Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ

সংসদ ভবনে রেট্রোফিট ইলেক্ট্রিক বাস-এর প্রদর্শনের পর প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ


মাননীয় অধ্যক্ষ মহোদয়া,

গোটা বিশ্বে পরিবেশ নিয়ে আলাপ-আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে, কিন্তু মাত্র কয়েক বছর ধরে সাধারণ মানুষের জীবনে এর প্রভাব অনুভূত হচ্ছে, ঋণাত্মক প্রভাব। কারণ, এখন পরিবেশ দূষণ এবং বিশ্ব উষ্ণায়ন মানবজাতির সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে উঠেছে, আমরা এ থেকে পরিত্রাণের পথ কিভাবে খুঁজবো!

সম্প্রতি প্যারিসে ‘সি ও পি-২১’-এর সময় বিশ্বের প্রায় সকল দেশের নেতারা একত্রিত হয়ে যে সম্মিলিত সংকল্প নিয়েছেন, সেখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, উদ্ভাবন বা আবিষ্কার, যার মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প খুঁজে বের করা। আমেরিকা, ফ্রান্স ও ভারত সম্মিলিতভাবে এই আবিষ্কারের পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিল গেটস্‌ ফাউন্ডেশন। এর ইতিবাচক পরিণাম আমরা ভবিষ্যতে দেখতে পাবো।

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হল, বিশ্বের প্রায় ১২২টি দেশে বছরে ৩০০ দিনের বেশি সূর্যালোক পাওয়া যায়। ভারতের উদ্যোগে ঐ দেশগুলির একটি সংগঠন তৈরি হয়েছে, যার প্রধান কার্যালয় হবে ভারতে। এই সংগঠন সূর্যের আলোকে ব্যবহার করে অধিকতর বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমবেত প্রয়াস চালাবে।

আমাদের যে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগ রয়েছে তার পক্ষ থেকে আজ এই নতুন উপহার …… এই উপহার বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিও কাজে লাগাতে পারবে। কারণ, একটি নতুন পরিবেশ-বান্ধব পদ্ধতিতে ব্যাটারি নির্মাণ করা হয়েছে। এই ব্যাটারির নির্মাণ মূল্য তুলনামূলকভাবে অত্যন্ত কম এবং এগুলি চিরাচরিত ব্যাটারি থেকে অনেক বেশি টেকসই। এই নতুন গবেষণালব্ধ ব্যাটারি পুরনো বাসেও ব্যবহার করা যাবে। সামান্য খরচ করে সেই বাসে এই ব্যাটারি ব্যবহারের অনুকূল ব্যবস্থা করে নেওয়া যাবে। এই বাস চলতে শুরু করলে …… এখনও এর ইঞ্জিন চালু আছে, এ থেকে বিন্দুমাত্র শব্দ হবে না। আর, পরিবেশ দূষণের তো প্রশ্নই ওঠে না।

আপাতত সংসদ সদস্যরাই এই পরিষেবার মাধ্যমে লাভবান হচ্ছেন। কিন্তু, ‘স্টার্ট আপ ইন্ডিয়া, স্ট্যান্ড আপ ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের মাধ্যমে নবীন প্রজন্মের শিল্পপতিরা এই ব্যাটারি নির্মাণ শুরু করলে এগুলি আমাদের গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সঞ্জীবিত করে তুলবে।

আমাদের নীতিনজী এইসব বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী, তিনি নিয়মিত পড়াশুনা করেন এবং এই ধরণের নতুন উপায়ের খোঁজে থাকেন। এহেন পরিবেশ-বান্ধব প্রযুক্তিকে আমাদের ব্যবহারে নিয়ে আসার জন্য তাঁকে আমি শুভেচ্ছা জানাই। এভাবেই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে জোর দিয়ে আমরা কিভাবে এগিয়ে যেতে পারি তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ পেষ করলেন। পাশাপাশি শুভেচ্ছা জানাই, শ্রদ্ধেয়া সুমিত্রাজী’কে, তিনি সংসদে অধিবেশন চলাকালীন সময়ে সংসদের গতিবিধিকে এ ধরণের নতুন নতুন উপহারের সঙ্গে যুক্ত করার কথা ভেবেছেন।

আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ।

PG/SB/SB….21_December_2015