Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

মহাত্মা গান্ধীর আন্তর্জাতিক পরিচ্ছন্নতা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষন

মহাত্মা গান্ধীর আন্তর্জাতিক পরিচ্ছন্নতা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষন

মহাত্মা গান্ধীর আন্তর্জাতিক পরিচ্ছন্নতা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষন

মহাত্মা গান্ধীর আন্তর্জাতিক পরিচ্ছন্নতা সম্মেলনের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর ভাষন


প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী মঙ্গলবার (২রা অক্টোবর) নতুন দিল্লীতে মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক পরিচ্ছন্নতা সম্মেলনে ভাষন দেন। চারদিনের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক মন্ত্রীদের পাশাপাশি অন্যান্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দও যোগ দিয়েছেন। সম্মেলন উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি ডিজিটাল প্রদর্শনী প্রধানমন্ত্রী ঘুরে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব শ্রী অ্যান্টোনিও গুটারেস। সম্মেলন মঞ্চ থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তিরা মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে একটি স্মারক ডাক টিকিট এবং গান্ধীর সবচেয়ে প্রিয় ভজন সংকীর্তন- ‘বৈষ্ণব জন তো’ ভিত্তিক একটি সিডির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন। এই উপলক্ষে স্বচ্ছ ভারত পুরস্কারও প্রদান করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষনে মহাত্মা গান্ধী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর যে গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তার উল্লেখ করেন। ১৯৪৫-এ প্রকাশিত মহাত্মা গান্ধীর ‘গঠনমূলক কর্মসূচি’র কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন, এই কর্মসূচিতে গ্রামীণ স্বচ্ছতার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, যদি নোংরা পরিবেশকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করা না হয়, তাহলে এমন পরিস্হিতির সৃষ্টি হয় যখন সকলেই ঐ পরিস্হিতির বাস্তবতাকেই মেনে নিতে বাধ্য হয়। কিন্তু, এর পরিবর্তে যখন একজন ব্যক্তি তার আশপাশের এলাকার নোংরা পরিস্কারের কাজ শুরু করেন, তখন অন্যরা এই ধরনের কাজে আরও উজ্জীবিত হন এবং যাবতীয় প্রতিকূল পরিস্হিতিকে জয় করে এ কাজে এগিয়ে যেতে থাকেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাত্মা গান্ধীর অনুপ্রেরণাতেই স্বচ্ছ ভারত অভিযান এগিয়ে চলেছে। মহাত্মা গান্ধীর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়েই ভারতীয়রা স্বচ্ছ ভারত অভিযানকে বিশ্বের বৃহত্তম জন আন্দোলনে পরিণত করেছেন। তিনি আরও জানান, গ্রামীণ পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিধি ২০১৪-র ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে এখন ৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে। ৫ লক্ষের বেশি গ্রাম এখন উন্মুক্ত স্হানে শৌচকর্মমুক্ত হয়ে উঠেছে। স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দরুন সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় পরিবর্তনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। সুস্হায়ী উন্নয়নের উদ্দেশ্যগুলি পূরণের লক্ষে ভারত সঠিক দিশায় এগিয়ে চলেছে বলেও তিনি অভিমত প্রকাশ করেন। সমগ্র বিশ্বকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী চারিটি ‘পি’এর কথা উল্লেখ করেন। এগুলি হল- পলিটিক্যাল লিডারশিপ বা রাজনৈতিক নেতৃত্বদান, পাবলিক ফান্ডিং বা সার্বজনীন তহবিল, পার্টনারশিপ বা অংশীদারিত্ব এবং পিপলস্ পার্টিসিপেশন বা জনসাধারণের অংশগ্রহণ।

CG/BD/NS