Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রামচরিতমানস ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ


এই অনুষ্ঠান যেখানে হচ্ছে, সেই জায়গার নাম পঞ্চবটী। বাজপেয়ীজী যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখনই এর নির্মাণ হয়েছিল আর এর নাম পঞ্চবটী রাখা হয়েছিল। সেজন্য আজকের এই মূহুর্ত এখানে নতুন মাত্রা পেয়েছে, কারণ পঞ্চবটী ছাড়া ‘রামচরিতমানস’ অসম্পূর্ণ থেকে যেত। আমার বিশ্বাস এই সমন্বয় সফল হবে।

আজ এই মূহুর্তকে আমি নানাভাবে অনুভব করছি। কখনও সরকারি চাকরি করতে করতে জীবন যান্ত্রিক হয়ে পড়ে। সেই সকালে যাওয়া আর সন্ধ্যায় ফেরা, সেই ফাইলের স্তুপ, সেই বস, সেই সহকারী, একটি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ৩০-৩৫ বছর এসব নিয়েই কাটিয়ে দেওয়া, আর অধিকাংশের মনে হয়, একবার এই পাইপলাইনে ঢুকে পড়েছি, ৩০-৩৫ বছর পর ওদিক দিয়ে বের হবো! …. কিন্তু আজকের এই আয়োজন দেখে অনুভব করা যায় একজন সরকারি কর্মচারীর মনে কিছু করার উদগ্র ইচ্ছা থাকলে তিনি কত বড় কর্মপরম্পরা নির্মাণ করে যেতে পারেন! সেজন্য আমি সবার আগে আকাশবাণীর সেই অসামান্য সাধারণ কর্মচারীদের শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা প্রত্যেকেই তাঁদের পরিবার-পরিজন এবং অন্য দেশবাসীর সামনে একটি প্রেরণার উৎস হয়ে উঠতে পারেন। আমার জীবন ব্যর্থ নয়। আমি যে ফাইলগুলিতে সই করি সেগুলি ব্যর্থ হয় না, কখনও সেগুলি ইতিহাসে নতুন মোড় এনে দেয়। আজকের আয়োজন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

প্রায় ২০-২২ বছর ধরে লাগাতার এর রেকর্ডিং হয়েছে। ২২ বছর ধরে একটি টিম ধরে রাখা, সেই কাজের ছন্দ ধরে রাখা, তাকে তেমনি উজ্জীবিত রাখা কম কথা নয়। কারও মনে হতেই পারে, অনেক হয়েছে, এখন তো শ্রোতারা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন, অমুককে বের করে দাও! কিন্তু এক্ষেত্রে তা হয়নি। এই শিল্পীরা কেউ হয়তো দেশে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ওঠেননি, কিন্তু সঙ্গীতসাধক হিসেবে তাঁদের সাত জন আমাদের ছেড়ে স্বর্গে গেছেন, আজ আমরা তাঁদের সবাইকে সম্মানিত করার সুযোগ পেয়েছি। তাঁরা নিছক সঙ্গীতসাধনা করেননি, সংস্কৃতিরও সাধনা করেছেন, সংস্কারের সাধানাও করেছেন। ইতিমধ্যে আমাদের দেশে অনেক উত্থান-পতন হয়েছে, চিন্তাভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। আজ কেউ ‘ওম’ উচ্চারণ করলে এক সপ্তাহ ধরে বিতর্ক চলে, ‘ওম’ কিভাবে উচ্চারণ করা উচিত।

দেশে নানা সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। কিন্তু এহেন দেশে কেউ রামচরিতমানসের দিকে আঙুল তোলেননি। এটা এটা আজও চলছে। আজকের পর কারও নজর এদিকে পড়লে হয়তো তর্কের ঝড় উঠবে, সেটা আমি জানি না! কিন্তু কখনও আমরা দেখি যে অনেক বছর ধরে শুনছি, তবুও আশ মেটে না। কারণ, খোঁজার জন্য পরিশ্রম করার প্রয়োজন নেই। আশ না মেটার কারণ হল রামচরিতমানস, এর প্রতি ভালোলাগার ঐতিহ্য, এটা আমাদের সংস্কার।

