Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

লক্ষ্মৌ-তে আয়োজিতউত্তরপ্রদেশ বিনিয়োগকারী শীর্ষ সম্মেলন-২০১৮-য় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ


উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপালশ্রীযুক্ত রামনায়ক মহোদয়, মুখ্যমন্ত্রী শ্রীযুক্ত আদিত্যনাথ যোগী, আমারমন্ত্রীসভার সহযোগী, আমাদের শীর্ষস্হানীয় মন্ত্রী এবং এই লক্ষ্ণৌ নগরীর প্রতিনিধি,দেশের স্বরাস্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং, মরিশাসের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শ্রীযুক্তঅনিরুদ্ধ জগন্নাথ মহোদয়, বিভিন্ন দেশ থেকে সমাগত বিশিষ্ট মন্ত্রীগণ, দেশের নানাপ্রান্ত থেকে সমাগত বিপুল সংখ্যক বিনিয়োগকারী, শিল্পপতিবৃন্দ এবং এখানে উপস্হিতশ্রদ্ধেয় ব্যক্তিবর্গ।

যখন পরিবর্তন আসে, তখন তা চোখেদেখা যায়। উত্তরপ্রদেশে এত ব্যাপক স্তরে বিনিয়োগকারী শীর্ষ সম্মেলন হওয়া, সেইসম্মেলনে এত বিনিয়োগকারী এবং শিল্পপতিদের একত্রিত হওয়া ব্যাপারটাই একটা বিরাটপরিবর্তন। আমি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শ্রীযুক্ত যোগী মহোদয় এবং তাঁরমন্ত্রিমন্ডলের সকল সদস্যকে, এই রাজ্যে আমলাতন্ত্রকে, পুলিশ বিভাগকে এবং রাজ্যেরজনগণকে শুভেচ্ছা জানাই যে বর্তমান রাজ্যসরকার এত কম সময়ে রাজ্যকে সমৃ্দ্ধি ও উন্নয়নেরপথে নিয়ে যেতে সফল হয়েছে।

আগে পরিস্হিতি কেমন ছিল, কীকারণে ছিল, সে সম্পর্কে ইউপি ’ র জনগণ থেকে বেশি করে কেউ জানেন না। ভয় এবং অসুরক্ষার আবহে সাধারণ মানুষেরজীবনযাপন কঠিন হলে, সে রাজ্যে কেউ শিল্প স্হাপনের কথা কেমন করে ভাববেন ? তেমন পরিবেশ উন্নয়ন,কর্মসংস্হান, মধ্যবিত্তের প্রত্যাশাপূরণের কথা ভাবার কেউ ছিল না। সেই নেতিবাচক আবহথেকে তুলে এনে রাজ্যকে ইতিবাচক করে তোলা, নিরাশা ও হতাশার অন্ধকার উৎসাহের আলোজাগিয়ে তোলার জন্য যোগীজির সরকারকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়।

এই উত্তরপ্রদেশে সেই বুনিয়াদগড়ে উঠেছে, যার ওপর নতুন উত্তরপ্রদেশের বিশাল ইমারত গড়ে উঠবে। সেজন্যই আজ এইপবিত্র কর্মযজ্ঞে সামিল হওয়ার জন্য, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার জন্য আপনাদেরসবাইকে আরেকবার অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

বন্ধুগণ, আমাদের দেশে একটিপুরানো প্রবাদ আছে যে, প্রতি ক্রোশে জল বদলায় আর প্রতি চার ক্রোশে বদলায় মুখেরভাষা। উত্তরপ্রদেশে এত জীববৈচিত্র্য এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ও সামর্থ্য আছে যে শতশতবছর ধরে এই ভূখন্ডের স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে।

