পিএমইন্ডিয়া
বেদান্ত ভারতীর সঙ্গে যুক্ত অন্য সকল বরিষ্ঠ মাননীয় ব্যক্তি, দেবি ওসজ্জনগণ,
আদিকাল থেকে মনে করা হয় যে, এক জায়গায়, এক স্বরে, এক জোট হয়ে মন্ত্র জপকরলে সেই স্থানে এমন একটি শক্তিচক্র গড়ে ওঠে, যা প্রত্যেকের মন-মন্দির, শরীর ওআত্মাকে নিজের পরিধিতে গ্রহণ করে নেয়। আধুনিক বিজ্ঞানও নাদ-ব্রহ্মের সামর্থ্য আরমন্ত্রোচ্চারণের শক্তিকে নস্যাৎ করে না। আজ এই সময়ে দক্ষিণামূর্তি স্রোত আরসৌন্দর্য লহরীর এই অনুপম পাঠ শ্রবণ করে সম্পূর্ণ বাতাবরণে আমরা সেই শক্তিকে অনুভবকরছি। এক দিব্য অনুভূতি, যাতে রস আছে, রহস্যও আছে আর আছে ঈশ্বরের সঙ্গে বিলীনহঅয়ার অদম্য ইচ্ছা।
সৌন্দর্য লহরীর প্রতিটি মন্ত্রে একটি ভিন্ন শক্তি ও ভিন্ন ভাব রয়েছে। সেইভাব, সেই শক্তি এই সময় আমাদের সবাইকে এক নতুন চেতনা, নতুন শক্তিতে টইটম্বুর করেতুলছে আর আমার সৌভাগ্য যে, আমি অনেক বছর ধরে নবরাত্রির সাধনা অনুভব করছি আর আমারনবরাত্রির সাধনাক্রমে সৌন্দর্য লহরীরও একটি স্থান রয়েছে।
আমি পরমপূজ্য শ্রীশ্রী শঙ্কর ভারতী মহাস্বামীকে প্রণাম জানিয়ে এই মহতীঅনুষ্ঠানে সামিল হতে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য এই ভাববিশ্বের কয়েক মুহূর্তঅতিবাহিত করার সৌভাগ্য প্রদানের জন্য আমি বেদান্ত ভারতীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।আমার সৌভাগ্য যে শ্রীশ্রী শঙ্কর ভারতী মহাস্বামীজির সান্নিধ্যে সৌন্দর্য লহরীপাঠের সাক্ষাৎ অভিজ্ঞতা আজ করতে পারলাম। স্বামীজির আশীর্বাদে এই সৌন্দর্য লহরীপাঠের দশ বছর পূর্ণ হচ্ছে।
আপনাদের সবাইকে আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আমি মনে করি যে, আপনারাভাগ্যবান, এই পবিত্র কাজে সামিল হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। ভাই ও বোনেরা, ৮-১০ দিন আগেকেদারনাথ গিয়েছিলাম। আমার সৌভাগ্য যে, এ বছর মন্দিরের কপাট বন্ধ হওয়ার আগেইমহাদেবের দর্শন করতে পেরেছি। যতবারই আমি কেদারনাথ যাই, আমার মনে বারবার একটি ভাবনাজাগে, এক হাজার বছরেরো আগে আদি শঙ্করাচার্যজি ঐ দুর্গম স্থানে কেমন করেপৌঁছেছিলেন?
আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আজও যেখানে যাওয়া সহজ নয়, সেখানে হাজারবছরেরও আগে আদি শঙ্করাচার্য কিভাবে পৌঁছেছিলন? কুণ্ডলীর কোন্ চক্রে উদ্ভূত শক্তিও সামর্থ্যের বলে মাত্র ৩২ বছর বয়সে তিনি পায়ে হেঁটে তিনবার সমগ্র ভারত পরিক্রমাকরেছেন, দেশের চার প্রান্তে চারটি মঠ স্থাপন করেছেন! ভারতের সাংস্কৃতিক ঐক্যকেএকটি মালায় গাঁথার অদ্ভুত প্রচেষ্টায় সফল হয়েছেন!
