পিএমইন্ডিয়া
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির পৌরহিত্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ‘শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা অধিকার আইন (আর.টি.ই.), ২০০৯’-এর সংশোধনীর অনুমোদন দিল| এর ফলে ৩১ মার্চ ২০১৫ পর্যন্ত বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট ন্যূনতম যোগ্যতা অনুসারে নিযুক্ত সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ চার বছরের জন্য অর্থাৎ ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বর্ধিত করার বিষয়টি সুনিশ্চিত করবে|
এর ফলে কর্মরত প্রশিক্ষণহীন প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকারা তাদের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করতে পারবেন এবং তাতে দেশের প্রাথমিক পর্যায়ে কর্মরত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একটা ন্যূনতম গুণমান সম্পন্ন যোগ্যতা থাকবে| এটাও সুনিশ্চিত হবে যে, শিক্ষার গুণমান বজায় রাখার জন্য জরুরি বলে বিবেচিত গুণমান শিক্ষক-শিক্ষিকাদের রয়েছে| তাতে দেশের শিক্ষিক-শিক্ষিকাদের গুণমান, শিক্ষার পদ্ধতির মানোন্নয়ন হবে এবং ছেলেমেয়েদেরও শিক্ষা বৃদ্ধি পাবে| এতে সরকার যে প্রাথমিক শিক্ষার গুণমানের উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে তা আরও শক্তিশালী হবে|
‘শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা অধিকার আইন (আর.টি.ই.), ২০০৯’ কার্যকর হয় ২০১০ সালের পয়লা এপ্র্রিল থেকে| এর মাধ্যমে ৬-১৪ বছর বয়সী সমস্ত শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি রূপায়িত করা হচ্ছে| এই আইন অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষকদের ন্যূনতম যোগ্যতা থাকা বাধ্যতামূলক| বিভিন্ন রাজ্য সরকারের তথ্য থেকে পাওয়া যাচ্ছে, দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় রয়েছে ৬৬.৪১ লক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা| এর মধ্যে ১১ লক্ষ এখনও প্রশিক্ষিত নন| যাদের মধ্যে ৫.১২ লক্ষ হচ্ছেন সরকারি ও সরকারি সহায়তার বিদ্যালয়ের এবং ৫.৯৮ লক্ষ হচ্ছে বেসরকারি বিদ্যালয়ের|
A.D