পিএমইন্ডিয়া
নয়াদিল্লি, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ১৯৫৭ (‘এমএমডিআর আইন’) এর দ্বিতীয় তফসিল সংশোধনের অনুমোদন দিয়েছে, যাতে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ, যেমন বেরিলিয়াম, ক্যাডমিয়াম, কোবাল্ট, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম, রেনিয়াম, সেলেনিয়াম, ট্যানটালাম, টেলুরিয়াম, টাইটানিয়াম, টাংস্টেন এবং ভ্যানাডিয়ামের রয়্যালটির হার নির্দিষ্ট করা যায়।
এর ফলে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজ পদার্থের জন্য রয়্যালটির হার যৌক্তিকীকরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উল্লেখ্য, সরকার ১৫ মার্চ, ২০২২ তারিখে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, যেমন গ্লুকোনাইট, পটাশ, মলিবডেনাম এবং প্ল্যাটিনাম গ্রুপ অফ মিনারেলস এবং ১২ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, যেমন লিথিয়াম, নিওবিয়াম এবং বিরল আর্থ এলিমেন্টের রয়্যালটি হার ঘোষণা করেছিল।
সরকার ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত খনিজের রয়্যালটি হার যৌক্তিক করেছে।
পূর্বে ৭টি খনিজের রয়্যালটি হার ২০২২ ও ২০২৩ সালে নির্ধারিত হয়েছিল।
এমএমডিআর (সংশোধনী) আইন, ২০২৩–এর অধীনে এই ২৪টি খনিজ কেন্দ্রীয় সরকারের নিলামের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
রয়্যালটি হার অনুমোদনের ফলে প্রথমবারের মতো ১২টি খনিজের ব্লক নিলাম সম্ভব হবে।
এএসপি (গড় বিক্রয় মূল্য) নির্ধারণের পদ্ধতিও প্রস্তুত করা হয়েছে।
সাধারণভাবে নির্দিষ্ট হার না থাকলে এএসপি-এর ১২% রয়্যালটি ধরা হয়, যা তুলনামূলকভাবে বেশি।
তাই আন্তর্জাতিক মান বিবেচনা করে যুক্তিসঙ্গত রয়্যালটি হার নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ খনিজ যেমন কোবাল্ট, গ্যালিয়াম, ভ্যানাডিয়াম ইত্যাদি আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যাটারি ও প্রতিরক্ষায় অপরিহার্য।
দেশীয় খনিজ আহরণে আমদানি কমবে, কর্মসংস্থান ও শিল্পোন্নয়ন বাড়বে।
জিএসআই ও এমইসিএল ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ব্লকের অনুসন্ধান সম্পন্ন করেছে এবং প্রথম পর্যায়ের নিলাম ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।
SSS/SB/NS….