পিএমইন্ডিয়া

মঞ্চে উপস্থিত মহারাষ্ট্রের মাননীয় রাজ্যপাল বিদ্যাসাগর রাও মহোদয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী দেবেন্দ্রজি, বিধানসভার অধ্যক্ষ হরিবাবুজি, আমার মন্ত্রী পরিষদের সহযোগী সুভাষ ধামরেজি, সাঁইবাবা সংস্থান ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সুরেশ হাওরেজি, রাজ্যের সমস্ত মন্ত্রী, সাংসদ সদস্য, রাজ্যের সব বিধায়ক এবং এখানে বিপুল সংখ্যায় সমাগত আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে এবং দেশের সমস্ত নাগরিককে দশহরা ও বিজয়া দশমীর অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
আমরা সবাই নিজের প্রিয়জনদের সঙ্গে আনন্দ উৎসবগুলি কাটাতে চাই। আমিও চেষ্টা করি যে, প্রত্যেক উৎসব জনগণের মধ্যে গিয়ে পালন করতে। এই ভাবনা থেকেই আজ আপনাদের কাছে উপস্থিত হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। আপনারা যেমন বিপুল সংখ্যায় আমাকে এই পবিত্র উৎসব উপলক্ষে আশীর্বাদ জানাতে এসেছেন …….. আমি দেখতে পাচ্ছি যে, কোনও জায়গা খালি নেই, অর্ধেক লোক রোদে দাঁড়িয়ে আছেন – আপনাদের এই আপন করে নেওয়া ও ভালোবাসা নিরন্তর আমার মনে নতুন প্রাণশক্তির সঞ্চার করে।
বন্ধুগণ, দশহরার পাশাপাশি আজ শিরডির এই পবিত্র ভূমি আরেকটি পবিত্র উপলক্ষের সাক্ষী হতে চলেছে। আজ এখানে সাঁইবাবা সমাধির শতাব্দী সমারোহ উৎসবের সমাপন হতে চলেছে। একটু আগেই আমি সাঁইবাবার দর্শন করে তাঁর আশীর্বাদ নিয়ে এসেছি। যখনই পূজনীয় সাঁইবাবার দর্শন করি, তখন কোটি কোটি ভক্তদের মতো, আপনাদের মনে যেমন ভাবনা জেগে ওঠে, তেমনই জনসেবার ভাবনা এবং জনসেবার জন্য নিজেকে সমর্পিত করা এক নতুন উৎসাহ এই মাটি থেকে আমি গ্রহণ করি।
ভাই ও বোনেরা, শিরডির প্রতিটি ধূলিকণায় সাঁইবাবার মন্ত্র, তাঁর বাণীগুলি মিশে আছে। জনসেবা ত্যাগ ও তপস্যার জন্য প্রবাদপ্রতিম এই শিরডি তাঁতীয়া পাটিলজির নগরী, দাদা কোতে পাটিলজির নগরী, মাধবরাও দেশপান্ডে, মালসাপতির মতো মহাপুরুষরাও এই মাটিরই সন্তান। কাশীরাম শিপি আর আপ্পা জাগলে সাঁইবাবার অন্তিম সময় পর্যন্ত তাঁকে সেবা করেছেন। কোন্ডাজি, গওয়াজি এবং তুকারাম-কে কে ভুলতে পারেন? আমি এই পবিত্র মাটির মহান সুপুত্রদের উদ্দেশে প্রণাম জানাই।
ভাই ও বোনেরা, সাঁইবাবার মন্ত্র ছিল ‘সবকা মালিক এক হ্যায়’। এই চার শব্দ সমাজকে একসূত্রে গেঁথে দেওয়ার মন্ত্র হওয়ায় সাঁই যতটা সমাজের ছিলেন, সমাজও ততটা সাঁইয়ের ছিল। তিনি সমাজের সেবার কিছু পথ দেখিয়েছিলেন। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, তাঁর প্রদর্শিত পথেই শ্রী সাঁইবাবা সংস্থান ট্রাস্ট নিরন্তর সমাজের সেবা করে যাচ্ছে।
শিক্ষার মাধ্যমে সমাজকে শক্তিশালী করা, আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে মানুষের মনের পরিবর্তন করে সমাজে সমতা ও সহযোগিতার অনুপ্রেরণা যোগানোর ক্ষেত্রে আপনাদের প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজও এই মাটিতে আস্থা, অধ্যাত্ম এবং উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত বেশ কিছু প্রকল্পের সূত্রপাত হ’ল। গরিবের কল্যাণে এই প্রকল্পগুলি শুরু করার জন্য আমি মহারাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। দর্শনার্থীদের জন্য নির্মীয়মান নতুন পরিসরের ভূমি পূজন উপলক্ষে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, আজকের দিনেই সাঁইবাবা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল, কন্যা বিদ্যালয় এবং কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হচ্ছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, সাঁই-এর জীবন ও দর্শন নিয়ে গড়ে ওঠা সাঁই নলেজ পার্ক মানুষকে সাঁইবাবার জীবন ও দর্শন সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।
