পিএমইন্ডিয়া
বিপুল সংখ্যায় আগত মা-বোন, ভাই ও নবীন বন্ধুরা,
এটা আমার সৌভাগ্য যে আজ বেনারসের উন্নয়ন সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রকল্পেরশিলান্যাস এবং কিছু প্রকল্প উদ্বোধনের সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু আমি আজ সবার আগেবেনারসবাসীদের অনেক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাতে চাই। আজ বেনারস আমাকে অবাক করেদিয়েছে। বেনারসের মানুষ যেভাবে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতিকে সমাদরে স্বাগত জানিয়েছেন,যেভাবে সম্মান জানিয়েছেন; ফ্রান্সের প্রত্যেক বাড়ির মানুষ নিশ্চয়ই এবার খোঁজ নেবেনযে, বেনারস কোথায়?
আমরা যদি জোরে গাড়ি না চালাতাম, তা হলে এখনও হয়তো পথে দাঁড়িয়ে অসংখ্যমানুষের অভিবাদন স্বীকার করতে করতে এগোতে হ’ত, এত বেশি মানুষ এসেছেন। গঙ্গার সমস্তঘাট, প্রতিটি পথের প্রত্যেক ইঞ্চিতে মানুষের উপস্থিতি – আজ এক অদ্ভুত দৃশ্য!বেনারসের মানুষের ভালোবাসা, আশীর্বাদ, এই মাটিতে আপনারা যেভাবে ভারত ও ফ্রান্সেরমৈত্রীকে প্রেমবর্ষায় সিক্ত করেছেন – তার জন্য আমি বেনারসবাসীদের যত ধন্যবাদ জানাইনা কেন, তা কম হবে।
আজ আমার বিন্ধ্যবাসিনীর চরণে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। গোটা বিশ্বে সৌরশক্তিরউৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি নিয়ে অভিযান শুরু করার ক্ষেত্রে ভারত অত্যন্ত বড় ভূমিকাপালন করছে। ভারত ও ফ্রান্স মিলিতভাবে সৌরশক্তি নিয়ে একটি অত্যন্ত বড় কাজ করছে।বিশ্বের অনেক দেশের অতিথিরা গতকাল দিল্লিতে এসেছিলেন, সবাই মিলে সূর্যদেবতারসামর্থ্য স্বীকার করে নিয়ে আগামী দিনে উন্নয়নের রাজপথকে সূর্য-শক্তির ভিত্তিতেপরিচালনার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্প্রতি মির্জাপুরে সৌরশক্তিথেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্প উদ্বোধনের সৌভাগ্য আমার হয়েছে! এটা একপ্রকারভারতের জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন-সাধনের অভিযান আর আমি একে এতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই,যাতে প্রত্যেক বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল লাগানো থাকে আর বাড়িতে রান্নার উনুনজ্বালাতে গ্যাসের উনুনের প্রয়োজনই না পড়ে – সোলার উনুনেই রান্না হয়ে যায় – তা হলেপ্রতিটি পরিবারের ক্ত অর্থ সাশ্রয় হবে, পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। নির্মল রান্নাএকটি বড় অভিযান।
ভারতে ২৫ কোটি পরিবার রয়েছে, অনেক বড় বাজার আর নবীন প্রজন্মের কাছে অনুরোধরাখব, আইআইটিএন’কে অনুরোধ করব, আসুন, উদ্ভাবনের প্রতিযোগিতা শুরু করুন, এমন সবপ্রযুক্তি বিকশিত করুন যাতে আমাদের মা-বোনেদের আর রান্নাঘরে উনুন ধরাতে কারও ওপরনির্ভর না করতে হয়। সূর্যদেবতার আশীর্বাদে অনায়াসে রান্না সারতে পারেন, জ্বালানিরখরচও কম হয়। এর মাধ্যমে গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলি উপকৃত হবেন।
শুধু তাই নয়, আজ কাশী এবং পাটনার মাঝে একটি দ্রুতগতিসম্পন্ন রেল পরিষেবাউদ্বোধনের সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এর মাধ্যমে যাত্রীদের একটি দীর্ঘকালের দাবিবাস্তবায়িত হ’ল। এই ট্রেন সকাল ৬টায় কাশী থেকে ছাড়বে, ১০-সওয়া ১০টায় পাটনা পৌঁছেযাবে। পাটনা থেকে বিকেল ৫টায় ট্রেন ছাড়বে, রাত ৯টা-সাড়ে ৯টায় কাশী পৌঁছে যাবে। এইদ্রুৎগতিসম্পন্ন কাশী-পাটনা জনশতাব্দী এক্সপ্রেস চালু করার জন্য আমি রেলমন্ত্রীশ্রী মনোজ সিনহাকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁর নেতৃত্বে রেল পরিষেবাকে কত বেশি গণমুখী করাযায়, তা মাথায় রেখে বহুমুখী কাজ চলছে। ফলস্বরূপ আজ কাশী আর পাটনাবাসীদের অনেকপুরনো ইচ্ছে আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
