পিএমইন্ডিয়া
সমবেত সকল ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকবৃন্দ। আমি অনেক জায়গায় যাবার সুযোগ পাই। কিন্তু, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাব্দী সমারোহের সময় আয়োজিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যাওয়ার সৌভাগ্য অন্যরকম অনুভূতি এনে দেয়। আমি ভারতরত্ন মদনমোহনজীর চরণ বন্দনা করি। ১০০ বছর পূর্বে তিনি যে বীজ বপন করেছিলেন তা আজ একটি বিশাল জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রেরণার মহীরুহ হয়ে উঠেছে।
দূরদ্রষ্টা মহাপুরুষ কেন হন এবং কিভাবে তাঁর দূরদৃষ্টি প্রসারিত হয়? আমাদের জীবৎকালে আমরা যাঁকে দূরদ্রষ্টা ভাবি, তাঁরা কতদূর দেখতে পান? একশো বছর আগে দূরদ্রষ্টা মহাপুরুষ মদনমোহনজীর কর্মপদ্ধতি দেখলে বোঝা যায়, শুধু রাষ্ট্রের স্বার্থে স্বপ্ন দেখা নয়, পরাধীন ভারতে বা স্বাধীন ভারতের স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি সেসব স্বপ্নকে সাকার করার জন্য তিনি কোন্ পথ বেছে নিয়েছিলেন। এহেন সামর্থ্যবান, সমর্পিত মানুষের জীবনের শৃঙ্খলাবোধ, কেমন শিক্ষা এবং সংস্কারের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করতে তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখেছেন।
এদেশে ব্রিটিশ শাসন ছিল, তারাও বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলেছিল।, কিন্তু তারা গড়ছিলেন অধিকাংশই কলকাতা ও মুম্বাইয়ের মতো প্রেসিডেন্সিগুলিতে। তাদের বাণিজ্য যাদের মাধ্যমে সুদূর প্রসারিত হবে তেমন শিক্ষার্থীই তারা গড়ে তুলতে চাইছিলেন। কিন্তু মদনমোহনজী চাইছিলেন ছাত্রদের মনে ভারতের মহান পরম্পরা সঞ্জীবিত করে এমন রাষ্ট্র নির্মাণকারী গড়ে তুলতে যাঁরা সংস্কারের ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
মহামনাজী যে কাজ করেছেন, তাঁর প্রায় ১৫-১৬ বছর পর মহাত্মা গান্ধী এই কাজ শুরু করেন গুজরাট বিদ্যাপীঠ রূপে। দু’জনেই দেশের জন্য কিছু করতে নতুন প্রজন্মের মানুষ গড়ে তুলতে চাইছিলেন। কিন্তু, আজ আমরা দেখছি মদনমোহনজী যে বীজ বপন করেছিলেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়থেকে কত মনীষী ও শিক্ষাবিদ পাশ করে বেরিয়ে নিজেদের জ্ঞান, পৌরুষ এবং পরিশ্রম দিয়ে এই দেশকে স্বাধীন করতে এবং নতুন রাষ্ট্র গড়ে তুলতে আত্মনিয়োগ করেছেন। আমি আজ এই অবসরে মদনমোহনজীর পাশাপাশি সেই মহাপুরুষদেরও প্রণাম জানাই।
বিগত একশো বছরে এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লক্ষাধিক ছাত্রছাত্রী পাশ করে বেরিয়েছেন। তাঁরা সমাজে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন। কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ শিক্ষক, কেউ অধ্যাপক, কেউ প্রশাস্নের আধিকারিক, কেউবা শিল্পপতি। ভারতে তখন এমন সময় ছিল, যে ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে যে পেশাতেই নিয়োজিত হন না কেন, তাঁর পেশায় যত ব্যুৎপত্তিই অর্জন করুন না কেন, যত সাফল্যই পান না কেন, তিনি নিজেকে বুক ফুলিয়ে বি এইচ ইউ’র ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন।
