Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আইআইএম কোজিকোড়ে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ


বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ, ভদ্রমহোদয় ও ভদ্রমহোদয়াগণ, বন্ধুগণ। আইআইএম কোজিকোড়ের মতো মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে গ্লোবালাইজিং ইন্ডিয়ান থট বা ভারতীয় চিন্তাভাবনার বিশ্বায়ন সংক্রান্ত সম্মেলনে ভাষণ দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সুবিদিত প্রতিষ্ঠান আইআইএম কোজিকোড় দেশজ চিন্তাভাবনার বিশ্বায়নের ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখাচ্ছে। ভারতীয় চিন্তাভাবনার বিশ্বায়ন নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি, প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে স্বামী বিবেকানন্দের এক মর্মর মূর্তির আবরণ উন্মোচন করা হয়েছে। ভারতীয় চিন্তাভাবনার বিশ্বায়নের ক্ষেত্রে স্বামী বিবেকানন্দের অবদান কিভাবে ভোলা যেতে পারে! বহু বছর আগে ১৮৯৩ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর স্বামী বিবেকানন্দ শিকাগোতে তাঁর আবেগঘন বক্তৃতায় ভারতের মূল্যবোধের আদর্শগুলির এক ঝলক বিশ্বের সামনে পেশ করেছিলেন। আমরা সকলেই একথা জানি, স্বামী বিবেকানন্দ তাঁর ভাষণ শুরু করেছিলেন আমেরিকার ভাই ও বোনেরা বলে সম্বোধন করে। স্বামীজীর একথা শোনার পর উপস্থিত সকলেই করতালি দিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান। এটাই ছিল স্বামীজীর যাদু! এই যাদু কেবল শব্দ বন্ধনে সীমাবদ্ধ ছিল না। স্বামীজী তাঁর ভাষণে সর্বজনীন সৌভ্রাতৃত্ব বোধের প্রতি ভারতের আন্তরিকতা ও অঙ্গীকারের নিদর্শন পেশ করেছিলেন।

বন্ধুগণ, ভারতীয় চিন্তাভাবনা প্রগতিশীল ও বৈচিত্র্যসম্পন্ন। নিরন্তর এই চিন্তাভাবনার বিবর্তন ঘটছে। তাই, ভারতীয় চিন্তাভাবনাকে একটি সেমিনারে আলোচনা বা বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ রাখা যায় না, বরং এই চিন্তাভাবনায় এমন কিছু আদর্শ ও মূল্যবোধ রয়েছে, যা ভারতীয় নৈতিকতার কেন্দ্রস্থলে বিরাজমান। এই মূল্যবোধগুলি হ’ল – করুণা, সম্প্রীতি, ন্যায়-বিচার, সেবা এবং উদারতা।

বন্ধুগণ, ভারত কেন বিশ্বের দৃষ্টি আকৃষ্ট করে, এ ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাই। প্রথমেই বলি, যে কথা সবার আগে মনে আসে, তা হ’ল – শান্তি, একতা ও সৌভ্রাতৃত্ববোধের আদর্শ। বহু রাজ্য, বহু ভাষা, বহু উপ-ভাষা, বহু আস্থা, বিবিধ রীতিনীতি ও ঐতিহ্য, বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভাস ও জীবনশৈলী, পোশাক-আশাকে বিভিন্নতা এদেশে রয়েছে। তথাপি, দশকের পর দশক আমরা শান্তিতে বসবাস করে আসছি। কয়েক শতাব্দী ধরে আমরা সমগ্র বিশ্বকে আমাদের পবিত্র ভূমিতে স্বাগত জানিয়েছি। আমাদের সভ্যতা সমৃদ্ধ হয়েছে, বহু সভ্যতা ব্যর্থ। কিন্তু কেন? উত্তর হ’ল – একজন মানুষ এখানে এসে শান্তি ও সম্প্রীতির বাতাবরণ খুঁজে পান।