লক্ষ্ণৌয়ের চিকনের কাজবিখ্যাত, মলিহাবাদের আম সারা পৃথিবীতে রপ্তানী হয়। বদোহীর কার্পেট, বেনীরসিজরী-জরদোজী শিল্প আর শাড়ি বিশ্ববিখ্যাত। মোরাদাবাদে নির্মিত পিতলের বাসন বিদেশেরপ্তানী হয়, ফিরোজাবাদের কাঁচের চমক অনুপম, আগ্রার পেঠা, কনৌজের আওর, বেনারসের সকালযেমন প্রশান্তির, অওধের সন্ধ্যা তেমন মনোমুগ্ধকর। এ রাজ্যেই আছে তাজমহল, সারনাথঅযোধ্যা, মথুরা আর কাশীর মতো পর্যটনস্হল। এ রাজ্যে রামলীলা যেমন জনপ্রিয়, কৃষ্ণেররাসলীলাও তেমনি। গঙ্গা, যমুনা, সরযূর আশীর্বাদধন্য এই রাজ্য।

এ রাজ্যে আইআইটি কানপুর,আইআইএম লক্ষ্ণৌ, বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির মতো অভিজাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।শুধু গৌবরময় ইতিহাস নয়, গর্ব করার মতো বর্তমানের ঝলকও এ রাজ্যের বস্ত্র শিল্পে, এইরাজ্যের উন্নয়নে পরিলক্ষিত হচ্ছে। সংস্কৃতির পাশাপাশি কৃষিতে উন্নয়ন এই রাজ্যেরসামর্থ্যকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে উত্তরপ্রদেশ শুধু পূর্ব ভারত নয়, গোটা দেশের ‘ গ্রোথ ইঞ্জিন ’ হয়ে উঠতে পারে।

ভাই ও বোনেরা, উত্তরপ্রদেশআজ গম, আখ, দুধ ও আলু উৎপাদনে দেশের মধ্যে এক নম্বর রাজ্য হয়ে উঠেছে। শাকসব্জির উৎপাদনেদ্বিতীয় আর ফল উৎপাদনের দেশের মধ্যে তৃতীয় স্হানে পৌঁছে গেছে। ক্ষুদ্রশিল্পেরক্ষেত্রেও উত্তরপ্রদেশ দেশের মধ্যে দ্বিতীয় স্হান অধিকার করেছে।

বিগত কয়েক বছরে সমস্তপ্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেদের রাজ্যকে এভাবে রক্ষা করার জন্য আমি ইউপিবাসী কোটি কোটিভাই ও বোনেদের যত প্রশংসাই করি না কেন, তা কম পড়ে যাবে। কিন্তু দেশের মধ্যে নানাক্ষেত্রে এক নম্বর আর দুই নম্বর হওয়ার প্রতিযোগিতার মাঝে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েমন্হন করার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রশ্ন হল, এখন ভবিষ্যতে কীহবে ! উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতা কি এতটাই ? বন্ধুগণ, এ রাজ্য আদর্শ মূল্যবোধ, নৈতিক উ ৎ কর্ষআছে, কিন্তু পরিবর্তিত সময়ের প্রয়োজন অনুসারে মূল্য সংযোজনের প্রয়োজন রয়েছে। শুধুকর্মসংস্কৃতিতেই নয়, শুধু বাণিজ্য সংস্কৃতিতেই নয়, সমস্ত ক্ষেত্রে ইউপি ’ র যে সামর্থ্য রয়েছে, আজ তাতে সংহত মূল্য সংযোজনেরপ্রয়োজন রয়েছে। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে যোগীজির নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারএই দিকগুলি মনে রেখে সমস্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, নীতি প্রণয়ন করছে।

ইউপিতেশিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগকে কর্মসংস্হানের সঙ্গে যুক্ত করে নীতি প্রণয়ন করা হচ্ছে।নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যোগীজির সরকার ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে যথাযথ নীতিপ্রণয়ন করে কাজ করছে।

বস্ত্রশিল্প,বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি নির্মাণ, তথ্যপ্রযুক্তি, পর্যটন, পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি উ ৎ পাদনও স্বরোজগারের মতো অনেক ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী নীতি প্রণীত হয়েছে। এখন ইউপিতেশিল্পপতিদের জন্য লালফিতের ফাঁস নয়, লাল কার্পেট বিছানো থাকবে।