আমার নতুন প্রজন্মের ছাত্রবন্ধুরা, বিগত একশো বছরে যাঁরা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বেরিয়েছেন, তাঁরা কেউ জীবৎকালে কখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেননি। এমনকি, নিজের পেশার সাফল্যও তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়কে সমর্পণ করতে দ্বিধাবোধ করেননি। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শক্তি কত সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে! বি এইচ ইউ’র ছাত্রছাত্রীদের, প্রক্তনীদের এই গর্ববোধ ভারতের প্রত্যেক প্রান্তের মানুষ, ১২৫ কোটি ভারতবাসীর মনে শ্রদ্ধার উদ্বেগ করে। আমি আজকের ছাত্রছাত্রীদের কাছে জানতে চাইবো, আজ কেন এরকম অবস্থা হয়েছে? তা হলে কি তাঁরা আজ সেই মহান পরম্পরা ও আদর্শকে দেশের সর্বত্র পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হয়েছেন? আজ সময়ের দাবি, শুধুই ভারত নয়, বিশ্বকে দেখাতে হবে তখনও কয়েক শতাব্দীকাল আগে আমাদের দেশে নলন্দা, তক্ষশিলা ও বল্লভির মতো বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। আজও আমরা যেমন সেগুলি নিয়ে গর্ব করি, বি এইচ ইউ নিয়ে তেমনই ভবিষ্যতে ভারতবাসী গর্ববোধ করবে। এটা ভারতের ঐতিহ্য, ভারতের সম্পদ, শতাব্দীর পৌরুষ নিঃসৃত সম্পদ। লক্ষ লক্ষ মহাপুরুষের তপস্যার পরিণামস্বরূপ আজ বি এইচ ইউ এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। সেজন্য বিশ্ব ভারতের কাছ থেকে আপনত্ব, নিজের পরম্পরা সম্পর্কে গর্ববোধ, আর সত্যকে বোঝা আর বুক ফুলিয়ে সত্যের সম্মুখীন হওয়া, সত্যকে বোঝানোর সামর্থ্য আশা করে।
আমি কখনও কখনও ভাবি, যোগ কোনও নতুন বিষয় নয়। ভারতে অনেক শতাব্দীকাল ধরে যোগাভ্যাসের পরম্পরা রয়েছে। সাধারণ মানুষও ব্যক্তিগতভাবে যোগাভ্যাসে আকর্ষিত হয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যোগকে জানার আগ্রহ দেখেছি। আমাদের যোগে সেই ক্ষমতা রয়েছে যা বিশ্বকে আমাদের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে, আপন করে নিতে পারে। গত বছর আমার প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে রাষ্ট্রসংঘ আন্তর্জাতিক যোগ দিবস ঘোষণা করেছে। বিশ্বের ১৯২টি দেশের মানুষ এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। আমাদের যা আছে, তা নিয়ে যদি আমরা গর্ববোধ করতে পারি, তা হলে বিশ্ববাসীও আমাদের সঙ্গে পা মিলিয়ে চলতে, আমাদের অনুসরণ করতে তৈরি থাকেন। এই বিশ্বাস জ্ঞানের অধিষ্ঠানে সঞ্জীবিত থাকলে, প্রত্যেক ভাবনা ও দর্শনকে আলোচনা-সমালোচনার কষ্টিপাথরে যাচাই হতে থাকলে এর স্বীকৃতি আরও বৃদ্ধি পায়। বি এইচ ইউ’র মাধ্যমে এই প্রয়াস নিরন্তর জারি রয়েছে।
আজ এখানে যে ছাত্রদের সম্মান জানানোর সুযোগ পেয়েছি, তাদের সকলকে এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। যে ছাত্রছাত্রীরা আজকের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ডিগ্রি পেয়েছেন, তাদেরকেও আমি অন্তর থেকে অভিনন্দন জানাই। এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে আপনারা শিক্ষা সমাপনের উৎসব বলে ভাববেন না। আমার তো মনে হয়, সমাবর্তন আসলে শিক্ষাগুরুর সমারোহ। জীবনে সাফল্য পেতে হলে পরিবর্তিত যুগের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে চলার প্রাথমিক শর্ত হল – আমাদের অন্তরের শিক্ষার্থী যেন কখনও মুষড়ে না পরে, কখনও মারা না যায়। তা হলেই আমরা এই বিশাল জগতের এক বিরাট ব্যবস্থার সংখ্য মাত্রাসমূহ অর্জন করতে পারবো।
