারের সদস্যদের ৪০০টি সিগারেটের ধোঁয়ার সমান ক্ষতি হয়। আমরা ডাক্তারদের বলতে শুনেছি যে, সিগারেট খেলে ক্যান্সার হয়। কাজেই দেশের মা ও বোনেদের এই সমস্যা থেকে বাঁচানোর জন্য এছাড়া আর কোনও পথ আমাদের কাছে খোলা ছিল না। ধনীদের স্বার্থ দেখার জন্য দেশে একের পর এক সরকার এসেছে। কিন্তু আমরা গরিবদের স্বার্থ দেখতে এসেছি। সেজন্য তিন বছরে ৫ কোটি পরিবারকে রান্নার গ্যাসের সংযোগ দিয়ে ঐ পরিবারগুলির মানুষকে নানারকম রোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি।
আজ এখানে আমার মৎস্যজীবী ভাইদের হাতে আমরা ই-বোটতুলে দিচ্ছি। আগে নির্বাচনের প্রাক্কালে মৎস্যজীবীদের খুশি করার জন্য ডিজেল দেওয়া হত। আমরা মৎস্যজীবী ভাইদের সমস্যা থেকে মুক্তি দিলাম। এই ব্যাটারি চালিত নৌকাগুলির ছাদে সোলার প্যানেল লাগানোরও ব্যবস্থা আছে। দিনে ১০ ঘন্টা নৌকা চললে ডিজেলের খরচ হতো ৫০০ টাকা কিংবা আরও বেশি। ইঞ্জিনের শব্দ এবং ধোঁয়া থেকে যে প্রদূষণ হতো, তা থেকে এখন মুক্তি পাওয়া যাবে। এই পরিবেশ-বান্ধব নৌকাগুলি পর্যটনের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। বিশেষ করে, বিদেশি পর্যটকরা এই নৌকাগুলিকেই বেশি পছন্দ করবেন। ফলে, মৎস্যজীবী ও পর্যটনজীবী নৌকা চালকদের উপার্জন বৃদ্ধি হবে এবং জীবন মানেও উন্নতি ঘটবে।
দৈনিক ৫০০ টাকা সাশ্রয় হলে সেই টাকা আমার নৌকা চালক ভাইয়েরা তাঁদের ছেলেমেয়ের পড়াশুনা, দুধের খরচ এবং পিতামাতার চিকিৎসার জন্য খরচ করতে পারবেন। এভাবেই দারিদ্রকে পরাজিত করে আত্মসম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারবেন। একটি সাধারণ সিদ্ধান্ত কত বড় পরিবর্তন আনতে পারে, তা আজ আপনারা দেখছেন। এঁদের দেখে ভবিষ্যতে অন্য নৌকা চালকরাও তাঁদের নৌকা ই-বোটে রূপান্তরিত করে নেবেন বলে আমার বিশ্বাস। এই রূপান্তরণে যে দু-একদিন সময় লাগবে, সেই দিনগুলিতে আমার নৌকা চালক ভাইরা কি না খেয়ে থাকবেন? তাঁদের কথা ভেবে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, রূপান্তরণের সময় সরকারের পক্ষ থেকে নৌকা চালকদের নৌকা দেওয়া হবে। আমি নৌকা চালক ভাইদের বলেছি, আমরা নৌকাগুলিতে চার্জার লাগাবো। এতে পর্যটকরা তাঁদের মোবাইল ফোনও চার্জ করতে পারবেন। আজকাল মোবাইল ফোনের চার্জ চলে গেলে মানুষের এমন অবস্থা হয়, যেন হৃদপিন্ড স্তব্ধ হয়ে গেছে। নৌকা চালক ভাইয়েরা তাঁদের নৌকার ছাদে যত বেশি সোলার প্যানেল লাগাবেন, তত বেশি লাভবান হবেন।
দু’দিন আগেই ভারত মহাকাশে ৭টি উপগ্রহ পাঠিয়েছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে মহাকাশে আমরা নিজস্ব জি পি এস সিস্টেম গড়ে তুলেছি। আমরা চাইলে এই পরিকল্পনা দীনদয়াল উপাধ্যায়-এর নামে চালু করতে পারতাম, উপগ্রহের নাম রাখতে পারতাম শ্যামা প্রসাদ মুখার্জীর নামে। আমাদের দেশের রাজনীতিতে এমনই নাম রাখার প্রচলন রয়েছে। একটি পরিবারের কত জনের নামের দেশে অসংখ্য প্রকল্পের নামকরণ করা হয়েছে। আমারও ইচ্ছা ছিল যে, আমরা যাঁদের আদর্শ অনুসরণ করি তেমন কোনও মনীষী কিংবা কোনও প্রাতঃস্মরণীয় মুনি-ঋষির নামে এগুলির নামকরণ করব। কিন্তু, প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আপনারা যাঁকে নির্বাচিত করে পাঠিয়েছেন, সেই মোদী ভিন্ন ধাতু’তে গড়া। আমি কোনও অগ্রজ নেতা কিংবা পরিবারের কারও নামে নামকরণ না করে এই প্রকল্পের নাম দিয়েছি ‘নাবিক’। এই নামকরণের মাধ্যমে আমি এই প্রকল্পটিকে দেশের কোটি কোটি মৎস্যজীবী মানুষ’কে উৎসর্গ করেছি। কারণ, নাবিকরা যখন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান, তখন অনেক সময়েই তাঁরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন, মাসের পর মাস ভুল পথে ঘুরতে ঘুরতে কখনও মাটির দেখা পান আবার কখনও দিনের পর দিন উপবাসে মৃত্যুবরণ করেন।তা সত্ত্বেও আমাদের দেশের হাজার হাজার বছরের নৌ-যাত্রার উজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে। এই ইতিহাসকে স্মরণ করে আমরা এই জি পি এস সিস্টেমের নাম দিয়েছি নাবিক। সারা বিশ্ব আমাদের এই উপগ্রহকে এই নামেই চিনবে।
