Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

লোকসভায় রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর জবাবী ভাষণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বৈশিষ্ট্য


লোকসভায় রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ জবাবী ভাষণ দেন। একাধিক ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন :

 

“একটি সরকারকে ভারতের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে হবে, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাগুলির প্রতি সরকারকে সংবেদনশীল হতে হবে। এখানে দুর্নীতির কোন স্থান নেই।

 

সংসদে তর্ক-বিতর্কে বহু সদস্য অংশ নিয়েছেন। আমি তাঁদের সকলকে ধন্যবাদ জানাই।  

 

২০১৯-এর সংসদীয় নির্বাচনে প্রথমবার যাঁরা ভোট দিতে চলেছেন, আমি তাঁদের সকলকে অভিনন্দন জানাই। একবিংশ শতাব্দীতে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছেন তাঁরা এবার ভোটদাতা হতে চলেছেন। ভারতের অগ্রগতিতে সঠিক রূপদানের ক্ষেত্রে এঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

 

আস্থা ও প্রত্যাশার ওপর নির্ভর করে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে। চ্যালেঞ্জ থেকে যারা দূরে পালায়, আমরা তাদের মতো নই। আমরা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখী হই এবং মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ করার চেষ্টা করি।

 

কংগ্রেসে আমার বন্ধুরা দুটি সময় লক্ষ্য করেছেন তা হল, BC – Before Congress, যখন কিছুই হয়নি এবং অপরটি হল AD – After Dynasty, যখন সবকিছুই হয়েছে।

 

বিগত চার বছরে ভারতে লক্ষ্যণীয় অগ্রগতি ঘটেছে। প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রেই – বিনিয়োগ থেকে ইস্পাত, স্টার্ট-আপ, দুগ্ধ ও কৃষি এমনকি বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রেও ভারতের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য।

 

মোদীকে অবজ্ঞা করে বিরোধীরা দেশকে অবজ্ঞা করেছেন। আর, এই কারণেই তাদের নেতা-নেত্রীরা লন্ডনে যান এবং সেখানে গিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভারতের খারাপ দিকগুলি তুলে ধরেন।

 

আপনারাই জানেন, তাদের বিরুদ্ধে আমার কি অপরাধ? দরিদ্র পরিবারে জন্মানো এক ব্যক্তি, এদের সর্বব্যাপী একাধিপত্ত্ব স্থাপনের ক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।

 

বিগত ৫৫ বছরে দেশে শৌচালয় ও অনাময়তার পরিধি ছিল ৩৮ শতাংশ, আমাদের ৫৫ মাসে যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৯৮ শতাংশ। তাদের ৫৫ বছরের শাসনকালে ১২ কোটি গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছিল। আমাদের ৫৫ মাসে এই সংখ্যা ১৩ কোটি। আমাদের পাঁচ বছরের সময়কালে আমরা রেকর্ড গতিতে কাজ করেছি।

 

এটা ভেবে দেখুন, কংগ্রেস জরুরি অবস্থা জারি করেছিল, কিন্তু মোদী প্রতিষ্ঠান বিরোধী কাজ করছেন। কংগ্রেস সেনাবাহিনীর অমর্যাদা করে বলেছে, সেনা প্রধান একজন গুণ্ডা, কিন্তু মোদী প্রতিষ্ঠান বিরোধী কাজ করছেন। কংগ্রেস নেতা-নেত্রীরা গল্প বানিয়েছেন যে সেনা প্রধান সামরিক ব্যবস্থায় আঘাত হানছেন …, কিন্তু মোদী প্রতিষ্ঠান বিরোধী কাজ করছেন।

 

কংগ্রেস সংবিধানের ৩৫৬ নং ধারার বহুবার অপব্যবহার করেছে …, কিন্তু মোদী প্রতিষ্ঠান বিরোধী কাজ করছে।

 

সমগ্র ভারতবাসী দেখেছেন, পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে একটি সরকার কি কাজ করতে পারে। এরা এনডিএ-র কাজও দেখেছেন। তারা ‘মহামিলাবট’ বা ভেজাল সরকার চান না, যারা কলকাতায় সমবেত হয়েছিলেন।

 

২০১০-এর কমনওয়েল্‌থ গেমসের সময়, আমাদের খেলোয়াড়রা পদক জয়ের জন্য কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের কাছে কমনওয়েল্‌থ গেমস ছিল দলের কয়েকজনের কাছে ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়ানোর এক সুযোগ।

 

ইউপিএ সরকারের ফোন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা তাদের নেতা-নেত্রীদের বন্ধুদের বিশেষ স্বার্থবাহী হয়েছিল। এই পক্ষপাতিত্বের দরুণ আমাদের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় বহু সমস্যা দেখা দেয়।

 

