পিএমইন্ডিয়া

মঞ্চে উপস্থিত আমার মন্ত্রিসভার সহযোগী শ্রী শ্রীপাদ যশো নায়েক মহোদয়, পুরস্কার-প্রাপক সমস্ত বন্ধু,আয়ুষ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত পেশাদারগণ,আধিকারিকগণ, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গন,
দেশে ‘ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট’ শুরু হওয়ার পরদিনই আয়ুষ এবং যোগের সঙ্গে যুক্ত কর্মসূচিতেযোগদান, এক অদ্ভুত সংযোগ।আয়ুষও যোগা ‘ফিট ইন্ডিয়া মুভমেন্ট’ -এর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।
বন্ধুগণ,
আজ এখানে তিনটি কর্মসূচিরয়েছে। দুটি আমাদের পরম্পরার পুরস্কার ও সম্মানের সঙ্গে যুক্ত আর একটি স্বাস্থ্যপরিষেবা পরিকাঠামো বিষয়ক। আজ হরিয়ানায় ১০টি ‘আয়ুষ হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার’ – এর উদ্বোধন করা হয়েছে। সেজন্য আমি হরিয়ানাবাসীদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।
এখানে আমি যোগসাধকদের, সারা পৃথিবীতে যোগের প্রচার ও প্রসারে নিয়োজিত সব বন্ধু এবং বিভিন্ন সংস্থা হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। এর মধ্যে ইটালি এবং জাপানের বন্ধুরাও রয়েছেন, যাঁরা তাঁদের দেশে কয়েক দশক ধরে যোগের প্রচার ও প্রসারের কাজ করে যাচ্ছেন।
অ্যান্টোনয়েটা রোজ্জি মহোদয় বিগত চার দশক ধরে পূর্ব ইউরোপে সর্ব যোগ ইন্টারন্যাশনাল-এর মাধ্যমে যোগের প্রচার ও প্রসারের কাজ করে যাচ্ছেন। এভাবে জাপানে জাপান যোগ নিকেতনের কয়েক হাজার যোগ কেন্দ্র রয়েছে। এই সংস্থাও বিগত চার দশক ধরে জাপানকে নিরোগ করে রাখার ক্ষেত্রে মহান দায়িত্ব পালন করছে। আমি পুরস্কার প্রাপক সমস্ত বন্ধুদের শুভেচ্ছা জানাই এবং তাঁদের সাফল্য কামনা করি।
একটু আগে আয়ুষ পদ্ধতিকে সমৃদ্ধ করতে থাকা ১২ মহারথির সম্মানেডাকটিকিটেরও উদ্বোধন করা হয়েছে। এই মহারথিরা কেউ নিজের সারা জীবন যোগ, আয়ুর্বেদ, ইউনানি কিংবা হোমিওপ্যাথি পদ্ধতিতে জনগণের চিকিৎসায় উৎসর্গ করেছেন।
আমি ডাক বিভাগকে শুভেচ্ছা জানাই, কারণ, ভারতে এক সেটে ১২টি ডাক টিকিট খু্ব কমই উদ্বোধন হয়েছে। আমার বিশ্বাস,এই ডাকটিকিট আয়ুষের প্রতি দেশবাসীর মনে নতুন ভাবনা বিকাশে সহায়ক হবে।
ভাই ও বোনেরা,
আজ যে ডাকটিকিটগুলি প্রকাশ করা হয়েছে, এর মধ্যে একটি দিনশাঁ মেহতার নামে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি গান্ধীজির চিকিৎসক ছিলেন, তিনি ন্যাচারোপ্যাথিরপ্রতি উৎসর্গীকৃত ছিলেন।
গান্ধীজী বলতেন, ‘প্রাকৃতিক চিকিৎসা জীবনধারণের উপায়, কোনও নিরাময় পদ্ধতি নয়। তিনি সারাজীবন এই কথাগুলি মানতেন আর প্রাকৃতিক চিকিৎসাকে তাঁর নিজের জীবনের ভিত্তি করে তুলেছিলেন।
বন্ধুগণ,
প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে আমাদের একটি সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে। আমাদের হাজার হাজার বছর পুরনো সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে, বেদ গ্রন্থগুলিতে মারাত্মক সব রোগের চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ আমরা এই সম্পদকে আধুনিকতার সঙ্গে যুক্তকরার ক্ষেত্রে সফল হইনি।
আমরা বিগত পাঁচ বছরে এই পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করেছি। এই প্রক্রিয়াতেই আয়ুষকে ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তোলার ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হচ্ছে।
