পিএমইন্ডিয়া
নয়াদিল্লি, ১১ জুলাই ২০২৬
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন,
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ,
নমস্কার
কিয়া ওরা
অকল্যান্ডে আপনাদের সকলের মাঝে উপস্থিত হতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী লাক্সনের ইতিবাচক মনোভাব এবং ভারতের প্রতি তাঁর গভীর অঙ্গীকারের জন্য আমি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আপনাদের উপস্থিতি নিউজিল্যান্ডের উদ্ভাবন, উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎমুখী চিন্তাভাবনার প্রতীক। ভারতের পক্ষ থেকে, আমি ১৪০ কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার বার্তা নিয়ে এসেছি।
বন্ধুগণ,
এই বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ভারত-নিউজিল্যান্ড সম্পর্ক একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। আজ আমরা একটি কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করছি। এটি কেবল একটি কূটনৈতিক মাইলফলক নয়; এটি আমাদের যৌথ ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন সংকল্প।
এই বছর, দুই দেশের মধ্যে রেকর্ড নয় মাসের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এটি আপনাদের সকলের জন্য বাজারে প্রবেশাধিকার, বিনিয়োগ, পরিষেবা, প্রযুক্তি এবং মেধা স্থানান্তরের নতুন সুযোগ নিয়ে আসবে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, নতুন উদ্যম ও উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করব।
নিউজিল্যান্ড আগামী পনেরো বছরে ভারতে ২০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটি শুধু একটি বিনিয়োগই নয়, বরং ভারতের উন্নয়ন যাত্রায় অংশগ্রহণের একটি অঙ্গীকারও বটে।
বন্ধুগণ,
আজ ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি। আমাদের ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি, ব্যাপক ডিজিটাল প্রযুক্তি গ্রহণ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন ভারতকে একটি অনন্য সাফল্যের গল্পে পরিণত করেছে।
ভারতে আমরা সংস্কার, কর্মদক্ষতা এবং রূপান্তরকে শাসনের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছি। আজ ভারতে নীতিগত স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা রয়েছে।
সুতরাং, আজ বিশ্বের প্রতি আমাদের বার্তা হলো: ভারত শুধু একটি বাজার নয়; ভারত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির একটি উৎক্ষেপণ মঞ্চ।
ভারতে উদ্ভূত এই সুযোগগুলোকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, তার কিছু উদাহরণ আমি আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। ভারতে উৎপাদনকে উৎসাহিত করার জন্য আমরা ‘প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ’ প্রকল্প চালু করেছি। এর অধীনে, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ থেকে শুরু করে বস্ত্রশিল্প পর্যন্ত ১৪টি খাতে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। আমি আপনাদের সকলকে এই উৎপাদন অগ্রযাত্রার অংশ হতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
ভারতে বিমানবন্দর, আঞ্চলিক সংযোগ, বিমান কার্গো এবং পর্যটন দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল বাজার। আমরা একসঙ্গে কার্গো করিডোর, ফ্লাইট সংযোগ এবং যৌথ পর্যটন প্যাকেজ তৈরি করতে পারি।
কিউই, আপেল, মধু এবং সামুদ্রিক খাবারের জন্য পচনশীল পণ্য পরিবহনের সমাধান তৈরি করা যেতে পারে। নিউজিল্যান্ডের উদ্যানপালন, দুগ্ধ বিজ্ঞান এবং বনবিদ্যায় ব্যাপক দক্ষতা রয়েছে। ভারতের রয়েছে তার ভোক্তা বাজার, ফুড পার্ক এবং কৃষি-প্রযুক্তি প্রতিভার শক্তি। আমরা একসঙ্গে খামার থেকে বাজার পর্যন্ত ভ্যালু চেইন এবং বৈশ্বিক রপ্তানি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারি।
আজ, ভারত ফিনটেক-এ একটি বিশ্বনেতা। বিশ্বের রিয়েল-টাইম ডিজিটাল পেমেন্টের পঞ্চাশ শতাংশ ভারত থেকে উদ্ভূত হয়। আমরা ডিজিটাল পেমেন্টের পাশাপাশি গ্রিন বন্ড এবং ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্সেও অগ্রসর হতে পারি।