সংসদের এই কক্ষে আমি বলতে চাই যে, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কখনই চায়নি যে আমাদের সেনাবাহিনী শক্তিশালী হোক। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার হোক, এটাও তারা চায়নি। যে সংস্থাগুলির হয়ে তারা নিলামে অংশ নিচ্ছে সে ব্যাপারে তারা অত্যন্ত নিন্দাজনক কাজ করছে।

 

ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর সর্বদাই তাঁর সময়ের আগে ছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে, কংগ্রেসে যোগদানের অর্থ আত্মহত্যার সামিল।

 

হাজার হাজার সংগঠন বিদেশ থেকে টাকা পেয়েছে। টাকা পাঠানোর এই প্রক্রিয়ায় আমরা যখন স্বচ্ছতার দাবি জানিয়েছি, তখন এই প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ হয়ে গেছে। কোনরকম দায়বদ্ধতা ছাড়াই কেন এই বিপুল অর্থ তাদের জন্য অনুমোদন করা হয়েছিল?

 

মূল্যবৃদ্ধি ও কংগ্রেস পক্ষান্তরে যেন একটি দল হয়ে উঠেছিল। কংগ্রেস যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। এনডিএ সরকার মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কাজ করেছে।

 

ইউপিএ জমানায় এলইডি বাল্বের দাম অত্যন্ত বেশি হওয়ার পেছনে কি কারণ ছিল।

 

আমার সরকার দেশবাসীর সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণের লক্ষ্যে কাজ করেছে। স্টেন্ট, হাঁটু প্রতিস্থাপন ও ওষুধপত্রের দাম কমছে। এর ফলে, দরিদ্র থেকে দরিদ্রতর মানুষের উপকার হচ্ছে।

 

২০১৭-র সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮-র নভেম্বর – এই ১৫ মাসে ১ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ কর্মচারী ভবিষ্যনিধি প্রকল্পের গ্রাহক হয়েছেন। এঁদের মধ্যে ৬৪ শতাংশ মানুষের বয়স ২৮ বছরের নিচে।

 

এছাড়া, ২০১৪-র মার্চ পর্যন্ত ৬৫ লক্ষ মানুষ ন্যাশনাল পেনশন স্কিম (এনপিএস)-এর আওতাভুক্ত হয়েছেন। গত অক্টোবর মাসে এই সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ২০ লক্ষে পৌঁছেছে। নতুন কর্মসংস্থানের ফলেই এটা সম্ভব হয়েছে।

 

প্রত্যেক বছর আয়কর রিটার্ন দাখিল করার সময় কর্পোরেট ক্ষেত্র বহির্ভূত করদাতারাও তাঁদের আয়ের হিসাব পেশ করেন। নিয়োগকর্তারা বেতন পান না, কিন্তু এঁদের কাছে নিযুক্ত কর্মীরা বেতন পান।

 

বিগত চার বছরে দেশে ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার নতুন পেশাদার কর্মী মূল শ্রমবাহিনীতে যুক্ত হয়েছে। আপনাদের কি মনে হয়, একজন চিকিৎসক তাঁর নার্সিং হোম বা ক্লিনিকে একজন কর্মীকেই নিয়োগ করেন? বা একজন চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট কি তাঁর দপ্তরে একজন কর্মীকেই রাখেন? না, তা হয় না।

 

হাজার হাজার কোটি টাকার ৯৯টি সেচ প্রকল্পের কাজ শেষ করার কাজ চলছে।

 

ইজরায়েল ও প্যালেস্তাইন উভয়েরই বন্ধু হয়ে উঠবে ভারত। সৌদি আরব ও ইরানেরও বন্ধু হয়ে উঠবে। আমাদের বৈদেশিক নীতির ফলে বিশ্ব মঞ্চে ভারতের অবস্থান আরও মজবুত হচ্ছে।

 

আমরা দেশবাসীর প্রত্যাশাগুলি সর্বদাই পূরণ করে চলব।

 

ঔদ্ধত্যের কারণে তারা আজ ৪০০ থেকে ৪৪-এ নেমে এসেছে। দেশের প্রতি অঙ্গীকার এবং আমাদের কঠোর পরিশ্রমের দরুণ আমরা ২ থেকে ২৮২-তে পৌঁছেছি।

 

আমি আপনাদের আশ্বস্ত করে বলতে চাই যে, যারা দেশকে লুঠ করেছেন তারা সর্বদাই নরেন্দ্র মোদীকে ভয় করে চলবেন।

 

সুরজ জায়েগা ভী তো কঁহা

উসে ওহী রহনা হোগা

বহী হমারী সাসোঁ মেঁ

হমারী রগো মেঁ

হমারে সংকল্পো মেঁ

হমারে রাতজগোঁ মেঁ

তুম উদাস মত হো

 

CG/BD/DM