আজশিল্পক্ষেত্রে যে ডিজিট্যাল ক্লিয়ারেন্স সিস্টেম চালু করা হল, এটা তারই প্রকৃষ্টউদাহরণ। এটি এমন একটি সিঙ্গল উইন্ডো পোর্টাল হয়ে উঠবে, যার মাধ্যমে শিল্পপতিরাএকটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে অনলাইন অনুমতি পাবেন। এতে হিউম্যান ইন্টারফেস-ওন্যূনতম হবে। নিশ্চিতভাবেই এটি ইউপিতে ‘ ইজঅফ ডুয়িং বিজনেস ’ এর দৃষ্টিকোণ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণপদক্ষেপ। যোগীজির নেতৃত্বে রাজ্য সরকার ইউপিতে কৃষক, মহিলা এবং যুবক-যুবতীদের কাছেঘোষণা করা প্রাক-নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে দ্রুত গতিতে কাজ হচ্ছে।

আমাকেবলা হয়েছে যে, এ বছর ধানের বিক্রি চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আখের বিক্রিও গত বছরেরতুলনায় চল্লিশ শতাংশ বেড়েছে। ইউপি সরকার ‘ পাওয়ারঅফ অল ’ লক্ষ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। এর ফলে স্হানীয়শিল্প ও ব্যবসাগুলি উপকৃত হবে।

বন্ধুগণ,উত্তরপ্রদেশ মা গঙ্গার আর্শীবাদধন্য উর্বর সমতলভূমি সমৃদ্ধ। এ রাজ্যের জনসংখ্যার৬০ শতাংশ মানুষের বয়স পরিশ্রম করার উপযোগী। এই সুবিধাগুলি ইউপিকে উন্নয়নের নতুননতুন উচ্চতা অতিক্রমের সামর্থ্য দেবে, প্রাণশক্তি জোগাবে।

আমিআগেই বলেছি যে উত্তরপ্রদেশের সম্ভাবনা অসীম। এই সম্ভাবনার সহ্গে সঠিক নীতি, যথাযথপরিকল্পনা, এবং দক্ষতা জুড়লেই উন্নয়নে অগ্রগতি হয়। এখন ইউপিতে ‘ সুপারহিট পারফরমেন্স ’ প্রদানের জন্য যোগীজি টিম প্রস্তুত বলেই আমার বিশ্বাস। এ রাজ্যের নাগরিকরাও উন্মুখহয়ে আছেন। আজকের প্রতিযোগিতার আবহে শিল্প এবং প্রযুক্তির মূল্য শৃঙ্খলকে অধিকনমনীয়, অধিক দক্ষতার সঙ্গে উন্নতমানের পণ্য দ্রুত বাজারজাত করতে হয়।

একটুআগেই আমি প্রদর্শনীতে এমন প্রযুক্তি দেখেছি। এখানে তথ্য সংস্কৃতি, উপভোক্তা,বৈদ্যুতিন, বৈদ্যুতিন উ ৎ পাদনের অনেক চাহিদা রয়েছে। গোটা দেশের যে রাজ্যসর্বাধিক স্মার্ট সিটি এবং অমৃত সিটি রয়েছে- তার নাম উত্তরপ্রদেশ।

ভাইও বোনেরা, দু ’ দিন আগেই আমি মুম্বাইয়ে এমনি একটিবিনিয়োগকারী শীর্ষ সম্মেলনে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে দেখি মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকারনিজেদের রাজ্য ব্যবস্হাকে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে পরিবর্তিত করার লক্ষ্য রেখেছে।আমি মনে করি উত্তরপ্রদেশেরও সেই সামর্থ্য রয়েছে। আপনারাও কি মহারাষ্ট্রের সঙ্গে ট্রিলিয়নডলার অর্থনীতিতে পৌঁছনোর লক্ষ্য স্হিত করে প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হবেন ? দেশের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন স্তরেপ্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারেন। এই প্রতিযোগিতা যত বেশি হবে, রাজ্যে বিনিয়োগও ততবৃদ্ধি পাবে। ফলে রাজ্যে কর্মসংস্হানের নতুন নতুন সুযোগ তৈরি হবে। রাজ্যে এ ধরণেরস্বাস্হ্য পরিষেবায় উন্নয়নে প্রতিযোগিতা, প্রতিযোগিতামূলক সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রীয়ব্যবস্হার ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করবে।

