Search

পিএমইন্ডিয়াপিএমইন্ডিয়া

সাম্প্রতিক সংবাদ

বিষয়টিকে সরাসরি পিআইবি থেকে নেওয়া হয়েছে

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে ওমানের মাসকটে সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীরভাষণের কিছু অংশ

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে ওমানের মাসকটে সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীরভাষণের কিছু অংশ

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে ওমানের মাসকটে সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীরভাষণের কিছু অংশ

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তারিখে ওমানের মাসকটে সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীরভাষণের কিছু অংশ


২০১৪-র আগেএকটি এলইডি বাল্বের দাম যেখানে ৩৫০ টাকা ছিল, তা এখন কমে ৪০-৫০ টাকা হয়েছে । সেইবাল্বগুলি বাড়িতে ব্যবহারের ফলে প্রতি বছর দেশবাসীর বিদ্যুতের বিলে আনুমানিক ১৫হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে ।

আজ প্রত্যেকভারতীয় নতুন ভারতের স্বপ্ন সাকার করার জন্য কাজ করছে । আমরা এমনএকটি ভারত নির্মাণের পথে এগিয়ে চলেছি যেখানে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তিও এগিয়েযাওয়ার সমান সুযোগ পাবেন । যেখানে দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তিও স্বপ্ন দেখতে পারবেন । সেই স্বপ্নবাস্তবায়িত করার জন্য আশা সঞ্চারিত হবে ।

আজ আমারসামনে ভারতের বাইরে ওমানের মাটিতে একটি খুদে ভারত দেখতে পাচ্ছি । দেশেরভিন্ন ভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিভিন্ন পেশার সঙ্গে জড়িত ভারতীয়দের একটি সমৃদ্ধচিত্র আমার চোখের সামনে নির্মিত হতে দেখছি ।

আমি প্রায়দশ বছর পর ওমানে এসেছি । আগে যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলাম, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আফ্রিকাসফরের পথে আমি সালালাহ্‌হয়ে গিয়েছি । দীর্ঘদিন ধরে আমার মনে ওমানে এসে আপনাদেরসঙ্গে দেখা করার ইচ্ছে ছিল, আজ সেই সুযোগ এসেছে ।

ভারত এবংওমানের মধ্যে সম্পর্ক শত সহস্র বছরের পুরনো । বিগত তিন বছরে আমরা কিভাবে একটি নীতিপ্রণয়ন করে উপসাগরীয় দেশগুলির সঙ্গে ভারতের পুরনো এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলিকেবর্তমান সময়ের অনুকূল নতুন জামা পরাচ্ছি । একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছি । আপনারাহয়তো এটাও লক্ষ্য করেছেন যে ভারতের ক্রমবর্ধমান উন্নতির ফলে ভারতের প্রতি উপসাগরীয়দেশগুলির আগ্রহও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

ওমানেরসঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্কও আজ একটি নতুন মোড়ের মুখে । আমাদেরপারস্পরিক সম্পর্কে একটি নতুন গতি, নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চারিত হয়েছে । আমাদেরসৌভাগ্য যে ওমানের রাজ পরিবারের সঙ্গে ভারতের পুরনো আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে ।

আজ মাননীয়সুলতানের নামে বিপুল সংখ্যায় আপনাদের উপস্থিতিতে আমার হাজির হওয়া একটি বিশেষগুরুত্বপূর্ণ ঘটনা । এই আত্মীয়ভাবাপন্ন অভিব্যক্তির জন্য আমি তাঁর প্রতি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ ।

‘ ন্যূনতম সরকারি হস্তক্ষেপ, অধিকতম পরিষেবা ’ – এই মন্ত্র নিয়ে আমরা দেশের সাধারণ মানুষের জীবনকে সহজতর করে তোলার জন্য নানাকাজ করছি ।

প্রক্রিয়াসমূহকেসরল করে তোলা, অনাবশ্যক আইনগুলিকে বাতিল করা, সরকারি দপ্তরগুলিতে ৪০-৫০ পৃষ্ঠারফর্মগুলিকে সংক্ষেপিত করে ৪-৫ পৃষ্ঠার করে তোলা, আর, সেগুলিও অনলাইনে ভরারব্যবস্থা করা, মানুষের অভিযোগগুলিকে আন্তরিকভাবে শোনা, আর, সেগুলি সমাধানের জন্যকাজ করা আমাদের সরকারের সংস্কৃতি করে তুলতে আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি ।