হাজার হাজার বছর ধরে আমাদের যে ঐতিহ্য, বিশ্বের যে কোনও সমাজ যে জন্যে আমাদের ঈর্ষা করতে পারে তা হল আমাদের পরিবার ব্যবস্থা। যতদিন এই পরিবার ব্যবস্থা অক্ষুণ্ণ থাকবে ততদিন আমরা শক্তিশালী থাকবো। এই পরিবার ব্যবস্থাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে রামচরিতমানস-এর ভূমিকা, রামজীর পারিবারিক জীবনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। মর্যাদা পুরুষোত্তম রাম ….. কিভাবে পারিবারিক মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন তা দেখে যুগ যুগ ধরে দেশবাসী পারিবারিক মার্যাদা পালন, পারস্পরিক আচার-ব্যবহারের উত্তম সংস্কার ঋদ্ধ হয়েছেন। রামচরিতমানসের কত শক্তি দেখুন। হাজার হাজার বছর পেরিয়ে গেছে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সেই পরম্পরা, সেই সংস্কার, সেই বার্তা আজও সজীব। আমরা আজ একটা কথা বললে, লিখে জানালেও সাতদিনের মধ্যে সেই কথার মানে বদলে যায়। কিন্তু রামচরিতমানসের এমনই সামর্থ যে এত বছর পরেও অসংখ্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা থাকা সত্ত্বেও এর মূল তত্ত্বে কোথাও আঁচড় লাগেনি। এহেন কৃতিই মানুষকে মাটির সঙ্গে জুড়ে রাখার দায়িত্ব পালন করে।

আজও যদি আমরা মরিশাস কিংবা বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে যাই, ব্রিটিশ শাসনকালে যেসব দেশে ভারতীয়দের দাস বানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তাঁদের সঙ্গে কিছুই ছিল না, তাঁরা নিঃস্ব ছিলেন। কিন্তু তাঁরা ‘তুলসীদাসী রামায়ণ’ সঙ্গে নিয়ে যেতে ভোলেননি, ‘হনুমান চালিশা’ নিয়ে যেতে ভোলেননি। তারপর বিগত দেড়শো বছরে সেখানকার স্থানীয়দের সঙ্গে মিশে তাঁরা ভাষা ভুলে গিয়েছেন, পরিধেয় বদলে গিয়েছে, নাম বদলে গিয়েছে, কিন্তু একটা সম্পত্তি তাঁদের কাছে রয়ে গিয়েছে যার ফলে ভারতের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। অনেক বছর আগে কথা, সেবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের একটি দল ভারতে ক্রিকেট খেলতে এসেছিল। সেই দলের ম্যানেজার আমাকে ফোন করে দেখা করতে চাইলেন। আজ থেকে ৩০-৩৫-৪০ বছর আগে আমাকে কেউ চিনতো না, তাই সেই ফোন পেয়ে আমি অবাক। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার আমার মতন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে চান, কথা বলতে চান। হয়তো কেউ নাম দিয়েছে, হয়তো কোনও পরিচয় বেরিয়েছে। আমি বলি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিম কেন, ক্রিকেটের সঙ্গেই আমার কোনও …. আমি তো আর ক্রিকেট খেলোয়াড় নই!

তাঁর নাম রামরিখীরাম। ভারতীয় বংশোদ্ভূত। সেদেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকে চাকরি করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ টিমের ম্যানেজার হয়ে সস্ত্রীক ভারত সফরে এসেছেন। স্ত্রীর নাম সীতা। আমি তাঁর নামের মধ্যবর্তী শব্দ ‘রিখী’র মানে জিজ্ঞেস করলে বলেন, সম্ভবত ‘ঋষি’ হবে। তিনি প্রথমবার ভারত সফরে এসেছেন। আমি গিয়ে দেখি স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ভারতীয় পোশাক পরে আছেন। এই উদাহরণ থেকে বোঝা যায় একটি গ্রন্থ কেমন করে দেড়শো বছর ধরে মানুষের সংস্কৃতিকে, পরস্পর বিচ্ছিন্ন মানুষের মধ্যে আত্মীয়তার চোরাটান সঞ্জীবিত রাখতে পারে। এই অভিজ্ঞতা থেকেই আজ আমরা রামচরিতমানসের এই ডিজিটাল সংস্করণের গুরুত্ব অনুভব করতে পারবো।

আকাশবাণীর অনেক ক্ষমতা। যতকিছুই বদলে যাক, কিন্তু কিছু প্রাথমিক জিনিস থাকে যেগুলির ক্ষমতা কখনও নিঃশেষিত হয় না। ভারতীয় জীবনে আকাশবাণীর ক্ষমতা অপরিসীম। কেউ কেউ বুঝতে না পারলেও, আমরা বুঝি। আমরা এক ক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত। অটল বিহারী বাজপেয়ী যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, আমি হিমাচল প্রদেশে ভারতীয় জনতা পার্টির সাংগঠনিক কাজ করতাম। একদিন পাহাড়ি পথে একটা ধাবা দেখে চা খাওয়ার ইচ্ছে হয়। গাড়ি থেকে নামতেই ধাবাওয়ালা আমাদের লাড্ডু খাওয়ান। আমি বলি, ভাই আমি চা খাবো!

