পিএমইন্ডিয়া
মঞ্চে উপস্থিত মহারাষ্টের রাজ্যপাল শ্রদ্ধেয় বিদ্যাসাগর মহোদয়, মুখ্যমন্ত্রী শ্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, আমার মন্ত্রিমণ্ডলের সহযোগী নীতিনজি, জয় কুমার রাওয়ালজি, মঞ্চে উপস্থিত অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ এবং আমাকে আশীর্বাদ প্রদান করতে বিপুল সংখ্যায় আগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা। আমাকে বলা হয়েছে যে, এত গরমে আপনারা ২ – ৩ ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছেন। আমি আপনাদের এই তপস্যাকে প্রণাম জানাই।
বন্ধুগণ, আজ এমন এক সময়ে আপনাদের মাঝে এসেছি, যখন পুলওয়ামায় আমাদের জঅয়ানদের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা নিয়ে দেশবাসী আক্রোশে ফেটে পড়ছেন। একদিকে দেশবাসীর আক্রোশ আর অন্যদিকে সকলের চোখে জল। মহারাষ্ট্রের মাটিও অনেক সুসন্তানকে হারিয়েছে। খান্দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আমি দেশের সমস্ত পরাক্রমী বীর সন্তানদের এবং তাঁদের জন্মদাত্রী প্রত্যেক মাকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।
বন্ধুগণ, আমাদের সৈনিকরা সর্বদাই নিঃস্বার্থভাবে দেশের সেবা করে গেছেন। তাঁরা মুখে কিছু বলেন না। কিন্তু নীরবে কাজ করে যান। যাঁরা নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের পরিবারের পাশে আমরা সবাই সর্বদা থাকব। একটি দেশ হিসাবে আমাদের কাজ এখান থেকেই শুরু হয়। সরকারি প্রশাসনের যে দায়িত্ব রয়েছে, তা থেকেও একেকজন নাগরিক হিসাবে আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি।
বন্ধুগণ, এটা সংযম, সংবেদনশীলতা ও শোকের সময়। কিন্তু প্রত্যেক পরিবারকে আমি আশ্বস্ত করছি, যে পরিবারগুলি তাঁদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, আপনাদের চোখের জলের প্রতিটি বিন্দুর জবাব আমরা নেব। ভারত যে নতুন রীতি ও নীতি নিয়ে এগিয়ে চলেছে, বিশ্ববাসী এখন তা অনুভব করবে।
আমাদের বাহাদুর নিরাপত্তা কর্মীরা আক্রমণকারীদের নিশ্চিন্তে ঘুমতে দেবে না। ভারত কাউকে বিরক্ত করতে চায় না। কিন্তু আমি স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছি, ভারতকে যদি কেউ বিরক্ত করে আমরা তাদের ছাড়ব না। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীগুলি আগেও এটা করে দেখিয়েছে আর এখনও জবাব দিতে ছাড়বে না।
ভাই ও বোনেরা, দেশের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও সহজ করে তোলার লক্ষ্যে আপনাদের এই সরকার নিরন্তর কাজ করে চলেছে। আজ ধুলে অঞ্চলের উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প এখানে উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করা হয়েছে। ধুলে শহরে পানীয় জল এবং পয়ঃপ্রণালী প্রকল্প ছাড়াও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের কৃষকদের ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নমূলক বেশ কিছু প্রকল্পের জন্য আমি আপনাদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
ভাই ও বোনেরা, ধুলের ভৌগোলিক অবস্থান এমনই যে এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প নগরী হয়ে উঠতে পারে। এই শহর বেশ কয়েকটি জাতীয় মহাসড়কের সংযোগস্থল। আমরা এই যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করে তুলতে এই শহরে দুটি নতুন রেল লাইনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। অপর একটি রেল লাইনের প্রশস্তিকরণ ও বৈদ্যুতিকীকরণের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া, আজ এখান থেকে তিনটি নতুন ট্রেনকে সবুজ পতাকা দেখানো হয়েছে।
এখানে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেরই কোনও না কোনোভাবে সুরাট শহরের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। আপনারা নিয়মিত সুরাটে যাতায়াত করেন। আজ থেকে ২৫ বছর আগে সুরাট কেমন ছিল সেটা মনে করুন। এই ২৫ – ৩০ বছরে সুরাটে যে উন্নয়ন হয়েছে, আমি আজ ধুলেবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, ৩০ বছর পর ধুলেও তেমনই একটি অত্যাধুনিক শহর হয়ে উঠবে। আপনারা আমার এই কথাটি লিখে রাখুন। আজ আমি যেসব বীজ বপণ করেছি, সেগুলির এতই শক্তি – ৩০ বছর পর এমনই এগুলি বটবৃক্ষে পরিণত হবে যে, তখন ধুলে সুরাটের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হবে।
