পিএমইন্ডিয়া
মঞ্চে উপস্থিত জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল শ্রী এন এন বোরাজি, মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতিজি, আমার মন্ত্রিমণ্ডলের সহযোগী শ্রী নীতিন গড়করিজি, ডঃ জিতেন্দ্র সিংজি, আর কে সিংজি, জম্মু ও কাশ্মীরের উপ-মুখ্যমন্ত্রী শ্রী কবিন্দ্র গুপ্তাজি, রাজ্যের শক্তি মন্ত্রী শ্রী সুনীল কুমার শর্মাজি, বিধানসভার উপাধ্যক্ষ শ্রী নজির আহমেদ খানজি, সাংসদ ও দেশের অগ্রজ নেতা সম্মানিত ডঃ ফারুক আব্দুল্লাজি, সাংসদ শ্রী মুজাফফর হুসেন বেগজি, এখানে উপস্থিত অন্য সকল মাননীয় ব্যক্তিবর্গ এবং আমার জম্মু ও কাশ্মীরের প্রিয় ভাই ও বোনেরা।
আরেকবার আপনাদের মাঝে জম্মু ও কাশ্মীরে আসার সুযোগ আমি পেলাম। আপনাদের আত্মীয়তা ও স্নেহ আমাকে এখানে বারবার টেনে আনে। বিগত চার বছরে এমন কোনও বছর নেই যে, আমি এখানে আসিনি। শ্রীনগরে ভয়ানক বন্যার পরও দীপাবলীর দিনে আমি এখানকার বন্যা পীড়িতদের সঙ্গে দীপাবলী উদযাপন করেছি। এছাড়া, সীমান্তে প্রহরারত সৈনিকদের সঙ্গেও দীপাবলী পালনের সৌভাগ্য আমার হয়েছে। রমজানের এই পবিত্র মাসে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। এই মাসটি পয়গম্বর মহম্মদ সাহেবের শিক্ষা ও তাঁর বার্তা স্মরণ করার মাস। তাঁর জীবন থেকে সাম্য ও সৌভাতৃত্ববোধের শিক্ষাই সঠিক অর্থে দেশ ও বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
এটাও অত্যন্ত আনন্দের যে রমজানের এই মোবারক মাসে আমরা এখানে একটি বড় স্বপ্ন সাকার হতে দেখার জন্য একত্রিত হয়েছি। আজ আমার জাতির উদ্দেশে কিশনগঙ্গা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি উৎসর্গ করার সৌভাগ্য হয়েছে। অনেক সমস্যা মোকাবিলা করে এই প্রকল্প জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়ন যাত্রায় নতুন মাত্রা সংযোজনের জন্য প্রস্তুত। এই উপলক্ষে আমি আপনাদের সকলকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। এর ফলে, এই রাজ্যের মানুষ শুধু বিনামূল্যেই নয়, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যুৎ পাবেন। এখন জম্মু ও কাশ্মীরের যতটা বিদ্যুতের প্রয়োজন তার একটা বড় অংশ দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে পাঠানো হয়। এবার ৩৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্প শুরু হওয়ায় এই রাজ্যে বিদ্যুতের চাহিদা অনেকটাই মিটবে।
ভাই ও বোনেরা, এই প্রকল্প কারিগরি বিদ্যার একটি অনুপম উদাহরণ। এটি বাস্তবায়নের জন্য অনেক মানুষ তপস্যা করেছেন। পাহাড়ের বুক কেটে সুড়ঙ্গের মাধ্যমে কিশনগঙ্গার জলকে বান্দীপোরার বোনার নালায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক শ্রমিক, কর্মচারী এবং প্রত্যেক ইঞ্জিনিয়ার বিশেষ ধন্যবাদের পাত্র। আপনাদের সাহস ও তিতিক্ষার পরিণাম এই কঠিন প্রকল্পটির সফল বাস্তবায়ন। আজ এই মঞ্চ থেকে আমি শ্রীনগর রোড এবং রিং রোডের শিলান্যাসের সুযোগ পেয়েছি। ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কপথটি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নির্মিত হবে। এই রিং রোড শ্রীনগর শহরের অন্তর্বর্তী এলাকাগুলিতে যানজটের সমস্যা দূরীকরণে সহায়ক হবে।
পাশাপাশি, জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে কাশ্মীর, জম্মু ও লাদাখের ভারসাম্য যুক্ত উন্নয়ন অত্যন্ত প্রয়োজন। একথা মাথায় রেখে আড়াই বছর আগে ৮০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, এত কম সময়ে মাত্র ৬৩ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ স্বীকৃত হয়েছে। আর ইতিমধ্যেই ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে আইআইটি এবং আইআইএম স্থাপনের কাজ, ২টি এইমস্ হাসপাতাল নির্মাণ, প্রাথমিক চিকিৎসালয় থেকে শুরু করে জেলা হাসপাতালগুলি আধুনিকীকরণের কাজও চালু হয়েছে। নতুন জাতীয় সড়ক, অলওয়েদার রোড, নতুন সুড়ঙ্গ, পাওয়ার ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন লাইন, নদী ও হ্রদগুলির সংরক্ষণ, কৃষকদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প, হিমঘর, গুদামীকরণ, নবীনদের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করতে নতুন নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একবিংশ শতাব্দীতে জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের আশা-আকাঙ্খা পূরণে এইসব বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
