Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

সেমিকন ইন্ডিয়া ২০২৬-এর উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ

সেমিকন ইন্ডিয়া ২০২৬-এর উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বঙ্গানুবাদ


নয়াদিল্লি, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ 

 

আপনাদের সকলকে অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় আমার সহকর্মীরা, অশ্বিনী বৈষ্ণব জি, জিতিন প্রসাদ জি, সকল শিল্পপতি, সিইও, এখানে উপস্থিত প্রতিনিধিগণ এবং আমাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি যুক্ত শত শত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান, ভারতের ভবিষ্যৎ, আমার তরুণ সহকর্মীবৃন্দ। এখানে বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত, উৎসাহী তরুণ-তরুণীগণ, ভদ্রমহোদয়া ও ভদ্রমহোদয়গণ!
এটি সেমিকন ইন্ডিয়ার পঞ্চম সংস্করণ। আমি আপনাদের সকলকে অভিনন্দন জানাই। আমি বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের বিশেষভাবে স্বাগত জানাই।
বন্ধুগণ,
আজ বিশ্বকর্মা পুজো। বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষ্যে আমি আমার সকল দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের ঐতিহ্যে, ভগবান বিশ্বকর্মাকে নির্মাণ ও সৃষ্টির শক্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং কাকতালীয়ভাবে, আজই সেমিকন ইন্ডিয়ার সূচনা হচ্ছে। একদিকে আমাদের শতবর্ষ প্রাচীন নির্মাণ ঐতিহ্য এবং অন্যদিকে একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তি ও দূরদৃষ্টি—এটাই আমাদের আত্মনির্ভর ভারত, একটি উন্নত ভারতের অনুপ্রেরণা।
বন্ধুগণ,
দেশের প্রতিটি নাগরিক একটি উন্নত ভারত গড়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা যদি বিগত ১৫ দিনের দিকে তাকাই, আমি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাত্র ১৫ দিনের দিকে, তাহলেই আমরা দেখতে পাবো ভারত কোন দিকে এবং কোন গতিতে এগিয়ে চলেছে। মাত্র ১০ দিন আগে, সেপ্টেম্বরে, মুম্বাইতে গ্লোবাল ফিনটেক ফেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে এজেন্টিক এআই, টোকেনাইজেশন এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। এই একই সময়ে, ভারতে প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটার ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোর সম্পূর্ণরূপে চালু হয়েছে। আমি ১০ই সেপ্টেম্বরের কথা বলছি, বন্ধুগণ, আমি অনেক আগের কথা বলছি না। এটি দেশে পণ্য পরিবহনের গতি বাড়াবে, লজিস্টিকস উন্নত করবে এবং উৎপাদনকে উৎসাহিত করবে।
বন্ধুগণ,
এই একই সময়ে, এই সেপ্টেম্বরে, ভারতের ত্রৈমাসিক জিডিপি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে, এবং এই কঠিন সময়েও ভারত ৭.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।  এই একই সময়ে, জাপানের ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি ভারতের সার্বভৌম রেটিং আপগ্রেড করেছে। আর এটা ঘটেছে তিন দশক পর, প্রায় ৩৫ বছর পর। এর অর্থ হলো, একদিকে যেমন ভারতের অর্থনীতি বাড়ছে, অন্যদিকে ভারতের প্রতি বিশ্বের আস্থাও বাড়ছে।
বন্ধুগণ,
এই আস্থার আরেকটি বড় উদাহরণ প্রতিফলিত হয়েছে তিন দিন আগে সমাপ্ত হওয়া ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে। ভারত সফলভাবে এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সর্বসম্মতভাবে নতুনদিল্লি ঘোষণা গৃহীত হওয়া ভারতের প্রতি বিশ্বের আস্থার আরেকটি বড় প্রমাণ।
বন্ধুগণ,