ধুলেবাসীরা নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখুন, ধুলে এগিয়ে যেতে পারে, সুরাট থেকেও অত্যাধুনিক হয়ে উঠতে পারে – আপনারা যদি সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যান, এবং আগামী ৩০ বছর ধরে সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করেন, তবেই! আপনারা যদি এটা চান, তা হলে আমিও আপনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে যেতে তৈরি।
বন্ধুগণ, আজ ধুলে থেকে নর্দানা পর্যন্ত রেল লাইনে প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে এই রেল লাইন মনওয়াড়ের সঙ্গে ইন্দোরকে যুক্ত করবে। মনওয়াড় – ইন্দোর রেল লাইন চালু হলে ইন্দোর এবং মুম্বাইয়ের পাশাপাশি, গোটা দেশ উপকৃত হবে।
বন্ধুগণ, আজ এখান থেকে মনওয়াড়ের সঙ্গে জলগাঁও-কে যুক্ত করার উদ্দেশ্যে একটি নতুন রেল লাইনেরও শিলান্যাস করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ হলে জনগণের যেমন সুবিধা হবে, তেমনই নবীন প্রজন্মের মানুষদেরও কর্মসংস্থান হবে।
বন্ধুগণ, প্রায় এক দশক আগে উধনা – জলগাঁও রেল লাইন প্রশস্তিকরণের লক্ষ্যে ফাইল চালাচালির কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি সম্পূর্ণ করার পাশাপাশি, ইতিমধ্যেই এটিকে ডবল লাইন ও বৈদ্যুতিকীকরণের কাজ সম্পন্ন করেছি। আজ এই লাইনটিকে জাতির উদ্দেশে সমর্পণ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।
বন্ধুগণ, এই রেলপথ চালু হওয়ায় আজই উধনা – নন্দুরবার এবং উধনা – পালসিগামী দুটি নতুন ট্রেন চালু করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এই সময়ে প্রযুক্তির মাধ্যমে উধনার বন্ধুরাও এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আমি ধুলের মাটি থেকে সেই বন্ধুদেরও অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। সেখানেও এরকমই ভারী জমায়েতের মধ্যে বসে জায়েন্ট স্ক্রিনে আপনারা এই অনুষ্ঠান দেখছেন। আমাদের রেল প্রতিমন্ত্রী শ্রী রাজেন গোহাঁইজী সেখানে উপস্থিত আছেন। এছাড়া, ভুসাওয়াল থেকে বান্দ্রা পর্যন্ত খান্দেশ এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে মুম্বাই এবং সুরাটের সঙ্গে ধুলের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী হবে।
ভাই ও বোনেরা, এখানকার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হ’ল জল। তাপী নদীর জলধারা ধুলের পাশ দিয়ে গেছে। অথচ এই শহরের মানুষ দীর্ঘকাল ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছেন। আমরা আজ আপনাদের পানীয় জল ও সেচের জলের সমস্যা দূর করতে অম্রুত যোজনার মাধ্যমে একটি প্রকল্প চালু করেছি। এছাড়া, এই শহরে নির্মীয়মান পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সহায়ক হবে।
ভাই ও বোনেরা, ধুলে সহ মহারাষ্ট্র তথা দেশের অনেক অঞ্চলে সেচের সুবিধা উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী কৃষি সিচাঁই যোজনার কাজ চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি দীর্ঘকাল ধরে ঝুলে থাকা ৯৯টি সেচ প্রকল্পের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি প্রকল্পই মহারাষ্ট্রের।
ভাই ও বোনেরা, আজ যে লোয়ার পাঞ্জারা সেচ প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয়েছে, সেটি এই ২৬টি প্রকল্পেরই অন্যতম। ৩৫ বছর আগে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল আর তখন এর বাজেট ছিল মাত্র ২১ কোটি টাকা। কিন্তু আজ এই ঝুলে থাকা প্রকল্পটি শেষ করতে খরচ হয়েছে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।
বন্ধুগণ, মহারাষ্ট্রে জলাভাব এবং পরিণাম-স্বরূপ খরার প্রকোপ থেকে কৃষকদের মুক্তির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার যথাসম্ভব চেষ্টা করে যাচ্ছে। মারাঠওয়াড়া, বীর এবং মহারাষ্ট্রের অন্যান্য খরাক্রান্ত এলাকার জন্যেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ৯১টি প্রকল্পকেই মঞ্জুর করেছি। প্রায় ১৪হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মীয়মান এই প্রকল্পগুলিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ করার জন্যে সরকার সচেষ্ট। এই প্রকল্প সম্পূর্ণ হলে প্রায় পৌনে চার লক্ষ হেক্টরেরও বেশি জমিকে সেচের আওতায় আনা যাবে।