বন্ধুগণ, আজ এখানে ১০ মেগাওয়াটের একটি সৌরশক্তি উৎপাদন কেন্দ্রের কাজ শুরু হ’ল। এর মাধ্যমে সংস্থানের সম্পদ বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশ-বান্ধব শক্তি উৎপাদনে সংস্থানের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি পাবে। সাঁই ট্রাস্টের পক্ষ থেকে কোটি কোটি শ্রদ্ধালুদের জন্য এটি দশহরা ও বিজয়া দশমীর একটি বড় উপহার।
বন্ধুগণ, নবরাত্রি থেকে দীপাবলী পর্যন্ত সময়ে আমাদের দেশে মানুষ, বাড়ি-ঘর, গাড়ি, গয়না ইত্যাদি অনেক কিছু কেনেন। এই সময়ে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে আমার মহারাষ্ট্রের আড়াই লক্ষ ভাই ও বোনেদের নিজস্ব বাড়ির চাবি তুলে দেওয়ার সৌভাগ্য হ’ল। এই নতুন বাড়ি আপনাদের নিজস্ব স্বপ্নের প্রতীক। এই বাড়ি আপনাদের আকাঙ্খাকে নতুন মাত্রা দেবে, আপনার ছেলেমেয়েদের জীবন সার্থক করে আপনার জীবনে পরিবর্তনের পথকে সুগম করবে। এটি দারিদ্র্যকে জয় করার লক্ষ্যে একটি বড় পদক্ষেপ।
বন্ধুগণ, নিজস্ব বাড়ি আমাদের জীবনকে সহজ করে তোলে, দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন উৎসাহ যোগায়। সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে সাহায্য করে। একথা মাথায় রেখেই আমরা ভেবেছি যে, ২০২২ সালে ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির আগেই দেশের প্রত্যেক গৃহহীন পরিবারের হাতে তাঁদের নিজস্ব বাড়ির চাবি তুলে দেব।
আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, এত কম সময়ের মধ্যেই আমরা প্রায় আর্ধেক পথ পেরিয়ে এসেছি। আমাদের আগেও সরকার এক্ষেত্রে অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, গরিবদের মাথার ওপর ছাদের ব্যবস্থা করে দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে কাজ না করে তাঁরা শুধুই একটি বিশেষ পরিবারের নাম প্রচার করার জন্য এই কাজ করেছে। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, ভোট ব্যাঙ্ক তৈরি করা। আরে যে বাড়িতে হাত-পা ছড়িয়ে থাকা যাবে না, শৌচালয়, বিদ্যুৎ সংযোগ, পানীয় জল, রান্নার গ্যাস সংযোগ থাকবে না – সেটি কেমন বাড়ি। কিন্তু তাঁরা এভাবে ভাবেননি। কোনও প্রকল্পের গোড়াতে যদি রাজনৈতিক স্বার্থ থাকে, তা হলে তাঁরা কেমন করে ভাববেন! আমরা সেই রাজনৈতিক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে শুধু দরিদ্র কল্যাণের কথা ভেবেছি বলেই তাঁদের জীবনকে সহজ করে তোলার কথাও ভেবেছি। এই প্রেরণাই আমাদের কাজের গতিকে ত্বরান্বিত করেছে। ফলস্বরূপ, এত অল্প সময়েই অর্ধেক পথ পেরিয়ে আমরা জীবন উদাহরণ পেশ করতে পেরেছি।
বন্ধুগণ, পূর্ববর্তী সরকার তাদের শেষ চার বছরে সারা দেশে মাত্র ২৫ লক্ষ গৃহহীনের জন্য গৃহ প্রদান করতে পেরেছিল। আর আমরা সরকারে আসার পর ১ কোটি ২৫ লক্ষ বাড়ি বানিয়েছি। এই কাজ করতে আগের সরকারের ২০ বছর বছর প্রয়োজন হ’ত। অথচ, আমরা একই কর্মচারী, একই ব্যবস্থা, একই সম্পদের উৎস নিয়ে পাঁচ গুণ বেশি কাজ করতে পেরেছি। স্বচ্ছ মন নিয়ে গরিব মানুষের সেবার কথা মাথায় রেখে কাজ করলে এত দ্রুত ফল পাওয়া সম্ভব।