বন্ধুগণ, যখনই আমি পাহাড়ে আসি একটি প্রবাদ মনে পড়ে। আগে বলা হ’ত যে, পাহাড়ের যৌবন এবং পাহাড়ের জল কখনও পাহাড়ের কাজে লাগে না। যখন কোনও আধুনিক প্রযুক্তি গড়ে ওঠেনি, মানুষ প্রকৃতির খামখেয়ালীপনার সামনে অসহায় ছিল – এটি তখনকার প্রবাদ। কিন্তু এখন যুগ বদলেছে। আমরা তাই আপনাদের সকলের সহযোগিতা এই প্রবাদকে বদলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি। জম্মু ও কাশ্মীরের জল এবং এখানকার যৌবন দুটোই এখন এখানকার মানুষদের কাজে লাগবে।
জম্মু ও কাশ্মীরে এমন অনেক নদী আছে, যা থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এই রাজ্য দেশের এমন একটি অংশ, যা শুধুই নিজের প্রয়োজনসাধন নয়, দেশের বাকি অংশের প্রয়োজনমাফিক বিদ্যুৎ সরবরাহের সামর্থ্য রাখে। একথা মাথায় রেখেই বিগত চার বছর ধরে আমরা এখানে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছি। কিশ্তওয়াড়-এ ৮ হাজার কোটিরও বেশি অর্থ বিনিয়োগে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু হতে চলেছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চলছে। স্মার্ট গ্রিড এবং স্মার্ট মিটারের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। রাস্তার আলোর ব্যবস্থাকে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরের গ্রাম থেকে শহর সমস্ত পথকে আলোকিত করার জন্য, রাজ্যের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
বন্ধুগণ, আমাদের উদ্দেশ্য শুধুই গ্রামে গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া নয়। যে বাড়িগুলিতে ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে, তাঁদের বিদ্যুৎ বাবদ খরচের বোঝা হ্রাস করার চেষ্টাও আমরা করছি। উজালা যোজনার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরে ৭৮ লক্ষেরও বেশি এলইডি বাল্ব বিতরণ হয়েছে। এর ফলে, এখানকার জনগণের বিদ্যুতের বিল বাবদ প্রতি বছর প্রায় ৪০০ কোটি টাকারও বেশি সাশ্রয় হচ্ছে। সরকার রাজ্যর প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে বদ্ধ পরিকর। সৌভাগ্য যোজনার মাধ্যমে এখন জম্মু ও কাশ্মীরে প্রত্যেক বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে।
বন্ধুগণ, জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নে পর্যটন হ’ল রোজগারের সর্ববৃহৎ উপায়। আপনাদের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের প্রকৃতিই কম বিনিয়োগে সর্বাধিক রোজগার প্রদান করার সামর্থ্য রাখে। এই রাজ্যে বিভিন্ন ধর্মের তীর্থস্থান রয়েছে। বাবা বরফানি হোন কিংবা মাতা রানীর দরবার। দেশ-বিদেশ থেকে ভক্তরা দলে দলে এখানে আসেন। কিন্তু আজকের পর্যটন পুরনো পদ্ধতিতে অচল। আজকের পর্যটকরা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা চান। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষায় থাকা তাঁদের পছন্দ নয়। তাঁরা সরু কিংবা ঘিঞ্জি পথে আটকে থাকতে চান না। তাঁদের বিশ্রামগৃহে বিদ্যুৎ চাই, শৌচালয় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া চাই, তাঁদের উন্নত মানের বিমান পরিষেবা চাই।
পর্যটনের জন্য যেমন আধুনিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন, তা মাথায় রেখে জম্মু ও কাশ্মীরের পর্যটক ও তীর্থযাত্রীদের অধিক স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিষেবা প্রদানের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির নানা প্রচেষ্টা সরকার করে যাচ্ছে।