এই সমাবর্তনের পর আমাদের সামনে বিশাল বিশ্ব উন্মুক্ত। এতদিন আমাদের ছিল কয়েক বর্গ কিলোমিটার দুনিয়া। চেনা মানুষজনের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ হতো। চেনা-জানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হতো। এখন হঠাৎ আমরা আগলহীন উন্মুক্ত বিশ্বের চৌকাঠে পা রেখেছি। এটা সামান্য সূত্রপাত নয়। একদিকে এতদিনের পরিশ্রমের সুফল পাওয়ার আনন্দ, অন্যদিকে ক্যাম্পাসের বাইরে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গেই দুনিয়া সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গী বদলে যাওয়া। যতদিন ছাত্র ছিলেন, মা-বাবা আত্মীয় পরিজন সকলেই পিঠ চাপড়াতেন, ভালো করে পড়াশুনা করো, এগিয়ে যাও! কিন্তু এখনশংসাপত্র হাতে পেতেই প্রশ্ন উঠবে, এখন কী করবে? বাড়ি পৌঁছে বাবা-মা বলবেন, এবার কী করবে? এই প্রশ্নের আড়ালে আসল বক্তব্য হল, এবার আমাদের দায়িত্ব শেষ, এবার তোমার দায়িত্ব নেবার পালা! এখানেই জীবনের কষ্টিপাথরে যাচাই করা শুরু। সেজন্য বিজ্ঞানে দুটি ভাগ থাকে, বিজ্ঞান আর ফলিত বিজ্ঞান। এতদিন আপনারা যে জ্ঞান অর্জন করেছেন এবার তাঁর ফলিত প্রয়োগ শুরু হবে। সেখানে আপনারা কিভাবে টিকে থাকবেন, নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করবেন, সেই কঠিন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা খুব মনে পড়বে।
আমার নবীন বন্ধুরা, এখানে আপনাদের উপাচার্য একটি পরম্পরাগত বার্তা দিয়েছেন। আপনারা সবাই জানেন, আমাদের দেশে শিক্ষার পর দীক্ষা এই পরম্পরা কয়েক হাজার বছর পুরনো। এর প্রথম উল্লেখ আমরা তৈতরেয় উপনিষদে দেখতে পাই। তখন থেকে এদেশে এই প্রথা চলে আসছে। আপনারা জীবনে অনেক কিছু করতে পারবেন, অনেক কিছু করবেন, কিন্তু আমি যেমন বললাম, আপনার ভেতরের শিক্ষার্থীর যেন কখনও মৃত্যু না হয়। জিজ্ঞাসা মানসিক বিকাশের শেকড় মজবুত করে। জিজ্ঞাসা শেষ হয়ে গেলে স্থবিরতা আসে। বয়স যাই হোক না কেন, বার্ধক্য নিশ্চিতভাবে চলে আসে। আর প্রতি মূহুর্তেই নিত্যনতুন জীবন কেমন হবে, প্রতি মূহুর্তে ভেতরে কেমন করে নতুন চেতনা প্রকট হবে, প্রতি মূহুর্তে নতুন কিছু করার ইচ্ছা এমনই হবে যেমন ২০ বছর আগে নতুন কিছু করার সময় হতো। তবেই দেখবেন, বেঁচে থাকার আলাদা আনন্দ পাবেন। হঠাৎ কোনও সংকটে যখন চোখের সামনে আন্ধকার ছেয়ে যায়, তখন জ্ঞানের আলোই আপনাদের পথ দেখাবে।
দেশ ও দুনিয়ার সামনে অনেক সমস্যা রয়ে ছে। সেসব সমস্যার সামনে ভারত কোন্ ভূমিকা পালন করতে পারে? আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা আগামী যুগে মানবজাতিকে, বিশ্বকে, কিছু দেওয়ার স্বপ্ন কেন দেখবো না? সমান জীবনের শক্তির একটি আধার হল – উদ্ভাবন, কেবলই পি এইচ ডিডিগ্রি পাওয়ার জন্য নয়, কাট-পেস্ট-এর জন্য নয়, উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানবজাতির কল্যাণে নতুন কিছু করুন। সরকারি সাহায্যে স্বউদ্যোগ গড়ে তুলে সেই উদ্ভাবনকে ফলিত প্রয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন শুরু করুন। আমি স্বাস্থ্য বিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা করে সাফল্য পাওয়া কয়েকজন নোবেল পুরস্কার প্রাপকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। আমাদের আদিবাসী এলাকায় পারস্পরিকভাবে যে ‘Sickle-Cell’ রোগ রয়েছে, তা উপশমের কারণ জানতে গিয়েছিলাম। এই রোগ ক্যান্সার থেকেও মারাত্মক ও কষ্টপ্রদ। কিন্তু, তাঁরা কোনও সমাধান দিতে পারেননি। আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ যদি এসব বিষয় নিয়ে গবেষণা করে কোনও সমাধান পান, তা হলে অনেক আদিবাসী পরিবার উপকৃত হবেন। আগামীদিনে আপনাদের কাছে আমরা এরকমই প্রত্যাশা।