আমি যখনই কাশীতে আসি এই শহরকে আমার এক রকম দ্বিতীয় বাড়ি বলে মনে হয়।আধ্যাত্মিক বিশ্বে কাশীর পরিচয় যেমন হর হর মহাদেবের সঙ্গে যুক্ত, কাশীর শিল্পগতপরিচয় তেমনই ডিএলডব্ল্যু-র মাধ্যমে হয়। তাই কেন্দ্রীয় সরকার ডিএলডব্ল্যু-র অত্যধিকউন্নয়ন, বিস্তার ও আধুনিকীকরণের মাধ্যমে যথাসম্ভব মানুষের কর্মসংস্থান করতে চায়।সেজন্য অনেক নতুন নতুন প্রকল্প ডিএলডব্ল্যু-র মাধ্যমেও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এগিয়েযাচ্ছি, আগামী দিনে এখানকার স্থানীয় মানুষের জীবনে নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চারের কাজকরবে এই প্রকল্পগুলি।
এই কিছুদিন আগেই আমরা হোলি উৎসব পালন করেছি। আর আজ কেন্দ্রীয় সরকার এইঅঞ্চলে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের মাধ্যমে এই হোলির রঙে নতুনরঙ, নতুন সুরভি ভরে দিয়েছে, নতুন উদ্দীপনা সঞ্চার করেছে। আজ এখানে আমার অসংখ্যদরিদ্র পরিবারকে সরকার প্রদত্ত নতুন বাড়ির চাবি তুলে দেওয়ার সুযোগ হয়েছে। আমিতাঁদের জিজ্ঞেস করছিলাম – আগে কোথায় থাকতেন? অনেকে জবাব দেন যে তাঁরা কাঁচা বাড়িতেথাকতেন, কেউ কেউ বলেন যে, তাঁরা বস্তির ঝুউঁপড়িতে থাকতেন, আবার কেউ বলেন যে,নির্দিষ্ট কোথাও থাকতেন না, বিছানা ভাঁজ করা থাকত, যখন যেখানে সু্যোগ পেতেন বিছিয়েঘুমিয়ে পড়তেন। আমি তাঁদের জিজ্ঞেস করছিলাম যে, নিজস্ব বাড়ি পেয়ে কেমন লাগছে?বাড়িতে গিয়ে দেখে এসেছেন? পছন্দ হয়েছে? কোনও ত্রুটি আছে? এখন কি ছেলেমেয়েদেরবিদ্যালয়ে লেখাপড়া শেখাতে পাঠাবেন?
তাঁরা জবাব দিচ্ছিলেন, অনেকে লজ্জা পাচ্ছিলেন। আমি অনুরোধ করি যে, থাকারজন্য ভালো বাড়ি পেয়েছেন, এখন ছেলেমেয়েদের পড়ানো উচিৎ!
আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, যোগীজি মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ‘মিশন মোড’-এ আবাস যোজনাকার্যকরী করার উদ্যোগ নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্প পূর্বতন সরকারের সময়থেকেই চালু ছিল। আমি কাশীতে এসে বলেছিলাম যে, রাজ্য সরকার এতদিন গৃহহীন মানুষদেরনাম অব্দি পাঠানোর উদ্যোগ নেয়নি। কিন্তু যোগীজি মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতেইগৃহহীন মানুষদের তালিকা তৈরি করে পাঠান। তালিকা পেতেই কেন্দ্রীয় সরকার প্রয়োজনীয়অর্থ পাঠাতে শুরু করে আর ৬ মাসের মধ্যে ৫ হাজারেরও বেশি গৃহ নির্মাণ করে গৃহহীনপরিবারগুলির মাথা গোঁজার ঠাঁই সুনিশ্চিত করে। আগামী দিনে এমনই ৮ লক্ষ পরিবারকেন্যূনতম আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বাসস্থান গড়ে দেওয়ার স্বপ্ন দেখি আমি! আমারদৃঢ় বিশ্বাস, যোগীজির সুযোগ্য নেতৃত্বে আমার এই স্বপ্ন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেইবাস্তবায়িত হবে।
উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিকাঠামো নির্মাণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। রেলপথ, সড়কপথ ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি!আজ শিবপুরী এবং ফুলবেড়িয়ার মধ্যে চারলেনের সড়কপথ নির্মাণের সূচনা করা হচ্ছে। মাঝেদুটো রেলওয়ে ক্রসিং-এর ওপর দিয়ে দুটি উড়ালপুল নির্মিত হবে। বেনারস বিভাগে রেলস্টেশনগুলির আধুনিকীকরণের কাজও চলছে!