আমাকে বলা হয়েছে যে, সম্প্রতি সওয়া রিগপা ব্যবস্থাকে আয়ুষ পরিবারে সামিল করা হয়েছে। আয়ুর্বেদ, যোগ, ন্যাচারোপ্যাথি,ইউনানি, সিদ্ধা এবং হোমিওপ্যাথির পর সওয়া রিগপা এখন আয়ুষ পরিবারের ষষ্ঠ সদস্য। সেজন্যে আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
ভাই ও বোনেরা,
ভারতের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে রূপান্তরিত করতে, সুস্থ সমাজ নির্মাণে আমাদের সার্বিক ভাবনা নিয়ে কাজ করতে হবে। পারম্পরিক ও আধুনিক চিকিৎসার মিলিত শক্তিকে মজবুত করতে হবে। একসঙ্গে আয়ুষ এবং আধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি সমানভাবে হলেই আমরা উন্নত স্বাস্থ্য সমাধানের পথ গড়ে তুলতে পারবো।
বন্ধুগণ,
আয়ুস্মান ভারত প্রকল্প এই ভাবনারই পরিণাম। আমরা প্রতিষেধক স্বাস্থ্য পরিষেবার কথা মাথায় রেখে একদিকে ‘হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার’ খুলছি, অন্যদিকে বিনামূল্যে কঠিন রোগের চিকিৎসার জন্যে ‘পিএম জন আরোগ্য যোজনা’র কাজ চলেছে।
এইহেলথ এন্ড ওয়েলনেস সেন্টার, প্রতিষেধক এবং সুলভ স্বাস্থ্য পরিষেবার একটি অভূতপূর্ব ও অতুলনীয় মডেল। এই কেন্দ্রগুলিতে প্রতিষেধকের উপায় এবং নিরাময়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।
বন্ধুগণ,
আমরা দেশেদেড় লক্ষ ‘হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার’ খোলার সময়েও আয়ুষকে ভুলিনি। সারা দেশে সাড়ে ১২হাজার আয়ুষ কেন্দ্র খোলার লক্ষ্য স্থির করেছি, সেগুলির মধ্যে ১০টি আয়ুষহেলথ এন্ড ওয়েলনেস সেন্টার আজ খোলা হয়েছে। এই বছরেই এরকম চার হাজার আয়ুষহেলথ এন্ড ওয়েলনেস সেন্টার খোলা হবে।
‘আয়ুষ্মান ভারত’ দেশের দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর ব্যক্তিকে সুলভে বা বিনামূল্যে উন্নত স্বাস্থ্যের আস্থা জুগিয়েছে।আয়ুষ্মান ভারত’প্রকল্পের মাধ্যমে যত রোগীকে এখন পর্যন্ত বিনামূল্যে নিরাময় করা হয়েছে,তাঁরা এর আওতায় না থাকলে তাঁদের ১২হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ করতে হ’ত। এর মানে দেশের লক্ষ লক্ষ গরিব পরিবারের ১২হাজার কোটি টাকারও বেশি সাশ্রয় হয়েছে।
আপনারা কল্পনা করতে পারেন, যখন ‘আয়ুষ্মান ভারত’ এর মতো প্রকল্পছিল না, তখন এই গরিব পরিবারগুলিকে কত সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো! চিকিৎসার খরচ তাঁদের আরও গরিব বানিয়ে দিত।
ভাই ও বোনেরা,
প্রতিষেধক এবং সুলভে চিকিৎসার পাশাপাশি, দেশের জন্যে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো নিয়ে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। দু’দিন আগেই সরকার সারা দেশে ৭৫টি নতুন মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের প্রত্যেক জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে আরেকটি বড় পদক্ষেপ।
ফলস্বরূপ, কঠিন রোগের চিকিৎসার সুবিধা বৃদ্ধি তো পাবেই, পাশাপাশি, এমবিবিএস- এর প্রায় ১৬হাজার আসন বৃদ্ধি পাবে।সম্প্রতি যে মেডিকেল কমিশন আইন পাশ হয়েছে, তা চিকিৎসাবিদ্যাশিক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট পরিকাঠামো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
বন্ধুগণ,