বন্ধুগণ, ইউপিরঅর্থব্যবস্হায় ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই-গুলির অবদানঅত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অনেক বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে। কৃষির পর এমএসএমই ক্ষেত্রেকর্মসংস্হানের সবচাইতে বড় সুযোগ রয়েছে।

আমাকে বলা হয়েছে যে ইউপিতেপ্রায় ৫০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট রয়েছে। এগুলিতে কর্মরত মানুষদের পরিশ্রমেই ইউপিরহস্তশিল্প, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষেত্র, কার্পেট, তৈরি পোশাক, চর্মশিল্পেররপ্তানিতে উত্তরপ্রদেশ দেশের মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। দেশের নানাপ্রান্তে উৎপাদিত এরকম বিশেষ বিশেষ পণ্য বিদেশে আমাদের পরিচয় বহন করে। এসবক্ষেত্রে কর্মরত মানুষদের আয়বৃদ্ধির জন্যে আমাদের নতুনভাবে ভাবনাচিন্তা করারপ্রয়োজন রয়েছে।

আমি শুনে খুশি হয়েছি যে, এইআয়বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে ইউপি-র রাজ্যসরকার সম্প্রতি ‘ একজেলা, এক পণ্য ’ প্রকল্প চালু করেছে। আমি মনে করিএতে সুফল পাওয়া যাবে। আমরা ‘ ক্লাস্টারঅ্যাপ্রোচ ’ সম্পর্কে অবহিত, কিন্তু এই ‘ এক জেলা, এক পণ্য ’ একটা সম্পূর্ণ সংহত বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্হানীয় স্তরেদক্ষতা উন্নয়ন, পণ্য বাজারজাত করা, ক্ষমতায়ন ও জনপ্রিয়করণের কাজ ও সহজ হবে।

ভাইও বোনেরা, ইউপিতে নির্বাচনী প্রচারের আগে আমি বারবার বলেছি, যখন রাজ্যের উন্নয়নেডাবল ইঞ্জিনের শক্তি যুক্ত হবে তখন উন্নয়নও তীব্রগতিতে সম্পন্ন হতে থাকবে। ‘ এক জেলা, এক পণ্য ’ প্রকল্প ‘ ব্যাক আও পাওয়ার ’ -এসমৃদ্ধ হবে কেন্দ্রীয় সরকারের দক্ষ ভারত মিশন, এ এটাসম্ভব হতে পারে। পর্যটক বৃদ্ধিপেলে সবার রোজগার বৃদ্ধি পায়- ট্যাক্সিচালক, অটোরিক্সাচালক, গেস্টহাউসের মালিক ও কর্মচারি,ফল-ফুলমালা বিক্রেতা, মন্দিরের বাইরে বসে পুজোপাঠ করা পুরোহিতেরও রোজগার বাড়ে।

আমাদেরএই বিমান পরিবহন ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে দেশের পর্যটনকে সামর্থ্যজোগাবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আজকের এই নবী মুম্বাই ‘ গ্রিণফিল্ডএয়ারপোর্ট ’ -এর শিলান্যাস… আমি যখনই কোনওকাজ শুরু করি, তখন জিজ্ঞেস করি, এই কাজ কবে শেষ হবে ? কারণ আমাদের অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে, আপনারা তাভালভাবেই জানেন। দেশকে সেই কর্মসংস্কৃতি থেকে বের করে আনতে আমাদের কঠিন পরিশ্রমকরতে হচ্ছে। কিন্তু আমরা দায়বদ্ধতার কর্মসংস্কৃতি চালু করেছি।

আরআমি দেখছি, মুম্বাই তথা মহারাষ্ট্রের প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হতে কতটা সময় লাগছে।সেই গতি অনুসারে আমি নিশ্চিত যে ২০২২, ২৩, ২৪, ২৫ সালের মধ্যে আপনাদের চোখের সামনেএই নবী মুম্বাই বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা করবে।