আজ আমার ‘কাচরা মহোৎসব’ উদ্বোধনের সৌভাগ্য হয়েছে। যাঁরা মোদীকে পছন্দ করেননা, তাঁরা এ নিয়েও সমালোচনা করবেন যে, আর কিছু বাকি নেই, তাই মোদী এখন ‘কাচরামহোৎসব’ করছে! আমরা পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বর্জ্য থেকে সম্পদসৃষ্টি করতে চাই। আবর্জনাকে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে উপযোগী বস্তুসমূহ তৈরি করাসম্ভব। সেজন্য গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আজ যাঁরা এখানে এসেছেন, তাঁদেরকে অনুরোধকরব, এখানে যে ‘কাচরা মহোৎসব’-এর প্রদর্শনী শুরু হয়েছে – আপনারা অবশ্যই সেটা ঘুরেদেখবেন, যে জলের বোতল আমরা ফেলে দিই, যে পুরনো খবরের কাগজ ফেলে দিই – সেগুলি দিয়েছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কত সুন্দর সব জিনিস বানিয়েছে! বাড়িতে সেগুলি রাখলে অতিথিরাঅবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবেন! প্রতিটি জিনিস কতভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে!
আজ আমি এখানে ‘মিউজিক্যাল পার্টি’ দেখেছি, এক অদ্ভূত গাইয়ে-বাজিয়ের দল –যাঁরা পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির গান গেয়েছেন, কিন্তু তাঁদের বাদ্যসরঞ্জাম ছিল খালি টিনের ডাব্বা। অর্থাৎ তুচ্ছাতিতুচ্ছ বর্জ্য পদার্থকেও কতসুন্দরভাবে ব্যবহার করা যায়, ভালো কাজে লাগানো যায়, কিভাবে সম্ভব সেটা আমি আজ এই‘কচরা মহোৎসব’-এ দেখেছি।
বেনারসে পরিচ্ছন্নতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সারা পৃথিবীর পর্যটকদেরবেনারসের প্রতি আকর্ষিত করতে হবে। বেনারসের সবকিছু আছে, অনেক শতাব্দীকাল ধরেই আছে।পূর্বজরা আমাদের জন্য যে নাম-খ্যাতি ও ঐশ্বর্য রেখে গেছেন, যে ঐতিহ্য রেখে গেছেন,তা দিয়েই পর্যতন শিল্প থেকে বেনারসের অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যসুনিশ্চিত হতে পারে, আমাদের শুধু একটাই কাজ করে যেতে হবে – তা হল নিজেদের বাসস্থানএই পবিত্র নগরীকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা!
এই অভিযানকে সক্রিয় রাখার জন্য আজ থেকে ১৭-২০ বছর পরও যে পরিকাঠামো প্রয়োজনহবে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকার নোংরা জল প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে পরিশুদ্ধ জলউৎপাদনের জন্য প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ‘ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’ স্থাপন করাহচ্ছে। এরফলে, আগামী দিনে বেনারসের মানুষ কতটা লাভবান হবেন – তা আপনারা কল্পনাকরতে পারেন!