আদি শঙ্করাচার্যজি আমাদের আধ্যাত্মিক পরম্পরাকে মজবুত করতে নিজের জীবনউৎসর্গ করে দিয়েছেন। আমাদের সংস্কৃতিকে যেসব কুসংস্কার ধীরে ধীরে গ্রাস করেছিল,আদি শঙ্করাচার্য যথার্থ পদ্ধতিতে সেগুলি বিশ্লেষণ করে ঐ নবীন বয়সেই সেসবকুসংস্কারের সমালোচনা করার সাহস দেখিয়েছেন। সঠিক যুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনিআপ্রাণ চেষ্টা করেছেন, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভুল পথে না যায়।শিব-শক্তি-বিষ্ণু-গণপতির সম্মিলিত পুজোকে সমর্থন করে তিনি সনাতন ভারতীয় পরম্পরাকেপুনরুজ্জীবিত করেন। তিনি বেদ এবং উপনিষদের জ্ঞানের মাধ্যমে সমগ্র ভারত’কেঐক্যসূত্রে গাঁথেন। শাস্ত্রকে তিনি অস্ত্র হয়ে উঠতে দেননি, সাধনে পরিণত করেছেন।ভিন্ন ভিন্ন বিচারধারা আর দর্শনকে আত্মীকৃত করে সেগুলির ভালো দিকগুলিকেআলোকবর্তিকা রূপে তুলে ধরে মানুষকে জ্ঞান ও ভক্তির পথে চলতে প্রেরণা যোগান।ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তিনি সৌন্দর্য লহরী রচনা করেন। এ এক এমন রচনা, যার সঙ্গেদেশের সাধারণ মানুষ যুক্ত হতে পারেন। দেবীস্তুতির মাধ্যমে সৌন্দর্য লহরীতে ঈশ্বরেরভিন্ন ভিন্ন রূপ তুলে ধরে মানুষের মনে ঈশ্বর নিয়ে নানা বিভেদ ও সংশয় দূর করতেবলেন, ‘একং সদ্বিপ্রা বহুধা বদন্তী’।
সৌন্দর্য লহরী থেকে প্রাপ্ত আশীর্বাদে ভক্তদের কোনও বৈষম্য ছাড়া সমানভাবেজ্ঞান, ধন এবং স্বাস্থ্য লাভ হয়। আদি শঙ্করাচার্য সৃষ্ট ভারতীয় সংস্কৃতি বর্তমানস্বরূপে আজও বিদ্যমান। এ এক এমন সংস্কৃতি, যেখানে সবকিছু গ্রাহ্য, যা সবকিছুকেআত্মসাৎ করে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলে। আর এই সংস্কৃতি আমাদের স্বপ্নে নতুন ভারতেরওবুনিয়াদ। এই সংস্কৃতিই সকলের সঙ্গে সকলের উন্নয়ন মন্ত্রে বিশ্বাস রাখে।
আদি শঙ্করাচার্যের বার্তা অসংখ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে শ্রীশ্রীশঙ্করভারতী মহাস্বামী মহোদয় তাঁর গোটা জীবন সমর্পণ করে দিয়েছিলেন। আদিশঙ্করাচার্যের দর্শন, যা গোটা বিশ্বকে একটি পরিবার বলে মনে করে সেই একাত্মভাববেদান্ত ভারতীর মাধ্যমে মানুশের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া আজও জারি রয়েছে। বেদ,উপনিষদ, অসংখ্য ভাষ্য এবং অগণিত গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে এই দর্শনকে পৌঁছে দেওয়াহচ্ছে।
বন্ধুগণ, ভারতের আধ্যাত্মিক মহিমা এবং অতি প্রাচীন বার্তা যত বেশি মানুষপড়বেন, ততই বিশ্বের মঙ্গল হবে। নানা সমস্যায় জর্জরিত মানবতার নানা সঙ্কট, তুই বড়না আমি বড় – এই অহং, তোমার প্রদর্শিত পথে মোক্ষপ্রাপ্তি হবে না। আমার প্রদর্শিতপথে হবে এই সঙ্কটও মানুষের মধ্যে বিদ্বেষ বাড়ায়। এর সমাধানই আদি শঙ্করাচার্যেরঅদ্বৈত সিদ্ধান্ত, যেখানে দ্বৈততা নেই, সেখানেই তো অদ্বৈত থাকে। আর যেখানে অদ্বৈতথাকে, সেখানে সংঘর্ষের কোনও সম্ভাবনা থাকে না। সেজন্য বিশ্বের সর্বত্র বিশ্বাস ওজীবনের পথে পথ নিয়ে যখনই কোনও দ্বিধা প্রকট হয়, তখনই বিশ্বের দৃষ্টি ভারতেরসংস্কৃতি ও সভ্যতার দিকে তাকাতে বাধ্য হয়। একভাবে বলা যায় যে, বিশ্বের যাবতীয়সমস্যার উত্তর আমাদের পরম্পরা থেকে পাওয়া সম্ভব। আমাদের সংস্কৃতি এতটাই ঋদ্ধ!
