Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় হাট বাণিজ্য : কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কর্মপরবর্তী অনুমোদন


c ২০১২ সালে স্বাক্ষরিত মউটির একটি সংযোজনেও কর্মপরবর্তী অনুমোদন দেওয়া হয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

দু’দেশের প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষের কল্যাণের বিষয়টি লক্ষ্য রেখে স্বাক্ষরিত হয় এই মউগুলি। এর আওতায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য সীমান্ত এলাকায় হাটে কেনা-বেচার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসে দুটি দেশেরই লোকজন। ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এই ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ না হলেও সমাজের প্রান্তিক মানুষের অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য সম্ভব করে তুলতেই দু’দেশের তরফে এই হাট বাণিজ্যের বিষয়টিতে সম্মতি দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ২০১০-এর জানুয়ারি মাসে ভারত সফরের সময় স্থির হয় যে মঘালয় সহ অন্যান্য রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় এই হাটের ব্যবস্থা করা হবে যাতে স্থানীয় মানুষ বেচা-কেনার উদ্দেশ্যে সেখানে সমবেত হতে পারেন। এরই ফলশ্রুতিতে ২০১০-এর ২৩ অক্টোবর এবং ২০১২-র ১৫ মে হাট বাণিজ্য সংক্রান্ত এই মউগুলি স্বাক্ষরিত হয়। ইতিমধ্যেই দু’দেশের সীমান্ত এলাকায় কলাইচর (মেঘালয়-বাংলাদেশ সীমান্ত), বলাত (মেঘালয়-বাংলাদেশ সীমান্ত), কমলাসাগর (ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত) ও শ্রীনগরে (ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত) এই হাটের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সেগুলি নিয়মিত বসছে।

এছাড়াও, ভারত ও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে স্থির হয় যেত্রিপুরায় আরও দুটি এবং মেঘালয়ে আরওচারটি এই ধরনের হাট সীমান্ত এলাকায় গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা হবে।

PG/SKD/DM/S….6th January, 2016