কাশী রাজপথ ও গলিগুলিতে বৈদ্যুতিক তার, টেলিফোন ও কেবল টিভির তাঁদের জালশহরের সৌন্দর্য নষ্ট করছে, এ থেকে শহরকে মুক্ত করার জন্য আমরা অভিযান শুরু করেছি।সারা দেশে মাটির নীচ দিয়ে তার বিছানোর এই মহাপ্রকল্পের সূচনা আমি বেনারস থেকেইশুরু করেছিলাম। সেই কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে।
তেমনই সম্প্রতি যোগীজি যে ‘বিনিয়োগকারী শিখর সম্মেলন’-এর আয়োজন করেছিলেন,সেখানে আমি ঘোষণা করেছিলাম একটি ডিফেন্স ম্যানুফ্যাকচারিং করিডর’-এর, এই ডিফেন্সম্যানুফ্যাকচারিং করিডর গড়তে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে আর প্রায় আড়াই লক্ষমানুষের কর্মসংস্থান হবে। এই কাজ শুরু হয়ে গেছে। একাজে যোগীজির নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ সরকারও কেন্দ্রীয় সরকারকে সাহায্য করেছে।
আমি যোগীজিকে এজন্য অভিনন্দন জানাতে চাই যে, তিনি কৃষকদের আয়বৃদ্ধির দিকেবিশেষ নজর দিচ্ছেন। আগে উত্তর প্রদেশে এমএসপি ঘোষিত হ’ত আর সমস্ত উৎপাদিত ধান কেনাহ’ত না। আমি খুশি যে, যোগীজির প্রচেষ্টায় উত্তর প্রদেশে আগের তুলনায় ধান কেনা চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন।
আখের উৎপাদন এবং আখচাষীদের রোজগার বৃদ্ধি আমরা ৪০ শতাংশ বাড়াতে পেরেছি।এভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের নানা প্রকল্প দ্বারা রাজ্যবাসী লাভবান হচ্ছেন। তেমনই বেশকিছু প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করার সৌভাগ্য আজ আমার হয়েছে।
আমরা সবাই মিলে কাশ্মীর উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে হবে। রাজ্য সরকারএবং কেন্দ্রীয় সরকার বহুবিধ প্রকল্প অনুসারে কাশী তথা পূর্ব উত্তর প্রদেশে কাজকরছে। আগামীদিনে আমরা যে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ করে যাচ্ছি, ‘আয়ুষ্মান ভারত’তা বিমা কোম্পানিগুলির সঙ্গে মিলে দরিদ্রদের জন্য বিমার ব্যবস্থা করব। একজন গরিবমানুষ অসুস্থ হলে, গোটা পরিবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। আর্থিক স্থিতি খারাপ হয়ে পড়ে।পরিবারের সমস্ত স্বপ্ন ও পরিকল্পনা ছত্রখান হয়ে পড়ে। সেজন্য গরিব মানুষ অসুস্থহলেও হাসপাতালে যাওয়ার হিম্মত করেন না। এত খরচ কিভাবে সামলাবেন, তাঁর হয়তো বন্ধকদিয়ে টাকা নেওয়ার মতো কিছু নেই!
আমি এই পরিস্থিতি মেনে নিতে পারিনি। সেজন্য আমরা এমন প্রকল্প গড়ে তুলেছি,যার মাধ্যমে দেশের ১০ কোটি দরিদ্র পরিবার অর্থাৎ প্রায় ৫০ কোটি নাগরিক লাভবানহবেন। সেই ১০ কোটি পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে কঠিন অসুখ হলে বছরে ৫ লক্ষ টাকাপর্যন্ত হাসপাতালের খরচ কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিমা সংস্থাদের। পরিণামস্বরূপ যে গরিবআগে হাসপাতালে যেতে ভয় পেতেন, তাঁরা এখন ছোটখাটো অসুখের ক্ষেত্রেও হাসপাতালে যেতে চাইবেন।কারণ, তাঁরা জানেন যে, এখন চিকিৎসার ব্যয়ভার গ্রহণ করবে মোদী সরকার! রুজিরুটিকমানোর জন্য সুস্থ থাকতে হবে! সেজন্য অসুস্থতাকে আর প্রশ্রয় দিলে চলবে না! যেবেসরকারি সংস্থাগুলি এতদিন ছোট ছোট শহরগুলিতে উন্নতমানের হাসপাতাল খুলতেন না,ভাবতেন যে – রোগী আসবে না, এলেও টাকা দিতে পারবে না! কিন্তু আজ টাকা পাওয়ারব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে তাঁরা ছোট ছোট শহরগুলিতেও আধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েউপস্থিত হবেন। এভাবে দেশে স্বাস্থ্য পরিষেবার শক্তিশালী সুরক্ষাজাল হয়ে উঠবে।তাঁরা সাধারণ মানুষকে আরোগ্যের দৃষ্টিকোণ থেকে পরিষেবা প্রদানে প্রস্তুত থাকবে।স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দেশের মানুষকে রোগমুক্তকরার ক্ষেত্রে আমরা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারব।