আমরা মহাকাশ ক্ষেত্রকে বেসরকারি অংশগ্রহণের জন্য উন্মুক্ত করেছি। আজ, ভারতে ৪০০-র বেশি মহাকাশ স্টার্টআপ রয়েছে এবং এখন একটি ইউনিকর্নও হয়ে উঠেছে। উভয় দেশের কোম্পানিগুলো ছোট স্যাটেলাইট, রিমোট সেন্সিং এবং সমুদ্র পর্যবেক্ষণের মতো ক্ষেত্রে কাজ করার জন্য ভারতের মহাকাশ ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সহযোগিতা করতে পারে।
ভারতে, স্মার্ট সিটি মিশনের অধীনে ১০০টি শহরে ৮,০০০-এরও বেশি প্রকল্প চলমান রয়েছে। আমরা নগর গতিশীলতা, জল ব্যবস্থাপনা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে পারি।
বন্ধুগণ,
আমি মাওরি ব্যবসায়ী নেতাদের বিশেষ শুভেচ্ছা জানাই। ভারতীয় সভ্যতা এবং মাওরি ঐতিহ্য উভয়ই প্রকৃতি, সম্প্রদায় এবং স্থায়িত্বের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা পোষণ করে। আমাদের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিটিও মাওরি ব্যবসার সুযোগের উপর বিশেষ জোর দেয়। এই অভিন্ন মূল্যবোধগুলোকে একত্রিত করে আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই বাণিজ্যের একটি নতুন মডেল তৈরি করতে পারি।
বন্ধুগণ,
আমি প্রস্তাব করছি যে আমরা যৌথভাবে একটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ব্যবসায়িক রোডম্যাপ তৈরি করি। আমাদের শক্তিগুলোকে একত্রিত করে অন্তত পাঁচটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প চিহ্নিত করা উচিত এবং সেগুলোর সময়মতো সমাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য একটি পর্যালোচনা ব্যবস্থা স্থাপন করা উচিত। কেবল তখনই আমরা আমাদের সম্পর্কের পূর্ণ সম্ভাবনাকে উপলব্ধি করতে এবং উভয় দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হব।
এই যাত্রাপথে আমাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার জন্য আমি আপনাদের সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
আসুন, আমরা আমাদের এই অংশীদারিত্বকে সমৃদ্ধির মঞ্চ, উদ্ভাবনের সেতু এবং বিশ্ব কল্যাণের এক শক্তিতে পরিণত করি।
আর আমি চাই, ভারত ও নিউজিল্যান্ড একসঙ্গে একটি নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হোক।
এবং আমার আরও একটি অনুরোধ আছে। আপনারা যেমনটা একটু আগেই উল্লেখ করলেন, আমাদের ক্রীড়া সম্পর্কের শতবর্ষ পূর্ণ হলো। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
আমরা অবশ্যই এটি উদযাপন করব। কিন্তু আমরা কি কল্পনা করতে পারি যে, ৩৫ বছরের কম বয়সী ব্যবসায়ীদের এত বড় একটি প্রতিনিধিদল ভারতে আসছে, এবং ভারত থেকে ৩৫ বছরের কম বয়সী ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল নিউজিল্যান্ডে আসছে?
যাতে আমরা একটি নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে পারি? এই একটি শুভকামনা জানিয়ে আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
SC/SB/DM
A stronger economic partnership between India and New Zealand will create new opportunities for businesses, innovators and our youth. Delighted to interact with industry leaders in Auckland.@chrisluxonmp
— Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2026
https://t.co/Zlkc3VYcDa
भारत और न्यूज़ीलैंड के संबंध एक turning point पर हैं।
— PMO India (@PMOIndia) July 11, 2026
आज हम अपने संबंधों को Strategic Partnership के सूत्र में बांध रहे हैं।
यह केवल एक diplomatic milestone नहीं है। यह हमारे साझा भविष्य का एक नया संकल्प है: PM @narendramodi
इस वर्ष दोनों देशों के बीच 9 महीनों के record समय में Free Trade Agreement किया गया।
— PMO India (@PMOIndia) July 11, 2026
यह आप सभी के लिए market access, investment, services, technology और talent mobility के नए अवसर लेकर आएगा: PM @narendramodi
India is not only a market; India is a launchpad for global growth: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) July 11, 2026
न्यूज़ीलैंड के पास horticulture, dairy science, और forestry में विशाल expertise है।
— PMO India (@PMOIndia) July 11, 2026
भारत के पास consumer market, food parks और agri-tech talent की ताकत है।
हम मिलकर farm-to-market value chains और global export platforms बना सकते हैं: PM @narendramodi