পরিবর্তিতভারতে আজ দরিদ্র থেকে দরিদ্রতম ব্যক্তিকেও ব্যাঙ্ক থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় না । বদলে যাওয়া ভারতে প্রশাসন বাড়ি বাড়ি গিয়ে,গরিব বিধবার বাড়িতে গিয়ে গ্যাস সংযোগ দিয়া আসছে । যাঁদেরবাড়িতে আজও অন্ধকার, তাঁদের খুঁজে নিয়ে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার অভিযানসরকার চালু করেছে ।

আজ ভারতেরকেন্দ্রীয় সরকার গরিব মানুষের জন্য এমন সব বিমা প্রকল্প এনেছে যাতে প্রতিদিন ৯০পয়সা, আর একটি প্রকল্পে মাসে ১ টাকা কিস্তি জমা দিলে তাঁদের জীবন এবং সুরক্ষা বিমাপ্রদান করা হচ্ছে । ইতিমধ্যেই এই বিমা প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যাঁরা এই অল্প সময়ের মধ্যেক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এরকম ২ হাজার কোটি বিমার টাকা সেই সমস্ত গরিব পরিবারের ব্যাঙ্কঅ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে ।

এবারেরবাজেটের দিকে যদি ভালো করে তাকান তাহলে দেখবেন আমরা এমন সব প্রকল্প শুরু করেছি যাগোটা পৃথিবীকে আকৃষ্ট করছে । যেমন, ‘ আয়ুষ্মান ভারত যোজনা ’ । এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১০ কোটি দরিদ্র পরিবার, অর্থাৎ প্রায় ৪০-৫০কোটি নাগরিকের স্বাস্থ্য বিমা ঘোষিত হল । এটি এমন প্রকল্প যে পরিবারের যে কোনসদস্যের বছরে ৫ লক্ষ টাকা খরচের চিকিৎসা বিনামূল্যে প্রদান করা হবে ।

একবিংশশতাব্দীর প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে আমরা পরবর্তী প্রজন্মের উপযোগী পরিকাঠামোনির্মাণকে অগ্রাধিকার দিয়েছি । বিশেষ করে, পরিবহণ ক্ষেত্রে আমরা পরস্পরপরিপূরক হাইওয়ে, রেলওয়ে, এয়ারওয়ে, ওয়াটারওয়ে-র সংহত উন্নয়ন শুরু করেছি ।

‘ ভারতমালা ’ প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৩ হাজার কিলোমিটার জাতীয় মহাসড়ক নির্মাণের কাজ শুরুকরেছে । দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রেল নির্মাণের কাজ চলছে । ১১টি বড়শহরে মেট্রো রেল বিস্তারের কাজ শুরু হয়েছে । এভাবে দেশের সমুদ্র তটবর্তী অর্থনীতি আরতার সঙ্গে যুক্ত পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা এই ‘ সাগরমালা ’ যোজনাকে এগিয়ে নিয়ে চলেছি ।

মৎস্যজীবীভাই-বোনদের জন্য ‘ নীল বিপ্লব ’ প্রকল্প শুরু করেছি । তাঁদের আধুনিক ট্রলার কেনার জন্যকেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য করা হচ্ছে । কেন্দ্রীয়সরকার দেশে ১১০টিরও বেশি জলপথ গড়ে তুলছে ।

এখন ভারতেকোন সিদ্ধান্তকে আর থামিয়ে রাখা যাবে না । লক্ষ্য স্থির করে আমরা প্রতিটি প্রকল্পকেনির্ধারিত সময়ের আগে সম্পূর্ণ করছি । এটা ভারতের পরিবর্তিত কর্মসংস্কৃতিরউদাহরণ । এটাই নতুন ভারতের পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রমাণ ।

ভালোভাবেকাজ করার ইচ্ছা এবং সুস্পষ্ট নীতির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে দেশের অর্থ সাশ্রয়হয় । যখন দক্ষভাবে এই কাজ করা হয়, তখন বর্তমান ব্যবস্থাকে ভালোভাবে ব্যবহারকরেই দেশের অর্থ সাশ্রয় হয় ।

আমি আপনাদেররাষ্ট্র নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে আহ্বান রাখছি দেশের উন্নয়নের জন্য,নতুন ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আপনাদের সঙ্কল্পের প্রভাব ভারতেও দেখা যাবে ।

PG/SB/DM