ভারতের এই অর্জনগুলির মাঝেই সেমিকন ইন্ডিয়া আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর প্রথম সংস্করণ ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং তারপর থেকে আমরা প্রতি বছর মিলিত হয়েছি, কিন্তু আমাদের আলোচনার বিষয় প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়েছে। প্রথম সংস্করণে আমরা নীতি নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। পরবর্তী সংস্করণগুলি আরও এগিয়েছে। তার পরের সংস্করণগুলিতে আমরা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শুরু করি। ফাইল স্বাক্ষর করা থেকে শুরু করে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন পর্যন্ত। গত বছর আমরা পাইলট লাইন এবং টেস্ট চিপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিলাম। কীভাবে ভারতীয় ইউনিটগুলি থেকে প্রথম নমুনা উৎপাদন শুরু হয়েছিল তা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছিলাম । আর এই বছর আমরা বাণিজ্যিক উৎপাদন নিয়ে কথা বলছি। আমাদের চিপগুলি এখন ভারতীয় কারখানাগুলি থেকে বেরিয়ে সারা দেশ এবং বিশ্বের গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এবং মোহালি ও সুরাটের আরও দুটি কারখানায় বাণিজ্যিক উৎপাদন সবে শুরু হচ্ছে। আমি তাদেরও অভিনন্দন জানাই।
বন্ধুগণ,
এত অল্প সময়ে কোনো দেশের পক্ষেই এই পর্যায়ে পৌঁছানো সহজ নয়। এটি এমন কোনো ক্ষেত্র নয় যেখানে একটি কারখানা স্থাপন করলেই কাজ শেষ হয়ে যায়। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা তৈরি করতে কয়েক দশক সময় লাগে। বিশ্বজুড়ে যেখানেই সেমিকন্ডাক্টর পরিমণ্ডল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেই সম্পূর্ণ পরিমণ্ডলগুলি কয়েক দশকের কঠোর পরিশ্রমের পরেই গড়ে উঠেছে। কিন্তু আপনাদের সমর্থনে, ভারত চিপ ডিজাইন, উৎপাদন, সরঞ্জাম উৎপাদন, উপাদান পরিমণ্ডল এবং পরীক্ষার সক্ষমতার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করেছে এবং সাফল্য অর্জন করেছে। আপনারা, সকল শিল্পনেতারা, আমাদের এই যাত্রাপথে প্রধান অংশীদার। আপনারাই ভারতের সাফল্যের স্তম্ভ, আপনারা আমাদের এই যাত্রার অংশীদার।
বন্ধুগণ,
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে একটি পরিভাষা ব্যবহৃত হয়: টেপ-আউট। এটি সেই দিন, যেদিন একটি চিপ ডিজাইন সম্পন্ন হওয়ার পর উৎপাদনে যায়। কিন্তু টেপ-আউটের পরেও কাজ থামেনা। পরবর্তী সংস্করণের কাজ সেদিনই শুরু হয়ে যায়। আর ভারতও ঠিক তাই করছে। ভারত নিজের সেমিকন্ডাক্টর মিশনের দ্বিতীয় পর্ব চালু করেছে। আমাদের প্রথম পর্বের আকার ছিল প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আমরা দ্বিতীয় পর্বের জন্য ১৩.৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। ‘রিফর্ম এক্সপ্রেস’-এর পর আমরা এই খাতে আরও সংস্কার বাস্তবায়ন করেছি। এখন আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলিও আমাদের স্টার্টআপ, ভারতীয় ডিজাইন কোম্পানি এবং ওসিআই-এর মালিকানাধীন কোম্পানিগুলির সঙ্গে সহযোগিতা করতে পারে। এর অর্থ হলো, নীতি, তহবিল বা নিয়ন্ত্রক কাঠামো যা-ই হোক না কেন ভারত সরকার আপনাদের প্রকল্পগুলির সাফল্যের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছে। 
বন্ধুগণ,