শুধুই আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যাই নয়, আয়ুষ শিক্ষার ক্ষেত্রেও যাতে মেধাবী পেশাদাররা আগ্রহী হন, সেজন্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারের কাজ করা হচ্ছে। বিশেষভাবে যে ধরণের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা আয়ুষকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে তুলতে অনেক সাহায্য করবে। আয়ুষগ্রিডের ভাবনাও প্রশংসনীয়। এর মাধ্যমে আয়ুষ নিয়ে অনেক লালফিতের ফাঁস খুলতে সুবিধা হবে।
ভাই ও বোনেরা,
আয়ুষ এবং চিকিৎসাবিদ্যার এই যে আধুনিক পরিকাঠামো গড়ে উঠছে, এর উপকারিতাও ব্যাপক। স্বাস্থ্যপরিষেবার পাশাপাশি, এটি ভারতে কর্মসংস্থানের অনেক বড় উপায় হয়ে উঠছে।
বিশেষ করে, ছোট ছোট গ্রাম ও মফস্বলে টিয়ার ২, টিয়ার ৩ শহরে তরুণ প্রজন্মের বন্ধুরা বাড়ির কাছেই মেডিকেল এবং প্যারা-মেডিকেল নিয়ে পড়াশুনা করতে পারবে।
নতুন হাসপাতালগুলি গড়ে ওঠায় স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টএকটি সম্পূর্ণ বাস্তুব্যবস্থা এখানে গড়ে উঠছে। কম লেখাপড়া জানা তরুণরা যেমনকর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন, ডিগ্রি, ডিপ্লোমাধারী তরুণ বন্ধুরাও তেমনিসুযোগ পাচ্ছেন।
ভাই ও বোনেরা,
আজ যখন আমরা ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি, তখন এই আয়ুষ-এর অনেক বড় ভূমিকা থাকবে। আগামী কয়েকবছরে ভারতে প্রতিষেধক স্বাস্থ্য পরিষেবার বাজারও অনেক বিস্তারলাভ করবে। এটা অনেক বড় সুযোগ।
নিজেদের প্রতিষেধক স্বাস্থ্য পরিষেবাব্যবস্থাকে গোটা বিশ্বের জন্যে একটি আকর্ষণীয় ব্র্যান্ড রূপে বিকশিত করতে হবে। আমরা ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১৭টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছি, এখন আমাদের এতে আরও গতিপ্রদানের প্রয়োজন রয়েছে।
বন্ধুগণ,
আজতোসমগ্র বিশ্বে যোগা অনেক মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। বিগত পাঁচ বছরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে সারা পৃথিবীতে যে উৎসাহ দেখা গেছে তা অভূতপূর্ব। আজ যোগ, সুস্থতার পাশাপাশি ভারতকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করার একটি বড় মাধ্যম হয়ে উঠছে।
এখন আমাদের যোগ ছাড়া আয়ুষের অন্যান্য নিরাময় পদ্ধতিগুলিকেও বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
বন্ধুগণ,
নিজেদের পুরনো পরম্পরাকে ভুলে যাওয়া আর অন্যরা সেগুলির প্রশংসা করলে নতুনভাবে শেখার অভ্যাস আমাদের বদলাতে হবে।আমি আপনাদের একটি উদাহরণ দিচ্ছি।আজআমরাদেখছিযে, যেসব খাবারআমরাখাওয়াছেড়েদিয়েছি, বিশ্ববাসীসেগুলিখাওয়াশুরুকরেছে। জোয়ার, রাগী, কোদো, সামা, বাজরা, সাঁওয়া – এমনিঅনেকখাদ্যশস্যএকসময়আমরানিয়মিতখেতাম। কিন্তুধীরেধীরেএগুলিআমাদেরথালাথেকেউধাওহয়েগেছে। এইখাদ্যগুলিরগায়েদারিদ্র্যেরট্যাগলাগিয়েদেওয়াহয়েছে।
আজআমরাদেখছিযে, সারাপৃথিবীতেএইপুষ্টিকরখাবারগুলিরচাহিদারয়েছে। আজকালআমরাযখনঅনলাইনশপিংপোর্টালেযাই,অবাকহয়েদেখি,যেসবশস্যকে কেউ বিনেপয়সায়নিতেতৈরিছিলনা, আজসেগুলিকয়েকশোটাকাকেজিদরেবিক্রিহচ্ছে।
বন্ধুগণ,
এখনপুষ্টিকরখাদ্যগুলিরএইসম্পদকেআবারআমাদেরখাদ্যতালিকায়অন্তর্ভুক্তকরারসময়এসেছে। দেশেজোয়ার-বাজরাবিপ্লবশুরুকরতেহবে। জোয়ার-বাজরা উৎপাদনথেকেশুরুকরে উন্নত খাদ্য প্রক্রিয়াকরণের ব্যবস্থা করার সময় সংশ্লিষ্ট শিল্পোদ্যোগকে এমন সব খাদ্যপণ্য তৈরি করতে হবে, যাতে সববয়সী মানুষ এগুলিকে পছন্দ করেন এবং তাঁদের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন।
