Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু’তে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল-এর


প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুর বশ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টারে জার্মান চ্যান্সেলর ডঃ অ্যাঞ্জেলা মার্কেল’কে স্বাগত জানান। চোখের রোগ নির্ণয় এবং দুর্ঘটনায় আহত মানুষদের দ্রুত চিকিৎসা সংক্রান্ত নতুন উদ্ভাবন সম্পর্কে ঐ সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁদের ওয়াকিবহাল করা হয়। বশ বৃত্তি শিক্ষা কেন্দ্রে স্কুল ছুট পড়ুয়াদের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিটি সম্পর্কে দুই নেতাকে প্রয়োজনীয় তথ্যও জানানো হয়।

ন্যাসকম এবং ফ্রনহোফার ইন্সটিটিউট আয়োজিত বাণিজ্য ফোরামে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং জার্মান চ্যান্সেলর। ঐ অনুষ্ঠানে প্রদত্ত তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যখন মন্দার ভাব চলছে, তখন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভারত উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে।
বহুদিন ধরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে যে ভীতি ও আশঙ্কার ভাব লক্ষ্য করা গেছে তা দূর করতে সরকার যে সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তাও ব্যাখ্যা করেন। সেইসঙ্গে, ভারতে বিনিয়োগ সংক্রান্ত যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে তারও একটি চিত্র তিনি তাঁর ভাষণে তুলে ধরেন।

জার্মান চ্যান্সেলর’কে আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের স্বপ্নকে সফল করে তুলতে আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ আমরা প্রার্থনা করি। দ্রুত ও কার্যকরভাবে লক্ষ্যমাত্রায় উপনীত হতে আমাদের অঙ্গীকার ও আগ্রহ জার্মান সংস্থাগুলির কাছে অফুরন্ত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসেছে। ৫ কোটি গৃহ নির্মাণ থেকে ১০০টি স্মার্ট সিটি গড়ে তোলা, রেল নেটওয়ার্ক ও স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণ থেকে শুরু করে নতুন নতুন রেল করিডর গড়ে তোলা, ১৭৫ গিগাওয়াট পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন থেকে শুরু করে সংবহন ও বন্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, জাতীয় মহাসড়ক, সেতু ও মেট্রোরেল স্থাপন করা সহ বিভিন্ন সুযোগ আপনাদের সামনে এখন উপস্থিত। উৎপাদন ও সৃজনশীলতার এই বিশাল সম্ভাবনা একত্রে অন্য আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। শুধু তাই নয়, পৃথিবীতে এমন কোনও স্থান নেই যেখানে এতো ব্যাপকভাবে এই অনন্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো যায়। ‘ডিজিটাল ভারত’ এবং ‘দক্ষ ভারত’ অভিযানের মধ্য দিয়ে আমরা এই সম্ভাবনার মধ্যে আরও গতি ও শক্তি সঞ্চার করতে চাই। এই শক্তির পুরোপুরিভাবে কাজে লাগাতে ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া’ অভিযানও আমরা শুরু করেছি।

এটি হল ভারতের একটি সফ্টওয়্যার কেন্দ্র, যা সমগ্র বিশ্বের হার্ডওয়্যারকে পরিচালনা করতে পারে। ভারতের ও মেধা ও প্রতিভা এই প্রযুক্তিতে পারদর্শিতা লাভ করতে পারে। ভারতের বাজার ও বিপণন ব্যবস্থা নির্মাণ শিল্পকে উৎসাহদান করতে পারে। ভারতে থেকে কাজ করা মানেই বোঝায় দৃঢ় বাণিজ্যিক ইচ্ছার প্রতিফলন। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’য় অংশগ্রহণ করা মানেই উন্নততর বাণিজ্যিক লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া”।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ” জার্মান প্রযুক্তি এবং ভারতীয় তথ্য প্রযুক্তি একত্রে যে বিশ্ব মানের উৎপাদন গড়ে তুলতে পারে – চ্যান্সেলর মার্কেল-এর এই দৃষ্টিভঙ্গীর আমি বিশেষ প্রশংসা করি। চ্যান্সেলর মার্কেল-এর ভারত ত্যাগের মুহূর্তে তাঁকে আমি আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁর এই সফর খুবই ফলপ্রসূ হয়েছে এবং তা ভারত-জার্মান সম্পর্ককে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করেছে”।

PG/SKD/SB/S