Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

রাষ্ট্রসঙ্ঘে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রাষ্ট্রসঙ্ঘে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রাষ্ট্রসঙ্ঘে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রাষ্ট্রসঙ্ঘে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

রাষ্ট্রসঙ্ঘে ২০১৫ পরবর্তী উন্নয়ন পরিকল্পনা সংক্রান্ত শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ


মাননীয়,

আধুনিক মহানায়ক মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন – ‘যা আজ দেখতে পাবো না সেই ভাবী বিশ্বের জন্যও আমাদের চিন্তা করা উচিত’। যখনই বিশ্ব-সমুদায় একত্রিত হয়ে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে, দায়িত্বের সঙ্গে সঠিক লক্ষ্যে মানবতা বিকাশের পথ সুগম হয়েছে।

আজ থেকে সত্তর বছর আগে ভয়ানক দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সমাপ্তির পর এক নতুন আশা নিয়ে এই সংগঠন গড়ে উঠেছিল। আজও আমরা মানবতাকে নতুন পথ দেখানোর বাসনা নিয়ে এখানে সমবেত হয়েছি। এই গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য আমি রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব মহোদয়কে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

এজেন্ডা-২০৩০ – এর পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী এবং তার উদ্দেশ্যেও ততটাই ব্যাপক। বিগত কয়েক দশক ধরে বিশ্ব সমুদায় যেসব সমস্যার সম্মুখীন সেগুলির সমাধানকে এখানে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি সামাজিক, আর্থিক এবং পরিবেশ সংক্রান্ত আমাদের পরিণত ভাবনাচিন্তাও এখানে প্রতিফলিত হবে।

এটা আনন্দের কথা যে আমরা সবাই একটি দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের স্বপ্ন দেখছি। আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যসমূহের মধ্যে অগ্রাধিকার পাচ্ছে দারিদ্র্যমোচন। আজ গোটা বিশ্বে প্রায় ১৩০ কোটি মানুষ দারিদ্র্যজনিত দুঃখ-দুর্দশার শিকার। এই গরীবদের প্রয়োজন মেটানোই আমাদের সামনে একমাত্র প্রশ্নচিহ্ন নয়, তাদের অস্তিত্ব এবং যথাযথ সম্মান জানানোর পাশাপাশি আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব স্বীকার করে নিলেই চলবে না, আমাদের সবাইকে সমবেত সংকল্প নিতে হবে যে –

– বিশ্ব শান্তিপূর্ণ হবে

– ব্যবস্থাসমূহ ন্যায়পূর্ণ হবে, আর

– স্থায়ী এবং সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন হবে।

দারিদ্র্য বজায় থাকলে এই উদ্দেশ্যসমূহের সমাধান সম্ভব নয়। সেজন্য আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব হল দারিদ্র্যমোচন। ভারতের মহান দার্শনিক পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ভাবনা কেন্দ্রে ছিল অন্ত্যোদয়ের ভাবনা। রাষ্ট্রসঙ্ঘের এজেন্ডা-২০৩০ এও আমি সেই অন্ত্যোদয়ের সৌরভ পাচ্ছি। ভারত যখনি দীনদয়ালজির জন্ম শতবর্ষ পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, এই সুরভি তখন কাকতালীয় হলেও আমাদের মনে সুখানুভূতি সঞ্চার করে।

রাষ্ট্রসঙ্ঘের পরিবেশ সংক্রান্ত লক্ষ্যসমূহের অন্তর্গত আবহাওয়া পরিবর্তন এবং সুদূরপ্রসারী উপভোগের গুরুত্বকে ভারত স্বাগত জানাচ্ছে। আজ বিশ্ব দ্বীপরাষ্ট্রগুলি সম্পর্কে তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যে ধরণের চিন্তাভাবনা করছে, ঐ রাষ্ট্রগুলির বাস্তুতন্ত্র-বাস্তু ব্যবস্থা নিয়ে আলাদা করে লক্ষ্য নির্ধারণ করছে, এই গুরুত্ব নির্ধারণকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করি।

আমি ‘ব্লু রেভুলিউশন’-এর পক্ষে, যাতে আমাদের ছোট ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলির নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধি, সমুদ্র সম্পদের যথাযথ উপযোগ এবং নির্মল নীলাকাশ – এই তিনটি বিষয়ের সমন্বয় ঘটে।

আজ ভারত যে ধরণের উন্নয়নের পথ বেছে নিয়েছে আর রাষ্ট্রসঙ্ঘ যে ধরণের সুদূরপ্রসারী উন্নয়নের লক্ষ্য স্থাপন করছে তার মধ্যে প্রকরণগত মিল রয়েছে। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দারিদ্র্যমোচনের স্বপ্নকে সাকার করার চেষ্টা চালিয়েছে। আজ আমরা গরীবদের সামর্থ বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণের পথ বেছে নিয়েছি। শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছি।