আজ গোটা পৃথিবী উষ্ণায়ন ও আবহাওয়া পরিবর্তন নিয়ে ভীষণ চিন্তিত। কিছুদিন আগে এই সমস্যাগুলির সমাধান নিয়ে আলাপ-আলোচনা করতে বিশ্বের সকল দেশের নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিরা প্যারিসে সম্মিলিত হয়েছিলেন। এই সি ও পি-২১ – এর সিদ্ধান্ত অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে গোটা বিশ্বের অপমান ২ ডিগ্রি কমানোর চেষ্টা করা হবে। কিন্তু কেমন করে? না করতে পারলে কতগুলি দ্বীপরাষ্ট্র সমুদ্রগর্ভে ডুবে যাবে, কত না সমুদ্রতটবর্তী শহর ও জনপদ ডুবে যাবে –তাঁর ইয়ত্তা নেই। ভারত এমন দেশ, যার প্রতিটি নাগরিকের ধমনীতে প্রকৃতিপ্রেমের রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা গোটা ব্রহ্মাণ্ডকে একটি পরিবার ভাবি। আমাদের শিশুদের মায়েরা সূর্যকে সূর্যদাদা আর চাঁদকে চাঁদমামা ডাকতে শেখান। আমরা বৃক্ষে পরমাত্মা দেখি, নদীকে মা ভাবি। আমরা প্রকৃতিকে শোষণ করা অপরাধ বলে মনে করি, আমরা প্রকৃতি দোহনে বিশ্বাস করি। আপনাদের মধ্যে থেকে কি নতুন কোনও আবিষ্কর্তা বৈজ্ঞানিক হয়ে উঠবেন, যিনি এই প্রকৃতিকে যথাযথভাবে দোহনের মাধ্যমে শোষণমুক্ত করতে পারবেন? আমরা এক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রের তুলনায় এগিয়ে থাকবো না কেন? আমরা শতাব্দীর পর শতাব্দীকাল ধরে প্রকৃতির সঙ্গে কোনও রকম সংঘর্ষের বিরুদ্ধে, আমরা প্রকৃতির সঙ্গে সমন্বয়ের পক্ষে।
আমরা নতুন উদ্যোগ নিয়েছি, আমেরিকা, ফ্রান্স আর ভারত আর বিল গেট্স-এর এন জি ও মিলে উদ্ভাবনের কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিকে কিভাবে সুলভ করা যায়, সৌরশক্তিকে কিভাবে সুলভ করা যায়, তাঁর স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিশ্বের যতগুলি দেশে বছরে ৩০০ দিনের বেশি সূর্যালোক দেখা যায়, সেগুলির সংগঠন গড়ে তুলেছি। ১২২টি এমন দেশ প্রথমবারের মতো সংগঠিত হয়েছে। সেই সংগঠনের বিশ্ব রাজধানী ভারতে গড়ে উঠছে। সম্প্রতি, ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি এসে বিশ্ব সচিবালয় উন্মোচন করে গেছেন। আমরা সমাজ, দেশ ও বিশ্বের সংকটগুলি সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আমাদের উত্তর প্রদেশের আখচাষীরা ইথানল উৎপাদন করছে। পেট্রোলিয়ামের সঙ্গে এই ইথানল মেশালে পরিবেশ দূষণ কমে, পাশাপাশি, আখচাষীদের লাভ হয়। যত বেশি পরিমাণে ইথানল ব্যবহার করা যায়, তারফলে, আমার দেশের আবহাওয়া এবং মানবতার কল্যাণে কাজে লাগে।