ঔঁ সহ নাববতু। সহ নৌ ভুনক্তু।
সহ বীর্যং করওয়াবহৈ। তেজস্বি নাওধীতমস্তু মা বিদবিষাবহৈ।
ঔঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ।।
সবার পোষণ হোক, সবাই শক্তি পাক, আমরা কখনও একথা বলি না যে, আমার পোষণ হোক,আমি শক্তিশালী হই। আমরা একথা বলি না, যে মন্দিরে যাবে, তাঁরই পোষণ হবে, সেইশক্তিশালী হবে। আমরা বলি, সবার পোষণ হোক, সবাই শক্তি পাক। ‘সহ নাববতু। সহ নৌভুনক্তু’ …… এটাই আমাদের সংস্কার। কেউ কারও সঙ্গে দ্বেষ না করুক।
আজ এই উপলক্ষে আমি বেদান্ত ভারতীর একটি আয়োজন সম্পর্কে বিশেষভাবে উল্লেখকরতে চাই। আর সেটা হ’ল – ‘বিবেকদীপনি’ আর ‘বিবেকউৎকর্ষনি প্রতিযোগিতা’। অনেক কমমানুষই হয়তো জানেন যে, আদি শঙ্করাচার্যকে এই বাণী সেই কালখন্ডে দাঁড়িয়ে উচ্চারণকরতে হয়েছে, যখন নানা কুসংস্কার আমাদের সংস্কৃতি এবং আমাদের আধ্যাত্মিক পরম্পরাকেভারগ্রস্ত করে তুলেছিল, দুর্বল করে তুলেছিল। এই হাজার হাজার বছরের সংস্কৃতি ওআমাদের ঐতিহ্যকে, আমাদের পরম্পরাকে নষ্ট করার প্রচেষ্টা সফল হয়নি। কথিত আছে –
দীন-এ-ইলাহী কা বেবাক বেড়া,
নক্শা জিসকা অকস-এ-আলম মে পহুঁচা।
কিয়ে পাঁচশো পার সাতোঁ সমুদ্র,
না আমন মেঁ ঠিঠকা না কোই গুলজাম মেঁ ঝিঝকা।
ওহ ডুবা দোহাব-এ মেঁ গঙ্গা কে অন্দর।।
এই সামর্থ্য; কিন্তু দাসত্বের দীর্ঘ কালখন্ডে এই সংস্কৃতি ও জ্ঞানেরপরম্পরা প্রধাণত বইয়ের মধ্যে সীমিত থেকে গিয়েছিল। হাতে গোনা কয়েকজন পণ্ডিতই শুধুএগুলি নিয়ে চর্চা করতেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই জ্ঞানকে সর্বসাধারণের মধ্যেপৌঁছে দেওয়ার প্রচেষ্টা যতটা হওয়া উচিৎ ছিল, তা হয়নি। এমনিতে আজকাল নবীন প্রজন্মেরছেলেমেয়েরা মোবাইল ফোনেই সবকিছু পড়ে নিতে পারছে কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদেরসংস্কৃতির ঐতিহ্য যে পুঁথি ও পুস্তকগুলিতে সমাধিস্থ হয়ে আছে, সেগুলি কোনওভাবেইতাঁদের কাছে পৌঁছচ্ছে না। আমাদের এই মহান ঐতিহ্য সম্পর্কে তাঁদেরকে কে পরিচিতকরাবে? আর সেজন্য আমি স্কুলের ছেলেমেয়েদের ‘বিবেকদীপনি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারতীয়সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পাঠদান এবং সেই পাঠক্রম থেকে প্রশ্ন-উত্তরের প্রতিযোগিতারআয়োজন – আমি মনে করি, এটি স্বামীজিরঅত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভারতীয় মননে শিক্ষিতকরে তোলার আয়োজন করা হয়েছে।
দেশের ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী নবীন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যাতেপরস্পরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে জানে ও চিনতে পারে, পরস্পরের চলাফেরা, খাওয়া-দাওয়া,সাহিত্য ও মুখের ভাষার গুরুত্বপূর্ণ শব্দাবলী সম্পর্কে জ্ঞানই তাদের মনেবৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকে সুদৃঢ় করবে। ভারতের বৈশিষ্ট্য হ’ল বিবিধের মাঝে মিলনমহান – শুনতে খুব ভালো লাগে কিন্তু কখনও আমরা সিঙ্গাপুরকে যতটা জানি, বাংলাকে ততটাজানি না। দুবাইকে যতটা জানি, দেরাদুনকে ততটা জানি না। এভাবে আমাদের পরবর্তীপ্রজন্ম যেন নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ভুলে না যায়, তা সুনিশ্চিত করতেকেন্দ্রীয় সরকার গত বছর সর্দার প্যাটেল জয়ন্তী থেকে ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’অভিযান শুরু করেছে। এর মাধ্যমে সরকার ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে নানা প্রতিযোগিতাক্যুইজ ইত্যাদির আয়োজন করে দেশের ভিন্ন ভিন্ন ভূভাগ, সংস্কৃতি ও পরম্পরারবৈচিত্র্য সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