বন্ধুগণ, আমাদের ভূমি এমন এক পবিত্র স্থান, যা বিশ্বকে হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও শিখ ধর্মের মতো প্রগতিশীল আস্থার অবদান রেখেছে। পবিত্র এই ভূমিতেই সুফি পরম্পরা বিকশিত হয়েছে। এই সব কিছুর কেন্দ্রস্থলে রয়েছে অহিংসা। বিংশ শতকে মহাত্মা গান্ধী এই আদর্শগুলির প্রকৃত স্বরূপ ছিলেন। তিনি ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। একই সঙ্গে, গান্ধীজীর আদর্শগুলি দেশের বাইরেও লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রেরণা যুগিয়েছে। মার্টিং লুথার কিং জুনিয়র থেকে নেলসন ম্যান্ডেলা – এদের মতো বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি গান্ধীজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েছেন। এমনকি, আফ্রিকার বহু দেশে স্বাধীনতা সংগ্রামে গান্ধীজীর আদর্শগুলি শক্তি যুগিয়েছে। দুটি বিশ্ব যুদ্ধে বহু ভারতীয় জওয়ান প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। এই যুদ্ধগুলিতে সরাসরি ভারতের কোনও স্বার্থ না থাকলেও তাঁরা সাহসের সঙ্গে রণক্ষেত্রে অবতীর্ণ হয়েছেন। আমরা কখনও অন্য কোনও দেশের ভূখন্ড বা সম্পদ চাইনি। কিন্তু, আমাদের দেশের সৈনিকরা শান্তির জন্য লড়ে গেছেন। বহু দশক ধরে ভারত সারা বিশ্বে রাষ্ট্রসংঘের শান্তি রক্ষা কর্মসূচিতে সর্বাধিক অবদান যুগিয়ে এসেছে।

বন্ধুগণ, যখন আমি বলি, ভারত শান্তি ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে, তখন প্রকৃতি মা ও পরিবেশের সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়টিও একসঙ্গে উঠে আসে। আমাদের ঐতিহ্য ও পরম্পরা বিশ্বকে মা হিসাবে বিবেচনা করে। ভারতে বহু পশু প্রাণীর সঙ্গে দেবত্বের বিষয়টি যুক্ত রয়েছে। কৌটিল্য উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলের সুরক্ষার ব্যাপারে বিশদ লিখেছিলেন। বর্তমানে যে সমস্ত প্রয়াস গ্রহণ করা হচ্ছে, সেখানেও উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলের সুরক্ষার প্রতি উদ্যোগ নজরে পড়ছে। সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে উজ্জ্বল ও দূষণমুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভারত আন্তর্জাতিক সৌরজোট গঠন করে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। আমরা এখন পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার ক্রমশ বাড়ানোর লক্ষ্যে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছি। এলইডি বাতি ব্যবহারের লক্ষ্যে ভারতের গণআন্দোলন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপক অবদান রেখেছে। এখনও পর্যন্ত ৩৬ কোটি এলইডি বাতি বন্টন করা হয়েছে। সড়ক আলোকিতকরণে ১ কোটি এলইডি বাতি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে, ২৫ হাজার কোটি টাকার মতো খরচ সাশ্রয় হয়েছে। এমনকি, ৪ কোটি টনের মতো কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন কমানো গেছে। একই সঙ্গে, ব্যাপক পরিমাণে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে।

বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ, ভারতে বন্য পরিবেশে বাঘের সংখ্যা ২০০৬ সালের তুলনায় এখন দ্বিগুণ হয়েছে। আজ ভারতে বন্য পরিবেশে বাঘের সংখ্যা ২ হাজার ৯৭০। বিশ্বে বন্য পরিবেশে বসবাসকারী বাঘের ৭৫ শতাংশই ভারতে রয়েছে। আমরা এখন মার্জারকুলের অন্যতম নিরাপদ দেশ হয়ে উঠেছি। ২০১০ সালে সমগ্র বিশ্ব ২০২২ সাল নাগাদ বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার অঙ্গীকার গ্রহণ করে। আমরা, অনেক আগেই এই লক্ষ্য অর্জন করেছি।

একইভাবে, ভারতে বন্য পরিবেশে সিংহের সংখ্যা ২০১০ থেকে ২০১৫ সালে বেড়েছে ৩০ শতাংশেরও বেশি। ২০১০ সালে এই সংখ্যা ছিল ৪১১। আমাকে বলা হয়েছে যে, এখন বেড়াল প্রজাতির এই প্রাণীর সংখ্যা ৬০০-রও বেশি।

