Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

‘রচনাত্মক ভারত; অভিনব ভারত’ গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় মেধাসম্পদ অধিকার রক্ষা নীতি অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার


জাতীয় মেধাসম্পদ অধিকার রক্ষা সম্পর্কিত নীতিটি গতকাল অনুমোদিত হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। ভারতে মেধাসম্পদ সম্পর্কে একটি ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ তৈরির কাজে এই নীতি বিশেষ কার্যকর হয়ে উঠবে। সৃষ্টিধর্মী ও উদ্ভাবনমূলক কাজকর্মের উপযোগী মেধাসম্পদের অভাব বা ঘাটতি নেই এদেশে। তাই এই নীতিটিতে মেধা ও প্রতিভার উন্নত প্রয়োগ ও ব্যবহারের দিকটিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় মেধাসম্পদ অধিকার রক্ষা সম্পর্কিত নীতিটি একদিক থেকে জাতির পক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ নথি বিশেষ। এর লক্ষ্য হল মেধাসম্পদের সবক’টি ক্ষেত্রকে সুসংহত করে তোলা। এর রূপায়ণে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার আশ্রয় গ্রহণ এবং তার পর্যালোচনার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই ক্ষেত্রটিতে বিশ্বে ব্যবহৃত সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা-পদ্ধতির প্রয়োগ ঘটানো হবে ভারতীয় প্রেক্ষাপটে।

জাতীয় মেধাসম্পদ অধিকার রক্ষা সম্পর্কিত নীতিটি সরকারি প্রশাসন, গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা সংস্থা, ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান সহ কর্পোরেট জগৎ, স্টার্ট আপ সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীদারদের মধ্যে এক ঘনিষ্ঠ ও শক্তিশালী মেলবন্ধন ঘটানোর কাজেও সফল হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষত, উদ্ভাবন ও উন্নয়নের উপযোগী যে অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে ভারতে তাতে সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবন প্রতিভাকে বিশেষভাবে উৎসাহদানের উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে। আর এরই ফলশ্রুতিতে দেশে স্থায়ী, স্বচ্ছ ও পরিষেবাকেন্দ্রিক মেধা-ভিত্তিক কাজ করার এক বাতাবরণ গড়ে উঠবে।

মেধাসম্পদ রক্ষার বিষয়টি বিশ্বের সর্বত্রই ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাই, মেধাসম্পদ রক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা প্রসারের প্রয়োজন অনুভূত হয়েছে আমাদের ভারতবর্ষেও। স্বদেশের কিংবা বিদেশের, মেধাসম্পদ যেখানকারই হোক না কেন, সে সম্পর্কে আগ্রহ জাগিয়ে তোলার গুরুত্ব অনস্বীকার্য। শুধু তাই নয়, বিপণনযোগ্য একটি আর্থিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবেও মেধাসম্পদ অধিকার রক্ষার বিষয়টি ক্রমশ স্বীকৃতি লাভ করছে আন্তর্জাতিক দুনিয়ায়।

মেধাসম্পদ রক্ষা সম্পর্কিত নীতিটিতে যে বিষয়গুলির ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে – সার্বিক কল্যাণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি, শিল্পকলা ও সংস্কৃতির চর্চা ও অনুধ্যান, প্রথা ও ঐতিহ্যবাহী জ্ঞান, জীববৈচিত্র্য ইত্যাদি। অর্থাৎ, নীতিটির মূলে যে চিন্তাভাবনা কাজ করেছে, তা হল মেধার ভিত্তিতে নির্ভর করে উন্নয়নের এক মূল চালিকাশক্তি হিসেবে জ্ঞান তথা বিশেষ জ্ঞানের স্বীকৃতিদান।

সংক্ষেপে, জাতীয় মেধাসম্পদ রক্ষা সম্পর্কিত নীতিটির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল ‘রচনাত্মক ভারত; অভিনব ভারত’, অর্থাৎ, সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী প্রতিভা-ভিত্তিক এক ভারতবর্ষ গড়ে তোলা।

PG/SKD/DM/S