ধাবার মালি বলেন, আগে লাড্ডু খান, আনন্দ করুন।

আমি জিজ্ঞেস করি, – কী ব্যাপার?

ধাবাওয়ালা বলেন, আজ অটলজী বোমা ফাটিয়েছেন!

আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করি, অটলজী বোমা ফাটিয়েছেন, মানে?

ধাবাওয়ালা বলেন, আরে একটু আগেই রেডিও’তে বলেছে, ভারত বোমা ফাটিয়েছে!

তখন বুঝলাম, তিনি পারমাণবিক পরীক্ষার কথা বলেছেন। সেই খবরটি আমি প্রথম আকাশবাণীর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন ধাবার মালিকের কাছ থেকে শুনেছিলাম।

তার মানে, আমরা অনেক সময়েই অনেক কিছুর গুরুত্ব বুঝতে পারি না, সেটা কত বড়! শুধু খবর নয়, হিমালয়ের পাহাড়ি এলাকার সেই দরিদ্র ধাবাওয়ালা, ওই খবরে গৌরবান্বিত অনুভব করছিলেন যে বিনে পয়সায় সবাইকে নিজের দোকানের মিষ্টি খাওয়াচ্ছিলেন। আর বিকেল পাঁচটায় সফল পারমাণবিক পরীক্ষণের সংবাদ প্রচারিত হয় আর ঘন্টাখানেক পরই ওই প্রত্যন্ত এলাকায় আমি সেই মনে রাখার মতন মূহুর্তের সাক্ষী হই। একথা আপনাদেরকে বলার তাৎপর্য হল এই যোগাযোগ ব্যবস্থা এত বড় দেশের জন্য কত অনিবার্য, আজকের প্রতিযোগিতার যুগে আকাশবাণীকে সেই ইঁদুর দৌড়ে সামিল করার কোনই প্রয়োজন নেই। তার কাজ নিজের প্রাথমিক সেবাগুলির মাধ্যমে দেশের মানুষের মনকে পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে রাখা, তাঁদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত গঠনে উৎসাহদানের মাধ্যমে তাদের সাহায্য করা।

যুগ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল রেখে কেমন কায়াকল্প হওয়া উচিত, অর্থাৎ সময়ের চাহিদা মেটাতে যত পরিবর্তনই আসুক আত্মা একই থাকবে। এই ডিজিটাল রূপ তেমনি একটি যথার্থ পদক্ষেপ। আমাকে বলা হয়েছে, আকাশবাণীর কাছে ৯ লক্ষ ঘন্টার রেকর্ডিং ম্যাটেরিয়াল রয়েছে ৯ লক্ষ ঘন্টা। বিশ্বের কোনও একক সংস্থার কাছে এত বড় ঐশ্বর্য হয়তো নেই। আর সেই সময় আকাশবাণী যেরকম ছিল, তারপর আমাদের দেশের পরিবেশ যেভাবে বদলেছে সেসব কথা মাথায় রেখেও বলবো আকাশবাণীর কাছে ভারতের মূল কন্ঠস্বর, মূল চিন্তাভাবনা, ভারতীয় দর্শনের ঐতিহ্য সংরক্ষিত রয়েছে। এই ৯ লক্ষ ঘন্টার রেকর্ডিং ডিজিটাল সংস্করণে রূপান্তরিত হলে সেগুলিকে সহজেই নানা ভাষায় অনুবাদ করা সম্ভব হবে, কত বড় ডিজিটাল ইতিহাস আগামীদিনে কেউ যদি এসব নিয়ে গবেষণা করতে চান, পি.এইচ.ডি. কতে চান তাহলে অনেক লাভবান হবেন। দূরদর্শনের কাছেও এমনি অনেক সম্পদ রয়েছে। ভারতের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দু’জন গবেষক আকাশবাণী ও দূরদর্শনের এই সংরক্ষণকে ব্যবহার করে গবেষণা করতে পারেন। এটা আমাদের স্বভাবে নেই। প্রেমচন্দ কিংবা যে কোনও এক-দু’জন লেখকের সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করে নিই। কিন্তু এত বড় ঐশ্বর্য। পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিকরা, সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরাও ভাবুন যে আমাদের নবীন প্রজন্মের গবেষকরা এই ঐশ্বর্য ভাণ্ডারে গবেষণার মাধ্যমে দেশ ও বিশ্ব সমুদায়ের হাতে কী তুলে দিতে পারেন। আমরা ভবিষ্যতের জন্য কী ভাবতে পারি। এ বছর গোটা বিশ্বে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনের মাধ্যমে সারা বিশ্ব প্রমাণ করে দিয়েছে যে তাঁরা ভারতকে ভালোভাবে জানতে ও বুঝতে কতটা আগ্রহী, কতটা প্রস্তুত। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল বার্তা হল, ভারতের কাছে এমন কিছু ঐশ্বর্য আছে যা আমাদের জানতে হবে, শিখতে হবে! এই বার্তা অনুধাবন করে ভারতীয় হিসেবে আমাদের কর্তব্য কেমন করে বিশ্বের সঙ্গে ভারতাত্মার মিলন ঘটাবো, কিভাবে আমাদের ঐতিহ্যকে পুঁজি করে মানবতার সেবা করতে পারবো সেই পথগুলি খুঁজে বের করা।