ভাই ও বোনেরা, দেশের মৎস্যজীবীদের অবদানকে এভাবে স্বীকৃতিজানানো এবং তাঁদের অমর করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এবার এই ই-বোটের মাধ্যমে কাশীর সামাজিক জীবনে একটি আর্থিক বিপ্লব নিশ্চিত বলে মনে করি। আজ আমি অনেক প্যাডেল রিকশা চালকদের হাতে ই-রিকশা তুলে দিতে পেরেছি। এই ই-রিকশাও কাশীর সামাজিক জীবনে আর্থিক বিপ্লব এবং গতি আনবে বলেও আমি মনে করি।
পাশাপাশি, এই পরিবেশবান্ধব নৌকা ও রিকশা কাশীর বাতাসকে নির্মল করে তুলবে। কাশীর উন্নয়নের যে স্বপ্ন আমি দেখেছি, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপনাদের কাছ থেকে একটি ছোট্ট সাহায্য চাই। আপনারা সাহায্য করবেন? পরে না করতে পারবেন না কিন্তু। ঐদিক থেকে আমি কোনও আওয়াজ শুনতে পারছি না। পাকা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তো? আমি চাই, আপনারা কাশীকে পরিচ্ছন্ন রাখুন। এখন থেকে আমার কাশী আর নোংরা থাকবে না। আপনারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, আমাকে সাহায্য করবেন। গোটা বিশ্ব থেকে মানুষ কাশীতে পূণ্যার্জনের জন্য আসেন। আপনারা যদি আমাকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় সফল হন, তা হলে বিশ্ববাসীর সামনে কাশী তথা ভারতের মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে সরকারের কাছ থেকে কোনও রকম সাহায্য না নিয়েই আপনারা অনেক কিছু করতে পারেন। হরহর মহাদেব বলে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অভিযানে নেমে পড়ুন।
আপনারা এত বিপুল সংখ্যায় এখানে এসেছেন। মা গঙ্গার কোলে এই দৃশ্য আমাকে প্রেরণা যোগাচ্ছে। যখনই আপনাদের কাছে আসি সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। একটি নতুন শক্তি নিয়ে আমি এখান থেকে যাই, ছুটতে থাকি, কাজ করতে থাকি।
ভাই ও বোনেরা, আজ সকল মৎস্যজীবী ও পর্যটনজীবী ভাই-বোনদের হাতে ই-বোট তুলে দিয়ে আমি গর্ব অনুভব করছি। আশা করি, এর ফলে আপনাদের যে অর্থ সাশ্রয় হবে তা আপনারা সন্তানদের পড়াশুনার জন্য খরচ করবেন, কেননা দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এটাই প্রধান উপায়। আমাদের দারিদ্র্য যেন আমরা পুরাষুক্রমে সন্তানদের মধ্যে সঞ্চারিত না করি। এটাই প্রত্যেক মা-বাবার সংকল্প হওয়া উচিৎ।
ভাই ও বোনেরা, আমি আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ। কাশীর সকল নৌকা যেদিন ই-বোটে রূপান্তরিত হবে, সেদিনই আমার স্বপ্ন পূর্ণ রূপে বাস্তবায়িত হবে। আর আপনারা অতিসত্ত্বর নিজেদের মোবাইল ফোনে নাবিক জি পি এস দেখতে পাবেন। একে সম্বল করে এগিয়ে যান। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
PG/SB/SB
PM @narendramodi on the e-boat in Varanasi this evening. pic.twitter.com/gJl8eisdkV
— PMO India (@PMOIndia) May 1, 2016
Schemes that strengthen the people are important not schemes that strengthen vote banks. India has to become stronger: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 1, 2016
We are empowering the poor so that the poor can battle poverty. Take the Jan Dhan Yojana for instance: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 1, 2016
Our experience during Jan Dhan Yojana brought out the richness of the poor. And it is really satisfying to work day & night for the poor: PM
— PMO India (@PMOIndia) May 1, 2016
This nation, our government and our banks...they are for the poor: PM @narendramodi in Varanasi
— PMO India (@PMOIndia) May 1, 2016
PM @narendramodi is talking about e-boats and their benefits. https://t.co/Iy8hu3vQmx
— PMO India (@PMOIndia) May 1, 2016