সৌন্দর্য লহরীর একটি মন্ত্রও এরকমই – ‘ফলঃ অপিবাঞ্ছা সমাধিকম’ অর্থাৎধরিত্রীর কাছে আমরা যতটা চাই, ধরিত্রী আমাদের তারচেয়ে বেশি দেয়। আমাদের ইচ্ছা থেকেপ্রাপ্তি সবসময়েই বেশি। কত সাধারণ শব্দে কত বড় সত্যের কথা বলা হয়েছে। প্রকৃতি থেকেআমরা সবাই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল, বায়ু, অন্ন, খনিজ, গাছপালা, নদী সবকিছু পাই।প্রয়োজন শুধু প্রকৃতির এই বরদানকে সামলে রাখার। আর এই সংরক্ষণের মন্ত্রই হ’লআমাদের পরম্পরা। আমরা প্রকৃতিকে শোষণ না করে প্রকৃতি থেকে পাওয়া সবকিছুর ব্যবহারেভারসাম্য বজায় রাখি। প্রকৃতিকে শোষণ করা আমাদের সংস্কৃতিতে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।প্রকৃতির সম্পদ আহরণ করে বেঁচে থাকা পর্যন্ত মানুষের অধক্কার সীমিত। আমাদেরপরম্পরা আমাদের এটাই শিখিয়েছে। আমাদের দেশের শাসন ব্যবস্থাতেও এই ভাবনার প্রতিফলনপরিলক্ষিত হয়।
ভাই ও বোনেরা, ভারত এমন একটি দেশ, যাঁরা শুধু নিজের জন্য নয়, সর্বদাই বিশ্বজুড়ে মানবতার প্রতি ন্যায়, গরিমা, সুযোগ ও সমৃদ্ধির জন্য সর্বদা যত্নশীল। আপনারাহয়তো জানেন যে, ভারতের চেষ্টাতেই গত বছর আন্তর্জাতিক সৌর সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে।সৌরশক্তি উৎপাদনকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে উৎসাহ প্রদানের লাগাতার প্রচেষ্টাআমরা চালিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত প্রকল্পই প্রকৃতির সুরক্ষাসচেতনতা বজায় রেখে গড়ে তোলা হয়েছে। সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও জলশক্তি উৎপাদনেরপ্রক্রিয়া গত তিন বছরে যতটা হয়েছে আগে এতটা হয়নি।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুনর্নবীকরণযোগ্য ক্ষমতা সম্প্রসারণ প্রকল্প যদি কোনওদেশে চালু থাকে, সেটা হচ্ছে সৌন্দর্য লহরীর দেশ এই ভারত।
সরকার এমন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে, যাতে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪০শতাংশ শক্তির প্রয়োজন অজীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি থেকেইপূরণ করা যায়। সরকারের লক্ষ্য আগামী ২০২২ সালে যখন ভারত স্বাধীনতার ৭৫তমজন্মবার্ষিকী পালন করবে তার আগেই ১৭৫ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনকরবে। সরকারের এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ, বিগত তিন বছরেই ২২ হাজার মেগাওয়াট থেকেওবেশি পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনের নতুন ক্ষমতাকে পাওয়ার গ্রিডের সঙ্গে যুক্তকরা হয়েছে। যেখানে বিগত সরকার তার সময়কালে শেষ তিন বছরে মাত্র ১২ হাজার মেগাওয়াটপুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনের নতুন ক্ষমতাকে পাওয়ার গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করতেপেরেছিল। এটা করতে বিগত সরকার শেষ তিন বছরে ৪ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছিল। আমরাদায়িত্ব গ্রহণের পর বিগত তিন বছরে এক্ষেত্রে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকারও বেশিবিনিয়োগ করেছি।
