Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক শহরে প্রধানমন্ত্রীর দিনভর ব্যস্ততা


আর্থিক ক্ষেত্রের সি.ই.ও.’দের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠক

আর্থিক ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় মার্কিন সি.ই.ও.’দের সঙ্গে বৃহস্পতিবার এক গোলটেবিল বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্যকে সহজতর করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তার বিশেষ প্রশংসা করেন উপস্থিত সি.ই.ও.’রা। পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং ডিজিটাল ভারত গড়ে তোলার যে উদ্যোগ তিনি গ্রহণ করেছেন তারও প্রশংসা করেন তাঁরা। উপস্থিত সি.ই.ও.’দের অনেকেই ভারতের ‘স্টার্ট আপ’ সেক্টরের ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং শিল্পোদ্যোগের কাজে বিনিয়োগের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। তবে, ভারতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর ব্যবস্থা এবং আমলাতান্ত্রিক বাধাবিপত্তি যে এখনও বিশেষ প্রতিবন্ধকতার কাজ করছে তারও উল্লেখ করেন সি.ই.ও.’রা।

ভারতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ যে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া’ দর্শনের কথা উপস্থিত সি.ই.ও.’দের সামনে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্র ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে শিল্পোদ্যোগ শুরু করা এবং শিল্পোদ্যোগ গড়ে তোলার ওপরও তিনি বিশেষ জোর দিচ্ছেন। তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লবের মূলে ‘স্টার্ট আপ’ এবং উদ্ভাবন প্রযুক্তির যে বিশেষ ভূমিকা রয়েছে তারও উল্লেখ করেন তিনি।

উপস্থিত সি.ই.ও.’রা ভারতের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি এ সম্পর্কে তাঁদের আশা, আস্থা ও বিশ্বাসের কথা ব্যক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সেইসঙ্গে, তাঁদের উদ্বেগের কথাও তাঁরা সুস্পষ্টভাবেই তুলে ধরেছেন।

গত ১৫ মাসে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সাফল্যের বিশেষ বিশেষ দিকগুলি প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই সময়কালে ভারতে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ যে শুধুমাত্র উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তাই নয়, বরং বিশ্বের অন্যত্র যেখানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মন্দাভাব লক্ষ্য করা গেছে, ভারতের এই সাফল্য সেখানে উল্লেখ করার মতো। আর, এরই ফলশ্রুতিতে ভারতে বিনিয়োগের লক্ষ্যে অনেকেই বর্তমানে উৎসাহ দেখাতে শুরু করেছেন।

বিভিন্ন দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজতর করে তোলার ব্যাপারে বিশ্ব ব্যাঙ্ক সাফল্যের নিরিখে ক্রম অনুযায়ী যে তালিকা প্রস্তুত করেছে, তারও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এর ফলে দেশগুলির মধ্যে এক সুস্থ প্রতিযোগিতার বাতাবরণ গড়ে উঠেছে। রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি সরাসরি গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার বিষয়টির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ধরণের সাফল্য বিশ্বের অন্যত্র এই বিশেষ মাত্রায় এখনও উন্নীত হতে পারেনি। রেল, বিমা ও প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগকে আরও উদার করে তোলার প্রসঙ্গটিও প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন।

কৃষি ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিমা প্রকল্প সহ কয়েকটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে উদ্ভাবনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন, বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নির্মাণ, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনের যন্ত্রপাতি, রেল ও মেট্রো, ‘পরিচ্ছন্ন ভারত’ এবং ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ সহ এমন অনেক ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে বিনিয়োগের সম্ভাবনা প্রচুর। ২০২২ সালের মধ্যে পাঁচ কোটি গৃহ নির্মাণ , ছয় লক্ষ গ্রামে ব্রডব্যান্ডের সুযোগ, রেলের উৎপাদন ক্ষমতাকে দ্বিগুণ করে তোলা এবং ১৭৫ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির উৎপাদন তাঁর সরকারের ধার্য লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই সমস্ত ক্ষেত্রেও বিনিয়োগের সম্ভাবনা প্রচুর ও সম্ভাবনাময়।

এই বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা হলেন – জে.পি. মর্গানের চেয়্যারম্যান, সি.ই.ও. তথা প্রেসিডেন্ট জেমি ডাইমন; ব্ল্যাকস্টোনের চেয়ারম্যান, সি.ই.ও. তথা সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ স্কোয়ার্জম্যান; ওয়ারবার্গ পিংকাসের অন্যতম সি.ই.ও. চার্লস কেয়ি; কে.কে.আর-এর অন্যতম চেয়ারম্যান তথা অন্যতম সি.ই.ও. হেনরি ক্র্যাভিস; জেনারেল আটলান্টিক-এর সি.ই.ও. বিল ফোর্ড; এ.আই.জি. ইন্স্যুরেন্সের প্রেসিডেন্ট তথা সি.ই.ও. পিটার হ্যাংকক; টাইগার গ্লোবালের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজিং পার্টনার চেজ কোল্ডম্যান এবং নিউইয়র্ক স্টেট কমন রিটায়ারমেন্ট ফান্ডের চিফ ইনভেস্টেমন্ট অফিসার ভিকি ফুলার।

নিউইয়র্কে প্রচার মাধ্যম, প্রযুক্তি ও যোগাযোগ সম্পর্কিত গোলটেবিল বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের প্রচার মাধ্যম ও বিনোদন ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় মার্কিন সি.ই.ও.’দের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং।

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর উৎসাহব্যঞ্জক ও সচল নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত সি.ই.ও.’রা। সেই সঙ্গে, ভারতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও তাঁরা বিশেষ আশাবাদী বলে ঘোষণা করেন। সি.ই.ও.রা বিশেষ করে উৎসাহ