ততদিনেসমুদ্র লঙ্ঘন করে ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘ ট্র্যান্সহারবার লিংক রোড ’ -এ পূর্ণগতিতে গাড়ির মিছিল ছুটতেশুরু করবে। ততদিনে হয়তে ‘ ডাবললাইন সাবারবন করিডর ’ – এর কাজও দ্রুতগতিতে শেষ হয়ে যাবে।তেমনি ততদিনে আপনাদের এখানে সমুদ্র সংশ্লিষ্ট যত প্রকল্প রয়েছে সবকটাই নির্দিষ্টসময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত হতে শুরু করবে। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের বিশাল মর্মরমূর্তিও সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। আপনারা কল্পনা করতে পারেন, কেমন পরিবর্তন আসবে।

এইসকল উদ্যোগের জন্য আমি শ্রীযুক্ত দেবেন্দ্রজিকে, কেন্দ্রে আমার টিমের সদস্য গজপতিরাজু মহোদয়, নীতিন গড়করি মহোদয়, এদের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে, আপনাদের সবাইকেএখান থেকে দ্রুত বিমানযাত্রার সুযোগ পাওয়ার আশ্বাস ও অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই।

এখানকারদশেরী আম প্রসিদ্ধ। কিন্তু এটাও সত্য যে, সময়মত বাজারজাত করা ও সংরক্ষণের সুবিধানা থাকায় অনেক আম নষ্ট হয়ে যায়। এই আমকে দেশ-বিদেশের বাজারে পৌঁছে দিতে বাজারজাতকরার পরিকাঠামো উন্নত এবং গুদামীকরণের শৃঙ্খলা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমথেকে নানাকরম পুষ্টিকর খাদ্যও তৈরি হয়. আমাদেরকে শুধু কৃষক এবং শিল্পোদ্যোগেরমধ্যে সম্পর্ককে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। যেমন দুগ্ধ উ ৎ পাদনেউত্তরপ্রদেশ দেশের মধ্যে প্রথম স্হানে রয়েছে। কিন্তু দুগ্ধ ব্যবসায় আরও অনেক পথহাঁটতে হবে। সেজন্য যথাযথ ‘ মূল্যসংযোজন ’ এর মাধ্যমে ‘ ফার্মটু ফর্ক ’ পর্যন্ত শৃঙ্খলে পরিকাঠামোকে আধুনিক করে তুলতে হবে।সেজন্য আমাদের কোনও না কোনও পদক্ষেপ নিতে হবে।

কৃষকেরউ ৎ পাদিতফলন আর শিল্পের চাহিদার মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ফসল, আনাজপাতি ফল ও সব্জির আপোচয়হ্রাস করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্পদ যোজনা চালু করেছে। এইপ্রকল্পের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সরবরাহ ব্যবস্হা এবং পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে।কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং লোকসান হ্রাস করার লক্ষ্যে এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এই লোকসান কমাতে ও দেশে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে সরকার খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণে ১০০ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ মঞ্জুর করছে।

বন্ধুগণ,উত্তরপ্রদেশে কৃষি উপ-উ ৎ পাদন, কৃষি-বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরিত করার অসীমসম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আখ উ ৎ পাদনে উত্তরপ্রদেশ প্রথম স্হানে থাকায় ইথানল উ ৎ পাদনবৃদ্ধির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। ইউপিতে বায়োফুয়েল ক্ষেত্রে যতটা উন্নয়ন হবে তারপ্রভাব দিল্লী পর্যন্ত দেখা যাবে।

পরিবেশসুরক্ষার পাশাপাশি নির্মল শক্তি উ ৎ পাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে, আর আমি খুশি যেএই রাজ্য একটি নতুন জৈব জ্বালানী নীতি প্রণয়ন করেছে। ফসল জ্বালিয়ে দেওয়ার মতোসমস্যার সমাধানে এই নীতি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। এই সকল প্রচেষ্টা ২০২২ সালেরমধ্যে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে।