মজার ব্যাপার হল, জোয়ার-বাজরা প্রত্যেক ধরণের মাটিতে উৎপন্ন হতে পারে এবং চাষের জন্য খুব কম জল লাগে। সেজন্যে আমাদের সারা পৃথিবীর জন্য জোয়ার-বাজরা উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।
এর ফলে,প্রতিষেধক স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও ভারতের নাম হবে। মানবতার সেবাও হবে আবার কৃষকদের আয়ও বৃদ্ধি পাবে।
ভাই ও বোনেরা,
আয়ুষের আরেকটি দিক নিয়ে আমাদের গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে হবে। ভারতে স্বাস্থ্য পর্যটন নিরন্তর ক্রমবর্ধমান। কিন্তু এক্ষেত্রে এখনও অনেক উন্নতির সুযোগ রয়েছে। রাজ্য সরকারগুলির সাহায্য নিয়ে স্বাস্থ্য ও সাধনার জন্যে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোগড়ে তোলা হচ্ছে।
আয়ুষ মন্ত্রককে আমার বিশেষ অনুরোধ যে, এক্ষেত্রে অন্যান্য মন্ত্রক ও বিভাগগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে স্বাস্থ্য পর্যটনকে ভারতের সমস্ত অংশে নিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে এর অনেক সম্ভাবনা রয়েছে।
বন্ধুগণ,
এই সমস্ত প্রচেষ্টা যখন আমরা মিলিতভাবে করবো, আমাদের পারম্পরিক চিকিৎসা পদ্ধতিগুলির মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর ভারতের জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে এবং সমৃদ্ধিও আসবে। অবশেষে, আমি আরেকবার পুরস্কার বিজেতাদের শুভেচ্ছা জানাই।
আপনারা দেশবাসী ও বিশ্ববাসীকে সুস্থ ও সবল করে তোলার ক্ষেত্রে এমনভাবেই কাজ করে যাবেন, এই আশা রেখে আপনাদের অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জানাই।
ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
जब हम देश में 1.5 लाख हेल्थ एंड वेलनेस सेंटर खोल रहे हैं, तो आयुष को भूले नहीं हैं।
— PMO India (@PMOIndia) August 30, 2019
देशभर में साढ़े 12 हज़ार आयुष सेंटर बनाने का भी लक्ष्य है, जिसमें से आज 10 आयुष हेल्थ एंड वेलनेस सेंटर्स का उद्घाटन हुआ है।
हमारी कोशिश है कि ऐसे 4 हजार आयुष सेंटर इसी वर्ष तैयार हो जाएं: PM
आयुष्मान भारत योजना के तहत जितने मरीजों को अब तक मुफ्त इलाज मिला है, वो अगर इसके दायरे में ना होते तो उन्हें 12 हज़ार करोड़ रुपए से अधिक खर्च करने पड़ते।
— PMO India (@PMOIndia) August 30, 2019
एक प्रकार से देश के लाखों गरीब परिवारों के 12 हज़ार करोड़ रुपए की बचत हुई है: PM
Prevention और Affordability के साथ देश में इंफ्रास्ट्रक्चर पर तेजी से काम चल रहा है। 2 दिन पहले ही सरकार ने 75 नए मेडिकल कॉलेज बनाने का भी फैसला लिया है।
— PMO India (@PMOIndia) August 30, 2019
इससे गंभीर बीमारियों के इलाज के लिए सुविधाओं में बढ़ोतरी तो होगी ही, साथ ही MBBS की करीब 16 हज़ार सीटें बढ़ेंगी: PM
सिर्फ मॉर्डन मेडिसिन ही नहीं, आयुष की शिक्षा में भी अधिक और बेहतर प्रोफेशनल्स आएं, इसके लिए आवश्यक सुधार किए जा रहे हैं।
— PMO India (@PMOIndia) August 30, 2019
आयुष ग्रिड का आइडिया भी प्रशंसनीय है। इससे आयुष सेक्टर से जुड़े अनेक silos को दूर करने में मदद मिलेगी: PM
आज हम देखते हैं कि जिस भोजन को हमने छोड़ दिया, उसको दुनिया ने अपनाना शुरु कर दिया।
— PMO India (@PMOIndia) August 30, 2019
जौ, ज्वार, रागी, कोदो, सामा, बाजरा, सांवा, ऐसे अनेक अनाज कभी हमारे खान-पान का हिस्सा हुआ करते थे।
लेकिन ये हमारी थालियों से गायब हो गए।
अब इस पोषक आहार की पूरी दुनिया में डिमांड है: PM