নয়াদিল্লি, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
অনুষ্ঠানে উপস্থিত লেফটেন্যান্ট গভর্নর শ্রী ভি. কে. সাক্সেনা, সীমান্ত সড়ক সংস্থা (বিআরও) ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পদস্থ আধিকারিকবৃন্দ, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনের আধিকারিকবৃন্দ, অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ এবং আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
লাদাখের সকলকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। জুলে!
আজ লাদাখের উন্নয়নের ধারায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সংযোজিত হল। এই অনুষ্ঠানে প্রযুক্তির মাধ্যমে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত। আজ লাদাখে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। এই প্রকল্পগুলি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিদ্যুৎ পরিষেবার সম্প্রসারণ, জলসম্পদের সহজলভ্যতা বৃদ্ধি এবং প্রাচীন ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। কিছুক্ষণ আগে আমি দেখছিলাম, জাঁস্করে তুষারপাত হচ্ছে। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও সেখানকার মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। তুষারপাতের মধ্যেও জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে তাঁদের যে উদ্দীপনা প্রকাশ পেয়েছে, তা প্রশংসনীয়।
বন্ধুগণ,
এটাই আমার লেহ, এটাই লাদাখ। আজ উদ্বোধন হওয়া প্রকল্পগুলির জন্য লাদাখের সকল অধিবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে নিয়োজিত ইঞ্জিনিয়ার, শ্রমিক এবং স্থানীয় সহযোগীদেরও অভিনন্দন জানাই। বিশেষভাবে প্রশংসা করি সীমান্ত সড়ক সংস্থার কর্মীদের, যাঁরা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁদের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।
বন্ধুগণ,
কিছুদিন আগে আমি লেহ-র কুশক বকুলা রিনপোছে বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের শিলান্যাস করেছিলাম। আজ সেই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনালের ফলে বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী পরিবহণের ক্ষমতা ১০ লক্ষ থেকে বেড়ে ৩৫ লক্ষে উন্নীত হবে। এখান থেকে বিমান চলাচলের সংখ্যাও তিন গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এই টার্মিনালের আরও একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। লাদাখের প্রতিকূল জলবায়ুর উপযোগী করে এখানে ভূতাপীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি, সৌরশক্তিরও ব্যবহার করা হয়েছে। ভূতাপীয় তাপ সরবরাহের ব্যবস্থা-সহ এটিই দেশের প্রথম বিমানবন্দর টার্মিনাল। এই সাফল্যের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানাই। লাদাখে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও আমরা সমান গুরুত্ব দিচ্ছি। এই নতুন বিমানবন্দর টার্মিনাল লাদাখের পর্যটন ক্ষেত্রের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আধুনিক এই পরিকাঠামো গড়ে ওঠায় লাদাখের সকল ভাই ও বোনকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।
বন্ধুগণ,
আজ উদ্বোধন হওয়া অন্যান্য প্রকল্পগুলিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিম্মু-পদুম-দারচা সড়কটি আজ লাদাখের মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই সড়ক নির্মাণে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। আগে এই পথে যাতায়াত করতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগত। বর্তমানে সেই সময় কমে প্রায় ৩ ঘণ্টা হবে। এর ফলে যাতায়াতের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি বাণিজ্য ও ব্যবসার প্রসারেও সুবিধা হবে।
বন্ধুগণ,
এর আগে শ্রীনগর থেকে লেহ-কে সংযুক্তকারী বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আজ হানু জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এবং তার সঙ্গে যুক্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। আমরা সকলেই জানি, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ শুধু ঘরে আলো পৌঁছে দেয় না, মানুষের জীবনেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। এর ফলে গ্রামাঞ্চলে নতুন নতুন কর্মসংস্থান ও জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি হয়। শিশুদের শিক্ষাগ্রহণ, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং স্থানীয় মানুষের ক্ষুদ্র ব্যবসা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর সুফল পাওয়া যাবে। পুগা উপত্যকাতেও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্পের কাজ এগিয়ে চলেছে।
বন্ধুগণ,