ভাই ও বোনেরা, পূর্ববর্তী সরকারের একটি বাড়ি বানাতে প্রায় ১৮ মাস সময় লাগত। আমরা সেই সময় কমিয়ে ১২ মাস করেছি। সময় কমানোর পাশাপাশি ঘরের আকার বানিয়েছি। আর সরকারি সাহায্য ৭০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দিয়েছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হ’ল এই অর্থ এখন সরাসরি উপকৃতদের নিজেদের ব্যাঙ্কের খাতায় জমা হয়। উপকৃতদের নির্বাচনও বৈজ্ঞানিক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় করা হয়। সেই বাড়ি যেন দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং শৌচালয় সহ সমস্ত মৌলিক সুবিধা থাকে – সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।
আমি আরেকবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মাধ্যমে যাঁরা আজ নিজের বাড়ি পেয়েছেন, তাঁদের সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই। আজ ভিন্ন ভিন্ন জেলার বেশ কিছু পরিবারের গৃহিনীদের সঙ্গে কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে। সেই বোনেদের আত্মবিশ্বাসপূর্ণ চেহারায় খুশির ঝলক আমাকে অত্যন্ত আনন্দ দিয়েছে। আমাদের কাজে সন্তুষ্ট হয়ে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফুটলে আমাদের জীবন ধন্য হয়ে যায়। নতুন কাজ করার প্রাণশক্তি অর্জন করি। আজ এই বোনেদের আশীর্বাদ কুড়িয়ে তেমনই আরেকবার সেই সংকল্পকে উচ্চারণ করছি যে, তাঁদের সেবার জন্য আমরা প্রতি মুহূর্তে আমাদের জীবন উৎসর্গ করে যাব।
ভাই ও বোনেরা, দেশের প্রত্যেক বাড়িতে শৌচালয় গড়ে তোলার অভিযান এখন অন্তিম পর্যায়। মহারাষ্ট্র এক্ষেত্রে প্রশংসনীয় কাজ করেছে, নিজেদের রাজ্যকে উন্মুক্ত স্থানে প্রাকৃতিক কর্মমুক্ত ঘোষণা করেছে। সেজন্য আমি রাজ্যের ১১ কোটি নাগরিককে অনেক অনেক অভিনন্দন জানাই। ফলে, মহারাষ্ট্রের প্রতিটি গ্রাম ও শহরের অলিগলি পরিচ্ছন্ন থাকবে। পাশাপাশি, ডায়েরিয়ার মতো অসংখ্য রোগ থেকে গরিব কৃষক পরিবারের শিশুরা সুরক্ষিত থাকবে।
বন্ধুগণ, এখন সারা বিশ্বে আমাদের সম্প্রতি চালু করা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা নিয়ে প্রশংসার স্রোত বইছে। এর মাধ্যমে প্রতি বছর দেশের প্রায় ৫০ কোটি নাগরিক কঠিন রোগের ক্ষেত্রে বিনামূল্যে চিকিৎসার নিশ্চিত সুযোগ পাবেন। মহারাষ্ট্রের লক্ষ লক্ষ পরিবারও এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হবে। এখনও এক মাসও হয়নি, ইতিমধ্যেই সারা দেশের হাসপাতালগুলিতে প্রায় ১ লক্ষ রোগী এই প্রকল্প দ্বারা উপকৃত হয়েছেন। কারও বিনামূল্যে শল্য চিকিৎসার মাধ্যমে পাথর বের করা হয়েছে, কারও বা টিউমার কাটা হয়েছে, কারও মেডিকেল বিল হয়েছিল ৫০ হাজার টাকা আবার অন্য কারও ৩ লক্ষ। এখনও পর্যন্ত যতজন দাবি করেছেন গড়ে মাথাপিছু প্রায় ২০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।
বন্ধুগণ, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে দেশে আধুনিক স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। বিশেষ করে, টিয়ার-টু, টিয়ার-থ্রি শহরগুলিতে হাজার হাজার নতুন হাসপাতাল খোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই হাসপাতালগুলি দেশে লক্ষ লক্ষ নবীন প্রজন্মের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