বন্ধুগণ, সমগ্র বিশ্বেই এমন অনেক স্থান আছে, যেখানকার সম্পূর্ণ অর্থ ব্যবস্থা পর্যটন-কেন্দ্রীক। এরকম অনেক দেশও আছে। আমাদের দেশে জম্মু ও কাশ্মীরের এমনই সামর্থ্য রয়েছে যে, এখানকার পর্যটন ব্যবস্থাপনা উন্নত হলে এই রাজ্য ভারতের অর্থনীতির বৈভব বৃদ্ধি করতে পারে। আমরা তাই এই রাজ্যে কেবল পর্যটন ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের স্বার্থে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ১২টি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি, ৩টি পর্যটন সার্কিট এবং ৫০টি পর্যটন গ্রাম গড়ে তোলার কাজ করছি। কিন্তু আমি আগে যেমন বলেছি, পর্যটনকে উন্নত করতে হলে সামগ্রিক পরিকাঠামোর উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।
এই পরিকাঠামো উন্নয়নে অন্যতম বড় উপাদান হ’ল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। হাইওয়ে, রেলওয়ে, ওয়াটারওয়ে, আইওয়ে, রোডওয়ে – এইসব কিছু হ’ল একবিংশ শতাব্দীর অনিবার্যতা। এক্ষেত্রে সরকারের দৃষ্টিভঙ্গী অত্যন্ত স্পষ্ট। ১২৫ কোটি ভারতবাসীর জীবন মানকে উপরে তুলতে হলে আগে তাকে সরল ও সুগম করে তুলতে হবে। এই ভাবনাকেই আমরা নতুন নাম দিয়েছি ‘স্মার্ট ব্যবস্থা’। এই ভাবনারই পরিণামস্বরূপ আজ ভারতমালা প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশে জাতীয় সড়কের জাল দ্রুতগতিতে বিস্তারিত হচ্ছে। জম্মু ও কাশ্মীরেও একইভাবে জাতীয় সড়কের জাল দ্রুতগতিতে বিস্তারিত হচ্ছে।
এখানে আসার আগে আমি দেশের দীর্ঘতম জোজিলা সুড়ঙ্গ খননকার্যে শুভ উদ্বোধন করে এসেছি। এই সুড়ঙ্গ জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নে নতুন গাথা লিখবে। আপনারা ভাবুন, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে পড়াশুনার জন্য কিংবা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে, চিকিৎসার জন্য, বাণিজ্যিক লেনদেনের জন্য আপনাদের অনেক কম সময় ও অর্থ খরচ হবে। পথে যেতে যেতে আমাদের অনেক আপেল পচে যায়, সব্জি পচে যায়। নতুন পথ কৃষকদের এই অপচয় থেকে ফল ও শাক-সব্জিকে বাঁচিয়ে তাঁদের পরিশ্রমের যথাযোগ্য মূল্য পেতে সাহায্য করবে।
শ্রীনগরে নির্মীয়মান এই রিং রোড, শ্রীনগর-শোপিয়াঁ-কাজিগুন্ড জাতীয় সড়ক কিংবা চেনানি-সুধ মহাদেব-গোহা সড়কগুলি সম্পূর্ণ হলে আপনাদের অনেক সময় বাঁচবে এবং উৎপাদিত পণ্যের অপচয় হ্রাস পাবে। রাজ্যের যে অঞ্চলগুলি প্রবল তুষার পাতের কারণে কয়েক মাসের জন্য যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, সেগুলিকেও সংযুক্ত করা হচ্ছে। যে কোনও আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য হেলিকপ্টার পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। আপনারা হয়তো এটাও জানেন যে, সরকার শ্রীনগর ও জম্মু শহরকে স্মার্টসিটিতে পরিণত করার কাজ এগিয়ে নিয়ে চলেছে।
শহর দুটি জল সরবরাহ এবং পয়ঃপ্রণালী ব্যবস্থা উন্নততর করার জন্য অমৃত যোজনার মাধ্যমে প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে কাজ শুরু হয়েছে। এই অত্যাধুনিক সুবিধা, আধুনিক সড়ক আপনাদের জীবনকে যেমন সহজ করে তুলবে, তেমনই জম্মু ও কাশ্মীরের সৌন্দর্যও আরও বৃদ্ধি পাবে।
ভাই ও বোনেরা, গ্রাম ও শহরগুলিকে স্মার্ট করে তুলতে পরিচ্ছন্নতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, জম্মু ও কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ এই অভিযানকে পূর্ণ শক্তি দিয়ে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন।
সম্প্রতি আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় এখানকার কন্যা ৫ বছর বয়সী জন্নত-কে ডাললেক পরিষ্কার করার আন্দোলনে সামিল হতে দেখেছি। যখন দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এমন পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন ভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসে, তখন এই অভিযানের একজন সদস্য হিসাবে আমার আনন্দ অনেক বেড়ে যায়। বন্ধুগণ, আমি জানি এই রাজ্যে এরকম অনেকেই নিজের মতো করে এ ধরণের অনেক কাজ করছেন।