বন্ধুগণ,আজ এই অনুষ্ঠানে আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ গোষণা করতে চাই যে শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়,গোটা ভারতের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। এ বছর বাজেটে প্রস্তাব রাখা হয়েছে যে, দেশে দুটো ‘ ডিফেন্স ইন্ডস্ট্রিয়াল করিডর ’ নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে একটি ইউপি হয়ে যাবে। আগ্রা, আলিগড়, লক্ষ্ণৌ, কানপুর,ঝাঁসি আর চিত্রকূট পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এই করিডরে ২০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগেরসম্ভাবনা রয়েছে, আর প্রায় আড়াই লক্ষ মানুষের নতুন কর্মসংস্হানের সুযোগ তৈরি হবে।

যোগীজিরনেতৃত্বাধান রাজ্য সরকার দ্বারা নির্মীয়মান পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে আর বুন্দেলখন্ডএক্সপ্রেসওয়েও রাজ্যের শিল্পায়নের গতিকে ত্বরান্বিত করবে।

ভাইও বোনেরা, আগে ইউপিতে লক্ষ্ণৌ, বারাণসী আর গোরখপুর- শুধু তিনটি এয়ারপোর্ট ছিল। এখনকুশীনগর আর জেবরে দুটো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্মাণের কাজও শুরু করা হচ্ছে।তাছাড়া ‘ উড়ান যোজনা ’ রমাধ্যমে আগ্রা, কানপুর, এলাহাবাদ, বরেলি, ঝাঁসি, চিত্রকূট, মোরাদাবাদ, আলিগড় ওআজমগড়ের মতো ১টি শহরে বিমানবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে। আমি অনেকদিন ধরেই বলে আসছিযে, আমার স্বপ্ন হল, আমার দেশের হাওয়াই চপ্পল পরিহিত সাধারণ মানুষ বিমানেআসা-যাওয়া করবেন। আপনারা ভাবুন, ইউপি ’ তেএতগুলি বিমানবন্দর সক্রিয় নেই। সেগুলিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সক্রিয় করার কাজচলছে। কিন্তু গত এক বছরে ইউপিতে বিমানযাত্রীর সংখ্যা ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে যাজাতীয় গড় থেকে অনেক বেশি। আর যখন নতুন বিমানবন্দরগুলি কাজ শুরু করবে, তখন কত বড়পরিবর্তন আসবে তা আপনারা কল্পনা করতে পারেন।

উত্তরপ্রদেশেদেশের মধ্যে সর্ববৃহ ৎ রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে, প্রায় ৯ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘরেল নেটওয়ার্ক। জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কেও ইউপির গুরুত্বপূর্ণ স্হান রয়েছে। ইস্টার্নএবং ওয়েস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডরে কাজ সম্পূর্ণ হলে ইউপির অর্থব্যবস্হা নতুনশক্তিতে বলীয়ান হবে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে এই দুটি করিডরই ইউপির দাদরি শহরেমিলিত হবে। এই করিডরের সঙ্গে দিল্লী-মুম্বাই ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর কিম্বাঅমৃতসর-দিল্লী-কলকাতা শিল্প করিডরের ত্রিশক্তি ইউপির উন্নয়নে একটি বড়উল্লম্বনরূপে পরিগণিত হবে।

বারাণসীথেকে হলদিয়া পর্যন্ত নির্মীয়মান জাতীয় জলপথও ইউপির শিল্পোন্নয়নে সহায়ক হবে।তাছাড়া লক্ষ্মৌ, গাজিয়াবাদ, নয়ডাতে মেট্রো রেলের বিস্তার, মেরঠ, কানপুর ওবারাণসীতে নতুন মেট্রো, ইউপিতে বিশ্বমানের পরিবহন পরিকাঠামো নির্মাণে সাহায্যকরবে।

পাশাপাশি ‘ ভারত নেট পরিযোজনা ’ অনুসারে উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েতগুলিতে অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ এ রাজ্যেরগ্রামাঞ্চলকে গোটা বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করে দেবে। আধুনিক মহাসড়ক, রেলপথ, সাবওয়েবা মেট্রো, বিমানপথ, জলপথ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সংযুক্তিকরণ এর মিলিত পরিকাঠামোউত্তরপ্রদেশকে একবিংশ শতাব্দীর নতুন লক্ষ্যে পৌঁছে দেবেই। ফলে পর্যটন উন্নত হবে,কর্মসংস্হানও বৃদ্ধি পাবে।