আমরা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণের ক্ষেত্রে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করেছি। ১৮ কোটি নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। এটা গরিঁদের সবচাইতে বড় ক্ষমতায়ন। এর মাধ্যমে গরিব মানুষেরা বিমা প্রকল্পগুলির সুবিধা পাবেন, অন্য যা লাভ পাবেন তা সরাসরি তাঁর অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

ভারতে অনেক কম বয়স্ক নাগরিকই পেনশন পান। ভারতের দরিদ্রদের জন্য পেনশন পরিকল্পনাও দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে। আজ দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তির মনেও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের উদ্যম জেগে উঠেছে। নাগরিকদের মনে স্বপ্ন সাকার হওয়ার আত্মবিশ্বাস জন্ম নিয়েছে।

গোটা বিশ্বে আর্থিক উন্নয়ন শুধু দুটো ক্ষেত্রেই সীমিত – পাবলিক সেক্টর এবং প্রাইভেট সেক্টর। আমরা একটি নতুন ক্ষেত্রের উন্নয়নে জোর দিচ্ছি – তা হল, পার্সোনাল সেক্টর বা বযক্তিগত ক্ষেত্র। অর্থাৎ, ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্ষুদ্র ব্যবসা, মাইক্রো ফাইন্যান্স, নতুন আবিষ্কার এবং স্ব-উদ্যোগ। সকলের জন্য মাথা গোঁজার নিজস্ব আবাস, বিদ্যুৎ, জল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্নতাকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। এই লক্ষ্যসমূহ সাধনের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং নিশ্চিত সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে। নারী ক্ষমতায়ন আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। আজ ‘বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও’ শ্লোগান প্রায় প্রতিটি পরিবারের মন্ত্র হয়ে উঠেছে।

আমরা আমাদের কৃষি ক্ষেত্রগুলিকে অধিক ফলনশীল এবং সরাসরি বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার পথে এগিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি, নানা প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার ফলে উদ্ভূত সমস্যাসমূহ সমাধানের লক্ষ্যে বৈজ্ঞানিক উপায়ে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শিল্প ও নির্মাণ ক্ষেত্রকে আমরা পুনর্নবীকৃত করছি, সেবা ক্ষেত্রকে সময়োপযোগী সংস্কার করছি। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে অভূতপূর্ণ স্তরে বিনিয়োগ করছি এবং আমাদের শহরগুলিকে স্মার্ট, সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন কেন্দ্র করে গড়ে তুলছি।

সমৃদ্ধির পথে স্থায়ী উন্নয়নকল্পে আমরা দৃঢ়সংকল্প। এই সংকল্প নিশ্চিতরূপে আমাদের ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থেকে ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের দায়িত্বকে দর্শায়।

আমি সেই সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করছি যেখানে ধরিত্রীকে মা সম্বোধন করা হয়। আমাদের বেদপাঠে উচ্চারিত হয় –

“মাতা ভূমি : পুত্রো অহং পৃথিব্যা” – এই পৃথিবী আমাদের মা, আর আমরা তাঁর পুত্র। আমাদের পরিকল্পনাসমূহ উদ্দেশ্যমূলক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন :-

> আগামী ৭ বছরে ১৭৫ গিগাবাইট পুনর্নবীকৃত শক্তি উৎপাদন ক্ষমতার উন্নয়ন।

> শক্তি ক্ষেত্রে দক্ষতাকে অগ্রাধিকার।

> ব্যাপক হারে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি।

> কয়লা ক্ষেত্রে বিশেষ কর আরোপ।

> পরিবহণ ব্যবস্থার আমূল সংস্কার।

> শহর এবং নদীসমূহের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থার সংস্কার।

> আবর্জনা থেকে সম্পদ আহরণের আন্দোলন।

গোটা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ছয় ভাগের এক ভাগ মানুষের সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন আমাদের সুন্দর পৃথিবীর স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলস্বরূপ বিশ্ব অপেক্ষাকৃত কম সমস্যাসঙ্কুল এবং ব্যাপক আশাসঞ্চারী বাসস্থানে পরিণত হবে। মানব সভ্যতার সাফল্য সম্পর্কে অধিক আশ্বস্থ হবে। আমরা আমাদের সাফল্য এবং উৎসসমূহকে অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেবে। ভারতীয় ঐতিহ্যে গোটা বিশ্বকে একটি পরিবাররূপে দেখা হয়। “উদারচরিতনাম তু বসুধৈব কুটুম্বকম” অর্থাৎ উদার মনোভাবাপন্ন মানুষের কাছে গোটা বিশ্ব একটি পরিবার এবং প্রত্যেকেই তাঁর কুটুম্ব। আজ ভারত এশিয়া, আফ্রিকা, প্রশান্ত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে জেগে থাকা ছোট ছোট দ্বীপরাষ্ট্রগুলির উন্নয়নের অংশীদার হয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করছে। স্থায়ী উন্নয়ন সকল দেশের জন্যই একটি রাষ্ট্রীয় উত্তর দায়িত্বের বিষয়। পাশাপাশি, তাঁদের নীতি-নির্ধারণের জন্য বিকল্প অন্বেষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

