Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ভারত ও ওমানের মধ্যে অসামরিক ও বানিজ্যিক বিষয়ে আইন ও বিচারের ক্ষেত্রে সহযোগিতার চুক্তি


প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ওমানের সঙ্গে অসামরিক ও বানিজ্যিক বিষয়ে আইন ও বিচার বিভাগীয় দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার চুক্তিতে স্বাক্ষর ও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে অনুমোদন দিয়েছে|

প্রস্তাবিত এই চুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে:

ক) বিচার বিভাগীয় আদেশ, সমন ও অন্যান্য ক্ষেত্রে পরিষেবা

খ) আইনি ও বিচার বিভাগীয় সনদ, নথিপত্র অথবা প্রক্রিয়া

গ) অনুরোধের মাধ্যমে প্রামাণ্য তথ্য গ্রহণ

ঘ) আদালতের রায়, নিস্পত্তি ও সালিশী বিধান সম্পাদন সম্পর্কিত বিষয় |

ঙ) চুক্তি স্বাক্ষরের আগে অথবা পরের কোনো অসামরিক অথবা বানিজ্যিক বিষয়ে পারস্পরিক আইনি সহাতায় অনুরোধের ক্ষেত্রেও এই চুক্তি কার্যকর হবে|

চ) সমন অথবা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় নথিপত্রের পরিষেবার অনুরোধ এই যুক্তি দেখিয়ে প্রত্যাখ্যান করা যাবে না যে এতে যথেষ্ট পরিমানে সহায়ক গুরুত্ব বা যথার্থতা নেই; অবশ্য যদি সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্র মনে করে যে এই অনুরোধ সেই দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা অথবা জননীতি উল্লঙ্ঘন করবে, সে ক্ষেত্রে অন্য কথা|

ছ) যে দেশের বাসিন্দা সেই দেশের আদালতে বিচারের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সেই দেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্য দূতাবাসের প্রতিনিধি পর্যায়েও কোনো রকম জবরদস্তি ছাড়াই তথ্য প্রমান গ্রহণে এই চুক্তি কার্যকর হবে|

জ) এই চুক্তিপত্রের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পত্র উভয় দেশের মধ্যে বিনিময়ের ত্রিশতম দিন থেকে এই চুক্তি কার্যকর হবে| আর যতদিন পর্যন্ত না কোনো এক পক্ষ ছয় মাসের আগাম বিজ্ঞপ্তি দিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করছে, ততদিন এই চুক্তি কার্যকর থাকবে; এবং

ঝ) এই চুক্তির ধারা ১৯০৮ সালের সিভিল প্রসিডিওর কোড এবং ১৯৯৬ সালের আরবিট্রেশন এন্ড ক্যানসেলেশন অ্যাক্ট-এর সঙ্গে সাযুজ্যপূর্ণ |

এই চুক্তি দু’দেশের নাগরিকদের জন্যই লাভজনক| এই চুক্তি দু’দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে শক্তিশালী করার আকাঙ্খাকে এবং আইন ও বিচার বিভাগীয় ক্ষেত্রে ফলপ্রদ সহযোগিতাকে নিশ্চিত করবে | এটাই হলো এই চুক্তির প্রস্তাবনার মূল ভাব, সারাংশ ও ভাষা|

তথ্যপট :

পারস্পরিক আইনি সহায়তার চুক্তি(এমএলএটি) হচ্ছে বিদেশের কোনো দেশের সঙ্গে সমন পরিষেবার ক্ষেত্রে অসামরিক ও বানিজ্যিক বিষয়ে পারস্পরিক সর্বাত্মক চুক্তি | আর এই চুক্তি হলে ১৯০৮ সালের কোড অফ সিভিল প্রসিডিওর (সি পি সি) এর ২৯(সি) নং ধারা, অসামরিক ডিক্রি সম্পাদনের ক্ষেত্রে সি পি সি’র ৪৪ এর এ ধারা মোতাবেক, সি পি সি’র ৭৭ নং ধারা মোতাবেক অনুরোধের পত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে, সি পি সি’র ৭৮ নং ধারা অনুযায়ী সাক্ষ্য গ্রহনের ক্ষেত্রে এবং সালিশির নিষ্পত্তি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ১৯৯৬ সালের আরবিট্রেশন এন্ড কনসিলিয়েশন অ্যাক্ট-এর ৪৪(বি) নং ধারা মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নিশ্চয়তা থাকবে |

এই চুক্তি নিয়ে ২০০৩ সাল থেকেই আলাপ-আলোচনা চলছে| ২০১০ সালের ১৬ থেকে ১৮ মে যখন ভারতীয় প্রতিনিধি দল ওমানের মাসকটে সফরে যায়, তখন পুনরায় এনিয়ে আলোচনা হয় এবং পরবর্তীকালে অসামরিক ও বানিজ্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক আইনি সহায়তার এই চুক্তির সমস্ত খসড়াপত্রে দু’দেশ ঐকমত্য প্রকাশ করে|

এই চুক্তির সমস্ত বিষয় ১৯৯৬ সালের আরবিট্রেশন এন্ড কনসিলেশন অ্যাক্ট এবং সি পি সি’র সঙ্গে সদৃশমূলক| এই অধিনিযমের জন্য কোনো সংশোধনীর প্রয়োজন নেই| এই দেওয়ানি কার্যপ্রণালী বিধি ভারতের নাগরিক ও বিদেশী বন্ধুদের মধ্যে কোনো বৈষম্য করে না|

PG/SC/AD/AGT/ 27/8/2015