আজ ‘প্রকল্প অমৃত হিম সরোবর’-এর অধীনে নির্মিত ৪০টি জলাধারও লাদাখের মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই জলাধারগুলি কৃষকদের প্রয়োজনের সময় সেচের জল সরবরাহে সহায়তা করবে।
বন্ধুগণ,
লাদাখের প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের কারণে এখানকার জীবনযাত্রা বরাবরই নানা চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এই বাস্তবতা সত্ত্বেও পূর্ববর্তী সরকারগুলি লাদাখের উন্নয়নকে যথাযথ অগ্রাধিকার দেয়নি। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে লাদাখের উন্নয়ন অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এখানকার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তাগুলির প্রতি আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত লাদাখে প্রায় ১,৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নেটওয়ার্ক ছিল। বর্তমানে তা বেড়ে ৪,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি হয়েছে। আগে এখানে বড় সেতুর সংখ্যা ছিল ১৯টি, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৭৫টি হয়েছে। হেলিপ্যাডের সংখ্যাও ৭টি থেকে বেড়ে ৪০টিরও বেশি হয়েছে। আগে লাদাখের মাত্র সাড়ে ৩ শতাংশ বাড়িতে নলবাহিত পানীয় জলের সংযোগ ছিল। বর্তমানে প্রায় ৯৯ শতাংশ বাড়িতে এই সুবিধা পৌঁছে গিয়েছে। লাদাখের হাসপাতালগুলিতে শয্যার সংখ্যাও দ্বিগুণ হয়েছে। পাশাপাশি, জোজিলা সুড়ঙ্গের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে সারা বছর লাদাখের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সুগম হবে।
বন্ধুগণ,
লাদাখে সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করাও কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এখানে পর্যটনের সুযোগ ক্রমশ বাড়ছে। শীতকালীন পর্যটন ও অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজেস’ কর্মসূচির আওতায় লাদাখের ৪০টিরও বেশি সীমান্তবর্তী গ্রামের সার্বিক উন্নয়নের কাজ চলছে। এই গ্রামগুলিকে আমরা ‘দেশের প্রথম গ্রাম’ হিসেবে অভিহিত করি। এই উদ্যোগের ফলে প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতেও কর্মসংস্থান ও জীবিকার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
বন্ধুগণ,
আগে লাদাখে হোমস্টের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৫০। বর্তমানে তা বেড়ে ৩,০০০ হয়েছে। এখানকার কৃষিক্ষেত্রে গ্রিনহাউসের ব্যবহার সম্প্রসারণেও ধারাবাহিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে লাদাখে ১১,০০০ গ্রিনহাউস রয়েছে। এর ফলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বন্ধুগণ,
লাদাখে হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপনের দাবি দীর্ঘদিনের। আমাদের সরকার এই দাবি পূরণের লক্ষ্যে পদক্ষেপ করেছে। চলতি বছরের আগস্টে লাদাখে হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রশাসনিক কাজকর্মের পাশাপাশি বিচার পরিষেবা পাওয়াও আরও সহজ হবে।
বন্ধুগণ,
ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রসারের ফলে আজ নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, হোমস্টে কিংবা স্থানীয় পণ্য—বিভিন্ন ক্ষেত্রেই অনলাইন ব্যবসা আয়ের নতুন পথ খুলে দিচ্ছে। এই লক্ষ্যেই লাদাখ-সহ প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে ভারতনেট ও উচ্চগতির ইন্টারনেট পরিষেবার সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সরকারি পরিষেবা সহজলভ্য করা, তরুণদের অনলাইনে শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় উদ্যোগপতিদের দেশ-বিদেশের বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে।
বন্ধুগণ,
লাদাখের নবীন প্রজন্মের উন্নয়নের উপর আমাদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এখানকার তরুণ-তরুণীরা যাতে উন্নত শিক্ষার সুযোগ পান, আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন এবং এই উদ্দেশ্যে অন্য শহরের উপর নির্ভর করতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই লেহ-তে একটি বৃহৎ উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি, আইআইটি জম্মু ও আইআইএম জম্মুর স্যাটেলাইট ক্যাম্পাস স্থাপনের প্রস্তাবও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর ফলে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং নতুন দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে লাদাখের তরুণ-তরুণীরা নিজেদের অঞ্চলেই উন্নত সুযোগ পাবেন।
বন্ধুগণ,
লাদাখে ক্রীড়াক্ষেত্রেও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এখানকার তরুণ-তরুণীরা আইস হকি, শীতকালীন ক্রীড়া ও পর্বতারোহণের মতো ক্ষেত্রে নিজেদের বিশেষ পরিচিতি গড়ে তুলেছেন। লাদাখে নতুন ক্রীড়ানীতির মাধ্যমে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ ও প্রসারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, এটা জেনে আমি আনন্দিত। আমাদের লক্ষ্য, এখানকার তরুণ-তরুণীরা যাতে উন্নত প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্য অর্জন করতে পারেন।
