পিএমইন্ডিয়া
ভারতমাতার জয়, ভারতমাতার জয়,
মহারাষ্ট্রের মাননীয় রাজ্যপাল বিদ্যাসাগর রাও মহোদয়, রাজ্যের জনপ্রিয় যশস্বী মুখ্যমন্ত্রী শ্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ, আমার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সঙ্গী শ্রদ্ধেয় নীতিন গড়করি মহোদয়, শ্রী হংসরাজ আহির, রাজ্য সরকারের মন্ত্রী শ্রী মদন এরওয়ার, মঞ্চে উপস্থিত অন্যান্য মাননীয় ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যায় আমাকে আশীর্বাদ প্রদানের জন্য আগত ভাই ও বোনেরা, বিশেষ করে বোনেরা।
পান্ডরকোরার এই মাটির সুসন্তান সন্ত সর্বলাল মহারাজ, মুখসাজী মহারাজের মতো অনেক সাধু-সন্ন্যাসীদের আমি প্রণাম জানাই। কয়েক মাস আগে এই অঞ্চলের এক আদিবাসী যুবক এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেছেন। তাঁর সঙ্গে আমার দিল্লিতে সাক্ষাতের সৌভাগ্য হয়েছে। যবতমাল চন্দ্রপুর নামে সেই যুবকের পরিশ্রম ও স্বপ্ন সম্পর্কে জেনে তাঁর প্রাণশক্তি আমাকে অত্যন্ত আনন্দ দিয়েছে। এখানকার কোলাম জনজাতির মানুষদের পরিচ্ছন্নতার প্রতি যে আগ্রহ রয়েছে, সেকথা আমি ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে বলেছি। চন্দ্রপুরের যুবকরা যেভাবে সেখানকার দুর্গ পরিষ্কার করেছিলেন, তা দেশের যুবসম্প্রদায়কে এ ধরণের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রেরণা যুগিয়েছে।
তখন আমি ‘চায়ে পর চর্চা’ করতাম। আর দেশের অনেক সমস্যা দূর করার জন্য নিরন্তর কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিতাম। বিগত সাড়ে চার বছরে সম্পূর্ণ সততার সঙ্গে আমি আপনাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালনে চেষ্টা করেছি। আপনারা কি খুশি? আপনাদের এই আশীর্বাদই আমার চাই। আশা করি, ভবিষ্যতেও এই আশীর্বাদ জারি থাকবে।
আজও পান্ডরকোরার যবতমালের উন্নয়নের স্বার্থে কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করা হ’ল। এই প্রকল্পগুলি গরিবদের জন্য গৃহ নির্মাণ, আপনাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সড়কপথ, রেলপথ, রোজগার এবং কর্মসংস্থান ও শিক্ষার সঙ্গে জড়িত।
ভাই ও বোনেরা, উন্নয়নের এই প্রকল্পগুলির মাঝে আমি এটাও জানি যে, আপনারা সবাই কি নিদারুণ যন্ত্রণা অনুভব করছেন। পুলওয়ামায় যা কিছু হয়েছে, আমাদের জওয়ানদের ওপর সন্ত্রাসবাদী হামলা নিয়ে দেশবাসী আক্রোশে ফেটে পড়ছেন। একদিকে দেশবাসীর আক্রোশ আর অন্যদিকে সকলের চোখে জল। মহারাষ্ট্রের মাটিও অনেক সুসন্তানকে হারিয়েছে। খান্দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আমি দেশের সমস্ত পরাক্রমী বীর সন্তানদের এবং তাঁদের জন্মদাত্রী প্রত্যেক মাকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাই।
বন্ধুগণ, আমাদের সৈনিকরা সর্বদাই নিঃস্বার্থভাবে দেশের সেবা করে গেছেন। তাঁরা মুখে কিছু বলেন না। কিন্তু নীরবে কাজ করে যান। যাঁরা নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের পরিবারের পাশে আমরা সবাই সর্বদা থাকব। একটি দেশ হিসাবে আমাদের কাজ এখান থেকেই শুরু হয়। সরকারি প্রশাসনের যে দায়িত্ব রয়েছে, তা থেকেও একেকজন নাগরিক হিসাবে আমাদের দায়িত্ব অনেক বেশি।
বন্ধুগণ, এটা সংযম, সংবেদনশীলতা ও শোকের সময়। কিন্তু প্রত্যেক পরিবারকে আমি আশ্বস্ত করছি, যে পরিবারগুলি তাঁদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, আপনাদের চোখের জলের প্রতিটি বিন্দুর জবাব আমরা নেব। কিভাবে কোথায় ও কারা জবাব দেবে, তা আমাদের সেনাবাহিনী ঠিক করবে। ভারত যে নতুন রীতি ও নীতি নিয়ে এগিয়ে চলেছে, বিশ্ববাসী এখন তা অনুভব করবে।