ভাই ও বোনেরা, সমাজের প্রত্যেক মানুষের জীবন সরল ও সুখী করে তুলতে সরকার কাজ করে চলেছে। আমি জানি যে, এ বছর মহারাষ্ট্রে বরুণদেবের কৃপাদৃষ্টি তেমনভাবে পড়েনি, কম বৃষ্টি পড়েছে। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে, প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমার মাধ্যমে আপনারা দ্রুত ভর্তুকি পাবেন। এছাড়া, মহারাষ্ট্র সরকার যে যে পদক্ষেপ নেবে, সমস্ত ক্ষেত্রে কেন্দ্র কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
ভাই ও বোনেরা, জল সঙ্কট থেকে কৃষকদের মুক্তি দিতে সরকার প্রধানমন্ত্রী কৃষি সিঁচাই যোজনার মাধ্যমে বছরের পর বছর ধরে থেমে থাকা অনেক প্রকল্পের কাজ সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছে। মহারাষ্ট্রেও অনেকগুলি প্রকল্পের কাজ চলছে। মহারাষ্ট্র সরকারও নিজেদের ‘জলযুক্ত শিবির অভিযান’-এর মাধ্যমে জলসঙ্কট নিবারণের একটি অভূতপূর্ব প্রকল্প শুরু করেছে। এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে, এই অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যের ১৬ হাজার গ্রাম খরামুক্ত হতে পেরেছে। আর প্রায় ৯ হাজার গ্রামকে খরামুক্ত করার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।
আমি মহারাষ্ট্রের জনগণকে এজন্য প্রশংসা করব যে, তাঁরা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সেচের ট্যাংকগুলি পরিষ্কার করার লক্ষ্যে ‘ডিসিল্টেশন’ অভিযান এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। এত কম সময়ে ৯ কোটি কিউবিক মিটার কাদামাটি পরিষ্কার করে ফেলা সহজ কাজ নয়। কিন্তু আপনারা গণঅংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই অভূতপূর্ব কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে দেশবাসীকে পথ দেখিয়েছেন। আমাকে বলা হয়েছে, কোনও ঠিকাদারকে দিলে এই কাজ করাতে ৬০০ কোটি টাকারও বেশি খরচ হ’ত কিন্তু আপনারা নিজেদের পরিশ্রম দিয়ে এটি করে ফেলেছেন।
বন্ধুগণ, অধিক ফলনের ক্ষেত্রেও অনেক সময় সঠিক দাম না পেলে কৃষকদের ক্ষতি হয়। এদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ণয়ে কৃষকদের অনেক বছরের পুরনো দাবি পূরণ করেছে। আখ সমেত খরিফ এবং রবি-র ২১টি ফসলের সহায়ক মূল্য বিনিয়োগের ওপর ৫০ শতাংশ লাভ সুনিশ্চিত করেছে। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের ফলে এ বছর দেশের কৃষকদের হাজার হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় সুনিশ্চিত হবে।
বন্ধুগণ, চাষের পাশাপাশি পর্যটনকেও সরকার উৎসাহ যোগাচ্ছে। মহারাষ্ট্রে শিরডির মতো অনেক বড় বড় তীর্থ স্থানের পাশাপাশি অজন্তা-ইলোরার মতো ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে সারা পৃথিবী থেকে পর্যটকরা আসেন। আমরা ধর্ম ও ইতিহাসের সঙ্গে স্থানীয় যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানকে যুক্ত করার একটি বড় অভিযান শুরু করেছি।
দেশের পর্যটন সার্কিটগুলিকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে, সমস্ত আধুনিক পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। এই শিরডিতেই গত বছর যখন শতাব্দী সমারোহ সূচনার জন্য মাননীয় রাষ্ট্রপতি এসেছিলেন, তখন তিনি শিরডিবাসীকে একটি বিমানবন্দর উপহার দিয়েছিলেন। আমাকে বলা হয়েছে যে, এখন এই বিমানবন্দরে যত বিমান আসা-যাওয়া করে সেগুলির সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে।