বর্তমান সময়ে আমাদের দেশে প্রায় ৩০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতারয়েছে। এর মধ্যে কয়লা, জল, সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তির সমস্ত উৎসই সামিল রয়েছে। আপনারাশুনলে অবাক হবেন যে, আমাদের দেশে সামর্থ্যকে সম্পূর্ণ ব্যবহার করা গেলে শুধুমাত্রসৌরশক্তি থেকেই ৭৫০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। আমাদের এই সম্ভাবনাকে বাস্তবেপরিণত করতে হবে।
সরকারের পক্ষ থেকে এই লক্ষ্যে লাগাতার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে,সেজন্য সারা দেশে অসংখ্য সোলার পার্ক চালু করা হচ্ছে। ‘রুফ টপ সোলার প্রোগ্রাম’কেউৎসাহ দেওয়ার জন্যে বিল্ডিং বাই-ল’ তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সরকারি ভবনগুলির ছাদেসৌর প্রকল্প গড়ে তোলার জন্যে ন্যূনতম হারে সুদ নিয়ে ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। সৌরপ্রকল্পগুলিতে পরিকাঠামো মর্যাদা প্রদান করে দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ প্রদান করা হচ্ছে। আরবেঙ্গালুরুর মাটি তো এক প্রকার ‘স্টার্ট আপ’ এর মাটি। এখানকার নবীন প্রজন্মউদ্ভাবনে পারদর্শী। আমি আজ বেঙ্গালুরুর স্টার্ট আপ উদ্যোগগুলিকে আমন্ত্রণজানাচ্ছি, আসুন আমরা পরিচ্ছন্ন রান্নার আন্দোলন শুরু করি। গরিবের রান্নাঘরেসৌরশক্তির মাধ্যমে সুলভে রান্নার জন্য সস্তা উনুন আবিষ্কার করুন। পুরনো সোলারকুকারগুলিতে এত সময় লাগে যে আজকের পরিবারগুলি দৌড়ঝাঁপের জীবনে এত সময় রান্নার জন্যথাকে না। বর্তমান প্রজন্মের গৃহিনীরা চান গ্যাসের উনুনের মতো চটজলদি রান্না হয়,এরকম সৌর উনুন। কাজেই বুঝতে পারছেন, আপনারা যদি এ ধরনের উনুন আবিষ্কার করতে পারেন,তা হলে সারা দেশে এর একটি বড় বাজার আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে। এতে আপনারা তোলাভবান হবেনই, নির্মল রান্নার সরঞ্জাম আবিষ্কারের জন্য গরিব মা-বোনেদের আশীর্বাদওপাবেন। অরণ্যবাসী মানুষদের কাঠ কেটে রান্না করতে হবে না। সৌর উনুনেই তাঁরা রান্নাকরতে চাইবেন। প্রত্যেক মা-ই চান কম সময়ে রান্না করে ছেলেমেয়েদের মুখে খাবার তুলেদিতে। এসব কিছু মাথায় রেখেই আপনারা এমন সব আবিষ্কার করুন, যা দেশের গরিব মানুষেরকাজে লাগে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাজে লাগে।