আমাদের বাহাদুর নিরাপত্তা কর্মীরা আক্রমণকারীদের নিশ্চিন্তে ঘুমতে দেবে না। ভারত কাউকে বিরক্ত করতে চায় না। কিন্তু আমি স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছি, ভারতকে যদি কেউ বিরক্ত করে আমরা তাদের ছাড়ব না। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীগুলি আগেও এটা করে দেখিয়েছে আর এখনও জবাব দিতে ছাড়বে না।
ভাই ও বোনেরা, দেশের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও সহজ করে তোলার লক্ষ্যে আপনাদের এই সরকার নিরন্তর কাজ করে চলেছে। এই জন্য উন্নয়নের পঞ্চধারা অর্থাৎ ছেলেমেয়দের পড়াশুনা, যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান, বয়স্কদের ওষুধ, কৃষকদের সেচ ব্যবস্থা এবং প্রত্যেকের অভাব-অভিযোগ শোনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
ভাই ও বোনেরা, যে কোনও অঞ্চলের উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থা সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে। আজ যবতমলে সড়ক ও রেল যোগাযোগ উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত কয়েক হাজার কোটি টাকার প্রকল্প এখানে উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করা হয়েছে। সড়ক উন্নয়নের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে একটি নতুন প্রকল্পের শিলান্যাস করা হয়েছে। এছাড়া, পুণে – অজনী – পুণে হামসফর এক্সপ্রেসকে সবুজ পতাকা দেখানো হয়েছে। এই রেলগাড়ি দ্রোণী, মনমাড, ভুসাওয়াল এবং বড়নেরা হয়ে যাতায়াত করবে। এই সমস্ত অঞ্চলের মানুষদের যাতায়াতের সমস্যা দূর হবে।
বন্ধুগণ, সড়ক ও রেল যোগাযোগ উন্নয়ন ছাড়াও যবতমালের সাড়ে চোদ্দ হাজারেরও বেশি গরিব গৃহহীন মানুষ আজ নিজেদের বাড়িতে প্রবেশ করেছেন, যাঁরা নতুন পাকাবাড়ি পেয়েছেন, তাঁদেরকে আমি অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। এই পাকাবাড়ি পাবার পরই আমি নিশ্চিত যে, আপনাদের স্বপ্নগুলিও আরও পাকা হবে। ২০২২ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের সমস্ত গৃহহীনদের পাকা বাড়ি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করে চলেছে। ইতিমধ্যেই দেশের গ্রাম ও শহরে প্রায় দেড় কোটি মানুষকে গৃহ প্রদান করা হয়েছে। বিগত চার বছরে মহারাষ্ট্রেও কেন্দ্রীয় সরকার প্রায় আড়াই লক্ষ গৃহ নির্মাণ করেছে। এছাড়া, রাজ্য সরকারও ৫০ হাজার গৃহ নির্মাণ করেছে। এই যবতমলেও আরও ১২ হাজার গৃহ নির্মাণের কাজ চলছে। এই বাড়িগুলি গৃহ কর্তৃদের নামে নথিভুক্ত করার মাধ্যমে আমার মা ও বোনেদের অস্মিতাকে সম্মান জানানো হয়েছে। নারী ক্ষমতায়নে যবতমল দেশের অন্যতম অগ্রণী জেলা। যবতমল সহ গোটা মহারাষ্ট্রে মহিলা ‘বচতগট’ – এর একটি বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে। আমাদের সরকার এই মহিলা ‘বচতগট’ সম্প্রসারণে সহায়কের ভূমিকা পালন করেছে। এগুলিকে গ্রামীণ অর্থ ব্যবস্থার ভিত্তি করে তুলতে আগের তুলনায় আড়াই গুণেরও বেশি অর্থের যোগান দেওয়া হয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, আমার মনে আছে যে, গতবার যখন এখানে এসেছিলাম এখানকার শেতকারী সমাজের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপ-আলোচনার সৌভাগ্য হয়েছিল। আজ দ্বিতীয়বার আসার সৌভাগ্য হওয়ায় আমি আপনাদের জানাতে চাই যে, এবারের বাজেটে এ ধরণের আঞ্চলিক সমাজের উন্নয়নের পাশাপাশি, আমাদের দেশের যাযাবর সমাজের মানুষদের এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমি ও ক্ষেত মজুরদের জন্যও অনেক বড় প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মাননিধি। এর মাধ্যমে যে কৃষকদের ৫ একর কিংবা তারচেয়ে কম জমি রয়েছে, তাঁদেরকে তিন কিস্তিতে বছরে মোট ৬ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে। এভাবে আগামী ১০ বছরে কেন্দ্রীয় সরকার সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট সাড়ে সাত লক্ষ কোটি টাকা জমা করবে। এই টাকা দিয়ে তাঁরা যথাসময়ে বীজ, সার ও নিজেদের অসুখ-বিসুখের ক্ষেত্রে ওষুধ কিনতে পারবেন। আর মহাজনদের থেকে চড়া সুদে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ১২ কোটি কৃষক, পশুপালক, দুগ্ধ উৎপাদক এবং দোহশালাগুলি উপকৃত হবে।
বন্ধুগণ, সড়কপথ এবং গৃহ নির্মাণ ক্ষেত্রে কোটি কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অসংঠিত ক্ষেত্রের। এই অসংগঠিত ক্ষেত্রের বন্ধুদের মধ্যে যাঁদের আয় মাসে ১৫ হাজার টাকার কম, তাঁদের ৬০ বছর বয়সের পর মাসে তিন হাজার টাকা পেনশন সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে এই শ্রমিক বন্ধুদের মাসে গড়ে ১০০ টাকা করে জমা করতে হবে, আর একই পরিমাণ টাকা কেন্দ্রীয় সরকারও তাঁদের পেনশন অ্যাকাউন্টে জমা করবে।
ভাই ও বোনেরা, সামাজিক সুরক্ষার জন্য দায়বদ্ধ আমাদের সরকার জনজাতি সমাজের কল্যাণে প্রায় ৩০ শতাংশ বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে। এর ফলে, যবতমাল সহ মহারাষ্ট্রের অনেক জেলার মানুষ উপকৃত হবেন। এই সিদ্ধান্ত জনজাতি ভাই ও বোনদের জন্য বিজেপি সরকারের নিষ্ঠা ও দায়বদ্ধতার প্রমাণ।
বন্ধুগণ, জমি, অরণ্য সম্পদ, লেখাপড়া, ক্রীড়া প্রতিভা – এই সমস্ত স্তরে জনজাতি কল্যাণের জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা করা হচ্ছে। জন ধন থেকে শুরু করে বন ধন যোজনা পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন জনজাতির ভাই ও বোনদের জন্য সুপরিকল্পিতভাবে উন্নয়নের কাজ করা হচ্ছে। আগে জনধন যোজনার মাধ্যমে প্রত্যেক পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলানো হয়েছে, যাতে সরকারের প্রত্যেক অনুদান আপনাদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি পৌঁছয়। মাঝে কোনও দালাল আপনাদের অর্থ আত্মসাৎ করতে না পারে। তেমনই বন ধন কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে আপনারা অরণ্য সম্পদের উন্নত মূল্য পাবেন। সরকার অরণ্য সম্পদকে মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে আপনাদের হাতে অধিক অর্থ তুলে দিতে চায়।
বন্ধুগণ, বিগত সাড়ে বছরে বন সম্পদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। গত ডিসেম্বরে ২৩টি বনজ সম্পদের সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাড়ে চার বছর আগে মাত্র ১০টি বনসম্পদ বিক্রি করে জনজাতি ভাই ও বোনেরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পেতেন, এখন ৫০টি বনসম্পদের ওপর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পাচ্ছেন।
বন্ধুগণ, বিজেপি সরকার জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষদের রোজগার বৃদ্ধির কথা ভেবে বাঁশ উৎপাদন ও বিক্রি সংক্রান্ত আইনে পরিবর্তন এনেছে। আগে বাঁশকে গাছের শ্রেণীতে রাখা হয়েছিল বলে, বাঁশ কেটে বিক্রি করতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হ’ত। নতুন আইনে বাঁশের প্রকৃত বৈজ্ঞানিক প্রজাতি অনুসারে একে ঘাসের শ্রেণীতে রাখায় এখন আপনারা যত খুশি বাঁশের চাষ করতে পারবেন এবং এর দ্বারা আপনাদের আয় অনেক গুণ বৃদ্ধি পাবে।