বন্ধুগণ,পর্যটন ক্ষেত্র প্রবৃদ্ধিকে অনেক সময় গুনিতক হারে ত্বরান্বিত করে। উত্তরপ্রদেশঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে ধনী। কলা ও সংস্কৃতির অনেক মাধ্যমের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশবৈশিষ্ট্য দাবি করে। প্রয়োজন শুধু পর্যটন ক্ষেত্রে বাস্তুতন্ত্র গড়ে তোলার।ঐতিহ্য পর্যটন, হস্তশিল্প পর্যটন, বাস্তু পর্যটন, অরণ্যজীবন পর্যটন, গ্রাম পর্যটন-কত ধরণের সম্ভাবনা ইউপিতে রয়েছে যা আরও ভালভাবে করা সম্ভব।

এখনইদেশি-বিদেশী পর্যটকের সমাগমের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ দেশের অগ্রণী রাজ্যগুলিরঅন্যতম। একে সর্বাগ্রে নিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই শীর্ষ সম্মেলনে নতুন পর্যটননীতি ঘোষণা হতে চলেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে এর মাধ্যমে এই লক্ষ্যপূরণ সম্ভব হতেপারে। ইউপি এখন পর্যটন ক্ষেত্রকেও ‘ ইন্ডাস্ট্রি ’ আখ্যা দিয়েছে।

ভাইও বোনেরা আগামী বছরের গোড়ায়, ২০১৯-এর জানুয়ারিতে প্রয়াগে মহাকুম্ভের আয়োজন করাহবে। গোটা বিশ্বে এটি নিজের মতো সর্ববৃহ ৎ আয়োজন। গতবছর রাষ্ট্রসঙ্ঘকুম্ভমেলাকে ‘ মানবতার অমূল্য ঐতিহ্য ’ রূপে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটা আমাদের প্রত্যেকের জন্য,বিশেষভাবে উত্তরপ্রদেশ সরকারের জন্য একটি বড় সুযোগ। কুম্ভের সময় কল্পবাসীদের নিয়েদেশ-বিদেশ থেকে আগত লক্ষ কোটি মানুষের মনে ২০১৯-এর এই কুম্ভমেলা যেন অবিষ্মরণীয়স্মৃতি হয়ে থাকে, এখানকার নব যুবক-যুবতীদের রোজগারের উপায় হয়ে ওঠে, নতুন নতুনসুযোগ তৈরি করে, এই লক্ষ্য নিয়ে আমাদের সবাইকে মিলেমিশে প্রস্তুতি নিতে হবে।বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে মানুষ এসে যেন এই কুম্ভে অনুপম অতুলনীয় স্মৃতি নিয়েফিরে যেতে পারেন, ভারতের আত্মার পরিচয় মনে নিয়ে যেতে পারেন তার যথাযথ আয়োজন করতেহবে।

বন্ধুগণএ ধরণের বিনিয়োগকারী শীর্ষ সম্মেলন দেশে প্রথম গুজরাট রাজ্যে আয়োজিত হয়েছিল। এরসাফল্য দেখে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ঝাড়খন্ড, মহারাষ্ট্র, আসাম হয়ে এখনউত্তরপ্রদেশে আয়োজিত হচ্ছে। এই বিনিয়োগকারী শীর্ষ সম্মেলনে যেসব মৌ স্বাক্ষরিত হবেসেগুলির বাস্তবায়ন দ্রুত করতে হবে। ইউপির মুখ্যমন্ত্রী যোগীজির বক্তব্য শুনে আমারউ ৎ সাহবেড়েছে, কারণ তিনি বলেছেন যে নিজেই এই বাস্তবায়ণের বিষয়টি তদারকি করবেন। তিনিপ্রস্তুত থাকুন, গোটা উত্তরপ্রদেশের নজর তাঁর দিকে থাকবে।

