পিএমইন্ডিয়া
নয়াদিল্লি, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ প্রধানমন্ত্রী : রাজ্যপালরা `পরিবর্তনের অগ্রদূত` প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যপালদের `পরিবর্তনের অগ্রদূত` হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন যে, এঁদের বিশেষ প্রভাব রাজ্যগুলির উন্নয়নে লক্ষ্যণীয় অবদান যোগাতে পারে। শ্রী মোদী গতকাল রাষ্ট্রপতি ভবনে রাজ্যপালদের সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছিলেন। শ্রী মোদী কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান নীতিগুলির কথা উল্লেখ করে বলেন, এগুলি দেশকে বহুমুখী আর্থিক বিকাশের পথে নিয়ে যাবে। তিনি বলেন, `সকলের জন্য এক নীতি`র পথ থেকে সরকার সরে এসেছে এবং নিতি আয়োগের মাধ্যমে সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তানে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বাড়বাড়ন্ত এবং ভারতে সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের সঙ্গে এর জড়িত থাকার বিষয়টি নিরাপত্তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত বরাবর অনুপ্রবেশ দমনে সরকার একটি বহুমুখী প্রয়াস গ্রহণ করেছে বলেও তিনি জানান। যে রাজ্যগুলি উগ্র-বামপন্থা সমস্যার মুখোমুখী হচ্ছে তাদেরকে এই সমস্যার সমাধানে একটি সমন্বয়মূলক প্রয়াস গ্রহণের জন্য তিনি আহ্বান জানান। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ব্যাপক সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করতে তিনি এই অঞ্চলে পরিকাঠামোগত ঘাটতি দূর করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, `টিম ইন্ডিয়া`র অঙ্গ হিসেবে এই অঞ্চল যাতে কাঁধেকাঁধ মিলিয়ে চলতে পারে তার জন্য সহযোগিতা করতে হবে। সরকারের সম্প্রতি গৃহীত প্রধানমন্ত্রী জন ধন যোজনা, রান্নার গ্যাসে প্রত্যক্ষ নগদ হস্তান্তর, ডিজিটাল ভারত, স্বচ্ছ ভারত প্রভৃতি উদ্যোগের পাশাপাশি তিনি মাদকের অপব্যবহার, লিঙ্গসমতায় হ্রাস ও খাদ্যে ভেজালের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যাগুলির কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সফল রূপায়ণে তিনি রাজ্যপালদের অবদান যোগানোর অনুরোধ জানান। উদাহরণস্বরূপ তিনি গ্রামীণ বিদ্যুত্ প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন এবং জানান যে ২০০০০ গ্রামে এখনও বিদ্যুত্ পৌঁছয়নি। সড়ক, রেল ও শক্তির ক্ষেত্রেও তিনি অসমাপ্ত প্রকল্পগুলির উল্লেখ করেন।