পিএমইন্ডিয়া
শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী এক বার্তায় বলেছেন, “আপনাকে এবং সমগ্র শিক্ষক সমাজকে শিক্ষক দিবসের শুভেচ্ছা।”
এই দিবস সমগ্র শিক্ষক সমাজকে তাদের কঠোর পরিশ্রম, আন্তরিকতা ও অঙ্গিকারের জন্য সম্মান ও শ্রদ্ধা জানানোর মুহূর্ত। শ্রেণীকক্ষে শিক্ষাদানের পাশাপাশি, শিক্ষক-শিক্ষিকারা ব্যতিক্রমী পথ-প্রদর্শক ও আলোর দিশারী যারা ছাত্রছাত্রীদের জীবনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
শিক্ষক সমাজের নিঃস্বার্থ মানসিকতা সর্বব্যাপী প্রশংসিত দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও পারিবারিক দায়িত্ব সত্বেও ছাত্রছাত্রীরা সহজেই নতুন ধ্যান-ধারণা ও পন্হা-পদ্ধতি সহজেই রপ্ত করতে পারে, তা শিক্ষক-শিক্ষিকারা সুনিশ্চিত করতে চান।
ফলাফলের ওপর মনোযোগ
আজ, ভারত শিক্ষা ক্ষেত্রে এক লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন প্রত্যক্ষ্য করছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে আমরা খরচের চিরাচরিত মানসিকতাকে দূরে সরিয়ে এখন পরিণামের ওপর অগ্রাধিকার দিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষিকারা তরুণ মনে গবেষণা ও উদ্ভাবনের মানসিকতা গড়ে তুলতে যে আন্তরিক ও কঠোর প্রয়াস চালাচ্ছেন, তা আমাকে আনন্দ দেয়। এটাই হল সেই মানসিকতা যা আমাদের যুব সমাজকে নিজেদের ও দেশের জন্য ব্যতিক্রমী কিছু করতে শক্তি জোগায়।
একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জনে সাহায্য
এই শিক্ষক দিবসে, আমার সহ-নাগরিকসম শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে একটি অনুরোধ আছে। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জনে ভারত এক গণ-আন্দোলন শুরু করেছে। এই আন্দোলনে আমি শিক্ষক সমাজের সক্রিয় সমর্থন ও অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেছি। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের মাধ্যমে আমাদের পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে, সে ব্যাপারে যদি শিক্ষক-শিক্ষিকারা ছাত্রছাত্রীদের সম্যক ধারণা গড়ে তোলার চেষ্টা করেন এবং এ ধরণের প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে তাদের পরামর্শ দেন, তাহলে ছাত্রছাত্রীরা এই গণ-আন্দোলনের অঙ্গ হয়ে উঠতে উৎসাহিত বোধ করবে। আর এটাই হবে আমাদের প্রিয় পূজনীয় বাপুর জন্মের সার্ধশতবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধা নিবেদন।
এই শিক্ষক দিবসে, এক অসাধারণ শিক্ষক ও পথ-প্রদর্শক মহান ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণকেও আমার শ্রদ্ধা জানাই। মহান এই ব্যক্তিত্বের জীবন কর্ম আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে পেশা হিসেবে শিক্ষাকে গ্রহণ করা এবং যুব সমাজের পথ-প্রদর্শক হয়ে ওঠার জন্য অনুপ্রাণিত করুক।
CG/BD/NS