 ভারতে ফ্যাবলেস কোম্পানিগুলির বৃদ্ধি এবং ভারতে মেধাস্বত্ব তৈরি নিশ্চিত করাই হলো আমাদের প্রচেষ্টা। বিভিন্ন ধরনের যৌগিক সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, সিলিকন ফোটোনিক্সকে পরিমণ্ডলের অংশ করা এবং এআই-সক্ষম পরিকাঠামো তৈরি করা—এই সবই অপরিহার্য। আর এই পথে আমাদের একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় ভিত্তি ইতিমধ্যেই স্থাপিত হয়েছে। ভারত সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী করার দিকেও ব্যাপকভাবে মনোনিবেশ করছে এবং এই লক্ষ্যে অসংখ্য সংস্কার বাস্তবায়িত করা হয়েছে। এখানকার সরঞ্জাম কোম্পানিগুলির নেতাদের আমি এই সুযোগটি কাজে লাগাতে অনুরোধ করছি। ভারতে রাসায়নিক, গ্যাস এবং উপকরণ ক্ষেত্রের নেতৃবৃন্দের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ অপেক্ষা করছে। আমরা চাই সমগ্র পরিমণ্ডলটি একসঙ্গে বিকশিত হোক। এর জন্য চাহিদার পাইপলাইন প্রস্তুত রয়েছে। এখন পর্যন্ত বারোটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে এবং পরবর্তী পর্যায়ে এই পরিধি আরও প্রসারিত হবে।
বন্ধুগণ,
ভারতে আপনাদের সকলের জন্য আরেকটি সুবিধা হলো তরুণ প্রজন্ম, প্রতিভাবান এবং দক্ষ জনশক্তি।বর্তমানে আমাদের কাছে প্রকৌশল প্রতিভার এক বিশাল ভান্ডার রয়েছে। ভারতে হাজার হাজার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রয়েছে এবং ভারত প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ প্রকৌশলী তৈরি করে। একবার একটি আমেরিকান কোম্পানির একজন ভদ্রলোক আমার সঙ্গে দেখা করতে এসে বলেছিলেন, “আমরা যদি এখানে প্রকৌশলী নিয়োগ করতে চাই, তবে তাদের একটি ঘরে আসতে হবে। সেখানে এত লোক আসে।” তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, “আমরা যদি তাদের ভারতে আমন্ত্রণ জানাই, তাহলে একটি ফুটবল মাঠও খুব ছোট মনে হবে।” এটাই ভারতের শক্তি।
 বন্ধুগণ,
চিপ ডিজাইনের জন্য দক্ষতা তৈরির কাজ ব্যাপক আকারে চলছে। আমি এখানে আসার আগে, এই ক্যাম্পাসেই ইন্ডাস্ট্রির কিছু তরুণ সহকর্মীর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল, তারা সবাই ছাত্র। এই ছাত্ররা আমাকে তাদের ডিজাইন করা চিপ উপহার দিয়েছেন। আমাদের সরকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য এক লক্ষ প্রকৌশল শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। আপনাদের যেমনটা একটু আগেই জানানো হলো, আমরা ইতোমধ্যে এই তরুণদের মধ্যে ৭০,০০০ জনেরও বেশি জনকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। প্রতিভার এমন বিশাল ভান্ডার আপনাদের সকলের জন্য এক সোনার খনির চেয়ে কম কিছু নয়।
বন্ধুগণ,
সরকারের এই সকল প্রচেষ্টার মধ্যে আমি আজ যুবকদের কাছেও আবেদন জানাতে চাই। ভারতে গবেষণা করছেন এমন তরুণ প্রতিভাদের এগিয়ে আসা উচিত। যারা বিদেশে গবেষণা করছেন, তাদেরও ভারতে উন্নত প্রযুক্তির উন্নয়নে যোগ দেওয়া উচিত। আমি শিল্পপতিদের দেশে গবেষণা ও উন্নয়নে ( আর অ্যান্ড ডি) নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। এতে শিল্পের লাভ হয় এবং ভারতের যুবকদের ক্ষমতায়ন হয়।
বন্ধুগণ,
ক্রমবর্ধমান সেমিকন্ডাক্টর শিল্প কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন, এবং আপনারা সবাই সেগুলির সঙ্গে পরিচিত। বছরের পর বছর ধরে আপনাদের শিল্পের মানুষেরা ট্রানজিস্টরের আকার নিয়ে আলোচনা করেছেন। ট্রানজিস্টর যত ছোট হয়েছে, কম্পিউটিং তত দ্রুত এবং আরও কার্যকর হয়েছে। এই প্রশ্নটি আজও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসায় এই শিল্প কিছু নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। গত দুই বছরে বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টর বাজার ২০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা সৃষ্ট