ভাই ও বোনেরা, সেচ ও রেল সংক্রান্ত এই প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়িত করতে আপনাদের নির্বাচিত সাংসদ এবং আমার মন্ত্রিমণ্ডলের সহযোগী ডঃ সুভাষ ভামরেজীর অনেক বড় অবদান রয়েছে। তাঁর সঙ্গে আমার যখনই দেখা হয়, তিনি এই খরাগ্রস্ত এলাকার জন্য দুশ্চিন্তা ব্যক্ত করেন। সুলওয়াড়ে – জামফল – কানুলি সেচ প্রকল্পের জন্য তিনি লাগাতার চেষ্টা করে গেছেন।
এই প্রকল্প নিয়ে বিগত দুই দশক ধরে শুধু আলাপ-আলোচনাই চলছিল। অবশেষে আজ ২ হাজার ৪০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগে এই প্রকল্পের শিলান্যাস করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাপী নদীর জল অনেক গ্রামের সেচের কাজে লাগবে এবং হাজার হাজার কৃষক উপকৃত হবেন।
বন্ধুগণ, কৃষকদের সেচ প্রকল্পের আওতায় আনা কিংবা কোনও অঞ্চলকে খরা কিংবা বন্যার প্রকোপ থেকে রক্ষা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার স্বচ্ছ দৃষ্টি এবং সততার সঙ্গে কৃষকদের হিতে কাজ করে চলেছে।
ভাই ও বোনেরা, কৃষক ও পশুপালকদের ক্ষমতায়নের জন্য এবারের বাজেটেও কেন্দ্রীয় সরকার একটি বড় প্রকল্প ঘোষণা করেছেন। সেটি হ’ল প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি। এর মাধ্যমে যে কৃষকদের ৫ একর কিংবা তারচেয়ে কম জমি রয়েছে, তাঁদেরকে তিন কিস্তিতে বছরে মোট ৬ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। এভাবে আগামী ১০ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকা জমা করবে। এই টাকা দিয়ে তাঁরা যথাসময়ে বীজ, সার ও নিজেদের অসুখ-বিসুখের ক্ষেত্রে ওষুধ কিনতে পারবেন। আর মহাজনদের থেকে চড়া সুদে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ১২ কোটি কৃষক, পশুপালক, দুগ্ধ উৎপাদক এবং দোহশালাগুলি উপকৃত হবে।
বন্ধুগণ, গ্রাম থেকে শুরু করে আমাদের দেশের গরিব মানুষের রান্নাঘরে ধোঁয়ার প্রকোপের ইতিহাস দীর্ঘকালের। আজ যেখানে এই সভা হচ্ছে, সেই মাটি গোমাতার মাটি। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী রামেশ্বরম প্রসাদজী নিজের ১৪ একর জমি গো সেবার জন্য সমর্পণ করেছিলেন। ধুলের এই ঐতিহ্যকে আজ নতুনভাবে শক্তি যোগানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এবারের বাজেটে গোমাতার সেবা ও সংরক্ষণের জন্য কামধেনু আয়োগ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই আয়োগ আমাদের পশুধনে সমৃদ্ধ করে গ্রামের ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বন্ধুগণ, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ মন্ত্র নিয়ে আমাদের কেন্দ্রীয় সরকার ও মহারাষ্ট্র সরকার গরিব, শোষিত, বঞ্চিত, পিছিয়ে পড়া মানুষ, জনজাতি, মহিলা এবং নবীন প্রজন্মের সকলকে ক্ষমতায়নের চেষ্টা করছে। বিশ্বের বৃহত্তম স্বাস্থ্য বিমা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প আজ সারা দেশের ১২ লক্ষ গরিব মানুষকে অনেক কঠিন রোগের হাত থেকে মুক্তি দিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই রাজ্যের ৭০ হাজার মানুষেরও বেশি এবং আপনাদের ধুলের ১ হাজার ৮০০-রও বেশি মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে কঠিন রোগের চিকিৎসা করাতে পেরেছেন।
প্রতি বছর ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যয়সাধ্য চিকিৎসা বিনামূল্যে সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই প্রকল্প কোটি কোটি গরিব, বঞ্চিত ও জনজাতির মানুষের মনে আশার আলো জাগিয়েছে। আজ এই মঞ্চে আসার আগে আমার আয়ুষ্মান ভারত যোজনার দ্বারা উপকৃত অনেক স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ হয়েছে। আগে কিরকম চিকিৎসা পেতেন, কিভাবে কঠিন রোগের ক্ষেত্রে অসহায়ের মতো মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করতে হ’ত, টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারতেন না – সেসব কথা তাঁরা বলেছেন। আয়ুষ্মান ভারত যোজনা তাঁদের জীবন রক্ষা করেছে। আজ তাঁরা নতুন স্বপ্ন নিয়ে ভবিষ্যতের সুদিনের অপেক্ষা করছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে আমার খুব ভালো লেগেছে। তাঁদের আশীর্বাদ আমাকে শক্তি যোগাচ্ছে। আমি এদেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য যথাসাধ্য কাজ করার প্রেরণা পেয়েছি।