বন্ধুগণ, নতুন চিন্তাভাবনা নিয়ে কিভাবে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থসাশ্রয় করা যায়, তার একটি উদাহরণ আমি আপনাদের দিতে চাই। ভাই ও বোনেরা, আমরা এলইডিবাল্বের অভিযান শুরু করেছি। আগে একটি এলইডি বাল্বের দাম ছিল ৩৫০ টাকা। আর এখনসরকারি প্রচেষ্টায় ৪০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। ‘উজালা’ যোজনার মাধ্যমে ইতিমধ্যেইদেশে ২৭ কোটিরও বেশি এলইডি বাল্ব বিতরণ হয়েছে। আমাদের কর্ণাটকেও প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ এলইডি বাল্ব বিতরণ করাহয়েছে। যদি একটি বাল্বের দামে ২৫০টাকা সাশ্রয় হয়, তা হলে দেশের মধ্যবিত্তদের প্রায়৭ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। যাঁদের বাড়িতে এলইডি বাল্ব লাগানো হয়েছে, তাঁদেরবিদ্যুতের বিলও অনেক কম দিতে হবে। এতে সাধারণ মানুষের বছরে আনুমানিক ১৪ হাজার কোটিটাকা সাশ্রয় হচ্ছে। বেসরকারি ক্ষেত্রেও ৪১ কোটিরও বেশি এলইডি বাল্ব বিতরণ করাহয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় কর্মসূচি রূপে ৩৩ লক্ষ ৬০ হাজারেরও বেশি এলইডি রাস্তারআলো লাগানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের সাশ্রয় হবে। কারও ৫০০ টাকা, কারও ১,০০০ টাকা আবারকারও ২,৫০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হবে। তার মানে, ‘ইন্সটল ক্যাপাসিটিতে প্রায় ৭হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে। এই ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে খরচহয় ৩৫-৪০ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ আমরা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে ইতিমধ্যেই দেশের ৩৫-৪০হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছি। তার সঙ্গে সাধারণ মানুষের বিদ্যুতের বিল থেকে যে সাশ্রয় হয়েছে, সেটাকে যুক্ত করলেসার্বিকভাবে দেশের মানুষের ৫৫-৬০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।
সরকারের এই প্রচেষ্টার ফলে যেখানে যেখানে স্ট্রিট লাইটে এলইডি বাল্বেপরিবর্তিত করা হচ্ছে, সেই স্থানীয় প্রশাসনের আর্থিক সাশ্রয় হচ্ছে। আমি বেনারসেরসাংসদ। আমার উদ্যোগে বেনারসের স্ট্রিট লাইটগুলি বদলে এলইডি করায় ইতিমধ্যেই আমরাবিদ্যুতের বিল থেকে ১৫ কোটি টাকা সাশ্রয় করতে পেরেছি। কাশী নগর নিগমের ১৫ কোটিটাকা সাশ্রয় হয়েছে। এই টাকা তাঁরা শহরের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারবেন। সহজ উপায়,শুধু পুরনো বাল্ব খুলে নতুন বাল্ব লাগিয়ে দিয়েছেন, আর নাগরিকদের ১৫ কোটি টাকাসাশ্রয় – ভাবতে পারছেন? এই টাকা আমরা শহরের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারছি। সরকারের এইপ্রচেষ্টার ফলে ভারত বিদেশ থেকে পেট্রোল-ডিজেল আমদানি বাবদ যে বিদেশি মুদ্রা খরচকরে, এতেও সাশ্রয়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, মানবতার ভবিষ্যৎ পেট্রোল ও ডিজেল ব্যবহারে সুরক্ষিত নয়।একদিন এইসব প্রাকৃতিক সম্পদ নিঃশেষ হয়ে যাবে, সেজন্য এখন থেকেই সৌরশক্তি,বায়ুশক্তি এবং জলশক্তির ব্যবহারের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি করতে হবে। আমাদের দেশে এই কাজঅতি সহজেই করা যাবে। কারণ, আমরা প্রকৃতি সংরক্ষণের পক্ষপাতী, প্রকৃতিকে পুজো করাআমাদের সংস্কৃতিতে রয়েছে। আমাদের দেশে বৃক্ষ রক্ষার জন্য মানুষ জীবন দিতেওপ্রস্তুত থাকেন। কোনও বিশেষ প্রয়োজনে গাছের ডাল ভাঙার আগে আমরা গাছের কাছেপ্রার্থনা জানাই। ছোটবেলা থেকেই আমাদের অস্তিত্বে উদ্ভিদ ও প্রাণী জগতের প্রতিসংবেদনশীলতা রোপন করা হয়। আমরা রোজ আরতির পর শান্তি মন্ত্র জপ করি ‘বনস্পতয়ঃশান্তি আপঃ শান্তি’!