বন্ধুগণ, জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির অনেক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনজাতি এলাকায় একলব্য মডেল স্কুল খোলার ব্যাপক অভিযান চালানো হয়েছে। ২০ হাজার ও তারচেয়ে বেশি প্রত্যেক জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলে বিদ্যালয় খোলা হচ্ছে আজ এখানেও তেমন একটি একলব্য মডেল স্কুলের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করা হ’ল। এই নতুন ক্যাম্পাসে ৪০০-রও বেশি ছাত্রছাত্রী তাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারবেন।
বন্ধুগণ, জনজাতি সমাজে স্বাস্থ্য উন্নয়নে আজ যবতমলে তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কিংবা শিলান্যাস করা হয়েছে। আমাদের জনজাতি এলাকায় ‘সিকল সেল’ নামক রোগের প্রকোপ রয়েছে। বিশেষ করে, বিধর্ব অঞ্চলে এই রোগের সমস্যা বেশি। এই রোগ সম্পর্কে গবেষণার জন্য চন্দ্রপুরে একটি গবেষণা ও চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি, আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী জন-আরোগ্য যোজনা অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে দেশের গরিবদের মনে চিকিৎসা বিষয়ে একটি নিরাপত্তার আশ্বাস যোগাতে পেরেছে। আজ দেশের প্রায় ৫০ কোটি গরিব ভাই ও বোনেদের মনে আস্থা জেগেছে যে, কঠিন রোগের সময় সরকার তাঁদের পাশে দাঁড়াবে। নিজস্ব বাড়ি বন্ধক রাখার প্রয়োজন হবে না। পকেটে টাকা না থাকলেও … চিকিৎসা সম্ভব! গরিবদের মনে আজ এই আস্থা জেগেছে।এই প্রকল্পের মাধ্যমে গড়ে প্রতিদিন দেশে দশ হাজার গরিব মানুষের নিঃশুল্ক চিকিৎসা চলছে।
বন্ধুগণ, ভারতকে বিশ্বে ক্রীড়া মহাশক্তি হিসাবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন জনজাতি সমাজের যুবসম্প্রদায়ের সামর্থ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিকে আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামো বিস্তারের জন্য সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশে ১৫০টিরও বেশি জনজাতি অধ্যুষিত জেলায় ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই জেলাগুলিকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নয়নে ৫ হাজার কোটি টাকা করে সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বন্ধুগণ, ইতিহাস সাক্ষী আছে যে, স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের উন্নয়নে আদিবাসী নায়কদের অনেক বড় অবদান রয়েছে। বিজেপি সরকার এই অবদানকে সম্মান জানানোর জন্য মহান জনজাতি বীরদের স্মরণে সারা দেশে স্মারক গড়ে তুলছে।
ভাই ও বোনেরা, সাড়ে চার বছর আগে আপনারা কেন্দ্রে একটি শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলেই দেশের নিরাপত্তা, মহিলা ক্ষমতায়ন, জনজাতি কল্যাণ ও উন্নয়নের অন্যান্য কাজ আজ এত দ্রুতগতিতে হতে পারছে। আজ সরকার সঠিক লক্ষ্য ও স্পষ্ট নীতি নিয়ে কাজ করে চলেছে। আপনারা যদি আমাদের দায়িত্ব না দিতে পারতেন, তা হলে আগের মতোই অন্ধকারে জীবনযাপন করতে হ’ত। আশা করি, সামনের নির্বাচনে আপনারা এই উন্নয়নের ধারাকে আরও শক্তিশালী করে তোলার সপক্ষে ভোট দেবেন। আপনাদের এই প্রধান সেবকের ওপর আশীর্বাদ বজায় রাখবেন। এই আশা নিয়ে আরেকবার আপনাদের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আমার সঙ্গে উচ্চ কন্ঠে বলুন –
ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!
ভারতমাতার জয়!