ভাই ও বোনেরা, আমি জানি যে, সেই ভয়ানক বন্যা এখানে যে বিপর্যয় ডেকে এনেছিল, তা আপনাদের জীবনকে পর্যুদস্ত করে দিয়েছিল। আমরা যথাসম্ভব সেই লোকসানের ক্ষতিপূরণ করার চেষ্টা করেছি। সেজন্য রাজ্য সরকারও নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বন্ধুগণ, আরেকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে রাজ্যের পিডিপি-বিজেপি জোট সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে, সেটি হল ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ। আন্তর্জাতিক সীমান্ত কিংবা লাইন অফ কন্ট্রোলের ওপার থেকে অনুপ্রবেশকারী ও সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণে বিপর্যস্ত হয়ে মানুষেরা এখানে এসেছেন, তাঁদের যথাযথ পুনর্বাসন সুনিশ্চিত করার জন্য প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
আজ জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক যুবক দেশের অন্যান্য রাজ্যের যুবসম্প্রদায়ের সামনে রোল মডেল হয়ে উঠেছেন। দেশের সিভিল সার্ভিসে আমি যখন এখানকার যুবক-যুবতীদের নাম দেখি, তাঁদের সঙ্গে পরিচয় হয়, তখন আমার আনন্দ দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। যেদিন বান্দীপোরার সেই কন্যাটি কিক বক্সিং-এ ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছিলেন, সেদিন আমার বুক গর্বে ফুলে উঠেছিল। তজামুলের মতো প্রতিভাদের দেশ মাথায় করে রাখতে চায়। সেজন্য কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রীড়া মেধাকে উৎসাহিত করতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এ রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো উন্নত করা হচ্ছে।
ভাই ও বোনেরা, জম্মু ও কাশ্মীরের নবীন প্রজন্মের শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করার জন্য আমরা সচেষ্ট রয়েছি। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একজোট হয়ে অনেক নতুন প্রকল্প বাস্তবায়িত করেছি। হিমায়ত প্রকল্পের মাধ্যমে এখানে ১ লক্ষ নবীনদের প্রশিক্ষিত করার প্রকল্প চালু হয়েছে। ১৬ হাজারেরও বেশি শিশু প্রধানমন্ত্রী স্পেশাল স্কলারশিপ স্কিমের মাধ্যমে লাভবান হয়েছে। তাঁরা দেশের নামী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে। ভিন্ন ভিন্ন কারণে কলেজ ও স্কুল ছুট ৬০ হাজার ছাত্রছাত্রীকে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
এই রাজ্যের নবীন প্রজন্ম সর্বদাই সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য আগ্রহ দেখিয়েছেন। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশকে শক্তিশালী করার জন্য ইতিমধ্যেই ৫টি ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটেলিয়ন চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই পরম্পরা অনুযায়ী সেনাবাহিনী, কেন্দ্র ও রাজ্যের পুলিশ এবং ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটেলিয়ানগুলিতে ২০ হাজারেরও বেশি সৈনিক এই রাজ্য থেকে নিয়োগ হয়েছেন। এখন নতুন ইন্ডিয়া রিজার্ভ ব্যাটেলিয়ান চালু হলে আরও ৫ হাজার জনকে নিয়োগ করা হবে।
ভাই ও বোনেরা, আমাদের সরকার নাগরিক ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দেয়। এই দায়িত্ব পালনের জন্য আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীগুলি সদাপ্রস্তুত। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, প্যারামিলিটারি ফোর্স এবং সেনাবাহিনীর জওয়ানদের আমি বলতে চাই যে, কঠিন পরিস্থিতিতেও আপনারা বীরত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। আপনাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় এত সুন্দর যে তুষারঝড় কিম্বা অগ্নিকাণ্ডের মতো বিপর্যয়ের সময় পীড়িতদের ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে আপনাদের ক্ষিপ্রতা প্রশংসার দাবি রাখে। এখানকার সাধারণ মানুষও দেশের স্বার্থে যা যা করছেন, যত ধরণের কষ্টে ভুগছেন তাঁর প্রতিটি চিত্র আজ দেশের জনসাধারণের মনে স্থান করে নিয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, দেশের ১২৫ কোটি মানুষ আজ নতুন ভারতের সংকল্প নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। জম্মু ও কাশ্মীর এই নতুন ভারতের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম তারকা হয়ে উঠতে পারে। জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্য এমনভাবে আমরা কাজ করছি যাতে নতুন ভারতে এই রাজ্যটিকে উদীয়মান তারকা হিসাবে গণ্য করা হয়। ভারতের মানচিত্রের কথা কল্পনা করুন, যখন ভারতের মুকুট থেকে হীরের মুকুটের মতো জ্যোতি বিচ্ছুরিত হবে, এই বিচ্ছুরণ অবশিষ্ট ভারতকে উন্নয়নের পথ দেখাবে। দেশের উৎকৃষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, উন্নত সড়ক ও আধুনিক এয়ারপোর্ট গড়ে তুলতের পারলে আমাদের এই রাজ্য থেকেও ভালো চিকিৎসক, প্রযুক্তিবিদ, অধ্যাপক এবং আধিকারিক উঠে না আসার কোনও কারণ নেই।
বন্ধুগণ, এমন অনেক শক্তি রয়েছে, যারা চায় না যে জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়ন হোক, এখানকার মানুষ শান্তিতে বসবাস করুন। কিন্তু বন্ধুগণ, এই বিদেশি শক্তিগুলিকে সমুচিত জবাব দেওয়ার জন্য আমাদের সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলতে হবে।
যারা এতদিন বিদেশি অপপ্রচারে প্রভাবিত হয়ে নিজের পবিত্র মাতৃভূমিকেই আক্রমণ হানছিল, এই রাজ্যে মেহবুবা মুফতিজির নেতৃত্বে যে পিডিপি-বিজেপি জোট সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার নিরন্তর প্রচেষ্টায় সেই বিভ্রান্ত যুবকদের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে।
বন্ধুগণ, শান্তি ও স্থায়িত্বের কোনও বিকল্প হয় না। আমার অনুরোধ, যে নবীনরা বিভ্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা মূলধারায় ফিরে আসুক। এই মূলধারা হ’ল – তাঁদের পরিবার, পিতা-মাতা। এই মূলধারা হ’ল – জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নে তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। জম্মু ও কাশ্মীরের গৌরব বৃদ্ধির দায়িত্ব এই নবীন প্রজন্মের। জম্মু ও কাশ্মীর সুজলা-সুফলা, শস্য শ্যামলা, এতো সামর্থবান যে, দেশের অন্য যে কোনও রাজ্য থেকে কোনও অংশে জম্মু ও কাশ্মীরের পিছিয়ে থাকার কারণ নেই। প্রত্যেক বিভ্রান্ত যুবকের হাতে তুলে নেওয়া পাথর, প্রতিটি অস্ত্র তাদের নিজস্ব জম্মু ও কাশ্মীরকেই অস্থির করে তোলে।
রাজ্যকে এই অস্থিরতার পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আসতেই হবে। ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাদের শুধুই কাশ্মীর নয়, ভারতের উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। হাজার হাজার বছর ধরে আমরা একই ভারতমায়ের সন্তান। বিশ্বে এমন কোনও শক্তি নেই, যারা ভাইকে ভাইয়ের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যেতে পারে। দুই ভাইয়ের মধ্যে দূরত্ব বৃদ্ধি করতে পারে। মায়ের দুধে কোনও বিভাজন হয় না। যারা দশকের পর দশক ধরে এই বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করছে, তারা আজ নিজেরাই ধ্বংসের মুখে।
ভাই ও বোনেরা, আমি আরেকবার বলব যে, গত বছর এই রাজ্যে সীমান্তে প্রহরারত সৈনিকদের সঙ্গেও দীপাবলী পালনের সৌভাগ্য আমার হয়েছে। আজ রমজানের পবিত্র মাসে আমি আপনাদের মাঝে এসেছি। এটাই কাশ্মীর তথা এই দেশের বিশেষত্ব, এই ভাবনার মাধ্যমেই ভারত বিশ্বকে শান্তি ও সম্প্রীতির পথ দেখাচ্ছে। পরমৎ সহিষ্ণুতার এই পরম্পরা বিশ্বে আর কোথাও এভাবে দেখা যায় না। এই দেশ ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ঊর্ধ্বে সর্বদাই সৌভাতৃত্বকে স্থান দিয়েছে। সেজন্য –
অটলজি কাশ্মীরিয়ত’কে যতটা সম্মান করতেন, মোদী ততটাই কাশ্মীরিয়তের ভক্ত।
সেজন্য আমি লালকেল্লার প্রাকার থেকেও বলেছিলাম,