কিন্তু এটাও সত্য যে, সময়ের সঙ্গে এই পরম্পরার গায়েও হিংসার আঁচ লেগেছে।আজকের সাধু-সমাজকে নিজেদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের গ্রন্থগুলিতে যাবিধৃত রয়েছে, আমাদের পরম্পরায় যা নিহিত, সেগুলি দিয়ে মানুষের আচরণকে ঋদ্ধ করারমাধ্যমে পরিবেশ পরিবর্তনের সমস্যার মোকাবিলা করা সম্ভব। আমাদের গোটা ঋগ্বেদে এসবকথাই লেখা রয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, আপনাদের আমি আজ উজ্জ্বলা যোজনারও উদাহরণ দিতে চাই। জন ধনযোজনার মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ৩০ কোটিরও বেশি গরিব মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলাহয়েছে, উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে ৩ কোটিরও বেশি মহিলাকে নিঃশুল্ক রান্নার গ্যাসেরসংযোগ দেওয়া হয়েছে। তার আগে মা ও বোনেদের জঙ্গল থেকে কাঠ সংগ্রহ করে বা কেরোসিনেরস্টোভে রান্না করতে হ’ত। সরকারের এই প্রকল্প তাঁদের জীবনকে সহজ করার পাশাপাশিপরিবেশের সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
হাজার হাজার বছর ধরে আমাদের দেশে সময়ের সঙ্গে নানা পরিবর্তন এসেছে। ব্যক্তিচরিত্রে পরিবর্তন, সমাজে পরিবর্তন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে কিছু খারাপ জিনিসও আমাদেরসমাজে জন্ম নিয়েছে। কিন্তু আমাদের সমাজের বৈশিষ্ট্য হ’ল এই, যখনই কুসংস্কার ওখারাপ কিছু সমাজে ছেয়ে যায়, তখনই এই সমাজ থেকেই অনেক সাধু, মহাপুরুষ উঠে এসে এইকুসংস্কারগুলির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন, মানুষকে শিক্ষিত করেন এবং অজ্ঞানতা ওকুসংস্কারের অন্ধকার থেকে সমাজকে রক্ষা করেন।
ভারতীয় সমাজে অদ্ভুত ক্ষমতা যে নানা সময়ে সমাজ সংস্কারক হিসাবে আমরা আদিশঙ্করাচার্য, মহান সন্ত বস্বেশ্বর-এর মতো দেবতুল্য মহাপুরুষদের পেয়েছি, যাঁরাসমাজের এই কু-দিকগুলিকে চিহ্নিত করেছেন। আর সেগুলি থেকে দেশবাসীকে মুক্তির পথদেখিয়েছেন।
আজ সময়ের চাহিদা হ’ল পুজোর দেবতার পাশাপাশি দেশমাতার কথাও বলতে হবে।অশিক্ষা, অজ্ঞানতা, অপুষ্টি, কালো টাকা ও দুর্নীতির মতো খারাপ জিনিসগুলিভারতমাতাকে যেভাবে আষ্টেপৃষ্টে ধরেছে, তা থেকে দেশকে মুক্ত করাতে সাধু ও আধ্যাত্মিকসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে, দেশকে পথ দেখাতে হবে।
আমাদের প্রত্যেকের প্রচেষ্টার মাধ্যমেই নতুন ভারতের নির্মাণ সম্ভব। সবাইকেসঙ্গে নিয়ে সকলের প্রচেষ্টার মাধ্যমেই বার উন্নয়ন সম্ভব।
আমি আরেকবার আপনাদের সবাইকে সৌন্দর্য লহরী পাঠের এই অনুপম আয়োজন আর তার ১০বছর পূর্তি উপলক্ষে অভিনন্দন জানাই। ১০ বছরের সাধনা একটি খন্ড সাধনা। এই ১০ বছরধরে যাঁরা এই সাধনায় রত রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে যাঁরা আজ এখানে উপস্থিত আর যাঁরাএখানে নেই তাঁদের সকলের চরণে প্রণাম জানিয়ে আমি এই মহান তপস্যার জন্য তাঁদের সকলকেধন্যবাদ জানাই।
আমি শ্রীশ্রী শঙ্করভারতী মহাস্বামী মহোদয়কে প্রণাম জানিয়ে আমার আজকেরবক্তব্যে ইতি টানছি।
আমি আরেকবার এই পবিত্র অনুষ্ঠান উপলক্ষে, পবিত্র পরিবেশে আদি শঙ্করাচার্যেরকাল থেকে প্রবহমান পবিত্র মন্ত্রের গুঞ্জরণে আমাকে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য প্রদানেরজন্য এই পবিত্র মুহূর্ত থেকে আপনাদের সকলের আশীর্বাদ নিয়ে যাতে ভারতমাতার সেবায়প্রতিনিয়ত কোনও ভালো কাজ করতে পারি।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
PG /SB/ SB…
मान्यता है कि जब एक ही जगह पर, एकजुट होकर मंत्र का जाप किया जाए, तो ऊर्जा का ऐसा चक्र निर्मित होता है, जो मन-मंदिर, शरीर-आत्मा सभी को अपनी परिधि में ले लेता है। आधुनिक विज्ञान भी इससे इनकार नहीं करता।
