পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয়মন্ত্রিসভা বুধবার “শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কর্মসংস্থান ও উপযুক্ত কাজ (নং.-২০৫)” নিয়েঅন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আই.এল.ও.) গৃহীত নতুন প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত সংসদেউত্থাপনের অনুমোদন দিল| ২০১৫ সালের জুন মাসে জেনেভায় অনুষ্ঠিত আই.এল.ও.-এর ১০৬তমআন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়| ভারত সেই প্রস্তাব গ্রহণেসমর্থন জানায়|
আই.এল.ও.-এর প্রতিটি সদস্য দেশকে সেই গৃহীত প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে (ভারতের ক্ষেত্রে সংসদ) উপস্থিতকরতে হবে| এই প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত সংসদে উত্থাপন করার উদ্দেশ্য হচ্ছে তা নিয়ে অবগত করানো, তাইএতে কোনো আশু বাধ্যবাধকতা তৈরি হবেনা| আই.এল.ও. ’ র প্রস্তাবে কোনো বাধ্যবাধকতা থাকেনা|এটা শুধুমাত্র জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি পথ নির্দেশকারী নীতি হিসেবেকাজ করে|
এই প্রস্তাব সদস্য দেশগুলোকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উপযুক্ত বা শালীন কাজেরজন্য গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে নির্দেশিকা প্রদান করে| যার উদ্দেশ্য হচ্ছে সংঘর্ষ ওবিপর্যয়ের জন্য আসা সংকটের অবস্থার প্রতিরোধ, পুনরুদ্ধার, শান্তি ওস্থিতিস্থাপকতা| এই প্রস্তাবে সমস্ত মানব সমাজের অধিকার এবং আইনের শাসনের ওপরও জোরদেওয়া হয়েছে|
এই প্রস্তাবে সংকট প্রতিরোধ, পুনরুদ্ধার ও স্থিতিস্থাপকতার জন্য সামাজিকসুরক্ষার পদক্ষেপগুলোকে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে| এর জন্য সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গত ও ব্যাপক কৌশলের জন্য বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও বলাহয়েছে| যেখানে কর্মসংস্থান, উপযুক্ত কাজ এবং আর্থ-সামাজিক পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্যস্থানীয় অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, সামাজিক সুরক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি,দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন, দীর্ঘস্থায়ী উদ্যোগ (বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ)নির্মাণ, পরিকল্পনা তৈরিতে কর্মচারী ও শ্রমিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, পুনরুদ্ধার ওস্থিতিশীলতার জন্য পরিচালনা পদ্ধতি রূপায়ণ ইত্যাদিতে জোর দেওয়া হয়েছে| এই ২০৫ নং.প্রস্তাবটি সমস্ত অংশের কর্মপ্রার্থী ও শ্রমিকদের পাশাপাশি সমস্ত ক্ষেত্রের কর্মপ্রদানকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য|
A.D.