আমাদেরসরকার কেন্দ্রে ও রাজ্যে পেশাকেন্দ্রিক ও জনগণ কেন্দ্রিক উন্নয়নে জোর দিয়েছে,দরিদ্র মানুষদের অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তিকরণে জোর দিয়েছে। সেজন্য ‘ ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস ’ এরপাশাপাশি ‘ ইজ অফ লিভিং ’ -কে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এই সরকারের নীতি এবংপ্রকল্পগুলিরই প্রভাবে ‘ জন-ধন-যোজনা ’ -র মাধ্যমে ৩১ কোটি গরিব মানুষের নতুন ব্যাঙ্কঅ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। ১৮ কোটিরও বেশি গরিব মানুষ ৯০ পয়সা প্রতিদিন কিম্বা মাসেএক টাকা কিস্তি জমা দিয়ে বিমা সুরক্ষা পেয়েছেন।

বিগততিন বছরে কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশে গরিব, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য ১কোটি গৃহনির্মাণ করেছে। স্বচ্ছ ভারত মিশনের মাধ্যমে প্রায় ৬ কোটি শৌচালয় নির্মাণকরেছে। আর উজ্জ্বলা যোজনার মাধ্যমে সরকার ইতিমধ্যেই ৩ কোটি ৩০ লক্ষেরও বেশিমহিলাকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাস সংযোগপ্রদান করেছে।

এবছরের বাজেটে উজ্জ্বলা যোজনার লক্ষ্য ৫ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৮ কোটি করা হয়েছে। দেশেরপ্রত্যেক গরিবের ঘরে বিদ্যুতের আলো পৌঁছে দিতে সরকার প্রধানমন্ত্রী সৌভাগ্য যোজনাওশুরু করেছে। এর মাধ্যমে চার কোটি গরিব মানুষকে বিনামূল্যে বিদ্যু ৎ সংযোগ দেওয়া হবে।

এবারেরবাজেটে আমাদের সরকার দেশের দরিদ্র পরিবারের যে কোনও সদস্যের চিকি ৎ সারজন্য বছরে ৫ লক্ষ টাকা বিমার ব্যবস্হা করছে ‘ আয়ুষ্মানভারত ’ প্রকল্পের মাধ্যমে । আর প্রায় ১০ কোটি পরিবার বা ৫০কোটিরও বেশি মানুষ এই সুবিধা পাবেন। এই প্রকল্প সাধারণ মানুষকে কঠিন রোগের কারণেদ্বিগুন আর্থিক সংকট থেকে বাঁচাবে।

সাধারণমানুষের জীবনযাপনকে সহজ করে তুলতে আমাদের সরকার এরকম অনেক কাঠামগত পরিবর্তন এবংনীতি সংশোধন করছে। দেশের কৃষক, গরিব, দলিত ও পিছিয়ে পড়া সমাজের বঞ্চিত মানুষেরাএর দ্বারা লাভবান হচ্ছেন।

বন্ধুগণ,নতুন ভারত গড়তে, নতুন উত্তরপ্রদেশ গড়তে নতুন উ ৎ সাহও উদ্যম নিয়ে বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। আশা করি এই বিনিয়োগকারী শীর্ষ সম্মেলনউত্তরপ্রদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনার অনেক নতুন দরজা খুলতে সক্ষম হবে। এই আশা নিয়েআমার বক্তব্য সম্পূর্ণ করছি। আমি আরেকবার আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।শ্রদ্ধেয় জগন্নাথজিকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার বিশ্বাস, যোগীজির নেতৃত্বেউত্তরপ্রদেশে দ্রুতগতিতে উন্নয়নের উচ্চতায় পৌঁছুনোর পথ প্রশস্ত হচ্ছে। আপনারা সবাইতাঁকে আশীর্বাদ করবেন, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন। নতুন ভারত নির্মাণেউত্তরপ্রদেশের উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা মিলেমিশে কাজ করবো। এইআশা নিয়ে আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

অনেকঅনেক ধন্যবাদ, নমস্কার।

PG/SB /NS/