দেখান ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি সম্পর্কে। তাঁরা বলেন যে, ভারতীয় অর্থনীতিতে বর্তমানে যে উন্নয়নের নতুন জোয়ার এসেছে তা এক্ষেত্রে বিকাশের গতিকে আরও ত্বরান্বিত করবে। একইসঙ্গে তাঁরা টেলিভিশন ব্যবস্থাকে দ্রুত ডিজিটাল করে তুলতে এবং সেলুলার তথা মোবাইল পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে বৈঠকে আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এবং সি.ই.ও.’রা এই মর্মে একমত হন যে, সাম্প্রতিককালে প্রচার মাধ্যম ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যে সমস্ত পরিবর্তন সূচিত হয়েছে তার ফলে জ্ঞানের জগতে গণতান্ত্রিকতার ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব এখন প্রযুক্তিচালিত এক যুগের মধ্য দিয়ে চলেছে, যেখানে ব্যবহারিক পরিকাঠামোর সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল পরিকাঠামোর উন্নয়নও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভারতে এখন বড় ধরণের সুযোগ এবং বিশেষ বিশেষ চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা সি.ই.ও.’রা ভারতে বিনিয়োগের মাধ্যমে কাজে লাগাতে পারেন। তবে, এক্ষেত্রে অবশ্যই তাঁদের আঞ্চলিক ভাষার কথাটি মনে রাখতে হবে। আর এইভাবেই তাঁরা তাঁদের বিনিয়োগের পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন। ভারতের ছয় লক্ষ গ্রামকে ব্রডব্যান্ড সংযোগের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলেও তিনি সি.ই.ও.দের অবহিত করেন। একুশ শতকের নাগরিকদের কথা চিন্তা করে সেইভাবে তৈরি থাকার জন্য তিনি সি.ই.ও.দের আহ্বান জানান। মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির যে বিশেষ একটি ভূমিকা রয়েছে সেকথাও প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন। গণতন্ত্রকে আরও মজবুত করে তুলতে এবং ভারতের উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে ডিজিটাল প্রযুক্তির এক প্রধান ভূমিকা রয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা হলেন – নিউজ কর্প এবং টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি ফক্সের এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান রুপার্ট মার্ডক, টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি ফক্সের সি.ই.ও. জেমস্ মার্ডক, নিউজ কর্প-এর সি.ই.ও. রবার্ট থমসন, স্টার ইন্ডিয়ার সি.ই.ও. উদয় শঙ্কর, ডিসকভারি কম্যুনিকেশনস্ – এর প্রেসিডেন্ট তথা সি.ই.ও. ডেভিড জাসলভ, সোনি এন্টারটেইনমেন্ট-এর সি.ই.ও. মাইকেল লিনটন, ইন্টার পাবলিক গ্রুপ অফ কোম্পানিজ-এর সি.ই.ও. মাইকেল রথ, ভাইস মিডিয়ার সি.ই.ও. শেন স্মিথ, ডব্লিউ.পি.পি.-এর সি.ই.ও. মার্টিন সোরেল, টাইম ওয়ার্নারের সি.ই.ও. জেফ বিউকস্, এ. অ্যান্ড ই. নেটওয়ার্কস্-এর সি.ই.ও. ন্যানসি ডিউবাক, ভাইসি ইন্ডাস্ট্রিজ-এর চেয়ারম্যান অ্যান্টনি প্র্যাট, রুট ওয়ান ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির প্রতিনিধি উইলিয়াম ডাহামেল এবং ভ্যালু অ্যাক্ট ক্যাপিটালের সি.ই.ও. জেফ উবেন।

দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী শেখ হাসিনার সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হয়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির বিষয়টি পর্যালোচনা করেন। স্থলসীমান্ত চুক্তি রূপায়ণের অগ্রগতির বিষয়টিতে তাঁরা উভয়েই সন্তোষ প্রকাশ করেন। যোগাযোগ, সংযোগ ও পরিকাঠামো, উন্নয়নের লক্ষ্যকে নিরন্তর রাখা, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে তাঁরা মনবিনিময় করেন।

সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড গ্রেনাডাইন্সের প্রধানমন্ত্রী ডঃ রালফ্ গনজালভেস-এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের বিষয়টিকে সমর্থন জানানোর জন্য তিনি ডঃ গনজালভেস’কে ধন্যবাদ জানান।

গুয়ানার প্রেসিডেন্ট মিঃ ডেভিড গ্র্যাঙ্গার-এর সঙ্গেও মতবিনিময় করেন শ্রী নরেন্দ্র মোদী। গুয়ানায় তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করেন মিঃ গ্র্যাঙ্গার।

মিঃ মাইকেল ব্লুমবার্গ-এর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

‘স্মার্ট সিটি’ কর্মসূচিতে সমর্থন ও সহায়তাদানের জন্য মিঃ ব্লুমবার্গ-এর প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

সি.ই.ও.’দের সঙ্গে মতবিনিময়

৪২ জন মার্কিন সি.ই.ও.’দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এঁরা মূলত উৎপাদন, নির্মাণ ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রের কর্মকর্তা। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিকাশ সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গী এবং গত ১৫ মাসে ভারতের অগ্রগতির বিশেষ প্রশংসা করেন সি.ই.ও.’রা।

স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তাঁর সরকার যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সে কথা সি.ই.ও.’দের সামনে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’, ‘স্কিল ইন্ডিয়া’ এবং ‘স্মার্ট সিটি’ কর্মসূচিতে সাহায্য ও সমর্থনের আশ্বাস দেন উপস্থিত সি.ই.ও.’রা।

PG/SKD/SB/