পিএমইন্ডিয়া
ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্রও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রসারেরলক্ষ্যে তাইপেই’তেঅবস্থিত ভারত-তাইপেইঅ্যাসোসিয়েশন(আই.টি.এ.) এবংভারতে অবস্থিত তাইপেই অর্থনৈতিকও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের(টি.ই.সি.সি.) মধ্যেমউ স্বাক্ষরের বিষয়টিতে সম্মতিদিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।আজ প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্রমোদীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিতকেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকেএই বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্তগ্রহণ করা হয়।
মউস্বাক্ষরের মূল উদ্দেশ্য হল- দু’পক্ষেরক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্রও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলিরমধ্যে সহযোগিতার প্রসার ওউন্নয়ন। এর ফলে, একটিনির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে এবংঅনুকূল পরিবেশে পারস্পরিকশক্তি, বিপণনব্যবস্থা, প্রযুক্তি, নীতিইত্যাদি বিষয়ে বোঝাপড়ার মনোভাবগড়ে ওঠা সম্ভব। শুধু তাই নয়, একেঅপরের বিভিন্ন বাণিজ্য মেলা, শিল্পপ্রদর্শনী ইত্যাদিতে যেমনঅংশগ্রহণ করতে পারবে, তেমনইদু’পক্ষইএকে অন্যের দেশে প্রয়োজনেবাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলওপাঠাতে পারবে। যৌথ শিল্পোদ্যোগগড়ে তোলা, একযোগেকাজ করা, প্রযুক্তিহস্তান্তর- এইবিষয়গুলিতেও পারস্পরিক সমঝোতাআরও মজবুত হয়ে উঠবে এই মউস্বাক্ষরের ফলে। এই ধরণেরসহযোগিতা প্রসারের ফলশ্রুতিতেনতুন বাজার সৃষ্টি করা, যৌথশিল্পোদ্যোগ গড়ে তোলা, বাণিজ্যিককাজকর্মের প্রসার, প্রযুক্তিসংক্রান্ত সহযোগিতা এই সমস্তবিষয়ও আরও নতুন নতুন ক্ষেত্রআবিষ্কার করতে পারবে।
এইমউ স্বাক্ষরের বিষয়টিতে কোনওপক্ষেরই কোনও রকম আর্থিক, আইনগতবা রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাথাকবে না।
উল্লেখ্য, সামগ্রিকশিল্প পরিস্থিতি পর্যালোচনাকরলে দেখা যায় ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্রএবং মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলিরবিকাশের হার ক্রমশ উর্ধ্বমুখীহচ্ছে এবং এই সমস্ত ক্ষেত্রবিশেষ প্রসার লাভও করছে।সাম্প্রতিককালের অর্থনৈতিকসঙ্কটের মুহূর্তেও এই সংস্থাগুলিপরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়েনিয়ে এবং নতুন নতুন উদ্ভাবনব্যবস্থা গড়ে তুলে শিল্প মহলেরপ্রশংসা আদায় করে নিয়েছে।তবে, বিশ্বায়নেরযুগে এবং উদার নীতির বাতাবরণেদেশের সামগ্রিক রপ্তানিবাণিজ্য এবংমোট অভ্যন্তরীণউৎপাদনের ক্ষেত্রে একটিউল্লেখযোগ্য স্থান অধিকারকরা এখনও ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্রও মাঝারি শিল্প সংস্থাগুলিরপক্ষে এক চ্যালেঞ্জ বিশেষ।
PG/SKD/SB/S