ভাই ও বোনেরা, মহারাষ্ট্রের মাটি সর্বদাই দেশকে সামাজিক সাম্যের শিক্ষা দিয়েছে। বীর শিবাজী থেকে শুরু করে বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকর কিংবা পূজনীয় মহাত্মা জ্যোতিবা ফুলে প্রত্যেকেই সাম্য ও ঐক্যকে সমাজের শক্তি বলে মনে করতেন। তাঁদের শিক্ষা গ্রহণ করে এগিয়ে গেলে সমাজ বিভাজন সৃষ্টিকারী প্রতিটি অপশক্তি ও অন্যায়কে পরাজিত করতে পারবে। আসুন এই বিজয়া দশমীতে আমরা ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ এবং ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর সংকল্প আরও দৃঢ় করি। সাঁইবাবা আমাদের যে পথ দেখিয়ে গেছেন, সেই পথেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
বন্ধুগণ, আজ এই পবিত্র স্থানে সাঁইবাবার সমাধির শতবর্ষ উদযাপন সমারোহের সমাপন হচ্ছে। আগামী ৩১ অক্টোবর মহারাষ্ট্রে আপনাদের প্রিয় সরকারের চার বছর পূর্তি হবে, সেজন্য আমি মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং তাঁর পুরো টিমকে আগাম শুভেচ্ছা জানাই। আপনারা এমনভাবেই পূর্ণ শক্তি দিয়ে মহারাষ্ট্রবাসীর সেবা করে যান, আর প্রত্যেক মানুষের আশীর্বাদ পেতে থাকুন – এটাই কামনা করি।
এই বিশ্বাস নিয়ে আরেকবার যাঁরা দশহরার পর নিজেদের স্বপ্নের বাড়ি পেলেন, তাঁদেরকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের জীবনের সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে নিজের বক্তব্য সম্পূর্ণ করছি। আপনাদের সকলকে এই পবিত্র অনুষ্ঠানে আমাকে এখানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। সাঁই ট্রাস্টের প্রতিও অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাই। আগামী প্রতিটি উৎসব আপনাদের সকলের জীবনে অনেক আনন্দ নিয়ে আসুক – এই শুভেচ্ছা জানিয়ে আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
CG/SB/SB
आप सभी को, पूरे महाराष्ट्र को, पूरे भारत वर्ष को, देश के जन-जन को दशहरे की, विजय दशमी की बहुत-बहुत बधाई: PM @narendramodi in Shirdi https://t.co/q0dUCCXyzq
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
हम सभी का ये प्रयास रहता है कि हर पर्व को अपनों के साथ मनाएं। मेरी भी ये कोशिश रहती है कि हर त्योहार देशवासियों के साथ मनाऊं और इसी भावना के साथ आज आप सभी के बीच उपस्थित हुआ हूं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
जिस प्रकार आप सभी दशहरे के पावन अवसर पर भारी संख्या में यहां मुझे आशीर्वाद देने आए हैं, वो अभिभूत करने वाला है। आपका यही अपनत्व, यही प्यार मुझमें निरंतर नई ऊर्जा का संचार करता है, मुझे शक्ति देता है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
दशहरे के साथ-साथ हम आज शिरडी की इस पावन भूमि पर, एक और पवित्र अवसर के साक्षी बन रहे हैं। साई बाबा की समाधि के शताब्दी समारोह का भी आज समापन हुआ है। थोड़ी देर पहले ही मैंने साई दरबार के दर्शन किए हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
मैं जब भी श्री साई बाबा के दर्शन करता हूं, तो करोड़ों श्रद्धालुओं की तरह मुझे भी जनसेवा के लिए खुद को समर्पित करने का नया उत्साह मिलता है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