আমাদের দেশে অপুষ্টি একটা বড় সমস্যা। আমরা ‘পোষণ মিশন’ চালু করেছি। এরমাধ্যমে দেশের দরিদ্র শিশুদের অপুষ্টির সমস্যা দূর করতে তাঁদের নিয়মিত ওজন, উচ্চতাও স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টিবর্ধক ওষুধ ও আহারের ব্যবস্থা করাহয়েছে। মায়েদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে এই প্রকল্প বাবদপ্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে। আমরা এই প্রকল্পের নাম দিয়েছি ‘প্রধানমন্ত্রীপোষণ মিশন যোজনা’ বা পিএমপিএম। আগামী দিনে এই পিএমপিএম দরিদ্র থেকে দরিদ্রতমপরিবার ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ১২-১৪-১৬ বছর বয়সী মেয়েদের পুষ্টি বৃদ্ধিকেঅগ্রাধিকার দিয়ে সমস্ত শিশুর পুষ্টি সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করবে। ১২-১৪-১৬বছর বয়সী মেয়েরা অপুষ্টির শিকার হলে, বয়সের অনুপাতে শরীরের বিকাশ হবে না! কয়েক বছরপর তাঁরা গর্ভবতী হলে, সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় তাঁদের মৃত্যু হতে পারে, সদ্যোজাতশিশুর মৃত্যু হতে পারে। কোনওমতে যদি সদ্যোজাত শিশুটি ও তার মা বেঁচেও যায়, সেইশিশুটি বিকলাঙ্গ বা এতই দুর্বল হয়ে পরে যে তার মা’কে সারাজীবন তার সেবাতেই জীবনকাটাতে হবে। এই সমস্ত দুর্ভাবনা থেকে মুক্তি প্রদানে রজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীপোষণ মিশন যোজনা চালু করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি।
আমার প্রিয় কাশীবাসীগণ, উন্নয়নের এই সমস্ত প্রকল্পের মাধ্যমে কাশীর জনগণউপকৃত হবেন। গঙ্গার সঙ্গে যুক্ত আমাদের সমস্ত প্রকল্প তীব্রগতিতে এগিয়ে চলেছে,আগামী দিনে আপনারা সেগুলির মাধ্যমেও লাভবান হবেন।
আমি আরেকবার এই বহুবিধ প্রকল্পের কাজ তীব্রগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যযোগীজির সরকারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আজ আপনারা যে অদ্ভুত স্বাগত-সম্মানপ্রদর্শন করেছেন, তার জন্য আরেকবার কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মাথা নত করে আপনাদের প্রণামজানাই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
PG/ SB/ SB
I am happy to be in Kashi and inaugurate development projects that will benefit the citizens: PM @narendramodi in Varanasi https://t.co/jGmfset4bR
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
The people of Kashi extended a very warm welcome to President @EmmanuelMacron: PM @narendramodi https://t.co/jGmfset4bR
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
A rail service that connects Kashi and Patna has been launched: PM @narendramodi https://t.co/jGmfset4bR
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
काशी और पटना को जोड़ने के लिए एक नई और तेज रेल सेवा शुरू हुई है। जनसेवा के लिए रेल का उपयोग कैसे हो, ये इसका नतीजा है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
DLW काशी की औद्योगिक पहचान; भारत सरकार इसके निरंतर विकास और अपग्रेडेशन के लिए प्रतिबद्ध: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
I would like to appreciate the efforts of the @myogiadityanath-led UP Government in the housing sector and to ensure that more people get access to housing facilities: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
I went to a unique programme in Varanasi- a Kachra Mahotsav. Such festivals are vital to spread awareness on cleanliness: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
आज हम waste से wealth की दिशा में आगे बढ़ रहे हैं और कचरा महोत्सव का आयोजन इसी का प्रतीक है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
बनारस में पर्यटन की अपार संभावनाएं; यह धरती हमारे पूर्वजों की देन है और हमें इसे स्वच्छ रखना है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
Ayushman Bharat is going to transform the health sector. It will provide top quality healthcare to the poor: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
‘आयुष्मान भारत’ योजना के तहत गरीब परिवारों को 5 लाख तक का अस्पताल का खर्च उपलब्ध कराया जाएगा और आरोग्य की दिशा में यह अत्यंत महत्त्वपूर्ण सिद्ध होगा: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
हमारे बच्चे कुपोषण मुक्त हों, इसके लिए हमने प्रधानमंत्री पोषण मिशन योजना के तहत गरीब और मध्यम वर्गीय परिवार को सहयोग उपलब्ध कराने का बीड़ा उठाया है: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018
The @myogiadityanath-led UP Government is doing wonderful work. They are implementing schemes extremely well. I congratulate the entire team in UP: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) March 12, 2018