আমরা এখন সৌরশক্তি নিয়ে কাজ করছি। ভারত ১৭৫ গিগাওয়াট সৌরশক্তির স্বপ্ন দেখছে, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনের স্বপ্ন দেখছে। এর মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট-ই হবে সৌরশক্তি। তবে সৌরশক্তি উৎপাদনের সরঞ্জামের ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। আমি বি এইচ ইউ-এর এই ভূমি থেকে দেশ থা বিশ্বের যুবশক্তিকে আহ্বান করছি। বিশ্ব আগামী শতাব্দীতে যেসব সংকটের সম্মুখীন হবে, সেগুলির মোকাবিলা করার পথ খুঁজতে হবে। বন্ধু, স্বপ্নটা সবসময় বড়ই দেখা উচিৎ। নিজের জন্য তো বাঁচে সকলেই, কিন্তু স্বপ্ন সফল করার প্রয়াসে মরতে-ও রাজী ক’জন। ওরাই কিন্তু পৃথিবীতে কিছু করে দেখান সবসময়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
PG/SB/SB/S
I have got opportunities to attend such ceremonies in the past but to come here, on this special occasion is definitely special: PM
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
What Mahamana did here, Mahatma Gandhi made a similar effort through Gujarat Vidyapeeth: PM @narendramodi https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
People who studied here have contributed through various ways, be it as a doctor, a teacher, a civil servant: PM @narendramodi at BHU
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
I congratulate those who were conferred their degrees today. I also convey my good wishes to their parents: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
The student is us has to be alive always: PM @narendramodi at BHU https://t.co/Iy8hu3Nre5
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
Earlier you were living in this campus, within a few square kilometres but now this changes: PM to students at the BHU convocation
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
After you receive your certificate, the way the world will look at you changes: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
'Jigyasa' is important. If there is no 'Jigyasa', there is stagnation: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
World faces several challenges. We should think about what role India can play in overcoming these challenges: PM @narendramodi at BHU
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
Today I have some personal guests here. I have called them specially. They are students from Government schools: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 22, 2016
Feeling extremely blessed after visiting Guru Ravidas Temple in Varanasi. pic.twitter.com/SStE1zwTSH
— Narendra Modi (@narendramodi) February 22, 2016
Some pictures from the BHU convocation. My best wishes to those who were awarded degrees. pic.twitter.com/GVIt2cHGWv
— Narendra Modi (@narendramodi) February 22, 2016
Spoke about how India & India's youth can rise to the occasion & take the lead in overcoming the challenges being faced by the world.
— Narendra Modi (@narendramodi) February 22, 2016
Told my young friends- never let the student in you die & its good to be inquisitive & have a thirst for knowledge. https://t.co/9R2abuyzPK
— Narendra Modi (@narendramodi) February 22, 2016