বন্ধুগণ,
লাদাখের মানুষ নিজেদের পরিশ্রম ও দক্ষতার মাধ্যমে যে পণ্য উৎপাদন করেন, সেগুলির গুণমান অত্যন্ত উন্নত। আপনারা জানেন, বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আমি প্রায়ই তাঁদের লাদাখে তৈরি পণ্য উপহার দিই এবং এই অঞ্চলের উৎপাদকদের সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করি। জার্মানির চ্যান্সেলর, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী এবং কিরগিজস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও আমি লাদাখে তৈরি পণ্য উপহার দিয়েছি। এখানকার পশমিনা, সি-বাকথর্ন, স্থানীয় হস্তশিল্প এবং খুবানি-সহ বিভিন্ন ফলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিপুল। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে লাদাখের খুবানিকে ভৌগোলিক নির্দেশক বা জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববাজারে এই ফলের চাহিদা বাড়ছে। আমাদের লক্ষ্য, এখানকার পণ্যগুলির জন্য নতুন বাজার তৈরি করা, যথাযথ ব্র্যান্ডিং ও বিপণনের ব্যবস্থা করা এবং উৎপাদকরা যাতে সরাসরি এর সুফল পান, তা নিশ্চিত করা। চাংপা সম্প্রদায়ের পশুপালকদের প্রতিও আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে। তাঁদের পরিশ্রম ও ঐতিহ্যবাহী দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত পশমিনার স্বাতন্ত্র্য ও পরিচিতি আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, লাদাখের উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলগুলিতে বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষের প্রসারেও উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
বন্ধুগণ,
লাদাখের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য আমাদের দেশের এক অমূল্য সম্পদ। এখানকার প্রাচীন মঠ, বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও উৎসবগুলিকে সংরক্ষণ করা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য সুরক্ষিত রাখা আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়িত্ব। এই ক্ষেত্রে পূজ্য কুশক বকুলা রিনপোছের অবদান আমাদের সকলের কাছে গভীর প্রেরণার উৎস। লাদাখের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে বিশ্বের মানুষকে পরিচিত করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করছে। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ লেহ-তে ভারতের প্রথম পেট্রোগ্লিফ সংরক্ষণ পার্কের উদ্বোধন করা হয়েছে। এর ফলে লাদাখের প্রাচীন ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ আরও জোরদার হবে। আগামী প্রজন্ম এই ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। একই সঙ্গে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মানুষও লাদাখের সমৃদ্ধ ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন।
বন্ধুগণ,
আমার বিশ্বাস, আমরা সকলে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে লাদাখকে উন্নয়নের নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হব। এই প্রত্যাশা নিয়ে, আজ উদ্বোধন হওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলির জন্য আপনাদের সকলকে আরও একবার আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ। জুলে!
SC/PM/DM
A big day for Ladakh! Projects worth around Rs. 3,350 crore are set to give the region's development fresh momentum. https://t.co/ADbqwCGmiS
— Narendra Modi (@narendramodi) October 15, 2026
आज लद्दाख में कई अहम development projects का लोकार्पण हुआ है। इन परियोजनाओं से कहीं लोगों का सफर आसान होगा, कहीं बिजली की सुविधाएं बेहतर होंगी, कहीं पानी की उपलब्धता बढ़ेगी और हमारी प्राचीन विरासत के संरक्षण को भी नई ताकत मिलेगी: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 15, 2026
हमारा विशेष ध्यान लद्दाख की नई पीढ़ी पर है। यहां के युवाओं को अच्छी शिक्षा मिले, नई technology सीखने का अवसर मिले और उन्हें दूसरे शहरों पर निर्भर न रहना पड़े। लेह में इसलिए एक बड़ा centre of excellence बन रहा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 15, 2026
लद्दाख में नई sports policy के माध्यम से खेल प्रतिभाओं को आगे बढ़ाने का प्रयास किया जा रहा है। हमारा प्रयास है कि यहां के युवाओं को बेहतर training और सुविधाएं मिलें और वो राष्ट्रीय तथा अंतरराष्ट्रीय स्तर पर नई उपलब्धियां हासिल करें: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 15, 2026