शिरडी के कण-कण में साई के मंत्र, उनकी सीख है। जनसेवा, त्याग और तपस्या की जब बात आती है तो शिरडी का उदाहरण दिया जाता है। शिरडी तात्या पाटील की नगरी है। दादा कोते पाटील ,माधवराव देशपांडे, म्हाळसापती जैसे महापुरुष इसी धरती ने दिए हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
काशीराम शिंपी, आप्पा जागले और साईबाबा की अंतिम समय तक सेवा करते रहे, कोंडाजी, गबाजी और तुकाराम को कौन भुला सकता है? इस पावन धरा के इन महान सपूतों को मैं नमन करता हूं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
शिक्षा के माध्यम से समाज को सशक्त करना हो, आध्यात्म के जरिए सोच में परिवर्तन करना हो, समाज में समरसता और सहभाग का संचार करना हो, इसके लिए आपके प्रयास सराहनीय हैं।
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
आज भी यहां आस्था, आध्यात्म और विकास से जुड़े अनेक प्रोजेक्ट्स का शिलान्यास और उद्घाटन हुआ है: PM @narendramodi
साई का मंत्र है-सबका मालिक एक है। साईँ के ये चार शब्द समाज को एक करने का सूत्रवाक्य बन गये। साई समाज के थे और समाज साई का था। साई ने समाज की सेवा के कुछ रास्ते बताए थे। मुझे प्रसन्नता है साई बाबा के दिखाए रास्ते पर श्री साई बाबा संस्थान ट्रस्ट, निरंतर समाज की सेवा कर रहा है: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
आज यहां 10 मेगावाट की एक सोलर यूनिट की भी शुरुआत की गई है। इससे संस्थान के संसाधन बढेंगे और क्लीन एनर्जी में भागीदारी भी। ये एक ऐसा मॉडल है जिससे देश भर में कई संस्थान लागू कर सकते हैं। यानी सेवा के साथ ही राष्ट्र सेवा भी की जा सकती है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
मुझे खुशी है कि दशहरे के इस पावन अवसर पर मुझे महाराष्ट्र के ढाई लाख बहनों-भाइयों को अपना घर सौंपने का अवसर मिला है। मेरे वो भाई बहन जिनके लिए अपना घर, हमेशा सपना ही रहा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
अपने इस विशाल परिवार के सदस्यों को एक साथ गृह प्रवेश कराने से बड़ी, अपने गरीब भाई-बहनों की सेवा से बड़ी, दशहरे की पूजा भला मेरे लिए क्या हो सकती थी: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
आप सभी जनों को प्रधानमंत्री आवास योजना के तहत बने इन नए घरों की, आपके जीवन में आए इस शुभ अवसर की, आप सभी को बहुत-बहुत शुभकामनाएं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
ये नए घर आपके सपनों के प्रतीक तो है हीं, आपकी आकांक्षाओं को नए आयाम देने वाले भी हैं। अब आपका जीवन, आपके बच्चों का जीवन, सार्थक बदलाव के पथ पर चल पड़ा है। ये गरीबी पर जीत की तरफ बहुत बड़ा कदम है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
अपना घर जीवन को आसान बना देता है और गरीबी से लड़ने का नया उत्साह पैदा करता है। इसी को ध्यान में रखते हुए सरकार ने 2022 तक देश के हर बेघर-गरीब परिवार को अपना घर देने का लक्ष्य रखा है। मुझे खुशी है कि करीब-करीब आधा रास्ता हम तय कर चुके है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
गरीब हो या मध्यम वर्ग का परिवार, बीते चार वर्षों से उसे झुग्गी से, किराए के मकान से निकालकर, अपना घर देने की तरफ सरकार ने गंभीर प्रयास किए हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