গালি দিয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়, গুলিতেও এর সমাধান নেই। প্রত্যেক কাশ্মীরিকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারলেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারে স্পষ্ট নীতি এবং ইচ্ছা রয়েছে। আর সিদ্ধান্ত গ্রহণেও আমরা কখনও পিছিয়ে থাকি না। বিভ্রান্ত ছাত্রদের উপর থেকে সহস্রাধিক মোকদ্দমা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত কিংবা রমজানের পবিত্র মাসে বিনা শর্তে ‘সিজ ফায়ার’-এর সিদ্ধান্তের পেছনে সরকারের এই সদিচ্ছাই কাজ করছে যে কাশ্মীরে স্থায়ী শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হোক, স্থিরতা ও উন্নয়নের গতি ত্বরাণ্বিত হোক।
বন্ধুগণ, ইসলামের আড়ালে সন্ত্রাস ছড়ানোর প্রত্যেক প্রচেষ্টাই জম্মু ও কাশ্মীরের মানুষ দেখছেন, কিভাবে তাঁদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। স্থায়িত্বের এই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকার একজন প্রতিনিধিকেও নিয়োগ করেছে। তিনি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধি, তিনি নিয়মিত এখানকার বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার সঙ্গে মিলিত হচ্ছেন। আমি চাই যে, যে যা বলতে চান, সেটা তাঁকে বলুন। প্রত্যেক ব্যক্তির সঙ্গে কথাবার্তা বলে শান্তি প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চলছে।
ভাই ও বোনেরা, সরকার নিজের পক্ষ থেকে চেষ্টার ত্রুটি রাখছে না। কাশ্মীরিয়ত এবং দেশাত্মবোধের মিলিত ভাবনাকে সর্বাগ্রে রাখা জন্য আমি জম্মু ও কাশ্মীরের সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাই। এই রাজ্যের প্রত্যেক মা-বাবা, বুদ্ধিজীবী ও ধর্মগুরুদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। আপনারা নবীন প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখান।
আমি চাই যে, আপনারা, আমরা সকলে মিলে নিজেদের সমস্ত শক্তি শুধুমাত্র জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নে প্রয়োগ করি। প্রত্যেক সমস্যা, বিবাদ, মতভেদে একটাই সমাধান – তা হল – উন্নয়ন, উন্নয়ন এবং উন্নয়ন।
নতুন ভারতের পাশাপাশি নতুন জম্মু ও কাশ্মীর, শান্ত ও সমৃদ্ধ জম্মু ও কাশ্মীর, পরিবর্তমান ভারতের উন্নয়নগাথাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস। এই বিশ্বাস নিয়েই আপনাদের সামনে মন খুলে নিজের কথা বলেছি। আমি বিশ্ববাসীকেও এই মঞ্চ থেকে বলতে চাই যে, যারাই সন্তাস ও বিভেদের পথ অবলম্বন করেছেন, তাদেরকেই পস্তাতে হয়েছে। সবাই আজ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে ফিরতে চাইছেন। এই শান্তি, সৌভ্রাতৃত্ব ও সমৃদ্ধির ঐতিহ্যকে আমাদের এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে আর সেজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে কোনও খামতি থাকবে না। প্রয়োজনে আমরা যে কোনও পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। আপনাদের পাশে থাকব; আমরা যে প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে চলেছই, তা বাস্তবায়িত করব এবং আরেকবার আমাদের এই কাশ্মীরের জম্মু-কাশ্মীর উপত্যকা লে ও লাদাখ ভারতের মুকুটের উজ্জ্বলতম মনি হয়ে উঠবে। এই ভাবনা নিয়ে –
সেঠা সেঠা শুকরিয়া, আজ দিউ ইজাজত, খুদাই থই নওয় খোশত খুশহাল
ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
एक बार फिर जम्मू कश्मीर में आप सभी के बीच आने का अवसर मुझे मिला है। आपका अपनापन, आपका स्नेह ही है जो मुझे बार-बार यहां खींच लाता है। बीते चार वर्ष में ऐसा कोई साल नहीं रहा जब मेरा यहां आना ना हुआ हो: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
श्रीनगर में बाढ़ के बाद की दीवाली मैंने यहां पीड़ितों के बीच बिताई थी। इसके अलावा सीमा पर तैनात जवानों के साथ दीवाली मनाने का भी मुझे सौभाग्य मिला था। और आज जब रमज़ान का पवित्र महीना चल रहा है तब भी मैं आपके बीच में हूं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