বন্ধুগণ, ভারতে বনাঞ্চলের পরিমাণ বাড়ছে। দেশে ২০১৪ সালে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ছিল ৬৯২। ২০১৯ সালে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৬০-এরও বেশি। একইভাবে, ২০১৪ সালে যেখানে কম্যুনিটি রিজার্ভের সংখ্যা ছিল ৪৩, তা এখন বেড়ে হয়েছে ১০০-রও বেশি। বনাঞ্চলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পরিবেশবিদ ও বন্যপ্রেমীরা ভারতের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। আপনারা নিশ্চয়ই ‘ম্যান V/S ওয়াইল্ড’ অনুষ্ঠানটি দেখেছেন। এই অনুষ্ঠান ভারতের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।

বন্ধুগণ, আজ সচেতন জীবনযাপন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস, বিভিন্ন ধরণের ফিটনেস চর্চা প্রভৃতি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আপনারা কি জানেন যে, সারা বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় এই স্বাস্থ্যকর অভ্যাসগুলির উৎস ভারতে। কয়েক শতক আগে ভারতে যোগচর্চার সূচনা হয়েছিল এবং বিশ্বকে আয়ুর্বেদ পদ্ধতি উপহার দিয়েছিল। যোগচর্চা কেবল শারীরিক অনুশীলন নয়, বরং আরও অনেক বেশি কিছু। প্রকৃতপক্ষে যোগচর্চা হ’ল ফিটনেস ও ওয়েলনেস উভয়ই। যোগচর্চা শরীরকে তরতাজা এবং মানসিক উৎফুল্লতা বজায় রাখে। আমি আইআইএম প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত সকলকে দৈনন্দিন কাজের চাপ থেকে মানসিক রেহাই পেতে কিছু সময় যোগ্যাভাস করার আহ্বান জানাই। নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে আপনারা প্রত্যেকেই জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনগুলি উপলব্ধি করতে পারবেন।

বন্ধুগণ, পবিত্র এই ভূমির আরও একটি উল্লেখযোগ্য দিক হ’ল মহিলাদের প্রতি সম্মান, গুরুত্ব ও মর্যাদা প্রদান। ‘নারী তু নারায়ণী’ অর্থাৎ নারীরাই দেবী লক্ষ্মীর রূপ। নারীরা ঈশ্বরের মূর্ত প্রতীক। ভারতীয় চিন্তকরা শতকের পর শতক ধরে মহিলাদের ক্ষমতায়নে জোরালো সমর্থন জানিয়ে এসেছেন। ভারতে ভক্তিবাদী সাধু-সন্তদের কথা কোনোভাবেই ভোলা যায় না।

রাজা রামমোহন রায় ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যসাগরের মতো মহানদের কথা কি ভোলা যায়? এমনকি, মহাত্মা ফুলে ও সাবিত্রীভাই ফুলের কথাও ভোলা সম্ভব নয়।

মহিলাদের ভোটাধিকার প্রদানে পাশ্চাত্যের দেশগুলি কয়েক দশক সময় নিয়েছে। কিন্তু আমাদের সংবিধান প্রণেতারা প্রথম দিন থেকেই মহিলাদের ভোটাধিকারের বিষয়টি সুনিশ্চিত করেছেন।

আজ মুদ্রা ঋণ সহায়তা কর্মসূচিতে ৭০ শতাংশের বেশি সুফলভোগী হলেন মহিলা। আমাদের সেনাবাহিনীগুলিতেও মহিলারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। নৌ-সেনার কয়েকজন মহিলা আধিকারিক সম্প্রতি জলপথে সমগ্র বিশ্ব পরিভ্রমণ করে এসেছেন। এ এক ঐতিহাসিক ঘটনা।

আজ ভারতে সবচেয়ে বেশি মহিলা সাংসদ রয়েছেন। ২০১৯ সালে মহিলা ভোটদাতাদের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

বন্ধুগণ, ভারত উদার মানসিকতায় বিশ্বাসী। মহাত্মা গান্ধী এ প্রসঙ্গে যথার্থই বলেছিলেন, আমি চাই না, আমার বাড়ি চারদিকে পাঁচিলে ঘেরা হোক এবং আমার বাড়ির জানালাগুলি বন্ধ থাকুক। আমি চাই, সব জায়গার কৃষ্টি সংস্কৃতিতে আমার বাড়ি পরিপূর্ণ থাকুক। কিন্তু আমি চাই না, আমার মানসিকতা নির্দিষ্ট একটি রীতিনীতিতে আবদ্ধ হয়ে যাক।