চাহিদা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অর্থাৎ, আপনি যদি আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করেন, তবে চ্যালেঞ্জগুলি কেবল চিপের ভিতরে কী আছে তা নয়, বরং এর চারপাশে কী ঘটছে তাও বটে। প্রসেসরের কাছাকাছি মেমরি স্থাপন করা, একাধিক চিপকে সংযুক্ত করে একটি একক সিস্টেম হিসাবে একসঙ্গে কাজ করানো, বিপুল পরিমাণ ডেটা নির্বিঘ্নে স্থানান্তর করা, তাপ ও শক্তি ব্যবস্থাপনা—এই ধরনের অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প। এই চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে, বিশ্ব ক্রমবর্ধমানভাবে নতুন এবং নির্ভরযোগ্য উৎপাদন কেন্দ্রের দাবি জানাচ্ছে—এবং আমি অত্যন্ত দায়িত্বের সঙ্গেই একথা বলছি এবং আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে, ভারত এর জন্য ক্রমাগত নিজেকে প্রস্তুত করছে।
বন্ধুগণ,
বর্তমানে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের মুখোমুখি হওয়া আরেকটি প্রধান সমস্যা হলো শক্তি নিরাপত্তা। এআই-এর জন্য তৈরি করা চিপগুলি এআই ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ডেটা সেন্টারগুলিতে হাজার হাজার উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে বিপুল পরিমাণ ডেটা প্রসেস করে। এআই-এর প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটিং ক্ষমতার চাহিদাও দ্রুত গতিতে বাড়বে, এবং কম্পিউটিং ক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। তাই, বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি সময়মতো প্রয়োজন অনুযায়ী, এবং প্রয়োজনীয় পরিমাণে বিদ্যুৎ পায় তা দেখতে হবে। তাই, ভারত আজ বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করছে। গত দশকে, আমাদের স্থাপিত সৌরশক্তি উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় দুই গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ১৬০ গিগাওয়াটেরও বেশি হয়েছে। আমরা পারমাণবিক শক্তির ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে চলেছি। এই ক্ষেত্রটি বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। আমরা ছোট মডুলার রিঅ্যাক্টর নিয়েও কাজ করছি। গত দশকে, ভারত তার সঞ্চালন নেটওয়ার্কও প্রসারিত করেছে।
বন্ধুগণ,
ভারতে বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর এই সম্প্রসারণ আমাদের সেমিকন্ডাক্টর পরিমণ্ডলের জন্যও একটি বড় শক্তি। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য আমাদের একটি পছন্দের গন্তব্য করে তুলতে ভারত প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বন্ধুগণ,
ভারত গণতন্ত্রের ধাতৃভূমি। মাত্র কয়েক বছর আগে আমাদের সংবিধানের ৭৫ বছর পূর্তি হয়েছে। এমন একটি দেশ যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে সফল হয়, তখন তা সমগ্র বিশ্বের সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করে। আর বর্তমানে, যখন সরবরাহ শৃঙ্খলকে অস্ত্রে পরিণত করা হচ্ছে, তখন এর গুরুত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ভারতে যে উন্নয়ন ঘটছে, তা আমাদের এই বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে। ভারতের আকাঙ্ক্ষাগুলি আপনাদের সামনে রয়েছে, এবং ভারতে যে নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে তা আপনাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। এই অনুষ্ঠানের জন্য আমি আবারও আপনাদের সকলকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।
অনেক ধন্যবাদ।

 

 

SC/PM/SB