Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

মহারাষ্ট্রের যাবাৎমল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, ২০২২-এর মধ্যে সকলের জন্য ঘর পাকা ঘর, জোরালো স্বপ্ন

মহারাষ্ট্রের যাবাৎমল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, ২০২২-এর মধ্যে সকলের জন্য ঘর
পাকা ঘর, জোরালো স্বপ্ন

মহারাষ্ট্রের যাবাৎমল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, ২০২২-এর মধ্যে সকলের জন্য ঘর
পাকা ঘর, জোরালো স্বপ্ন

মহারাষ্ট্রের যাবাৎমল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর, ২০২২-এর মধ্যে সকলের জন্য ঘর
পাকা ঘর, জোরালো স্বপ্ন


প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ (১৬ই ফেব্রুয়ারি) মহারাষ্ট্রের যাবাৎমল সফর করেন। রাজ্যের একাধিক প্রকল্পের তিনি সূচনা করেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী নীতিন গড়করি এবং মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শ্রী নরেন্দ্র মোদী, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (পিএমএওয়াই) আওতায় ঘর পেয়েছেন এমন কয়েকজন নির্বাচিত সুফলভোগীর হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন। তিনি বলেন, পিএমএওয়াই প্রকল্পে যাবাৎমলে প্রায় ১৪,৫০০টি নতুন বাড়ি বানানো হয়েছে। আগামী ২০২২ সালের মধ্যে ‘সকলের জন্য গৃহ’ – সরকারের এই লক্ষ্যে পৌঁছনো সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঐসব ঘরে বসবাসকারীদের পাকা ঘর, তাঁদের জোরালো স্বপ্ন দেখার পথ সুগম করবে।

তিনি, মহারাষ্ট্র গ্রামীণ জীবন-জীবিকা মিশনের আওতাভুক্ত স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির মহিলাদের হাতে চেক এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাবাৎমলের অনুষ্ঠান উন্নয়নের পঞ্চধারারই এক সম্প্রসারিত অংশ, যার মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা, যুবক-যুবতীদের জীবন-জীবিকা, প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ঔষধ, কৃষকদের সেচ এবং জন-অভিযোগের নিষ্পত্তির মতো বিষয়গুলি কার্যকর করা হয়ে থাকে।

প্রধানমন্ত্রী বোতাম টিপে ৫০০ কোটি টাকার বিভিন্ন সড়ক প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। তিনি ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে হামসফর আজনি (নাগপুর)-পুণের মধ্যে পতাকা দেখিয়ে ট্রেন যাত্রার সূচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সড়ক ও রেল প্রকল্পের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটানোর মাধ্যমেই উন্নয়ন সম্ভব এবং বর্তমান এই প্রকল্পগুলির দ্বারা যাবাৎমল এবং নিকটবর্তী এলাকার সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হবে।

এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলওয়ামার হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে আমরা এক গভীর শোকের মধ্যে রয়েছি। মহারাষ্ট্রের দুই সাহসী ছেলেও দেশের জন্য তাঁদের জীবন বলিদান দিয়েছেন। আমরা শোকাহত পরিবারগুলির পাশেই রয়েছি। শহীদদের অবদান কখনই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সময়, স্থান এবং পদ্ধতি গ্রহণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। আমরা যদি আমাদের স্বপ্নের বাস্তবায়ন এবং দেশের উন্নয়ন করে থাকি, তবে তা আমাদের সাহসী সেনাদের ত্যাগের জন্যই সম্ভব হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, সিক্‌ল সেল রোগের ব্যাপারে গবেষণার জন্য চন্দ্রপুরে একটি গবেষণাকেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী সহস্ত্রকুণ্ড একলব্য মডেল আবাসিক স্কুলের উদ্বোধন করেন। ১৫ একর জমিতে গড়ে ওঠা এই বিদ্যালয়ে সমস্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। স্কুলটি গড়ে ওঠায় স্থানীয় আবাসিক ছেলে-মেয়েদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। আদিবাসী এলাকায় এক হাজার একলব্য মডেল আবাসিক স্কুল গড়ে তোলার প্রকল্পের আওতায় এই বিদ্যালয়টি গড়ে তোলা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আদিবাসীদের ‘জনধন থেকে বনধন’ পর্যায়ে উন্নীত করতে সরকার বিশেষভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনধন প্রকল্পে দরিদ্র মানুষদের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, বনধন প্রকল্পে অরণ্য অঞ্চলের বিভিন্ন সামগ্রীর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের আয় বাড়বে। আদিবাসীরা যাতে তাঁদের বিভিন্ন সামগ্রীর উপযুক্ত দাম পায়, সেজন্যই সরকার বনধন কেন্দ্র গড়ে তুলেছে।”

স্বাধীনতা সংগ্রামে আদিবাসী বীরেরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ জুড়ে বিভিন্ন সংগ্রহালয় ও স্মারকের মাধ্যমে আমরা তাঁদের স্মৃতি সুরক্ষিত রাখছি।

CG/DM/