ये महीना पैगम्बर मोहम्मद साहब की शिक्षा और उनके सन्देश को याद करने का अवसर है। उनके जीवन से समानता और भाईचारे की सीख ही सही मायने में देश और दुनिया को आगे ले जा सकती है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
ये भी सुखद संयोग है कि रमज़ान के इस मुबारक महीने में ही हम यहां एक बहुत बड़े सपने के पूरा होने पर इकट्ठा हुए हैं। आज मुझे किशनगंगा हाइड्रो पावर प्रोजेक्ट को देश को समर्पित करने का सौभाग्य मिला है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
ये प्रोजेक्ट जम्मू कश्मीर की विकास यात्रा में नए आयाम जोड़ने के लिए तैयार है। इस अवसर पर मैं आप सभी को बधाई देता हूं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
इससे राज्य को सिर्फ मुफ्त ही नहीं बल्कि पर्याप्त बिजली मिलेगी। अभी जम्मू कश्मीर को जितनी बिजली की आवश्यकता होती है, उसका एक बड़ा हिस्सा देश के दूसरे हिस्से से पूरा किया जाता है। 330 मेगावाट की इस परियोजना के शुरु होने से बिजली की कमी की समस्या को बहुत हद तक कम किया जा सकेगा: PM
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
ये प्रोजेक्ट इंजीनियरिंग की बेजोड़ मिसाल है। इसे पूरा करने के लिए अनेक लोगों ने तपस्या की है। पहाड़ के सीने को चीरकर किशनगंगा के पानी को टनल के जरिए बांदीपोरा के बोनार नाला में पहुंचाया गया: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
अभी यहां इस मंच से मुझे श्रीनगर रिंग रोड के शिलान्यास का भी अवसर मिला है। 42 किलोमीटर की इस सड़क पर 1200 करोड़ रुपए से ज्यादा खर्च किए जाएंगे। ये रिंग रोड श्रीनगर शहर के भीतरी इलाकों में जाम की समस्या को काफी हद तक कम करने का काम करेगी, आपकी जिंदगी आसान बनाएगी: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
जम्मू-कश्मीर के लोगों के जीवन में बदलाव लाने के लिए राज्य के तीनों ही हिस्सों- कश्मीर, जम्मू और लद्दाख का संतुलित विकास बहुत आवश्यक है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
जम्मू कश्मीर का पानी और यहां की जवानी दोनों इसी धरती के काम आने वाले हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
जम्मू कश्मीर में कई नदियां हैं। यहां जल विद्युत की अपार संभवानाएं हैं। ये देश का वो हिस्सा है जो ना सिर्फ अपनी जरूरतों बल्कि बाकी देश के लिए भी बिजली पैदा कर सकता है। इसी को ध्यान में रखते हुए बीते चार वर्षों से हम यहां अनेक परियोजनाओं पर काम कर रहे हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
सरकार राज्य के हर घर तक बिजली पहुंचाने की मुहिम में जुटी है। सौभाग्य योजना के तहत अब जम्मू-कश्मीर के हर उस घर में मुफ्त बिजली कनेक्शन देने का काम चल रहा है, जहां अब तक बिजली नहीं पहुंची है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
जम्मू-कश्मीर में विकास का सबसे बड़ा माध्यम अगर कोई सेक्टर है, तो वो है टूरिज्म। ये दशकों से हम देखते आ रहे हैं। कम निवेश पर सबसे ज्यादा रोजगार पैदा करने वाला ये सेक्टर जम्मू-कश्मीर का भाग्यविधाता रहा है। लेकिन अब ये सेक्टर पुराने-तौर तरीकों पर नहीं चलता: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
आज का टूरिस्ट, आज की सुविधाएं चाहता है। वो एक जगह से दूसरी जगह जाने के लिए घंटों का इंतजार नहीं करना चाहता, वो संकरे रास्तों में फंसना नहीं चाहता, वो लगातार बिजली चाहता है, वो साफ-सफाई चाहता है, वो अच्छी हवाई सेवा चाहता है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
टूरिज्म के लिए जिस आधुनिक इकोसिस्टम की आवश्यकता होती है, ध्यान में रखते हुए हमारी सरकार काम कर रही है। जितना ये इकोसिस्टम मजबूत होगा, उतना ही जम्मू-कश्मीर में पर्यटकों की संख्या बढ़ेगी, उतना ही जम्मू-कश्मीर के नौजवानों को रोजगार के नए अवसर मिलेंगे, उतना ही आपकी कमाई बढ़ेगी: PM