कोशिशें पहले भी हुई हैं, लेकिन दुर्भाग्य से उनका लक्ष्य गरीबों को घर देकर सशक्त करने के बजाय, एक विशेष परिवार के नाम का प्रचार करना अधिक रहा है। घर अच्छा हो, उसमें शौचालय हो, बिजली हो, पानी हो, गैस का कनेक्शन हो, इस पर पहले कम ही ध्यान दिया गया: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
जब किसी योजना के मूल में राजनीतिक स्वार्थ के बजाय गरीब का कल्याण हो, उसके जीवन को आसान बनाने की प्रेरणा हो, तब काम की गति कैसे बढ़ती है, ये आज देश के सामने है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
पिछली सरकार ने अपने आखिरी चार वर्षों में सिर्फ 25 लाख घर बनाए थे, जबकी बीते चार वर्षों में भाजपा के नेतृत्व वाली केंद्र सरकार ने एक करोड़ 25 लाख घर बनाए हैं। सोचिए, एक करोड़ ज्यादा मकान: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
सब कुछ तो वही है, वही साधन, वही संसाधन, वही लोग, लेकिन साफ नीयत से, गरीब की सेवा के भाव से जब काम होता है, तो ऐसे ही नतीजे मिलते हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
पहले की सरकार औसतन 18 महीने में एक मकान बनाती थी और आज 12 महीने से भी कम समय में घर बन रहे हैं। समय तो कम हुआ ही है, घर का आकार भी हमने बढ़ाया है। इसके साथ-साथ घर बनाने के लिए सरकारी मदद को 70 हजार रुपये से बढ़ाकर 1 लाख 20 हजार कर दिया गया है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
सबसे अहम बात ये कि पैसे सीधे बैंक खाते में जमा हो रहे हैं और लाभार्थियों का चयन वैज्ञानिक और पारदर्शी तरीके से हो रहा है। इतना ही नहीं ये घर टिकाऊ हों और इनमें शौचालय समेत सारी मूलभूत सुविधाएं हों इसका भी विशेष ध्यान रखा जा रहा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
देश के हर घर को शौचालय की सुविधा से जोड़ने का अभियान अब अंतिम पड़ाव पर है। महाराष्ट्र ने तो इस मामले में प्रशंसनीय कार्य किया है। आप सभी ने, पूरे महाराष्ट्र ने खुद को खुले में शौच से मुक्त घोषित कर लिया है, इसके लिए राज्य के 11 करोड़ जनों को बहुत-बहुत बधाई: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
इससे महाराष्ट्र के गांव और गलियां साफ-सुथरी तो रहेंगी ही, साथ में डायरिया जैसी अनेक बीमारियों से गरीब, किसान परिवारों के बच्चों का जीवन सुरक्षित रहेगा: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
जब गरीबों के जीवन और स्वास्थ्य की बात आती है, तो आजकल पूरी दुनिया में आयुष्मान भारत यानि PM JAY – प्रधानमंत्री जन आरोग्य योजना की बड़ी चर्चा हो रही है। इसके तहत हर वर्ष देश के करीब 50 करोड़ नागरिकों को गंभीर बीमारी की स्थिति में मुफ्त इलाज सुनिश्चित किया गया है: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
महाराष्ट्र के भी लाखों परिवारों तक इस योजना का लाभ पहुंच रहा है। अभी तो इसको शुरु हुए महीना भी नहीं हुआ है, लेकिन देशभर के अस्पतालों में करीब-करीब एक लाख मरीज़ इसका लाभ ले चुके हैं। इस संख्या में लगातार वृद्धि भी हो रही है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