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
आज इस समय मैं इस अद्भुत पाठ से पूरे वातावरण में वही ऊर्जा महसूस कर रहा हूं: PM
हमारी संस्कृति में जो गलत परंपराएं धीरे-धीरे शामिल हो गई थीं, उनका आदि शंकराचार्य ने विश्लेषण किया, उनकी आलोचना की और सटीक तर्क देकर उन्हें आगे की पीढ़ियों में जाने से रोका। शिव-शक्ति-विष्णु-गणपति और कुमार की पूजा की भारतीय परंपरा को उन्होंने पुनर्स्थापित किया: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
आदि शंकराचार्य ने वेद और उपनिषद के ज्ञान से संपूर्ण भारत को एकीकृत किया, एकता के भाव से जोड़ा। शास्त्र को उन्होंने साधन बनाया, शस्त्र नहीं। अलग-अलग विचारधाराओं और दर्शन की अच्छी बातों को उन्होंने आत्मसात किया और लोगों को ज्ञान और भक्ति के मार्ग पर चलने के लिए प्रेरित किया: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
आदि शंकराचार्य द्वारा किया गया तप भारतीय संस्कृति के वर्तमान स्वरूप में आज भी विद्यमान है। एक ऐसी संस्कृति जो सबको आत्मसात करती है, सबको साथ लेकर चलती है। यही संस्कृति न्यू इंडिया का भी आधार है। ऐसी संस्कृति जो सबका साथ सबका विकास के मंत्र पर विश्वास रखती है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
एक तरह से विश्व की समस्त समस्याओं का उत्तर भारतीय संस्कृति में है। हम कहते हैं- “सहनाववतु-सह नौ भुनक्तु”...सभी का पोषण हो, सभी को शक्ति मिले, कोई किसी से द्वेश ना करे: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
प्रकृति से हम सभी को पर्याप्त भंडार मिला हुआ है। हमारे यहां प्रकृति का दोहन नहीं बल्कि प्रकृति से मिलने वाले उत्पादों का संतुलित उपयोग करने पर बल दिया जाता है। यही विचार हमेशा से हमारे शासन में, हमारे प्रशासन में दिखा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
LED का बल्ब जो पहले 350 रुपये से ज्यादा का होता था वो अब उजाला स्कीम के तहत केवल 40 से 45 रुपये में उपलब्ध है। अब तक देश में 27 करोड़ से ज्यादा LED बल्ब बांटे जा चुके हैं। यहां कर्नाटक में भी पौने दो करोड़ LED बल्ब वितरित किए गए हैं: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
अगर एक बल्ब की कीमत में औसतन 250 रुपए की कमी मानें तो देश के मध्यम वर्ग को इससे लगभग 7 हजार करोड़ रुपए की बचत हुई है। इतना ही नहीं, ये बल्ब हर घर में बिजली बिल कम कर रहे हैं। इससे भी देश के मध्यम वर्ग की सिर्फ एक साल में 14 हजार करोड़ रुपए से ज्यादा की अनुमानित बचत हुई है: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
उज्जवला योजना के जरिए सरकार अब तक 3 करोड़ से ज्यादा महिलाओं को गैस कनेक्शन दे चुकी है। जब इन महिलाओं के पास गैस कनेक्शन नहीं था, तो वो लकड़ियों पर या फिर केरोसीन पर निर्भर थीं। उज्जवला ने ना सिर्फ उनकी जिंदगी आसान बनाई है, बल्कि पर्यावरण के लिए बहुत उपयोगी साबित हो रही है: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017
समय की मांग है पूजा के देव के साथ ही राष्ट्रदेवता की भी बात हो, पूजा में अपने ईष्टदेव के साथ भारतमाता की भी बात हो। अशिक्षा, अज्ञानता, कुपोषण, कालाधन, भष्टाचार जैसी बुराइयों ने भारतमाता को जकड़ रखा है,उससे देश को मुक्त कराने के लिए संत और अध्यात्मिक समाज भी अपने प्रयास बढ़ाए: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 29, 2017