পিএমইন্ডিয়া
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য শ্রী নরেন্দ্র মোদী ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০১৫ নিউ ইয়র্কে জি-৪ সম্মেলনের জন্য ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি মহামান্য শ্রীমতি দিলমা রউসেফ, জার্মানির চ্যান্সেলর মহামান্য শ্রীমতি এঞ্জেলা মার্কেল এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী মহামান্য শ্রী শিনজো আবেকে আমন্ত্রণ জানান|
জি-৪ ভুক্ত দেশগুলির নেতারা গুরুত্ব আরোপ করেছেন যে, আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্ব ও সংঘাত যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছে, তার মোকাবিলায় বর্তমান সময়ে আরও বেশি প্রতিনিধিত্বমূলক, বৈধ ও কার্যকর নিরাপত্তা পরিষদ প্রয়োজন| আর একুশ শতকের আন্তর্জাতিক সমাজের বাস্তব চিত্র প্রতিফলনের মধ্য দিয়ে তা অর্জন করা সম্ভব বলে নেতারা মতামত ব্যক্ত করেন| যেখানে আরও অনেক সদস্য দেশের আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে প্রধান দায়িত্ব গ্রহণে সক্ষমতা ও আগ্রহ রয়েছে|
এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রনেতাগণ উদ্বেগের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, ২০০৫ সালের বিশ্ব শিখর সম্মেলনের পর উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয় নি| যেখানে দেশগুলির সরকার ও রাষ্ট্রনেতাগন সর্বসম্মতিক্রমে সমর্থন জানিয়ে বলেছিলেন যে, সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘের সংস্কারে সার্বিক প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের ‘দ্রুত সংস্কার’ আবশ্যিক বিষয়| তাঁরা বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে বলেছিলেন যে, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের বিষয়টিকে সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘে নিয়ে আসা জরুরি ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পরিচালিত হওয়া উচিত|
নেতাগণ ৬৯তম সাধারণ সভার সভাপতির শক্তিশালী নেতৃত্ব এবং আন্ত সরকারী আলোচনা বা আই.জি.এন.-কে বিষয়-ভিত্তিক আলোচনায় নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর আন্ত-সরকারী আলোচনা পরিচালনার প্রতি শ্রদ্ধা জানান|
আই.জি.এন.-এর মধ্যে আলোচনার জন্য ৬৯তম সাধারণ সভার সভাপতি ৩১শে জুলাই ২০১৫ যে চিঠি লিখেছিলেন, সেই চিঠিকে ভিত্তি হিসেবে ধরে সাধারণ সভার ঐকমত্যে (৬৯/৫৬০) পৌঁছানোর সিদ্ধান্তকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন| তাঁরা ৭০তম সাধারণ সভার সভাপতিকে সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য প্রতিশ্রুতি দেয়েছেন|
বিষয়-ভিত্তিক আলোচনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সদস্য দেশগুলির প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন নেতারা| বিশেষ করে আফ্রিকান গ্রুপ, কারিকম(সি.এ.আর.আই.সি.ও.এম.) এবং এল.৬৯ গ্রুপ-এর সদস্য দেশগুলির উদ্যোগকে স্বাগত জানান তাঁরা| নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য হিসেবে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বকে তাঁরা সমর্থন জানিয়েছিলেন| তাঁরা আরও বলেন, বর্ধিত ও সংস্কার হওয়া পরিষদে ছোট উন্নয়নশীল দ্বীপ রাষ্ট্র সহ ছোট ও মাঝারি সদস্য দেশগুলির যথেষ্ট ও ধারাবাহিক প্রতিনিধিত্ব থাকা গুরুত্বপূর্ণ| রাষ্ট্রনেতাগন গুরুত্ব দিয়ে বলেন, বর্ধিত ও সংস্কার হওয়া পরিষদের স্থায়ী সদস্য হওয়ার জন্য জি-৪ ভুক্ত দেশগুলি বৈধ প্রার্থী এবং দেশগুলি একে অন্যের সদস্যপদের সমর্থন করেছে| তাঁরা পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সংযুক্ত রাষ্ট্রসংঘের সনদের উদ্দেশ্য ও মূল নীতির পরিপূর্ণতার জন্য কাজ করে যাবেন| তাঁরা সমস্ত সদস্য দেশগুলির সঙ্গে একত্রে কাজ করার জন্য এবং নিরাপত্তা পরিষদের অর্থপূর্ণ ও দ্রুত সংস্কার অর্জনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হোন| ৭০তম সাধারণ সভায় বাস্তব ফলাফল সুনিশ্চিত করতে সমস্ত উদ্যোগকে দ্বিগুন করার জন্যও তাঁরা দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেছেন|
SC/AKD/AGT
Joining ranks...the G4 leaders meet at a summit hosted by India in New York. @AbeShinzo @dilmabr pic.twitter.com/LwRk5yQMJh
— PMO India (@PMOIndia) September 26, 2015
Reforms in United Nations Security Council has been the focus of global attention for decades – unfortunately, without progress so far: PM
— PMO India (@PMOIndia) September 26, 2015
I am delighted that we are meeting again as Heads of Government after ten years: PM @narendramodi at the G4 Summit in New York
— PMO India (@PMOIndia) September 26, 2015
We live in a fundamentally different world from the time the UN was born: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) September 26, 2015