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
यहां श्रीनगर बनने वाली रिंग रोड हो, श्रीनगर-शोपियां-काज़ीगुंड नेशनल हाईवे हो या फिर चेनानी-सुधमहादेव-गोहा रोड हो, इनके पूरा होने पर आप लोगों का समय भी बचेगा और संसाधनों की बर्बादी भी कम होगी: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
राज्य के ऐसे इलाके जो बर्फबारी में महीनों के लिए कट जाते हैं, उन्हें भी जोड़ा जा रहा है, उनके लिए हेलीकॉप्टर सर्विस मुहैया कराई जा रही है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
आज जम्मू-कश्मीर के अनेक युवा, देश के दूसरे राज्यों के नौजवानों के लिए रोल मॉडल बन रहे हैं। सिविल सेवा में जब यहां के नौजवानों का नाम देखता हूं, उनसे मुलाकात करता हूं, तो मेरी खुशी दोगुनी हो जाती है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
देश के सवा सौ करोड़ लोग आज New India के संकल्प पर काम कर रहे हैं। जम्मू-कश्मीर इस New India का सबसे चमकता सितारा बन सकता है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
यहां महबूबा मुफ्ती जी के नेतृत्व में चल रही पीडीपी-बीजेपी गठबंधन सरकार और केंद्र की एनडीए सरकार निरंतर ऐसे नौजवानों को मुख्यधारा में लाने का प्रयास कर रही है, जो विदेशी दुष्प्रचार से प्रभावित होकर अपनी ही पवित्र धरती पर प्रहार कर रहे हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
शांति और स्थायित्व का कोई विकल्प नहीं होता। मेरा आग्रह है कि जो नौजवान रास्ता भटक गए हैं, वो मुख्यधारा में लौटें। ये मुख्यधारा है, उनका परिवार, उनके माता-पिता। ये मुख्यधारा है जम्मू कश्मीर के विकास में उनका सक्रिय योगदान: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
इस युवा पीढ़ी पर ही जिम्मेदारी है जम्मू- कश्मीर का गौरव और बढ़ाने की। जम्मू - कश्मीर में इतने साधन हैं, इतने संसाधन, इतना सामर्थ्य है, फिर कोई वजह नहीं कि जम्मू- कश्मीर, भारत के अपने दूसरे क्षेत्रों से रत्ती भर भी पीछे रहे: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
भटके हुए नौजवानों द्वारा उठाया गया हर पत्थर, हर हथियार, उनके अपने जम्मू कश्मीर को अस्थिर करता है। राज्य को अब अस्थिरता के इस माहौल से बाहर निकलना ही होगा। भविष्य के लिए, अपनी आने वाली पीढ़ियों के लिए, उन्हें सिर्फ कश्मीर ही नहीं, भारत के विकास की मुख्यधारा से जुड़ना होगा: PM
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
हजारों वर्षों से, हम एक भारत मां की संतानें हैं। दुनिया की कोई शक्ति ऐसी नहीं, जो भाई को भाई से दूर कर सके। जो लोग दशकों से इस प्रयास में लगे हुए थे, वो अब खुद बिखरने की कगार पर हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
मैं फिर कहूंगा, पिछले वर्ष मैंने दीवाली गुरेज़ में जवानों के साथ मनाई तो इस वर्ष रमज़ान के मौके पर यहां आप सबके बीच में हूं। यही तो कश्मीर की भावना है, यही तो इस धरती की देश और दुनिया को देन है। यहां सबका स्वागत है, यहां सबका सत्कार है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
इसी कश्मीरियत के अटल जी भी कायल रहे हैं और इसी कश्मीरियत का मोदी भी मुरीद है।
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
मैंने तो लाल किले से भी कहा था कि न गाली से समस्या सुलझने वाली है, न गोली से, समस्या सुलझेगी, हर कश्मीरी को गले लगाने से: PM @narendramodi
जम्मू कश्मीर के विकास के लिए राज्य और केंद्र सरकार के पास नीति भी है, नीयत भी है, और निर्णय लेने में भी हम पीछे नहीं रहते: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
मैं चाहूंगा कि आप, हम, सभी अपनी सारी शक्ति सिर्फ और सिर्फ जम्मू-कश्मीर के विकास पर लगाएं।
— PMO India (@PMOIndia) May 19, 2018
हर समस्या, हर विवाद, हर मतभेद का हल एक ही है- विकास, विकास, और सिर्फ विकास: PM @narendramodi