ভাই ও বোনেরা, আমি আরেকবার আপনাদের সবাইকে এই সকল উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে আমার বক্তব্য সম্পূর্ণ করছি।
আপনারা মুষ্ঠিবদ্ধ হাত উপরে তুলে পূর্ণ শক্তি দিয়ে আমার সঙ্গে বলুন –
ভারতমাতার জয়
আপনাদের আওয়াজ যাতে খানদেশের সবাই শুনতে পান –
ভারতমাতার জয়
ভারতমাতার জয়
ভারতমাতার জয়
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
आज एक ऐसे समय पर मैं आप सभी के बीच में आया हूं जब पुलवामा में हमारे जवानों पर हमले को लेकर देश आक्रोशित है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
एक तरफ देश गुस्से में है तो दूसरी तरफ हर आंख नम है: PM @narendramodi in Dhule
महाराष्ट्र की मिट्टी ने भी सपूतों को खोया है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
खानदेश की धरती से देश के सभी बहादुर सपूतों को और उनको जन्म देने वाली हर मां को मैं नमन करता हूं: PM @narendramodi
हमारे शहीदों ने, हमारे जवानों ने हमेशा से देश को निस्वार्थ भाव से अपनी सेवाएं दी हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
एक देश के नाते हमारा काम यहीं से शुरु होता है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
जिन्होंने अपना सर्वस्व न्योछावर कर दिया, उनके परिवार के साथ हम हमेशा खड़े रहें: PM @narendramodi
ये संयम का समय है, संवेदनशीलता का समय है, ये शोक का समय है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
लेकिन हर परिवार को मैं ये भरोसा देता हूं कि हर आंसू का जवाब लिया जाएगा: PM @narendramodi
भारत नई रीति और नई नीति का देश है, ये अब दुनिया भी अनुभव करेगी: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
हमारे बहादुर सुरक्षा बल, बंदूक चलाने वाला हो या बंदूक पकड़ाने वाला,
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
बम दागने वाला हो या फिर बम देने वाला,
किसी को चैन से सोने नहीं देंगे: PM @narendramodi
भारत की ये नीति रही है कि हम किसी को छेड़ते नहीं हैं, लेकिन मैं फिर साफ कर दूं कि नए भारत को किसी ने छेड़ा तो वो छोड़ता भी नहीं है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
आज धुले के विकास से जुड़ी हज़ारों करोड़ की परियोजनाओं का लोकiर्पण और शिलान्यास किया गया है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
धुले शहर में पानी और सीवेज से जुड़ी परियोजनाएं हों, किसानों के लिए सिंचाई से जुड़ी परियोजनाएं
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
या फिर धुले की कनेक्टिविटी से जुड़े परियोजनाएं, मैं आप सभी को शुभकामनाएं देता हूं: PM @narendramodi
धुले के पास देश का एक महत्वपूर्ण औद्योगिक नगर बनने की पूरी संभावना है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
ये ऐसी जगह पर स्थित है जहां से देश के अलग-अलग शहरों में व्यापार की अनेक संभावनाएं हैं।
यहां से कई बड़े-बड़े नेशनल हाईवे गुजरते हैं: PM @narendramodi
आज इस कनेक्टिविटी को हमने और सशक्त करते हुए 2 नई रेल लाइनों का शिलान्यास किया है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
करीब एक दशक पहले उधना-जलगांव रेल लाइन के चौडी-करण की फाइल शुरु हुई थी,
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
जिसको अब जाकर पूरा किया जा सका है।
इस लाइन का दोहरी-करण का काम पूरा हो चुका है और साथ ही इसका बिजली-करण भी किया गया है: PM @narendramodi
पीने के पानी औऱ सिंचाई के लिए पानी, दोनों चुनौतियों को कम करने के लिए आज बड़ा प्रयास हुआ है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
महाराष्ट्र में पानी की कमी और इससे होने वाले सूखे से मुक्ति दिलाने के लिए केंद्र सरकार हर संभव प्रयास कर रही है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019