পিএমইন্ডিয়া
নয়া দিল্লি: প্রধানমন্ত্রী শ্রীনরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বুধবার শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেমহাকাশের ব্যবহার ও অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ভারত ও নেদারল্যান্ডের মধ্যে সমঝোতাস্মারক নিয়ে (মউ) অবহিত হলো| গত ১১ এবং ১২ মে (২০১৭) এই মউ যথাক্রমে ব্যাঙ্গালোরএবং নেদারল্যান্ডের হাগ-এ স্বাক্ষরিত হয়েছে|
এই মউ স্বাক্ষরের ফলে বেশকিছুক্ষেত্রে সহযোগিতার ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে| যেমন- রিমোট সেন্সিং অফ আর্থ সহ মহাকাশবিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও ব্যবহার; স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং স্যাটেলাইট নির্ভরনেভিগেশন; মহাকাশ বিজ্ঞান ও গ্রহ অনুসন্ধান; স্পেসক্রাফট, স্পেস সিস্টেম ওগ্রাউন্ড সিস্টেমের ব্যবহার; এবং মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহার|
এই মউ-এর ফলে একটি যৌথ কার্যকরীগোষ্ঠী গঠিত হবে| যার সদস্যরা থাকবেন মহাকাশ বিভাগ/ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ডি.ও.এস./ইসরো)এবং নেদারল্যান্ড স্পেস অফিস (এন.এস.ও.) থেকে| এই যৌথ কার্যকরী গোষ্ঠী মউ রূপায়ণেরপদ্ধতি ও সময়সীমা সহ পরবর্তী সমস্ত কর্ম-পরিকল্পনা তৈরি করবে| এই মউ মানব সভ্যতারসুবিধার জন্য মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যৌথ কর্মকাণ্ডের বিকাশ ঘটাবে|
ডি.ও.এস./আই.এস.আর.ও. সংস্থার সঙ্গেদক্ষতা উন্নয়ন নিয়ে নেদারল্যান্ডের আই.টি.সি.’র (ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফরজিও-ইনফরমেশন সায়েন্স এন্ড আর্থ অবজারভেশন, টোয়েন্টে বিশ্ববিদ্যালয়) সঙ্গে এবংআর্থ অবজারভেশন নিয়ে ক্রমাঙ্কন/মূল্যায়ন পরীক্ষা করার জন্য রয়্যাল নেদারল্যান্ডসমেটারোলজিকাল ইনস্টিটিউটের (কে.এন.এম.আই.) সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সংযুক্তি রয়েছে|মহাকাশ বিভাগের (ডি.ও.এস.) বাণিজ্যিক অংশ অ্যান্ট্রিক্স কর্পোরেশন ২০০৮ সালেরএপ্রিল মাসে নেদারল্যান্ড-এর একটি স্যাটেলাইট (ডি.ই.এল.এফ.আই.-সি.৩) উৎক্ষেপণ করেছিল|তখন ইসরো এবং এন.এস.ও.-এর মধ্যে মহাকাশ ক্ষেত্রে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনাহয়| তার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবেই স্বাক্ষরিত হয়েছে এই মউ|
BD/A.D./AGT