আজ আমরা সবাই রাষ্ট্রসঙ্ঘের শীর্ষ সম্মেলনে এসে উপস্থিত হয়েছে কারণ, আমরা প্রত্যেকেই মনে করি অনিবার্যরূপে সকল প্রয়াসের কেন্দ্রীয় ভাবনা হওয়া উচিত আন্তর্জাতিক ঐক্য। উন্নয়ন হোক কিংবা আবহাওয়া পরিবর্তনের সমস্যার মোকাবিলা, আমাদের সামূহিক প্রয়াসের সিদ্ধান্ত হোক ‘কমন বাট ডিফারেনসিয়েটেড’ দায়িত্ব।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সমস্যার সঙ্গে আমাদের প্রত্যেকের নিরাপত্তা জড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু, যদি আমরা আবহাওয়া সংক্রান্ত বিচারের কথা ভাবি, তা হলে দরিদ্রদের প্রাকৃতিক বিপর্যয়সমূহ থেকে নিরাপদ রাখার একটি সংবেদনশীল সংকল্প জেগে ওঠে।

আবহাওয়া পরিবর্তনের সমস্যার সঙ্গে যুঝতে আমাদের একটি বিশ্বব্যাপী জন-ভাগীদারী বা গণঅংশীদারিত্বের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যার মাধ্যমে প্রযুক্তি, আবিষ্কার এবং বিনিয়োগের সমন্বয়ে আমরা নির্মল এবং পুনর্নবীকৃত শক্তি উৎপাদনকে সবার জন্য সুলভ করে তুলতে পারবো।

আমাদের নিজেদের জীবনশৈলীতে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, যাতে আমাদের জ্বালনি নির্ভরতা হ্রাস পায় আর আমরা সুদূরপ্রসারী উন্নয়নের পথে পা বাড়াই। পাশাপাশি, একটি বিশ্বব্যাপী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। যে শিক্ষা ব্যবস্থা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রকৃতির সংরক্ষণ এবং সংবর্ধনের অনুকূল শিক্ষা দেবে।

আমি আশা করবো, বিকশিত দেশগুলি উন্নয়ন এবং আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য নিজেদের অর্থনৈতিক প্রতিবদ্ধতা পালন করবে, ‘উদাউট ইন এনিওয়ে পুটিং বোথ আন্ডার দ্য সেইম হেড’! আমি এটাও আশা করি যে, টেকনোলজি ফেসিলিটেশন মেকানিজম, প্রযুক্তি এবং নতুন আবিষ্কারসমূহকে বিশ্বের কল্যাণে, মানবতার কল্যাণে প্রয়োগ করা হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থে এগুলির ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকবে না।

আমরা দেখছি, দূরত্ব সমস্যা থেকে মুক্তি এনে দেয় না। সুদূরবর্তী দেশগুলিতে চলতে থাকা সংঘর্ষ এবং অভাবের ছায়া থেকেও অনেক অপরিমেয় সংকট সৃষ্টি হয়। গোটা বিশ্ব পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে এবং পরস্পর নির্ভরশীলও। সেজন্য মানবতার কল্যাণে আন্তর্জাতিক সৌহার্দ্য এত গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ সহ অন্যান্য বিভাগেও সংস্কার অনিবার্য। তবেই, এই সংগঠনের নিরপেক্ষতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি, আমরা ব্যাপক প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে প্রত্যেকের উদ্দেশ্যসাধনে প্রভাব ফেলতে পারবো।

আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন পৃথিবী গড়ে তুলি যেখানে প্রতিটি প্রাণী ও উদ্ভিদ নিরাপত্তা অনুভব করবে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য পরিবেশ আরও বাসযোগ্য, এর থেকে মহান আর কোনও উদ্দেশ্য আমাদের মনে থাকতে পারে না। আবার এটাও ঠিক যে, আর কোনও উদ্দেশ্য এর থেকে বেশি প্রতিস্পর্ধার সম্মুখীন হবে না।

আর রাষ্ট্রসঙ্ঘের ৭০ বছর বয়সে আমরা সকল দেশের কাছে তাদের বিবেক, অভিজ্ঞতা, উদারতা, সহৃদয়তা, কৌশল এবং প্রযুক্তির যথাযথ ভারসাম্য মুক্ত প্রয়োগের মাধ্যমে মানব সভ্যতার এই সংকটগুলির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজয়প্রাপ্তির আশা রাখি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আমরা সাফল্য পাবো।

সবশেষে আমি প্রত্যেকের কল্যাণ এবং মঙ্গল কামনা করি –

সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ সর্বে সন্তু নিরাময়াঃ।

সর্বে ভদ্রাণি পশ্যন্তুঃ মা কশ্চিদুঃখভাগ্ভবেৎ।।

সবাই সুখে থাকুন সবাই সুস্থ থাকুন, সবাই কল্যাণকারী ভাবুন, কারও মনে কোনও প্রকার দুঃখ না থাকুক।

এই মঙ্গল ভাবনা নিয়ে সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

PG/SB/SB