आयुष्मान भारत योजना की वजह से देश में आधुनिक मेडिकल इंफ्रास्ट्रक्चर का नया ढांचा तैयार हो रहा है। विशेषकर टायर टू-टायर थ्री शहरों में हजारों नए अस्पताल खुलने की संभावना बनी है। ये अस्पताल, देश के नौजवानों के लिए रोजगार के लाखों नए अवसर भी लेकर आएंगे: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
साथियों, समाज का हर वर्ग, हर जन सुखी हो, सबका जीवन सरल और सुगम हो, इसी लक्ष्य के साथ सरकार काम कर रही है। मेरी जानकारी में है कि राज्य के एक हिस्से पर वरुण देव की कृपा कुछ कम हुई है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
मैं आपको आश्वस्त करता हूं कि प्रधानमंत्री फसल बीमा योजना के माध्यम से तो आपको जल्द से जल्द राहत मिलेगी ही, इसके अतिरिक्त भी महाराष्ट्र सरकार जो कदम उठाएगी उसमें केंद्र पूरा सहयोग करेगा: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
पानी के इसी संकट से देश के किसानों को निकालने के लिए, सरकार प्रधानमंत्री कृषि सिंचाई योजना के तहत बरसों से अटकी हुई परियोजनाओं को पूरा करने का काम कर रही है। इसके तहत महाराष्ट्र में भी अनेक बड़े प्रोजेक्ट्स पर काम चल रहा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
फसल अधिक भी हो और उसका उचित दाम भी मिले, इसके लिए भी निरंतर प्रयास किए जा रहे हैं। ये हमारी ही सरकार है जिसने MSP को लेकर किसानों की बरसों पुरानी मांग को पूरा किया है। सरकार ने गन्ने समेत खरीफ और रबी की 21 फसलों के समर्थन मूल्य में लागत के ऊपर 50 प्रतिशत का लाभ तय किया है: PM
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
खेती के साथ-साथ सरकार टूरिज्म को भी बढ़ावा दे रही है। महाराष्ट्र में तो शिरडी जैसे आस्था से जुड़े बड़े स्थान भी हैं तो अजंता-अलोरा जैसे स्थल भी हैं जहां दुनिया भर के श्रद्धालु खिंचे चले आते हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
आस्था, आध्यात्म और इतिहास को युवाओं के रोज़गार से जोड़ने का एक बहुत बड़ा अभियान हमने शुरू किया है। देश के टूरिस्ट सर्किट को आपस में जोड़ा जा रहा है, वहां पर सुविधाओं का निर्माण किया जा रहा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
यहां शिरडी में ही पिछली बार जब इस शताब्दी समारोह की शुरुआत करने माननीय राष्ट्रपति जी आए थे, तो उन्होंने एयरपोर्ट का उपहार दिया था: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
मुझे कहा गया है कि अब यहां से जो फ्लाइट्स चल रही हैं, उनमें आने वाले समय में और बढ़ोतरी की जाएगी, ताकि देश और दुनिया का हर साई भक्त आसानी से यहां आकर दर्शन कर सके: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
महाराष्ट्र की धरती ने हमेशा सामाजिक समरसता का पाठ देश को पढ़ाया है। वीर शिवाजी रहे हों, बाबा साहब भीमराव आंबेडकर हों या फिर महात्मा फूले, सबने उन मूल्यों की स्थापना की है जो समता और एकता को समाज की शक्ति मानते हैं: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
अपने इन महान संत पुरुषों का सबक हमें हमेशा याद रखना है और स्वार्थ के लिए समाज में भेद पैदा करने वाली हर शक्ति, हर बुराई को पराजित करना है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018
सबका साथ, सबका विकास और एक भारत, श्रेष्ठ भारत का यही संकल्प इस विजय दशमी को हमें लेना है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) October 19, 2018