সম্প্রতি আকাশবাণী একটি ভালো কাজ করেছে ….. আকাশবাণী নয়, রেডিও’র মাধ্যমে যেসব এফ.এম. চ্যানেল চলে। সমালোচকরা বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে এই সরকার কী করছে? আগে সমস্ত এফ.এম. চ্যানেল মিলে সরকারি কোষাগারে বছরে আট হাজার কোটি টাকা দিত। এখন নিলাম চলছে, নিলামে স্বচ্ছতা থাকায় ইতিমধ্যেই এগারো হাজার কোটি টাকা দর উঠেছে। এখনও নিলাম চলছে, আর নিলামের রুলস্ অ্যান্ড রেগুলেশন অনুযায়ী এবার ৮ হাজার স্থানে ২৭ হাজার থেকে ২৮ হাজার কোটি টাকা রাজকোষে জমা হবে। ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে পারলে তার সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করে দুর্নীতি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এভাবে দেশবাসীর ঘাড়ে কোনও নতুন আর্থিক বোঝা না চাপিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য অর্থের জোগান কিভাবে দেওয়া যেতে পারে এটা তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। অরুণজীর নেতৃত্বে আকাশবাণী এবং এফ.এম. রেডিও’র ক্ষেত্রে ভারত সরকার তা করে দেখিয়েছে।

আমরা এই কাজকে সমস্ত দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আমার বিশ্বাস, সারা বিশ্ব যে দেশকে জানতে চান, বুঝতে চান এই ডিজিটাল সংস্করণের মাধ্যমে তা সহজ হবে। আকাশবাণী ভোপাল কেন্দ্রের কর্মচারীরা অত্যন্ত গৌরবের কাজ করেছেন। আগামীদিনে ভোপালে একটি বিশ্ব হিন্দি সম্মেলন আয়োজিত হতে চলেছে। সেই সম্মেলনে গোটা বিশ্বের প্রতিনিধিরা এলে আকাশবাণী ভোপাল কেন্দ্র একটি স্মারক হিসেবে এই রামচরিতমানস তাঁদেরকে উপহার দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন। একটি প্রকৃত স্মারক যা ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে গোটা দুনিয়ার মানুষকে ভারত সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে।

আমি আরেকবার মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক, প্রসার ভারতী এবং আকাশবাণীকে এই বহুমূল্য সম্পদ সামলে রাখার জন্য শুভেচ্ছা জানাই। দেশবাসীর হাতে এই বহুমূল্য উপহার তুলে দিতে পেরে গর্ব অনুভব করছি। আমি ডাঃ কর্ণ সিংহজীর কাছে কৃতজ্ঞ, বহু বছর ধরে তিনি এসবের সঙ্গে এমনভাবে যুক্ত রয়েছেন, এগুলিকে এত মহামূল্যবান মানেন যে কোনও সরকারি বিচারধারার উর্ধ্বে উঠে এ ধরণের ঐতিহ্যের সংরক্ষণে উৎসাহ দিয়েছেন, আশীর্বাদ দিয়েছেন। সেজন্য আজ বিশেষ করে আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।