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
कुछ महीने पहले इस क्षेत्र के आदिवासी युवाओं ने एवरेस्ट पर विजय प्राप्त की थी।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
दिल्ली में मुझे इन युवा साथियों से मिलने का अवसर भी मिला था।
उनके परिश्रम, उनके सपनों के बारे में जानकर मुझे यवतमाल-चंद्रपुर की ऊर्जा का सुखद अनुभव हुआ था: PM
यहां की कोलाम जनजाति का स्वच्छता के प्रति जो
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
आग्रह है, उसका जिक्र मैंने मन की बात कार्यक्रम में भी किया था।
चंद्रपुर के युवाओं ने जिस तरह वहां के किले को साफ किया था,
उससे देश के अनेक युवाओं को ऐसे ही स्वच्छता अभियान की प्रेरणा मिली है: PM
आज पांढरकवड़ा के, यवतमाल के विकास से जुड़ी सैकड़ों करोड़ की परियोजनाओं का शिलान्यास और लोकार्पण किया गया है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
इनमें गरीबों के घर से जुड़े,
सड़कों से जुड़े,
रेलवे से जुड़े,
रोज़गार और स्वरोज़गार से जुड़े,
शिक्षा से जुड़े अनेक प्रोजेक्ट्स हैं: PM
मैं जानता हूं कि हम सभी किस गहरी वेदना से गुजर रहे हैं।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
पुलवामा में जो हुआ, उसको लेकर आपके आक्रोश को मैं समझ रहा हूं।
यहां महाराष्ट्र के 2 वीर सपूतों ने पुलवामा में अपने प्राणों की आहूति दी है।
जिन परिवारों ने अपने लाल को खोया है, उनकी पीड़ा मैं अनुभव कर सकता हूं: PM
इन शहीदों का बलिदान व्यर्थ नहीं जाएगा।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
आतंकी संगठनों ने, आतंक के सरपरस्तों ने जो गुनाह किया है, वो चाहे जितना छिपने की कोशिश करें,
उन्हें सज़ा जरूर दी जाएगी।
सैनिकों में और विशेषकर CRPF में जो गुस्सा है, वो भी देश समझ रहा है। इसलिए सुरक्षाबलों को खूली छूट दी गई है: PM
देश की सुरक्षा के साथ ही देश की समृद्धि के लिए भी हमारी सरकार पूरी तरह प्रतिबद्ध है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
इसलिए विकास की पंचधारा यानि
बच्चों को पढ़ाई,
युवाओं को कमाई,
बुजुर्गों को दवाई,
किसान को सिंचाई और
जन-जन की सुनवाई पर बल दिया जा रहा है: PM
थोड़ी देर पहले सड़क से जुड़े करीब 500 करोड़ रुपए के प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास किया गया है,
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
इसके अलावा पुणे- अजनी-पुणे हमसफर एक्सप्रेस को भी हरी झंडी दिखाई गई है।
ये ट्रेन दौंड, मनमाड, भुसावल और बडनेरा होते हुए जाएगी।
इससे इन सभी जगहों के लोगों को बहुत सुविधा होने वाली है: PM
यवतमाल के साढ़े 14 हज़ार से अधिक गरीब परिवारों ने आज अपने नए घर में प्रवेश भी किया है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
केंद्र सरकार ने 2022 तक हर बेघर को पक्का घर देने का लक्ष्य रखा है और सरकार तेज़ी से अपने लक्ष्य की तरफ बढ़ रही है।
अब तक देश के गांव और शहरों में 1.5 करोड़ गरीबों के घर बनाए जा चुके हैं: PM
मुझे याद है कि पिछली बार जब मैं यहां आया था, तो शेतकरी समाज से लंबा संवाद किया था।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
आज ये जानकारी देना चाहता हूं कि हाल के बजट में शेतकरी समाज के साथ-साथ, जो हमारे घुमंतु समाज के लोग हैं, हमारे श्रमिक हैं, इन सभी के लिए बड़ी योजनाओं का ऐलान किया गया है: PM
पीएम किसान सम्मान निधि के नाम से सरकार ने किसानों की सीधी आर्थिक मदद करने की योजना बनाई है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
इस के तहत ऐसे किसान जिनके पास 5 एकड़ से कम जमीन है, उन किसानों के बैंक खाते में हर वर्ष 6 हज़ार रुपए जमा किए जाएंगे।
महाराष्ट्र के लगभग 1.2 करोड़ किसान परिवारों को सीधा लाभ होगा: PM
ज़मीन हो,
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
जंगल की पैदावार हो,
पढ़ाई लिखाई हो,
खेल से जुड़ी प्रतिभा हो,
हर स्तर पर आदिवासियों के कल्याण के लिए व्यापक प्रयास हो रहे हैं।
जनधन से लेकर वनधन योजना तक,
जनजातीय समुदाय के बहन-भाइयों के लिए काम किया जा रहा है: PM
वन-उपज पर जो समर्थन मूल्य सरकार देती है, उसमें बीते साढ़े 4 वर्ष में 3 बार बढ़ोतरी की गई है।
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
सरकार द्वारा MSP के दायरे में आने वाली फसलों को बढ़ाया गया है।
जहां साढ़े 4 वर्ष पहले जंगल से मिलने वाली 10 उपजों पर MSP मिलता था,
अब वो संख्या बढ़कर करीब-करीब 50 हो चुकी है: PM
हमारे जनजातीय इलाकों में सिकल सेल की एक बीमारी बहुत सामान्य है,
— PMO India (@PMOIndia) February 16, 2019
विशेषतौर पर विदर्भ में इस बीमारी की बहुत अधिक समस्या है।
इस बीमारी के इलाज के लिए बेहतर चिकित्सा सुविधा हो, रिसर्च की सुविधा हो, इसके लिए चंद्रपुर में
रिसर्च से जुड़ा सेंटर स्थापित किया जा रहा है: PM