গান্ধীজী দেখিয়েছিলেন, আমাদের নিজেদের সংস্কৃতি দিয়েই গর্বিত হওয়া সম্ভব। এমনকি, অন্য সংস্কৃতির প্রতিও উদারতা দেখানো যায়। তবে, উদারতা দেখানোর ক্ষেত্রে অন্য সংস্কৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন প্রয়োজন।

বন্ধুগণ, যেখানে উদারতা থাকে, ভিন্ন ভিন্ন মতবাদের প্রতি শ্রদ্ধা থাকে, সেখানে সৃজনশীলতা স্বাভাবিক ঘটনা। ভারতীয়দের উদ্ভাবনমূলক আগ্রহ বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। শূন্য সংখ্যাটির উৎস আমাদের দেশ থেকে। সম্ভবত, এটাই ছিল সবচেয়ে বেশি সর্বজনীন ও সহজাত ধারণা। এই শূন্য সংখ্যাটি গণিত শাস্ত্রের ধারণাটাই বদলে দিয়েছিল। আজ আমরা এমন এক দেশ, যেখানে এক প্রগতিশীল তরুণ প্রজন্ম রয়েছে। আমাদের জনসংখ্যাগত বৈশিষ্ট্যই আমাদেরকে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম গন্তব্য করে তুলেছে। আজ প্রত্যেকেই ভারতে বিনিয়োগে আগ্রহী। দুই দশক আগে আমাদের সফট্‌ওয়্যার শিল্প ক্ষেত্রের সৃজনশীলতা এবং বর্তমানের স্টার্ট আপ ব্যবস্থা ভারতীয় যুবসম্প্রদায়ের অন্তর্নিহিত শক্তিকেই প্রতিফলিত করছে।

বন্ধুগণ, আমরা বিশ্বায়ন ও ভারতীয় চিন্তাভাবনার বিষয়ে কথা বলছি। একই সঙ্গে, চিন্তাভাবনার প্রকৃত প্রয়োগও প্রয়োজন। আপনারা সবাই দেখেছেন, দ্রুত গতিতে ভারত কিভাবে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। আমরা কিভাবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্বাস্থ্য পরিচর্যা কর্মসূচি চালু করেছি, তাও সকলে দেখেছেন। দেশে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ধোঁয়ামুক্ত রান্নাঘরের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। দরিদ্র ও আর্থ মানুষের জন্য লক্ষ লক্ষ বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে।

আমাদের নির্বাচন প্রক্রিয়ার দিকে নজর দিন। লক্ষ লক্ষ ভোটদাতা শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিকে যেখানে কেবল একজন ভোটদাতা রয়েছেন, সেখানেও ভোট গ্রহণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। এতে আশ্চর্যের কিছু নেই যে বিশ্ব ক্রম তালিকায় ভারতের অবস্থানে ক্রমশ অগ্রগতি ঘটছে।

বন্ধুগণ, ভারতীয় চিন্তাভাবনা বিশ্বকে অনেক কিছু দিয়েছে। এখনও আরও অবদান রাখার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের বিশ্ব বর্তমানে যে সমস্ত জটিল সমস্যার সম্মুখীন, তার সমাধানসূত্র খুঁজে দেয়ার সম্ভাবনাও ভারতীয় চিন্তাভাবনার মধ্যে নিহিত রয়েছে।

আপনারা প্রত্যেকে ভালো থাকুন। আপনারা প্রত্যেকে রোগমুক্ত থাকুন। কোথাও যেন নিরানন্দ না থাকে। এখানে কেউই কেবল ভারত ও ভারতীয়ত্বের কথা বলেন না। সকলের বিশ্বের কথা বলেন। ভারত বিশ্বাস করে যে, যখন ভারতের অগ্রগতি হবে, তখন সমগ্র বিশ্বেরও অগ্রগতি ঘটবে। যখন সমগ্র বিশ্বের সমৃদ্ধি ঘটবে, তখন ভারতও লাভবান হবে। আমি আশা করি, এ ধরণের সম্মেলন ভারতীয় চিন্তাভাবনার সূত্রকে জনমানসে আরও জনপ্রিয় করবে।

এই কথাগুলি বলে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি এবং আইআইএম কোজিকোড়কে জানাই আমার শুভ কামনা।

ধন্যবাদ!

অসংখ্য ধন্যবাদ!

CG/BD/SB